রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৫ পি.এম
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৫ টাকা। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। তবে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে বলে দেখা গেছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হিলি বাজারে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য ছিল ৩৫ টাকা। এই হিসাবে, সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১০ টাকা।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা নুরুল ইসলাম জানান, ‘গত কয়েক দিন ধরে বৈরী আবহাওয়া ও বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকেরা বাজারে পেঁয়াজ কম আনছেন। এর ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামে দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে মোকামে প্রতি মণ পেঁয়াজ এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে এক হাজার ৮০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচও বেড়েছে। অন্যদিকে মোকামে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। আবহাওয়া ভালো হলে কৃষকেরা বাজারে পেঁয়াজ বেশি সরবরাহ করবেন।’ তখন সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে নিম্নআয়ের মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম বাড়তি থাকায় তাদের সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন জানান, ‘জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা কোন পণ্য কত দামে কিনছেন, তা ক্রয় রসিদের মাধ্যমে যাচাইয়ের পাশাপাশি বিক্রয়মূল্যও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল) থেকে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এবং তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জন আসামির বিরুদ্ধে আরো চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই মামলায় মোট ৫৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন কালের কণ্ঠকে জানান, ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরো ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে মামলাটিতে মোট ৫৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো। আদালত আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে, চলতি বছরের ১১ মার্চ মামলায় ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তার পূর্বে, ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউসিবি ব্যাংক থেকে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, জাবেদ তার মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহকে মালিক দেখিয়ে দুটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। পরে জাল নথিপত্র তৈরি করে ইউসিবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিলেও তা উপেক্ষা করা হয়। দুদকের দাবি, পরবর্তীতে ওই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী ও ইউসিবিএলের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান, সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী ও রোকসানা জামান চৌধুরী।
এছাড়া সাবেক পরিচালক বশির আহমেদ, আফরোজা জামান, সৈয়দ কামরুজ্জামান, মো. শাহ আলম, মো. জোনাইদ শফিক, অপরূপ চৌধুরী, তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান, ইউনুছ আহমদ, হাজী আবু কালাম, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরীসহ মোট ৩৬ জন আসামি রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি বৃহত্তম শহরের নিকটে পৃথক বন্দুক হামলার ঘটনায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২৭ জন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৬ জন। দ্য গার্ডিয়ান স্থানীয় পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত গাউটেং প্রদেশের ওয়েডেলা টাউনশিপের একটি পানশালায় (বার) বন্দুকধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করে এবং আহত করে ১৫ জনকে। দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশ সার্ভিস জানায়, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ দল একে-৪৭ রাইফেল ও পিস্তল নিয়ে পানশালাটিতে হামলা চালায়।
অন্যদিকে, কেপটাউনের নিকটবর্তী ল্যান্ডল এলাকার একটি মাংস বিক্রির কেন্দ্রে আরেকটি বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১০ জন নিহত হন এবং ১১ জন আহত হন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় জড়িত সন্দেহে আটজন সশস্ত্র ব্যক্তির সন্ধান চলছে। তবে হামলার কারণ বা গুলিবর্ষণের পেছনের উদ্দেশ্য এখনও পরিষ্কার নয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
এই দুটি ভয়াবহ হামলার মাত্র কয়েক দিন আগে ডারবান শহরের কাছে একটি পারিবারিক পার্টিতে তিন বন্দুকধারী হামলা চালিয়েছিল। সেই ঘটনায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ মোট ১১ জন নিহত হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে মধ্য সোনাকুর গ্রামে পাল পাড়ায় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড় ৬টার দিকে আকস্মিক তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বসতভিটা ও বিদ্যুৎ লাইন, যার ফলে পুরো এলাকা এখন বিদ্যুৎহীন ও চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে হঠাৎ নদীর তীরে ভাঙন শুরু হলে ঘরবাড়িতে থাকা মানুষজন তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। নদীভাঙনে স্থানীয় মনা মালোর বসতঘরটি চোখের পলকে নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী লোকনাথ মন্দির, কালী মন্দির, দুর্গা মন্দির, শীতল মন্দির ও গঙ্গা মন্দির মারাত্মক ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে এই মন্দিরগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে গ্রামের অমল পাল, পরিমল পাল, তৃপ্তি পাল, রবি মালো, বিপুল মালো, সুজন মালো, সঞ্জীব মালো ও রমেন পালসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি বসতবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভিটেমাটি হারানোর ভয়ে গৃহহীন ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। উল্লেখ্য, এর আগেও এই এলাকার ২০ থেকে ২২টি বসতবাড়ি সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত অমল পাল ও রবি মালো জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি আমাদের ঘরের ফাটল ধরেছে। প্রাণ বাঁচাতে কোনোমতে ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে আসি।
অপর ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল মালো হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গ্রামের পাঁচটি মন্দিরই এখন ভাঙনের মুখে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব আসন্ন দুর্গাপূজা আয়োজন করা নিয়ে আমরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছি।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গৃহহারা ও আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন সেই চিন্তায় তাদের চোখে-মুখে এখন শুধুই দিশেহারা ছাপ।
ভাঙনের খবর পেয়ে আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার জেলা পর্যায়ের একটি সভায় ব্যস্ত থাকায় আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সদর নরোত্তমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেন মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিরহাট উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুল বাছেত হিরণ, নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবলু, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাকি বিল্লাহ তুষার ও দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজসহ অনেকে।
বক্তারা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ, ব্যাগ, কলম ও ডায়েরি তুলে দেওয়া হয়। কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ