ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘গুমের তদন্ত অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে হওয়া উচিত’


‘গুমের তদন্ত অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে হওয়া উচিত’

> রাজনীতি

> এবি পার্টি

‘গুমের তদন্ত অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে দিতে হবে’

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে। দলটি মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় গুম, নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নাগরিকের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তাহীনতার স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত আইনগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।

ইতিহাসেরবই পড়ুন

দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

এবি পার্টির নেতারা উল্লেখ করেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত এমন কোনো বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখা উচিত নয়, যাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে অতীতে গুমের অভিযোগ উঠেছে। গুমের তদন্তে কোনো বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নির্ভরতা দূর করে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

ক্যালেন্ডারঅ্যাপ বাছুন

তারা আরও বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কমিশনকে নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল, স্বাধীন বাজেট এবং অবাধ পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে। সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্রসহ দেশের সব হেফাজতস্থলে পূর্বানুমতি ছাড়া পরিদর্শনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

নেতারা উল্লেখ করেন, গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শুধু সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের নয়, বরং নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী, সহযোগী এবং কমান্ড দায়ে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার আইনে সুস্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল সম্পর্কে এবি পার্টির নেতারা বলেন, বাবা-মা বা কোনো দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করলেও তাদের ব্যবহার ও ভোগের অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্য মানবিক। তবে এই আইনের বিষয়ে মুসলিম আইন বা শরিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু আছে কি না, তা বিবেচনার জন্য ওলামায়ে কেরামের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

তারা সতর্ক করে বলেন, মালিকানা ও ভোগাধিকার পৃথক হয়ে গেলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি বিক্রি, বন্ধক, ভাড়া দেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ, কর প্রদান এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আইনটি বাস্তবায়নের আগে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান থাকা জরুরি। দান, হেবা, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তরসংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে নতুন বিধানের সামঞ্জস্য স্পষ্ট করার পাশাপাশি বাবা-মায়ের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।

মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী, কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্র হবে জনতার এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ দেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য ডেনমার্কে খুলছে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


১৬ দেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য ডেনমার্কে খুলছে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ

 

নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ১৬টি দেশের নাগরিকদের জন্য ডেনমার্কে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেখানে যোগ্য নিয়োগকর্তারা তাদের নিয়োগ দিতে পারবেন। খবর অনুযায়ী

ফ্র্যাগোমেন নামক অভিবাসন বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন ব্যবস্থা বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ডেনিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সুযোগ বৃদ্ধি করবে। চীন, জাপান, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মলদোভা, মন্টেনেগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং সার্বিয়ার নাগরিকরা এই ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউক্রেনের নাগরিকরাও এই কর্মসংস্থান ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

 

তালিকায় আলবেনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল এবং কানাডার নামও রয়েছে। এসব দেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য ডেনমার্কে চাকরি ও ক্যারিয়ার গড়ার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নতুন এই অভিবাসন পথ সব নিয়োগকর্তার জন্য উন্মুক্ত থাকবে না। বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

 

প্রথমত, প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাসঙ্গিক কোনো যৌথ শ্রমচুক্তির আওতায় থাকতে হবে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির অন্তত দুই বছরের কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ডেনমার্কে ওই প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১০ জন পূর্ণকালীন কর্মীও থাকতে হবে।

শর্ত পূরণকারী নিয়োগকর্তাদের ডেনিশ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর তারা নির্ধারিত শর্ত পূরণের একটি সনদ পাবেন।

সনদ পাওয়ার পরেই নতুন ব্যবস্থার আওতায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা সম্ভব হবে।

নতুন ব্যবস্থায় নিয়োগ পাওয়া বিদেশি কর্মীদের জন্য ন্যূনতম বার্ষিক বেতন ৩ লাখ ২২ হাজার ড্যানিশ ক্রোনার নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ গ্যাস জনগণের অধিকার, কারও দয়া নয়: ব্যারিস্টার নাজিবুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


বিদ্যুৎ গ্যাস জনগণের অধিকার, কারও দয়া নয়: ব্যারিস্টার নাজিবুর

> জাতীয়

বিদ্যুৎ ও গ্যাস জনগণের মৌলিক অধিকার, এটি কারও দয়া নয়—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি বলেছেন, জনগণ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করে এবং নিয়মিত কর প্রদান করে। তাই ঘরে আলো জ্বলা এবং চুলায় আগুন থাকা জনগণের অধিকার।

সোমবার জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা বলেন।

 

নাজিবুর রহমান বলেন, কৃষকের কঠোর পরিশ্রমের অর্থ, শ্রমিকের উপার্জন এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ থেকে জ্বালানি খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি প্রদান করা হয়। সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, এটি ন্যায়বিচারের একটি অংশ।

জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, দেশের জ্বালানির ভাগ্য যেন কোনো একটিমাত্র জাহাজ, টার্মিনাল বা বিশেষ চুক্তির ওপর নির্ভরশীল না হয়।

সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সমালোচনা করে নাজিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটের সমাধানে সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কোনো আশার আলো দেখাতে পারছে না। তিনি বলেন, সমস্যার সমাধান না করে বসে বসে দিন গোনা ছাড়া সরকারের আর কিছু করার নেই—এমন বক্তব্যও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, জ্বালানি খাতের সমস্যার প্রকৃত কারণ আড়াল করে তার দায় বিরোধী দলের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ছয় মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেখানোর চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে তাদের প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়নি। বরং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তারা এই প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছেন। একই সঙ্গে একটি কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, তার উদাহরণ সৃষ্টি করাও এর মূল উদ্দেশ্য।

নাজিবুর রহমান আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবেন যে জ্বালানি খাতের বর্তমান সমস্যার মূলে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং সরকারের অযোগ্য নেতৃত্ব। এসব সংকট নিরসনে তাদের উপস্থাপিত প্রস্তাবনায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সমাধানের পথও তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী আর্চারির উন্নয়নে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা-আর্চারি ফেডারেশনের সমঝোতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ পি.এম


নারী আর্চারির উন্নয়নে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা-আর্চারি ফেডারেশনের সমঝোতা

বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান নারী আর্চারদের তুলে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ধানমণ্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এই পদক্ষেপের সূচনা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। তারা এই পরিকল্পনার বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরেন।

এই প্রশিক্ষণ আর্চারি ফেডারেশনের উন্নত কোচিং ফ্যাসিলিটি, ইকুইপমেন্ট এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মালিকানাধীন ডরমিটরিতে সুরক্ষার সুব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে কোচের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের তারকা আরচার বিউটি রায়।

 

প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ জন শারীরিক ও মানসিকভাবে উপযুক্ত মেয়েকে বাছাই করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যারা খেলাটির জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চতা ও শারীরিক শক্তি সম্পন্ন।

কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল উল্লেখ করেন যে, আর্চারি এমন একটি খেলা নয় যা হুট করে গড়ে ওঠে। একটি মানসম্মত খেলোয়াড় তৈরি করতে সর্বনিম্ন তিন বছর সময় প্রয়োজন হয়। ২০৩২ অলিম্পিক গেমসে দেশের জন্য বড় সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী মেয়েরা অধিকাংশই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী।

 

তাদের পড়াশোনা বন্ধ না করে, বরং স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকা এবং পড়ার চাপ কম থাকে এমন সময়ে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা জানান, মেয়েদের পারিবারিক জীবন ও পড়াশোনার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শুরুতে প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সাপোর্ট এবং ইকুইপমেন্ট সহায়তা ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন প্রদান করবে। পরবর্তীতে বিশ্বমানের সেরা কোম্পানির ডিসকাউন্ট প্রাইজে এসব যন্ত্রপাতি খেলোয়াড়দের মাঝে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা হবে। এই যৌথ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অর্জিত ধারাবাহিক সাফল্যের ধারাকে বজায় রাখতে এবং মহিলা আর্চারির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আংশিক শূন্যতা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রধানমন্ত্রী যখন ১০০-১৫০ টাকায় দুপুরের খাবার খান, প্রশংসাকারীরা তা অনুসরণ করেন না কেন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


‘প্রধানমন্ত্রী যখন ১০০-১৫০ টাকায় দুপুরের খাবার খান, প্রশংসাকারীরা তা অনুসরণ করেন না কেন’

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, "যারা প্রধানমন্ত্রী ১০০-১৫০ টাকায় লাঞ্চ করার প্রশংসা করেন, তারা কেন তার জীবনধারা অনুসরণ করেন না?"

তিনি সোমবার জাতীয় সংসদে এ মন্তব্য করেন।

ডিজিটালম্যাপ দেখুন

জামায়াতের নেতা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী সাদামাটা পোশাক পরিধান করেন এবং ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন। তার এই সরল জীবনযাপন সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে, যারা প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর সরল জীবনযাপনের প্রশংসা করেন, তাদেরও উচিত সেই জীবনধারা অনুসরণ করা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "শুধু মুখে প্রশংসা না করে নেতার ভালো দিকগুলো নিজেদের জীবনেও অনুসরণ করা প্রয়োজন।"

এ সময় জামায়াত আমির পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ও স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে দেশের স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি সংসদ সদস্যদের নিজেদের ও আত্মীয়স্বজনের স্বার্থের বাইরে গিয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করেন, পারিবারিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত স্বার্থ যেন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব না ফেলে।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%