প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ও বিকৃত ছবি তৈরি করে প্রশাসনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম।
তার অভিযোগ, স্থানীয় এক নারী রাজনৈতিক নেত্রী এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর ছবি বিকৃত ও কৃত্রিমভাবে তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ধারণা সৃষ্টি করা এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা আটক করার পরিস্থিতি তৈরি করা।
মাছুদুর রহমান আসলামের দাবি, ওই ছবিগুলো দেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা আটক করার বিষয়েও প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ছবিগুলো তাঁর বাস্তব ছবি নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা বিকৃত করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
মাছুদুর রহমান আসলামের অভিযোগ, চাঁদমারি এলাকার দীর্ঘদিনের কিছু ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ওই এলাকার একজন ব্যবসায়ীকে বিভিন্নভাবে ভুল বোঝানো এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠার একটি পরিকল্পনার সঙ্গে তাঁকে বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতিতে তালাশ বিডির অনুসন্ধানী কর্মকাণ্ড একটি পক্ষের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ওই পক্ষ সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে আগে বিতর্কিত বা হয়রানির মুখে ফেলতে চাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, চাঁদমারি এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে কারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এবং গত আগস্টের পর ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কারা চাঁদাবাজি, ভূমি দখল কিংবা বিভিন্ন স্টল ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত—এসব বিষয়ে তালাশ বিডির কাছে তথ্য ও অনুসন্ধানী উপাত্ত রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মাছুদুর রহমান আসলাম বলেন, বর্তমানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কারও ছবি তৈরি, পরিবর্তন কিংবা বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হলেও আমি ভয় পাইনি। কারণ আমি জানি, প্রযুক্তি দিয়ে ছবি তৈরি করা সম্ভব হলেও সত্য পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা বা হয়রানির উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত হয়রানি নয়, বরং ভবিষ্যতে যে কারও জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করবেন—এটাই প্রত্যাশিত। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির এই সময়ে ছবি, ভিডিও বা ডিজিটাল তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হতে পারেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম।
রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনিতে মাদকের কারবার: তালাশ বিডির বিশেষ অনুসন্ধান
বরিশালের রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনি এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের সাম্রাজ্য ও এর পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্রকে উন্মোচিত করতে এক বিশেষ অনুসন্ধান চালিয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি।
মাদক বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রকৃতপক্ষে কার পকেটে যাচ্ছে? এই অবৈধ কারবারের নেপথ্যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়া রয়েছে কি না—এমন নানা প্রশ্নের সত্যতা অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে তালাশ বিডির সরেজমিন প্রতিনিধি দল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বহু তথ্য, যা শিগগিরই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু:
অর্থের মূল গন্তব্য: মাদকের সিন্ডিকেট থেকে সংগৃহীত অর্থের সিংহভাগ কাদের কাছে পৌঁছায়?
নেপথ্যের কারিগর: কলোনি এলাকার এই অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কোন প্রভাবশালী চক্র প্রভাব বিস্তার করছে?
প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রভাব: মাদকের এই ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পেতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে তালাশ বিডির বিশেষ প্রাপ্তি।
এসব প্রশ্নের বস্তুনিষ্ঠ উত্তর ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত এক্সক্লুসিভ তথ্য জানতে চোখ রাখুন আগামীকালের তালাশ বিডি-র পর্দায়।
প্রিয় পাঠক, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের পাশে থাকতে এবং সত্য অনুসন্ধানের এই অগ্রযাত্রায় আমাদের সাথেই থাকুন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন