ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ১৮তম সংশোধনী হবে ঐতিহাসিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ১৮তম সংশোধনী হবে ঐতিহাসিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্ট কোনো শক্তির এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত কোনো মাফিয়া শক্তিকে বাংলাদেশের জনগণ রাজনীতি করার সুযোগ আর দেবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত।

বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি তুলে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিচারিক প্রক্রিয়া আদালতের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা করছে।

এছাড়াও তিনি মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও বিচারের আওতায় আনা হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সাংবিধানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সংস্কার কমিশন বা রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি বাস্তব পরিবর্তনের জন্য সংসদে সংবিধানের ১৮তম সংশোধনী গ্রহণ প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

তিনি উল্লেখ করেন, এটি হবে শতাব্দীর সবচেয়ে ঐতিহাসিক সংশোধনী, যার প্রত্যাশা নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদরা প্রাণ দিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। বিগত সরকারের গুম, খুন এবং ‘আয়নাঘর’-এর প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আয়নাঘরে ৬১ দিন থাকার অভিজ্ঞতা আছে আমার। সেখানে ২৪ ঘণ্টা থাকা কঠিন। আমরা সেখানে থেকেছি। ইলিয়াস আলীসহ অসংখ্য মানুষ গুম হয়েছেন এবং এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। আহতদের শ্রেণিভিত্তিক তালিকা করে সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। যারা এখনো তালিকাভুক্ত হতে পারেননি, তাদের দ্রুত অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারি এবং বিরোধী দল হিসেবে মতপার্থক্য থাকবে, তবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বাংলাদেশে আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির ভিডিও সরানো নিয়ে মার্ক জাকারবার্গকে ৩ দিনের সময়সীমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


মোদির ভিডিও সরানো নিয়ে মার্ক জাকারবার্গকে ৩ দিনের সময়সীমা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটির সংসদীয় যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

কমিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে এবং এ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আল্টিমেটাম দিয়েছে।

অন্যথায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির মূল প্রতিষ্ঠান মেটার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি করেছে কমিটি। বিজেপি সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কমিটির ভাষ্য মতে, ১৪০ কোটিরও বেশি ভারতীয় জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সরিয়ে নেওয়া কোনো প্রযুক্তিগত ভুল নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে।

গত ২৩ জুলাই মোদি ইনস্টাগ্রামে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেন। পরে সেটি ফেসবুকেও শেয়ার করা হয়। ভিডিওটিতে মোদি বিশেষভাবে ‘জেন-জি’ প্রজন্মের উদ্দেশে বার্তা দেন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তবে ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড হওয়ার পর অল্প সময়ের জন্য সীমাবদ্ধ বা সরিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে মেটা দ্রুত ভিডিওটি পুনরায় চালু করে।

এ ঘটনার পর চলতি সপ্তাহে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মেটার কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি ভিডিও সরিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’ হিসেবে উল্লেখ করে এবং দুঃখ প্রকাশ করে।

তবে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মেটার এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, যদি এটি সত্যিই প্রযুক্তিগত ত্রুটি হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটার উচিত দ্রুত তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। এর ফলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটুক।

কমিটি জানিয়েছে, তিন দিনের মধ্যে যদি মার্ক জাকারবার্গ ক্ষমা না চান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে মেটার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয়া হবে। এরপর কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি এফআইআর দায়েরের পথও উন্মুক্ত হতে পারে।

কমিটির মতে, সেফ হারবার সুরক্ষা উঠে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিতে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

নিশিকান্ত দুবে অভিযোগ করেন, মেটা দীর্ঘদিন ধরে ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষার সুযোগের অপব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখেছি যে, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও মুছে ফেলা কোনো মধ্যস্থতাকারীর (ইন্টারমিডিয়ারি) কাজ নয়, এটি প্রকাশকের (পাবলিশার) ভূমিকার মধ্যে পড়ে। তাই মার্ক জাকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতেই হবে। তা না হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য দেওয়া সেফ হারবার সুরক্ষা প্রত্যাহারের সুপারিশ করব।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘যদি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা মেটা প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের শুরু করেন, তাহলে দেশজুড়ে অসংখ্য মামলা হতে পারে এবং দায়ীদের আইনি পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যুতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ পি.এম


দেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যুতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নানা ইস্যু সৃষ্টি করে ফ্যাসিবাদ মুক্ত দেশকে কেউ কেউ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে কিছু লোক অহেতুক ইস্যু তৈরি করে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা শুরু করে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিগুলি তৈরি করে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত পরাজিত পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পন্থা খুলে দিচ্ছে কিনা, সেটি আমরা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

বুধবার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন করেন। সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন সরকারের কর্মকাণ্ডের আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও সংরক্ষিত নিদর্শন পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে প্রচুর মানুষ গুম, অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন এবং এতে আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান দমনে গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল। আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস উপস্থাপন করবে। এটি শুধু ২০২৪ সালের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের ধারক হিসেবেও কাজ করবে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের প্রতিটি ঘটনার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার আইনর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। এটি কোনো প্রতিহিংসামূলক বিচার হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হচ্ছে এবং অনেক আহত যোদ্ধাকে নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

দেশ পুনর্গঠনের বিষয়ে তিনি জানান, শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিও কাজ শুরু করেছে।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশ আর কখনোই তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না- এই প্রত্যাশায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।

এ সময় জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থপতি, ইতিহাসবিদ, গবেষক ও শিল্পীদের ধন্যবাদ জানান এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস বলেন, এই জাদুঘরটি আমাদের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝামাঝিতে দাঁড়িয়ে আছে এই জাদুঘর। এখান থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে। আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেব।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর নানা দেশে নানা জাদুঘর আছে। তারা অতীতের অনেক জিনিস সংগ্রহ করে জাতির সামনে তুলে ধরে। কিন্তু এই জাদুঘরটি একেবারেই ভিন্ন। এখানে অতীতের কোনো সংগ্রহ নেই, বরং একেবারে টাটকা নতুন ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোই সংগ্রহ করা হয়েছে। এমন জাদুঘর পৃথিবীতে আর আছে কিনা আমার জানা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

গাইবান্ধা, ৫ অগাস্ট, ২০২৬ : গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলার সাত উপজেলার ২৫২ জন জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের প্রত্যেকের হাতে সম্মাননা সূচক হিসেবে ক্রেস্ট এবং উন্নত মানের একটি করে আমের চারা বিতরণ করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম লেবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, জেলা পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন, জুলাই যোদ্ধা আমিনুল হক, রিয়াদ হাসান রহমান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই যোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, প্রিন্ট- ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মীসহ অনেকেই।

আলোচনা সভায় জুলাই যোদ্ধারা বলেন, আমরা শুধু ভাতা কিংবা নামের জন্য এই আন্দোলন করি নাই, শুধু রক্ত দিই নাই। আমরা মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। দেশের জনগণ যে আকাঙ্খায় রাস্তা নেমে এসে হাসিনাকে তাড়িয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়।

এরআগে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বপ্নের সুরে এগিয়ে চলা মধুপুরের গীতিকার আমিনুল ইসলাম সেলিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


স্বপ্নের সুরে এগিয়ে চলা মধুপুরের গীতিকার আমিনুল ইসলাম সেলিম

কেউ লেখেন শখের বসে, আবার কেউ লেখেন অনুভূতির টানে। আবার কেউ কেউ জীবনের প্রতিটি অনুভবকে শব্দের মধ্যে গেঁথে সুরের জন্য তুলে রাখেন। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের মহিষমারা গ্রামের বাগানবাড়ি চৌরাস্তার কৃতিসন্তান আমিনুল ইসলাম সেলিম সেই স্বপ্নবাজ মানুষদেরই একজন। পেশাগত জীবনে তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হলেও তাঁর হৃদয়জুড়ে বাস করে বাংলা গান। সেই ভালোবাসাই তাঁকে গড়ে তুলেছে একজন উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় গীতিকার হিসেবে।

ছোটবেলা থেকেই বাংলা গান ছিল তাঁর নিয়মিত সঙ্গী। বিভিন্ন শিল্পীর গান শোনার মাধ্যমে একসময় তাঁর মনে জন্ম নেয় নিজেই গানের কথা লেখার প্রবল আগ্রহ। ধীরে ধীরে সেই আগ্রহ একটি সৃষ্টির আনন্দে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময়ের নিরলস চর্চায় তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ৫২০টি গান রচনা করেছেন।

গানের বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রেও তিনি বৈচিত্র্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আধুনিক, লোকগান, রোমান্টিক, দেশাত্মবোধকসহ নানা ধারার গান লিখে তিনি নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলছেন। তাঁর ভাষায়, মানুষের সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, দেশপ্রেম এবং জীবনের নানা অনুভূতিই তাঁর লেখার প্রধান অনুপ্রেরণা।

আমিনুল ইসলাম সেলিমের লেখা বেশ কয়েকটি গান ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং শ্রোতাদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এর মধ্যে "চাইলেই যদি মরণ পাওয়া যেতো" এবং "জীবনটা যদি রং আর তুলি হতো" উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি প্রকাশিত "এত ভালোবাসলাম তোরে" ও "তুমি বাহিরে সুন্দর" গান দুটি ফেসবুক ও ইউটিউবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গানপ্রেমীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাঁর সৃষ্টিশীলতার পথে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে।

বর্তমানে তাঁর নতুন গানের কাজ চলছে। এর মধ্যে "স্বপ্নে আসো আমার বুকে" শিরোনামের গানটির ভিডিও নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই গানটি প্রকাশিত হবে এবং সেটিও শ্রোতাদের ভালোবাসা অর্জন করবে।

আমিনুল ইসলাম সেলিম মনে করেন, বাংলা গান কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম বাহক। তাই তিনি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুস্থ, রুচিশীল ও হৃদয়স্পর্শী গান রচনার মাধ্যমে বাংলা সংগীতকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান।

মধুপুরের এই তরুণ গীতিকারের স্বপ্ন এখন আরও বড় পরিসরে তাঁর লেখাকে ছড়িয়ে দেওয়া। তাঁর বিশ্বাস, নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং সৃজনশীলতা থাকলে একদিন তাঁর গান দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নেবে। স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীদেরও প্রত্যাশা, আমিনুল ইসলাম সেলিম ভবিষ্যতে বাংলা গানের জগতে একজন প্রতিষ্ঠিত গীতিকার হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করবেন এবং মধুপুরের নাম আরও উজ্জ্বল করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%