শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১০ পি.এম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থার আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ের ছোট দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মাসে নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট প্রদান করতে হবে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসে ৫০০ টাকা, উপজেলা পর্যায়ে ১ হাজার টাকা এবং জেলা সদর ও জেলা পৌর শহর এলাকায় ২ হাজার টাকা হারে ভ্যাট আদায় করা হতে পারে। এনবিআর মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ জমা দেওয়ার সুযোগ রাখার পরিকল্পনাও করছে, যা ভ্যাট পরিশোধের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন উপজেলার বাজার, বিপণিবিতান এবং দোকানের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। কোথায় কতটি দোকান রয়েছে, দোকানের ধরন কী এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে ইউনিয়ন পর্যায় থেকেও একই ধরনের তথ্য নেওয়া হবে।
এনবিআরের সংগৃহীত একটি তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নুর নাহার প্লাজায় ৫২টি দোকান রয়েছে, যার মধ্যে চারটি দোকানে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) রয়েছে। রংপুর সিটির বেতপট্টি বাজারে দোকানের সংখ্যা ১২১টি, অন্যদিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী বাজারে ৫০টি দোকান রয়েছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাজারগুলোতে দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহের পর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত ভ্যাটের আওতায় কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান আনা হবে, তা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনবিআর সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের তিন থেকে পাঁচ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে এই নির্ধারিত ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, উপজেলা পর্যায়ের বাজার, বিপণিবিতান এবং দোকানের তালিকা ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে আসতে শুরু করেছে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ভ্যাটের নির্ধারিত হার চূড়ান্ত করা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের জন্য ভ্যাট পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজ করতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের ব্যবস্থা চালু করা হবে। ভবিষ্যতে এ কাজে আলাদা একটি অ্যাপ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট আরোপের উদ্যোগ নতুন হলেও এর সঙ্গে পুরোনো প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থার মিল রয়েছে। প্রায় এক দশক আগে শহরাঞ্চলের ছোট ব্যবসায়ীদের লেনদেনের পরিমাণ বিবেচনা না করে নির্দিষ্ট হারে মাসিক ভ্যাট দিতে হতো। ওই ব্যবস্থা প্যাকেজ ভ্যাট নামে পরিচিত ছিল। ২০১৯ সালে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হওয়ার পর প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
এবার এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ের ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট অঙ্কের ভ্যাট দিতে হবে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রি বা লেনদেন ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণত ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য। তবে ৫০ লাখ টাকার নিচে বার্ষিক বিক্রি বা লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।
এই পরিস্থিতিতে ভ্যাটের আওতা বাড়াতে ন্যূনতম নির্ধারিত ভ্যাট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এর মাধ্যমে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও কর ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট খাত থেকে ২ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদেরও ভ্যাটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৪৯০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে।
বিজিবি’র ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শুক্রবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে ঝিনাইগাতি উপজেলার গোমড়া সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারীরা নিষিদ্ধ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট পাচারের চেষ্টা করছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) একটি বিশেষ টহল দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪৯০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও দু’টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের বাজার মূল্য আনুমানিক একলাখ ৭৩ হাজার টাকা।
বিজিবি’র ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরণের চোরাচালানি মালামাল পাচার এবং অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সম্পূর্ণ অর্থায়নে এক সেমিস্টার পড়াশোনার সুযোগ নিয়ে এসেছে কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি বা ইয়েস প্রোগ্রাম। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস স্প্রিং ২০২৭ সেমিস্টারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন জমা দিতে পারবেন।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাইস্কুলে এক সেমিস্টার পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি, তারা আমেরিকান কোনো স্বনামধন্য পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করবেন। এই সুযোগের মাধ্যমে মার্কিন সমাজের সংস্কৃতি, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
প্রোগ্রামটির অধীনে শুধুমাত্র পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষাই নয়; বরং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে উদ্ভাবন, ব্যবসা ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত বিভিন্ন আধুনিক কার্যক্রমেও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, বিশ্বব্যাপী তরুণ নেতৃত্বের একটি আন্তর্জাতিক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করাই এ প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার একটি অনন্য বিনিময়ের সেতু নির্মাণ করা হবে।
পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সম্পদ নেটওয়ার্ক (আইইআরএন) বাংলাদেশের সহায়তায় আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে চালু হওয়া ইয়েস প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩০ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে এই শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালে আদনান আল রাজীব পরিচালিত ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে প্রবেশ করেন শবনম ফারিয়া। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন এই অভিনেত্রী। ছোট পর্দায় এক সময় তিনি বেশ ব্যস্ত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের তালিকায় ছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে শবনম ফারিয়াকে অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত দেখা যায় না। বিভিন্ন সময় তার ভক্ত ও দর্শকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, কেন এই অভিনেত্রী অভিনয়ে অনিয়মিত?
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। শবনম ফারিয়া জানিয়েছেন, অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও তিনি নিয়মিত কাজ করতে চান না।
ফারিয়া বলেন, "আমি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছি, সে জায়গা থেকে নিয়মিত ২২-২৩ দিন অভিনয় করা সম্ভব না। আমি অভিনয় করতে চাই। কিন্তু নিয়মিত যে কাজ, সেটা আমি আর করতে চাই না। বছরে ৫-৬টি কাজ করতে চাই।"
অভিনয়জীবনে শবনম ফারিয়া বেশ কিছু জনপ্রিয় খণ্ড নাটকে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে, ‘কালো বরফ’, ‘মাকে আমার পরে না মনে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘তবু ভালোবাসি তোমায়’ ও ‘মাছ পাখি ও তুমি’।
এছাড়া ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে তার উল্লেখযোগ্য কাজ ‘সোনার সেকল’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘বকুলপুর’ ও ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’।
ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় পর্দাতেও নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন শবনম ফারিয়া। ২০১৮ সালে দেবী সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে।
বর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ের বাইরে থাকলেও বছরে হাতে গোনা কয়েকটি বাছাই করা কাজে অভিনয় করার ইচ্ছা রয়েছে এই অভিনেত্রীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা-৪ আসনের (চরফ্যাশন ও মনপুরা) সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন মন্তব্য করেছেন, ‘৫ লক্ষ টাকার কাজে একটি বাল্বও লাগানো হয়নি, এটি শুনে আমি নিজেই দুঃখিত। এই টাকা সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। আমরা যদি পুরোপুরি ডকুমেন্টস পাই, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করার চেষ্টা করবো।’
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নুরুল ইসলাম নয়ন আরও বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চরফ্যাশন হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য আবেদন পাঠিয়েছি। এই হাসপাতালে আরও ডাক্তার এবং জনবল প্রয়োজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আমি বলেছি, তাদের দাবি জানাতে। তাহলে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘হাসপাতালটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আমি শুরু থেকেই তাগিদ দিয়েছি। আজ এসে মনে হচ্ছে, আগের চেয়ে পরিবর্তন হয়েছে। সেবার মান উন্নত করার জন্য নার্স এবং ভালো বেডের প্রয়োজন রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘আমি আশা করছি, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের মধ্যে চরফ্যাশন হাসপাতালটি বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ যেন অযথা রোগীদের সেবার কাজে বাধা প্রদান না করে। আমরা সেই বিষয়টিও মাথায় রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতা করবো।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক সিকদার হুমায়ুন কবির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু, চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল গোলদার এবং চরফ্যাশন হাসপাতালের টিএস আশরাফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ