শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ এম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন’ সম্পর্কিত গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে হেলথ ইনস্যুরেন্স ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি হেলথ সেন্টার ও তিনটি করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। তিনি জানান, প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য ওয়েলবিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার করে ১ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এসব সেন্টারে রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিভিন্ন স্ক্রিনিং করার সুযোগ থাকবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে যে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শতভাগ উপযোগী হলেও একসাথে সব কিছু বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। তাই সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে পাইলট স্কিম হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুক হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের অটোমেশন পদ্ধতিতে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়নে কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না। অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে বদলি ও পদায়ন করা হবে। এতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অটোমেশন পদ্ধতিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে তাদের পছন্দ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হচ্ছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা বা অন্য কোনো প্রভাবের সুযোগ নেই।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. মো. নাজমুল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বজুড়ে দূষণের মাত্রা বাড়ছে। এই প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা, যেখানে বাতাসের দূষণের মাত্রা যেন কমছে না। টানা কয়েকদিন ধরে ঢাকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। ছুটির দিনে নগরীর বাতাসের দূষণের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৮১, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।
একই সময়ে তালিকার শীর্ষে থাকা সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর শহরেও বায়ুদূষণের ভয়াবহ চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। শহরটির বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ২৩৬, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে, ঢাকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হওয়া ছাড়াও তালিকায় আরও ১০টি শহর রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, পাকিস্তানের লাহোর, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, আরব আমিরাতের দুবাই, ইতালির মিলান, ভারতের কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লি, বাহরাইনের মানামা এবং ভিয়েতনামের হেনোয় শহর।
এছাড়া, বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর শহরের তালিকায় ১৩টি শহর রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভিয়েতনামের হো চি মিন, ইরাকের বাগদাদ, ইসরাইলের তেল আবিব-ইয়াফো ও জেরুজালেম, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কুয়েতের কুয়েত সিটি, কাতারের দোহা, আজারবাইজানের বাকু, কঙ্গোর কিনশাসা, পাকিস্তানের করাচি, নেপালের কাঠমান্ডু, চীনের হাংজু এবং উজবেকিস্তানের তাসকেন্ত।
একিউআইয়ের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মানকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। এই ধরনের বায়ু সবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলেও শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকি বেশি।
ঢাকার বায়ুদূষণের পেছনে অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, যানবাহনের ধোঁয়া ও ধুলাবালিসহ বিভিন্ন কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। এসব দূষণকারী উপাদান বায়ুর মানের অবনতি ঘটিয়ে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা এই বায়ুদূষণের কারণে বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের নির্গমন কমানো এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও পরিবেশবিষয়ক নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার বায়ুর মান উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটছে না জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর। ফিফা কাউন্সিলের সভায় বিতর্কিত পরিকল্পনার জন্য ক্ষমা চাইলেও ইউরোপীয় ফুটবল কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশের দাবি উঠেছে, যাতে জানা যায় পরিকল্পনাটি কেন নেয়া হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন।
জুরিখে অনুষ্ঠিত সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠকে কাউন্সিল সদস্যদের আগে না জানিয়ে পরিকল্পনা তৈরির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন ফিফা সভাপতি। তবে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ফিফার সহসভাপতি ডেবি হিউইটের মতে, ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়।
হিউইট জানান, বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। কেন প্রয়োজনীয় নথি প্রকাশ করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তারা তুলেছেন। তাকে বলা হয়েছে, প্রশ্নগুলো লিখিতভাবে জমা দিতে হবে।
২০২৬ বিশ্বকাপের পর সামনে আসা এফএফই পরিকল্পনায় ফিফার ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব ছিল। বিতর্কের মুখে ইনফান্তিনো কয়েক দিনের মধ্যেই সেটি বাতিল করেন।
এদিকে, ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাও এ বিষয়ে নথি প্রকাশের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি আদালতে আবেদন করেছে। ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতির কথাও তারা জানিয়েছে।
নথি প্রকাশ ও প্রশ্নগুলোর জবাব না মেলায় ফিফাপ্রধানের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক এখনো অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সবুজবাগ সরকারি স্কুল ও কলেজে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ মন্তব্য করেন, ‘শিক্ষা জীবনের পথ অনেক দীর্ঘ। এই পথ অতিক্রম করতে হলে কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য প্রয়োজন। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো পর্যন্ত হাল ছাড়া যাবে না।’ তিনি আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রপতি কলিন পাওয়েলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘কোনো স্বপ্ন জাদুতে বাস্তবে পরিণত হয় না; এর জন্য প্রয়োজন ঘাম, দৃঢ় সংকল্প ও কঠোর পরিশ্রম।’
মেধাবী ও শিক্ষিত হলেও অহংকার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমরা আগামী দিনের বাংলাদেশ। দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে এবং দেশসেবায় নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। আগামী দিনের যেকোনো সমস্যা সমাধানে তরুণ প্রজন্মকেই নেতৃত্ব দিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, জননী, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষা—এই তিন ‘মা’কে সব সময় হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। তিনি মিথ্যা, মাদক ও মুখস্থবিদ্যার মতো তিন ‘ম’কে মনেপ্রাণে বর্জন করার আহ্বান জানান।
শিক্ষাকে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল সনদ অর্জন নয়; বরং দক্ষতা, বাস্তব জীবনের সক্ষমতা ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করা। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে একটি সাধারণ প্রকল্প হিসেবে না দেখে জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে।
শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, শিক্ষকেরা জাতির মেরুদণ্ড গড়ার নিপুণ কারিগর। তাদের যথাযথ সম্মান জানালেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সম্মানিত হবে।
সবুজবাগ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নূর আকতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিটন মাহমুদসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ এবং দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবারের এই পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। অবকাঠামোর গুণগত মান, স্থায়িত্ব ও নান্দনিকতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্ত্রী পরিদর্শনকালে প্রকল্পের সুরক্ষা দেয়াল ও শাটারিংয়ের কাজের মান যথাযথভাবে বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি, পার্শ্ববর্তী দেয়ালের ফিনিশিং কাজ আরও দৃষ্টিনন্দন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেন।
প্রকৌশলগত দক্ষতার সঙ্গে স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্মাণশৈলী একটি দেশের কারিগরি দক্ষতার পরিচয় বহন করে। তাই কেবল প্রকল্প শেষ করাই যথেষ্ট নয়; অবকাঠামোর স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য ও সামগ্রিক মানের দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’ তিনি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নির্ধারিত মান অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনের সময় সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ মন্ত্রীকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রকল্পের তথ্যমতে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি ৯৮.৫০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮২.৮৬ শতাংশ হয়েছে। পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক প্রশস্তকরণের পাশাপাশি এই দোতলা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি চালু হলে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সহজ ও দ্রুত হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন এবং স্থানীয় শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে বিশেষ গতিশীলতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ