ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা শঙ্কা


চীনের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা শঙ্কা

চীনের গুপ্তচরবৃত্তি এবং প্রযুক্তি সংগ্রহের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং গণতান্ত্রিক সমাজ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, চুরি করা তথ্য এবং উন্নত প্রযুক্তি নজরদারি, সাইবার হামলা ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে ব্যবহৃত হতে পারে। দ্য এপক টাইমস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৫ চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত একাডেমিক গবেষণা নিয়ে নজিরবিহীন সতর্কতা জারি করেছে।

দ্য এপক টাইমস জানায়, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যুক্ত ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষাবিদ চীনের বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে কাজ করেছেন। সংবাদপত্রটির দাবি, এসব গবেষণার কিছু অর্থ চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। গবেষণার বিষয়বস্তুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

দ্য এপক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমআই৫ জানিয়েছে, চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এমন একাডেমিক গবেষণায় সহায়তা করা, যা গুপ্তচরবৃত্তির কাজে চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, যারা এ ধরনের প্রকল্পে কাজ চালিয়ে যাবে, তাদের আইনি পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে। বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি এবং শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড মোকাবেলায় ব্যবস্থা জোরদার করতে ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা আইন পাস করা হয়েছে।

দ্য এপক টাইমস জার্মানির একটি আলাদা ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছে। মে মাসে মিউনিখে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা মহাকাশ প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা শিক্ষাবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন।

তাইওয়ানের তুংহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক লিন তজুলি দ্য এপক টাইমসকে বলেন, চীনের কথিত গুপ্তচরবৃত্তি, প্রযুক্তি চুরি এবং সাইবার কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

লিন বলেন, হাতিয়ে নেওয়া তথ্য আরও উন্নত আন্তঃদেশীয় নজরদারিতে সহায়তা করতে পারে। এর মাধ্যমে চীনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগ ও চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় গোপন প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এতে এমন দুর্বলতা তৈরি হতে পারে, যা সংকটের সময় কাজে লাগানো সম্ভব।

দ্য এপক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিন আরও জানান, বেইজিং তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযান আরও নির্দিষ্টভাবে পরিচালনা করতে পারে।

তিনি বলেন, সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করে সমাজের বিভিন্ন বিভাজন আগে থেকেই চিহ্নিত করা সম্ভব। এরপর কৃত্রিমভাবে তৈরি অডিও, ভিডিও এবং সমন্বিত অনলাইন বার্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন

এসব ঘটনায় পশ্চিমা দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা, গবেষণার অর্থায়ন এবং নতুন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকারের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দিতে চুক্তি স্বাক্ষর বৃহস্পতিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দিতে চুক্তি স্বাক্ষর বৃহস্পতিবার

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরবচ্ছিন্ন মুনাফার রেকর্ড অতিক্রমকারী নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি ইজারায় ছেড়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

ডিপি ওয়ার্ল্ড কোম্পানি এনসিটি ইজারায় বা কনসেশনে পেতে যাচ্ছে অন্তত ১৫ বছরের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধা সম্বলিত চুক্তি। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে সরকারের পক্ষ থেকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তবে, পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে গোপনীয়তার সাথে চলছে এবং চুক্তির শর্তাবলীও গোপন রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই চুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে বিষয়বস্তু জনসমক্ষে এবং জাতীয় সংসদে প্রকাশ করা হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দর ভবন এবং বন্দর বোর্ড মিটিং এড়িয়ে গত প্রায় দুই বছর ধরে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পূর্বে, গত ১৫ নভেম্বর'২৫ ইং ড. ইউনূস সরকারের আমলে ঢাকায় একটি হোটেলে গোপনে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছিল এবং চট্টগ্রাম বন্দর লালদিয়ার চর টার্মিনাল ও পানগাঁও টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা দেওয়া হয়েছিল। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক স্থাপনা, যা বন্দরের মুনাফার টাকায় নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান চিটাগং ড্রাইডক লিমিটেড এনসিটি পরিচালনা করছে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও গতিশীলতার সাথে।

যদি নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির হাতে চলে যায়, তাহলে চট্টগ্রাম বন্দরে আর কোনো আধুনিক এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ টার্মিনাল থাকবে না। ফ্যাসিস্ট পলাতক হাসিনা সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক কন্টেইনার টার্মিনালগুলো শেখ পরিবার এবং আওয়ামী অলিগার্ক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে ২০২৩-২৪ সালে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরপর বিগত অন্তর্বর্তীকালীন ড. ইউনূস সরকারের আমলে বাস্তবায়নের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালানো হয়। তবে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূস সরকার তীব্র আন্দোলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়। হাসিনা-ড. ইউনূস সরকারের ধারাবাহিকতায় বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়টি জনগণের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সময়ে চাপের মতো এসে পড়েছে।

এ নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি, প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ-অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনরত বন্দর রক্ষা কমিটির নেতারা ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর মেইন গেইটে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে বলেছেন, "৮ অক্টোবর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে সাথেই চট্টগ্রাম বন্দর অচল হয়ে যাবে।" তাদের মতে, এর দায়দায়িত্ব চেয়ারম্যানকেই বহন করতে হবে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক বন্দর সিবিএ সেক্রেটারি কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার বলেছেন, "গায়ের জোরজবরদস্তি করে নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ছেড়ে দিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে।

বন্দর ডক শ্রমিক কর্মচারী এবং সচেতন নাগরিক মহল এহেন বিতর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর মেনে নেবে না। আজ ৭ অক্টোবর বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম স্কপ এবং বন্দর রক্ষা কমিটি ও বিভিন্ন আন্দোলনরত সংগঠন ও জোটের নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


ইবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে (কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস) আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য নিজেদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা (Problem Solving Capacity) বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিডিজব প্ল্যাটফর্মের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রিপেয়ারিং ফর ইউর ক্যারিয়ার: এমপ্লয়ার এক্সপেক্টেশনস অ্যান্ড ক্যারিয়ার ইনসাইটস’ শীর্ষক ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্যানেল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মজীবনের প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপাচার্য উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্রের পক্ষে সব নাগরিককে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত করার সক্ষমতা সীমিত। দেশে যদি ৩০ লাখ বেকার থাকে, তাহলে সরকার হয়তো একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মূল বার্তা হলো—নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে হবে এবং শিল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। শিক্ষার্থীদের এমনভাবে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে, বরং কর্মক্ষেত্রই তাদের খুঁজে নেয়। শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত এ সক্ষমতা অর্জন।

অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে সুপারিশ বা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একাডেমিক ফলাফলই বিবেচ্য নয়। রক্তদান কর্মসূচি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজেকে উপস্থাপন করার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি এসব কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষতা শাণিত করতে হবে। ভবিষ্যতে সরকার কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করলে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন। কী-নোট স্পিকার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিডিজবস ডটকম লিমিটেডের ডিজিএম মোহাম্মদ আলী ফিরোজ।

প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, সোসিও ইকোনমিক হেলথ এডুকেশন অর্গানাইজেশনের মহাপরিচালক ড. মেহেদী হাসান, এনজিও সংস্থা ‘সেতু’র মাইক্রোফাইন্যান্স (MF) বা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সমন্বয়ক মো. আলাউল আলম এবং রূপালী ব্যাংক পিএলসির এজিএম ও শাখা প্রধান আবুল কালাম আজাদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবীণদের অভিজ্ঞতা নবীনদের কাজে লাগানোর আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


প্রবীণদের অভিজ্ঞতা নবীনদের কাজে লাগানোর আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রবীণ জনগণের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে দেশের নবীন প্রজন্মের কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করা আবশ্যক।

মন্ত্রী আরও বলেন, কর্মজীবন থেকে অবসরে যাওয়ার অর্থ সমাজে একজন মানুষের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। বরং প্রবীণদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করার প্রয়োজন রয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু স্বাধীনতার সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একসময় দেশের মানুষের গড় আয়ু ৪৭ থেকে ৪৮ বছরের মধ্যে ছিল। তখন ৪৮ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকাকেই দীর্ঘ জীবন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার প্রসারসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ বছরের কোটা অতিক্রম করেছে।

তিনি বলেন, মানুষের আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণ জনগণের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে প্রবীণদের বিষয়ে রাষ্ট্রের পরিকল্পনা ও চিন্তাভাবনাতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৫৯ বছর বয়সে এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আরও কিছুটা বেশি বয়সে অবসরের সুযোগ রয়েছে। একজন কর্মঠ মানুষকে হঠাৎ করে কর্মজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলে এর নেতিবাচক প্রভাব তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়তে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ পর্যন্ত যিনি নিয়মিত অফিস করেছেন, আগামীকাল থেকে তাকে বলা হচ্ছে আর অফিসে আসার প্রয়োজন নেই- এই পরিবর্তনটি একজন কর্মক্ষম মানুষের জন্য মনস্তাত্ত্বিকভাবে কঠিন। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একজন মানুষকে ধীরে ধীরে নতুন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।’

অবসর-পরবর্তী জীবনকে নতুনভাবে পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক কর্মজীবন শেষ হওয়ার পরও একজন মানুষের জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করার, সমাজে অবদান রাখার এবং নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের কাজ করার ইচ্ছা, সক্ষমতা ও কর্মক্ষেত্র থাকলে বয়স কোনো বাধা হতে পারে না। প্রবীণদের মধ্যে অনেকেরই দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা কোনো বই পড়ে বা একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করে একদিনে পাওয়া সম্ভব নয়। এই অভিজ্ঞতা দেশের নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।

মন্ত্রী বলেন, ‘অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। একজন মানুষ পিএইচডি করতে পারেন, অনেক পড়াশোনা করতে পারেন; কিন্তু বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সময় লাগে। আমাদের প্রবীণদের মধ্যে সেই অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের এই জ্ঞান ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের মধ্যে এমন অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা বর্তমান প্রজন্ম ইচ্ছা করলেও অর্জন করতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্ম চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়টিতে ফিরে যেতে পারবে না। যারা সেই সময়ের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রবীণদের সুস্থতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, পরামর্শ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু রাজধানীর একটি বা কয়েকটি কেন্দ্রে প্রবীণসেবা সীমাবদ্ধ না রেখে তা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪টি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম মানসম্পন্ন প্রবীণসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। বিপুলসংখ্যক প্রবীণ জনগণের জন্য শুধু একটি সংগঠন বা একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংগঠন এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রবীণ জনগণের জন্য সেবার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সহজলভ্যতা ও প্রবেশযোগ্যতা। ঢাকাকেন্দ্রিক সেবার পরিবর্তে জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে সরকার নতুন করে চিন্তাভাবনা করছে এবং পর্যায়ক্রমে উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রবীণদের বিভিন্ন ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতেও প্রবীণদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিবারের নারী সদস্যের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়নও বাড়ছে।

মন্ত্রী জানান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা শুধু শহরকেন্দ্রিক না রেখে দেশের একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার কাজ করছে। জেলা, বিভাগ ও উপজেলা পর্যায়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব কর্মসূচির বাস্তবায়ন আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রবীণদের প্রতি তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবীণদের কাছ থেকে পাওয়া বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ সরকারের নীতি ও কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করতে পারে। তাদের চিন্তা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রবীণদের মতামত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভাজন করা হবে না। প্রবীণদের কল্যাণে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা হবে।

এর আগে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের র‌্যালিতে অংশ নেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রবীণ সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রবীণ ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’। প্রতিপাদ্যের আলোকে প্রবীণ জনগণের মর্যাদা, অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমডিএ’তে সেচযন্ত্র পরিচালনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


বিএমডিএ’তে সেচযন্ত্র পরিচালনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ শুরু

রাজশাহী, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচ ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা, টেকসইতা ও আধুনিকায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সেচযন্ত্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপর দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ শুরু হয়েছে।

বুধবার রাজশাহী বিএমডিএ’র প্রধান কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বিএমডিএ’র গবেষণা ও প্রশিক্ষণ শাখার উদ্যোগে এবং সিগমা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, ঢাকার সহযোগিতায় ৭ ও ৮ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে কোর্স পরিচালক হিসেবে বিএমডিএ’র গবেষণা ও প্রশিক্ষণ শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জিন্নুরাইন খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ, বিএমডিএ’র সচিব মো. মেহেদী হাসান, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তোফাজ্জল আলী সরকার এবং নির্বাহী প্রকৌশলী এ.এস.এম দেলোয়ার হোসেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সেচযন্ত্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং বলেন, সেচ ব্যবস্থার দক্ষ পরিচালনা, যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব। একইসঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও যান্ত্রিক ত্রুটি কমানো সম্ভব।

প্রধান অতিথি জাহাঙ্গীর আলম খান তার বক্তব্যে বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন অনেকাংশেই সেচ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং সেচযন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর সঠিক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মকর্তাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে সেচ ব্যবস্থাপনায় আরও গতিশীলতা আনতে হবে। সেচযন্ত্রে ছোটখাটো ত্রুটি সময়মতো শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে বড় ধরনের ক্ষতি এবং অতিরিক্ত ব্যয় এড়ানো সম্ভব। মাঠ পর্যায়ে কৃষক যেন নিরবচ্ছিন্ন ও সময়মতো সেচ সুবিধা পান, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।

কোর্স সমন্বয়ক হিসেবে বিএমডিএ’র গবেষণা ও প্রশিক্ষণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাজী আশেকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। উপ-সহকারী প্রকৌশলী খান জাফরুল মেহেদী মাহমুদ, মেকানিক মো. হাবিবুর রহমান, সহকারী মেকানিক মো. আপেল মাহমুদ, কার্য-সহকারী মো. শাহ জামান, সহকারী মেকানিক মো. শহিদুল ইসলাম, মেকানিক সহকারী মো. জহিরুল ইসলামসহ রাজশাহী, গোদাগাড়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, চাটমোহর ও পাবনাসহ বিভিন্ন জোন ও রিজিয়নের মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএমডিএ’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মকর্তারা প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%