মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা রেস্ট হাউসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবে হায়াতের সভাপতিত্বে এবং প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর অতিক্রম করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাস সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ইতিহাস।”
তিনি আরও বলেন, “দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। মধ্যনগরসহ সুনামগঞ্জ-১ আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে হবে। আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য কামাল হোসেন, মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিপ্লব তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোসারফ হোসেন, চামরদানী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কামাল খন্দকার, দক্ষিণ বংশিকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহেবুর আলম, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল গণি রুবেল, জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এম শহীদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম সাইফুল, যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান জিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোসাব্বির হোসেন সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরিদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আশা করছে যে, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেওয়া হবে না, তেমনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসীকে ভারত তাদের ভূখণ্ডে জায়গা দেবে না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, এ ধরনের বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে তা সম্পর্ক উন্নয়নের পথ তৈরি করবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির জানান, সফরের জন্য কোনো তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে সফরের সময় নির্ধারণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যাব—এটা ঠিক আছে।
কিন্তু কোনো তারিখ সেট হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে ৫ আগস্টের একটি ঘটনা ঘটেছে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে।
আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এখন আলোচনা চলছে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং সময় অনুকূল হলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন।’
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। কোনো একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না।
বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়ন এবং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির জানান, সরকার বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এজন্য যাত্রীসেবা বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট ও এয়ারক্রাফট নেটওয়ার্ক বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এভিয়েশন সেক্টরে যাত্রীসেবা পূরণ করতে হবে এবং বাংলাদেশকে এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব ও গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন রুটে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আপনি যদি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস দেখেন, তারা প্রায় সব জায়গায় পৌঁছায়। আমাদেরও চাহিদা আছে। কিন্তু আমাদের এয়ারক্রাফট নেটওয়ার্ক সেই চাহিদা অনুযায়ী নয়।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতাও বাড়ছে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কেনার সক্ষমতা যেখানে আছে, আমরা কিনতে থাকব এবং কিনব। এটি চলমান প্রক্রিয়া।’
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠকের পর বাংলাদেশ এতে যুক্ত হতে পারে বলে যে বক্তব্য এসেছে, তার অর্থ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
চুক্তিতে যোগ দিতে বাংলাদেশের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জরুরি কি না এবং বাংলাদেশ যোগদানের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি তিনি।
তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ, দেশের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিবেচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের ১১টি জেলায় রাত ১টার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা প্রদান করেছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
০১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার (দীপু) কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার (দীপু) রাঙামাটি জেলার উন্নয়ন কার্মকান্ডে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের পূর্ণসহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মো. আবুল হাসেম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অরুনজিতা চাকমা, বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সভাপতি সুজন চাকমা, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকো চাকমা, জেলা কমিটির সদস্য সাইমুন ইসলাম, মোহাম্মদ ফয়সাল ও কল্পনা চাকমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার (দীপু) কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে জেলা পরিষদ থেকে ফেরার পথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদকে আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করেছিলো।
আওয়ামীলীগ দলীয় লোকজন আর তাদের দলীয় ঠিকাদার ব্যতিত প্রায় সাড়ে ১৮ বছর ধরে সাধারণ জনগণ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের কোন ধরনের সুবিধাভোগি ছিলেন না। সাধারণ গরিব মানুষ সরকারি আর্থিক সাহায্য পাওয়ার জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিসের সামনে ধরনা দিয়ে বসে থাকতে হতো।
২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগের ১৭ বছরের পতন হয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান বিএনপি সরকারের মেয়াদ ছয় মাস ইতোমধ্যে মান্যবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়নে উল্লেখ্যযোগ্য ভাল কাজ করে যাচ্ছেন। পাহাড়-সমতল এর উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূমিকা প্রসংশনীয়।
বিএনপির প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশী। তাই এই সরকারকে সময় দিতে হবে।
তিনি বলেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুসহ পর্ষদে সকল সদস্যের প্রতি আহবান থাকবে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের কার্যালয় যেন দলীয় কার্যালয়ে পরিনত করা না হয়।
চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু বাবুর মাধ্যমে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ যেন জনবান্ধব এবং রাঙামাটি জেলার উন্নয়নের প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে যেন জেলার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে।
জেলার একমাত্র বাম ধারার প্রগতিশীল রাজনীতিক পার্টি এবং বিএনপির শরিক দলের জেলা নেতা নির্মল বড়ুয়া মিলন নবগঠিত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পর্ষদ সদস্যের প্রতি এই আহবান জানান।
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার (দীপু)কে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের সদস্য হলেন : শাশ্বত চাকমা, বিল্টু চাকমা, সুবিমল চাকমা, অনিল বরণ চাকমা, উথোয়াইমং মারমা, পাইচিং মং মারমা, প্রেমা তালুকদার, তিমথী খিয়াং, সুপর্ণ দেব বর্মণ, মোহাম্মদ মানুনুর রশিদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক, নন্দিতা দাশ ও চন্দ্রা চাকমা।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সকল দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপনে ২০২৪ সালে গঠিত পরিষদ বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ