০৮:৫৭ পি.এম
মেহেরপুর শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় একটি বাড়িতে ঢুকে সায়ন নামের এক যুবক তরুণী স্মৃতি আক্তারের ডান হাত কুপিয়ে কবজির ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার সময় তরুণীর বাবা ও মাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনার পর মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযুক্ত সায়নকে শহরের মল্লিকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করে। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত দেড়টার দিকে লর্ড মার্কেট এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- লর্ড মার্কেট এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন, তাঁর স্ত্রী রেবেকা খাতুন এবং তাঁদের মেয়ে স্মৃতি আক্তার। হামলার ফলে স্মৃতি আক্তারের ডান হাত কবজির ওপর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত তিনজনকে প্রথমে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বি-ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত দেড়টার দিকে সায়ন সেলিম হোসেনের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্মৃতি আক্তারের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে সে কুপিয়ে স্মৃতির ডান হাত কবজির ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। স্মৃতির চিৎকার শুনে পাশের কক্ষ থেকে তাঁর বাবা-মা এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সেলিম হোসেন ও রেবেকা খাতুন আহত হন। পরে সায়ন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে। পরে শহরের মল্লিকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সায়নকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। অভিযুক্ত সায়ন ওই এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে। মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, “ঘটনার পর অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। হামলার কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” এদিকে, বাড়িতে ঢুকে এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে কী কারণে এই হামলা এবং এর পেছনে কোনো পূর্ববিরোধ বা সম্পর্কের বিষয় রয়েছে কি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন