০৩:০১ এম
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে নেদারল্যান্ডস ও জাপান। দুই দলই নিজেদের গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। এর ফলে, এই ম্যাচটিকে দেখা হচ্ছে নকআউট পর্বের আগাম পরীক্ষার মঞ্চ হিসেবে।
নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নেওয়া রোনাল্ড কুমান। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে দলে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার যোগ্যতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু আসর শুরুর আগেই ক্লাব ফুটবলে যোগ দিতে দায়িত্ব ছাড়েন। সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব পর্যায়ে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও, তিনি আবারও জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন।
নেদারল্যান্ডসের মাঝে অন্যতম ভরসা হল তেইয়ানি রেইন্ডার্স। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি ইউরোপের সেরা মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। আক্রমণ ও রক্ষণে সমান দক্ষ এই ফুটবলারের পারফরম্যান্সের ওপর অনেকটা নির্ভর করবে নেদারল্যান্ডসের সাফল্য।
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু লাল গ্রেফতার
অন্যদিকে, জাপানও এসেছে শক্তিশালী দল নিয়েই। প্রধান কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর দল আক্রমণাত্মক ফুটবলের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে রক্ষণাত্মক কৌশলও দারুণভাবে প্রয়োগ করতে পারে। দীর্ঘদিন চোটে ভোগার পর অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তাকেহিরো তোমিয়াসুর দলে ফেরা জাপানের জন্য বড় এক স্বস্তি।
মাঝমাঠে অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দোর নেতৃত্ব, দাইচি কামাদার সৃজনশীলতা এবং আও তানাকার কর্মক্ষমতা জাপানকে দিয়েছে বাড়তি শক্তি। আর আক্রমণভাগে দাইজেন মায়েদা দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। তবে নির্ভরযোগ্য একজন খাঁটি গোলদাতার অভাব জাপানের বড় দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গ্রুপের অন্য দুই দল সুইডেন ও তিউনিসিয়া। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, নেদারল্যান্ডস ও জাপানই শেষ ষোলোতে ওঠার সবচেয়ে বড় দাবিদার। সেই কারণে, নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্ত অবস্থান জানান দিতে মরিয়া হয়ে রয়েছে দুই দল।
বিশ্বকাপের এই লড়াই শুধু তিন পয়েন্টের নয়, বরং শিরোপার স্বপ্নে কতটা দূর যেতে পারে তারও এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো চারজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৪৯ জন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন