ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২,৯৩৭ মামলা


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২,৯৩৭ মামলা

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৯৩৭ টি মামলা দায়ের করেছে।

আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৫ টি বাস, ৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৯ টি সিএনজি ও ৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১১২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ২৭ টি সিএনজি ও ৮০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭২ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৩ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ২৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৫১ টি সিএনজিসহ মোট ৩৩৯ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৬ টি বাস, ৫৪ টি ট্রাক, ৪৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৫৩ টি সিএনজিসহ ও ১৫১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৩ টি বাস, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ২৮ টি সিএনজি ও ৮৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২০ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৪৬ টি বাস, ২২ টি ট্রাক, ৩৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৮ টি সিএনজি ও ২৭০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬১৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫৩ টি বাস, ১৫ টি ট্রাক, ৩০ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৯ টি সিএনজি ও ২৭১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৬৬ টি মামলা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৪ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ২৭ টি সিএনজি ও ১৩২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে মোট ৬৪৬ টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৪০১ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: জাপানের ‘ও-সোজি’ মডেলে ডিসি ফরিদার ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফায় সংস্কারের দাবি ফিফপ্রো ইউরোপের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ফিফায় সংস্কারের দাবি ফিফপ্রো ইউরোপের

ফিফার বাতিল হওয়া ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রস্তাব ফুটবল শাসন ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য ত্রুটি প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে ইউরোপের ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রো ইউরোপ। সোমবার প্রকাশিত একটি গবেষণায় তারা ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

ফিফপ্রো ইউরোপের মতে, এফএফই উদ্যোগটি বিশ্বকাপসহ অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতাগুলোকে বেসরকারি মূলধনের সম্পদে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই বছর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন, কিন্তু ব্যাপক বিরোধিতার কারণে এটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

যদিও প্রস্তাবটি বাতিল হয়েছে, তবুও যে শাসন কাঠামোতে এটি তৈরি হয়েছিল, তার ত্রুটি এখনো বিদ্যমান বলে মনে করছে ইউনিয়নটি।

২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৮৫৬ খেলোয়াড়কে নিয়োগ দিয়েছে ইউরোপীয় ক্লাবগুলো, যাদের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন ইউরো (১৯.৮ বিলিয়ন ডলার)। এটি পুরো টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় মূল্যের ৯৪%।

গত পাঁচটি বিশ্বকাপে সব ২০ জন ব্যক্তিগত পুরস্কারজয়ী খেলোয়াড় ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলেছেন।

বিশ্বকাপের রাজস্বের মধ্যে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রাইজমানি ২০০৬ সালে ১০.৫% থেকে ২০২৬ সালে কমে ৭.৭% এ দাঁড়িয়েছে।

ফিফপ্রো ইউরোপের বক্তব্য, "FFE ছিল ফুটবলের মূল প্রতিযোগিতাগুলোকে বিনিয়োগযোগ্য ও বাণিজ্যযোগ্য সম্পদে রূপান্তরের চেষ্টা," প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউনিয়নটি বলেছে, ছোট ফেডারেশনগুলোর উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধি করা জরুরি, তবে এটি একতরফাভাবে নয়, বরং সকল স্টেকহোল্ডারের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত।

তারা ফিফা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বাধীন পর্যালোচনা দাবি করেছে, যাতে কোনো একক অফিস থেকে বড় পরিবর্তন চাপিয়ে দেওয়া না হয়।

খেলোয়াড়, ক্লাব ও লিগগুলোকে জাতীয় সংস্থার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবল শাসনে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফিফা যুক্তি দিয়েছে যে, ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার বিরোধিতা মূলত তাদের আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা।

ফিফপ্রো ইউরোপ বলছে, খেলোয়াড়রা সামান্য অংশই পাচ্ছে, অথচ ফেডারেশনগুলো প্রাইজমানির ওপর নির্ভরশীল।

ফিফপ্রো ইউরোপ মনে করে ফুটবলের "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো" রক্ষায় এখনই সংস্কারের প্রয়োজন, নাহলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতা-পিতা,শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং মাদক ও ইভটিজিং এর কুফল নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


মাতা-পিতা,শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং মাদক ও ইভটিজিং এর কুফল নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের লাইছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিতা-মাতা ও শিক্ষকের প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের কর্তব্য, মাদকের কুফল এবং ইভটিজিংয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ আলোচনায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলাবোধ, পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করেন মধ্যনগর থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন।
তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছাকাছি গিয়ে মমত্ববোধ সৃষ্টি করে মাদকের ভয়াবহতা ও এর সামাজিক কুফল এবং ইভটিজিং এর বদঅভ্যাসের আইনী প্রতিকারের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এসময় বক্তারা বলেন, মাদক একজন শিক্ষার্থীর সুন্দর ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে নানা ধরনের অপরাধ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই মাদক থেকে দূরে থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া ইভটিজিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়। ইভটিজিং শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

উন্মুক্ত আলোচনায় শিক্ষার্থীরা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহাবুদ্দিন শাহীন সাবের সাথে আন্তরিকতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা প্রশ্ন করেন এবং তিনি শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও অপরাধবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জনসচেতনতা ও পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জনসচেতনতা ও পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি উল্লেখ করেছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা এবং খাদ্য পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধুমাত্র সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এই কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে আরও ব্যাপকভাবে চালাতে হবে।

আজ মঙ্গলবার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কারণ, একটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে তারা কী ধরনের খাদ্য গ্রহণ করছে তার ওপর। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা করে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা থেকে আমাদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুদের খাদ্যাভ্যাসের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে। প্যাকেটজাত বিভিন্ন খাবার ও পানীয় সম্পর্কে মানুষের সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে এবং খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দিতে হবে। বর্তমানে দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে যে আটটি মোবাইল ল্যাব রয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয়। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলায় মোবাইল ল্যাবের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে দ্রুত খাদ্যপণ্যের প্রাথমিক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

তিনি বলেন, ল্যাবরেটরিতে খাদ্যপণ্যের পরীক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উত্থাপিত দাবিগুলো যৌক্তিক। পর্যায়ক্রমে এসব বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

বিদেশে প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া কর্মকর্তাদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সুযোগ দিচ্ছে। এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশে ফিরে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।

মতবিনিময় সভায় খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে অনেক বিষয় অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। তবে এজন্য বসে থাকলে চলবে না; দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপদ রাখতে কর্তৃপক্ষের সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সচিব শ্রাবস্তী রায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন- তায়েফ আলী ও কর্মচারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন নূরন নবী। সভায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে খাদ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মিনি ল্যাব (মোবাইল ভ্যান) ও ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট ল্যাব অপারেটররা মন্ত্রীকে মিনি ল্যাব ও ল্যাবরেটরির কার্যক্রম এবং খাদ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


বগুড়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা

বগুড়ার শেরপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে, লেবেল না থাকা এবং লাইসেন্স না নেওয়ার কারণে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। অভিযানে বিএসটিআইয়ের প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক কার্যালয় বগুড়ার ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. শাহানূর হোসেন খান। সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন সহকারী পরিচালক (সিএম) মো. দেলোয়ার হোসেন।

অভিযান চলাকালে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার ধুনট মোড়ে হোটেল আখিমনিকে ৫০ হাজার টাকা এবং মা-মনি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর পাশাপাশি বাসস্ট্যান্ড এলাকার শম্পা দধি ভান্ডারকে ১০ হাজার, চৈতি দধি ভান্ডারকে ২৫ হাজার এবং সাউদিয়া ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিএসটিআইয়ের সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় কিছু প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে দই তৈরি ও বিক্রির পাশাপাশি লেবেলবিহীন পণ্য বিক্রির অনিয়মও ধরা পড়ে। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় লাইসেন্সও ছিল না।

বিএসটিআইয়ের বগুড়ার ফিল্ড অফিসার মো. শাহানূর হোসেন খান মন্তব্য করেন, অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাত দিনের মধ্যে ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন করার এবং লাইসেন্স নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%