মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
দীর্ঘ ১২ বছরের বিরতির পর ফের একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে। তাঁদের নতুন ছবি ‘দেশু ৭’-এর টিজার প্রকাশের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে দুই তারকা পুরোনো স্মৃতি, বর্তমান সম্পর্ক এবং নতুন ছবির শুটিং নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
এর আগে ‘ধূমকেতু’ ছবিতে দীর্ঘ বিরতির পর তাঁদের জুটি দর্শকদের সামনে ফিরে এসেছিল। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা দেখে শুভশ্রীর সঙ্গে আবার পর্দায় কাজ করার চিন্তা করেছিলেন দেব। সেই ভাবনা থেকেই তিনি শুভশ্রীকে ফোন করেন।
আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতি উঠে আসে। দেব জানান, শুভশ্রীর বিয়ের আগের দিনও তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল। তবে তাঁদের আলোচনার বিষয় ছিল সিনেমা। শুভশ্রী দেবের কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, দেবের কাজের খবর তিনি রাখতেন এবং একসময় তাঁকে পরিচালকের আসনে দেখতে চেয়েছিলেন।
শুভশ্রীর মুখে নিজের খবর রাখার কথা শুনে দেব মজা করে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি আমার খবর রাখতে?’ জবাবে শুভশ্রী বলেন, ‘খবর তো সবাই রাখে।’
দুজনের বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও স্পষ্ট কথা বলেছেন দেব। তাঁর মতে, তাঁদের মধ্যে এখনও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বিদ্যমান এবং দেখা হলে সৌজন্য বিনিময় হয়। কিন্তু এই সাধারণ বিষয় নিয়েও মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অকারণ কাটাছেঁড়া শুরু হয়।
নতুন ছবির শুটিং নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেন। বাজেটের কথা বিবেচনা করে প্রথমে লাদাখের পরিবর্তে ব্যাংককে শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেব আপস করতে চাননি। তাই লাদাখেই ছবির শুটিং হয়েছে। ১২ বছর পর রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে শুরুতে দুজনের কিছুটা অস্বস্তি হয়েছিল। পরে সময়ের সঙ্গে পেশাদার অভিনেতার মতো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন তাঁরা।
আড্ডায় তাঁদের একে-অন্যের পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়। শুভশ্রী জানান, আলাদা করে কোনো ওয়ার্কশপ হয়নি; পরিচালক দেবের নির্দেশনা মেনেই তিনি অভিনয় করেছেন।
দেবের দৃষ্টিতে, শুভশ্রী এখন অনেক বেশি পরিণত। প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতাও তাঁর বেড়েছে। এরপর দেবের মন্তব্যে আড্ডা কিছুটা আবেগঘন হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘এই পরিণত বোধটা তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না। তখন দু’জনেই সরল ছিলাম।’
দেবের এই মন্তব্যে মুহূর্তের জন্য বদলে যায় আড্ডার পরিবেশ। তবে হাসি-ঠাট্টার মধ্যেই পরিস্থিতি সামলে নেন দুজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি উল্লেখ করেন, "যেহেতু আমরা গণতান্ত্রিক সরকার, মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার, তাই চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।"
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। তিনি ড. আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। আমরা জানিয়েছি চলতি অর্থ বছরে নির্বাচন হবে।"
মীর শাহে আলম আরও বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে রাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। "স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ভারতের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই আমরা। এ বিষয়ে হাইকমিশনারের সাথে আলোচনা হয়েছে।"
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দীনেশ ত্রিবেদী এ সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদেরও শুভেচ্ছা জানান। বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ও বিকৃত ছবি তৈরি করে প্রশাসনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম।
তার অভিযোগ, স্থানীয় এক নারী রাজনৈতিক নেত্রী এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর ছবি বিকৃত ও কৃত্রিমভাবে তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ধারণা সৃষ্টি করা এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা আটক করার পরিস্থিতি তৈরি করা।
মাছুদুর রহমান আসলামের দাবি, ওই ছবিগুলো দেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা আটক করার বিষয়েও প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ছবিগুলো তাঁর বাস্তব ছবি নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা বিকৃত করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
মাছুদুর রহমান আসলামের অভিযোগ, চাঁদমারি এলাকার দীর্ঘদিনের কিছু ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ওই এলাকার একজন ব্যবসায়ীকে বিভিন্নভাবে ভুল বোঝানো এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠার একটি পরিকল্পনার সঙ্গে তাঁকে বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতিতে তালাশ বিডির অনুসন্ধানী কর্মকাণ্ড একটি পক্ষের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ওই পক্ষ সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে আগে বিতর্কিত বা হয়রানির মুখে ফেলতে চাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, চাঁদমারি এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে কারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এবং গত আগস্টের পর ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কারা চাঁদাবাজি, ভূমি দখল কিংবা বিভিন্ন স্টল ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত—এসব বিষয়ে তালাশ বিডির কাছে তথ্য ও অনুসন্ধানী উপাত্ত রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মাছুদুর রহমান আসলাম বলেন, বর্তমানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কারও ছবি তৈরি, পরিবর্তন কিংবা বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হলেও আমি ভয় পাইনি। কারণ আমি জানি, প্রযুক্তি দিয়ে ছবি তৈরি করা সম্ভব হলেও সত্য পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা বা হয়রানির উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত হয়রানি নয়, বরং ভবিষ্যতে যে কারও জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করবেন—এটাই প্রত্যাশিত। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির এই সময়ে ছবি, ভিডিও বা ডিজিটাল তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হতে পারেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম।
রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনিতে মাদকের কারবার: তালাশ বিডির বিশেষ অনুসন্ধান
বরিশালের রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনি এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের সাম্রাজ্য ও এর পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্রকে উন্মোচিত করতে এক বিশেষ অনুসন্ধান চালিয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি।
মাদক বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রকৃতপক্ষে কার পকেটে যাচ্ছে? এই অবৈধ কারবারের নেপথ্যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়া রয়েছে কি না—এমন নানা প্রশ্নের সত্যতা অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে তালাশ বিডির সরেজমিন প্রতিনিধি দল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বহু তথ্য, যা শিগগিরই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু:
অর্থের মূল গন্তব্য: মাদকের সিন্ডিকেট থেকে সংগৃহীত অর্থের সিংহভাগ কাদের কাছে পৌঁছায়?
নেপথ্যের কারিগর: কলোনি এলাকার এই অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কোন প্রভাবশালী চক্র প্রভাব বিস্তার করছে?
প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রভাব: মাদকের এই ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পেতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে তালাশ বিডির বিশেষ প্রাপ্তি।
এসব প্রশ্নের বস্তুনিষ্ঠ উত্তর ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত এক্সক্লুসিভ তথ্য জানতে চোখ রাখুন আগামীকালের তালাশ বিডি-র পর্দায়।
প্রিয় পাঠক, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের পাশে থাকতে এবং সত্য অনুসন্ধানের এই অগ্রযাত্রায় আমাদের সাথেই থাকুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন, দেশের জনগণ ও নির্বাচিত সরকারই নির্ধারণ করবে দেশের জন্য কীটি ভালো। তিনি অতীতের বিষয়গুলোতে আটকে না থেকে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যে টানাপোড়েন রয়েছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "আমি একজন রাষ্ট্রদূত। অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলা উচিতও নয়।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, নির্বাচিত সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ভালো বুঝবে মানুষের জন্য কী ভালো, সেটাই আসল কথা।"
দুই দেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত ‘পিপল টু পিপল’ সম্পর্ক। তিনি বলেন, "দুই দেশের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা দুই দেশেরই দায়িত্ব।"
তিনি বলেন, "আমরা সবসময় বলি, আমরা একটি স্বপ্ন শেয়ার করি, সীমান্ত শেয়ার করি। তাই প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।"
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, "উই আর ইকুয়াল, নোবডি বিগ, নোবডি স্মল।" বাংলাদেশ ও ভারত সমান অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশেরই নিজেদের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সেসব চ্যালেঞ্জকে বিবেচনায় নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "অতীতকে ভুলে যাওয়া যায় না, কিন্তু অতীতে আটকে থাকারও কোনো সুযোগ নেই। অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।"
দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, মানুষের স্বার্থে কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আরও বেশি মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন।
এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, "মন্ত্রী একজন ‘স্টেটসম্যান’ এবং তার অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ