মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২২ পি.এম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ও বিকৃত ছবি তৈরি করে প্রশাসনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম।
তার অভিযোগ, স্থানীয় এক নারী রাজনৈতিক নেত্রী এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর ছবি বিকৃত ও কৃত্রিমভাবে তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ধারণা সৃষ্টি করা এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা আটক করার পরিস্থিতি তৈরি করা।
মাছুদুর রহমান আসলামের দাবি, ওই ছবিগুলো দেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা আটক করার বিষয়েও প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ছবিগুলো তাঁর বাস্তব ছবি নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা বিকৃত করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
মাছুদুর রহমান আসলামের অভিযোগ, চাঁদমারি এলাকার দীর্ঘদিনের কিছু ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ওই এলাকার একজন ব্যবসায়ীকে বিভিন্নভাবে ভুল বোঝানো এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠার একটি পরিকল্পনার সঙ্গে তাঁকে বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতিতে তালাশ বিডির অনুসন্ধানী কর্মকাণ্ড একটি পক্ষের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ওই পক্ষ সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে আগে বিতর্কিত বা হয়রানির মুখে ফেলতে চাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, চাঁদমারি এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে কারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এবং গত আগস্টের পর ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কারা চাঁদাবাজি, ভূমি দখল কিংবা বিভিন্ন স্টল ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত—এসব বিষয়ে তালাশ বিডির কাছে তথ্য ও অনুসন্ধানী উপাত্ত রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মাছুদুর রহমান আসলাম বলেন, বর্তমানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কারও ছবি তৈরি, পরিবর্তন কিংবা বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হলেও আমি ভয় পাইনি। কারণ আমি জানি, প্রযুক্তি দিয়ে ছবি তৈরি করা সম্ভব হলেও সত্য পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা বা হয়রানির উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত হয়রানি নয়, বরং ভবিষ্যতে যে কারও জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করবেন—এটাই প্রত্যাশিত। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির এই সময়ে ছবি, ভিডিও বা ডিজিটাল তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হতে পারেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম।
রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনিতে মাদকের কারবার: তালাশ বিডির বিশেষ অনুসন্ধান
বরিশালের রাজ্জাক স্মৃতি বালুর মাঠ কলোনি এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের সাম্রাজ্য ও এর পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্রকে উন্মোচিত করতে এক বিশেষ অনুসন্ধান চালিয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি।
মাদক বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রকৃতপক্ষে কার পকেটে যাচ্ছে? এই অবৈধ কারবারের নেপথ্যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়া রয়েছে কি না—এমন নানা প্রশ্নের সত্যতা অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে তালাশ বিডির সরেজমিন প্রতিনিধি দল। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বহু তথ্য, যা শিগগিরই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু:
অর্থের মূল গন্তব্য: মাদকের সিন্ডিকেট থেকে সংগৃহীত অর্থের সিংহভাগ কাদের কাছে পৌঁছায়?
নেপথ্যের কারিগর: কলোনি এলাকার এই অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কোন প্রভাবশালী চক্র প্রভাব বিস্তার করছে?
প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রভাব: মাদকের এই ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পেতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে তালাশ বিডির বিশেষ প্রাপ্তি।
এসব প্রশ্নের বস্তুনিষ্ঠ উত্তর ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত এক্সক্লুসিভ তথ্য জানতে চোখ রাখুন আগামীকালের তালাশ বিডি-র পর্দায়।
প্রিয় পাঠক, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের পাশে থাকতে এবং সত্য অনুসন্ধানের এই অগ্রযাত্রায় আমাদের সাথেই থাকুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন, দেশের জনগণ ও নির্বাচিত সরকারই নির্ধারণ করবে দেশের জন্য কীটি ভালো। তিনি অতীতের বিষয়গুলোতে আটকে না থেকে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যে টানাপোড়েন রয়েছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "আমি একজন রাষ্ট্রদূত। অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলা উচিতও নয়।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, নির্বাচিত সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ভালো বুঝবে মানুষের জন্য কী ভালো, সেটাই আসল কথা।"
দুই দেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত ‘পিপল টু পিপল’ সম্পর্ক। তিনি বলেন, "দুই দেশের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা দুই দেশেরই দায়িত্ব।"
তিনি বলেন, "আমরা সবসময় বলি, আমরা একটি স্বপ্ন শেয়ার করি, সীমান্ত শেয়ার করি। তাই প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।"
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, "উই আর ইকুয়াল, নোবডি বিগ, নোবডি স্মল।" বাংলাদেশ ও ভারত সমান অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশেরই নিজেদের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সেসব চ্যালেঞ্জকে বিবেচনায় নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "অতীতকে ভুলে যাওয়া যায় না, কিন্তু অতীতে আটকে থাকারও কোনো সুযোগ নেই। অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।"
দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, মানুষের স্বার্থে কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আরও বেশি মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন।
এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, "মন্ত্রী একজন ‘স্টেটসম্যান’ এবং তার অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা রেস্ট হাউসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবে হায়াতের সভাপতিত্বে এবং প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর অতিক্রম করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাস সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ইতিহাস।”
তিনি আরও বলেন, “দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। মধ্যনগরসহ সুনামগঞ্জ-১ আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে হবে। আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য কামাল হোসেন, মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিপ্লব তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোসারফ হোসেন, চামরদানী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কামাল খন্দকার, দক্ষিণ বংশিকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহেবুর আলম, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল গণি রুবেল, জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এম শহীদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম সাইফুল, যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান জিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোসাব্বির হোসেন সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরিদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আশা করছে যে, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেওয়া হবে না, তেমনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসীকে ভারত তাদের ভূখণ্ডে জায়গা দেবে না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, এ ধরনের বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে তা সম্পর্ক উন্নয়নের পথ তৈরি করবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির জানান, সফরের জন্য কোনো তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে সফরের সময় নির্ধারণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যাব—এটা ঠিক আছে।
কিন্তু কোনো তারিখ সেট হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে ৫ আগস্টের একটি ঘটনা ঘটেছে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে।
আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এখন আলোচনা চলছে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং সময় অনুকূল হলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন।’
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। কোনো একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না।
বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়ন এবং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির জানান, সরকার বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এজন্য যাত্রীসেবা বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট ও এয়ারক্রাফট নেটওয়ার্ক বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এভিয়েশন সেক্টরে যাত্রীসেবা পূরণ করতে হবে এবং বাংলাদেশকে এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব ও গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন রুটে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আপনি যদি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস দেখেন, তারা প্রায় সব জায়গায় পৌঁছায়। আমাদেরও চাহিদা আছে। কিন্তু আমাদের এয়ারক্রাফট নেটওয়ার্ক সেই চাহিদা অনুযায়ী নয়।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতাও বাড়ছে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কেনার সক্ষমতা যেখানে আছে, আমরা কিনতে থাকব এবং কিনব। এটি চলমান প্রক্রিয়া।’
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠকের পর বাংলাদেশ এতে যুক্ত হতে পারে বলে যে বক্তব্য এসেছে, তার অর্থ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
চুক্তিতে যোগ দিতে বাংলাদেশের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জরুরি কি না এবং বাংলাদেশ যোগদানের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি তিনি।
তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ, দেশের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিবেচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ