ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষক নিয়োগে সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার: ববি হাজ্জাজ


শিক্ষক নিয়োগে সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার: ববি হাজ্জাজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে যারা এই দায়িত্বকে আরও সুন্দরভাবে পালন করতে সক্ষম হবে, তাদেরকেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সাভারের নয়ারহাট এলাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার)-এ আয়োজিত ‘টেক্সটাইল ফেস্ট বাংলাদেশ’-এর দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ স্পষ্টভাবে জানান যে, এইবার শিক্ষক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। নিয়োগের পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট প্রিন্সিপাল ছিল, যাতে যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীরা শ্রেণিকক্ষে পৌঁছাতে পারেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক স্বচ্ছ নিয়মগুলো অনুসরণ করা হয়েছে এবং বিশেষভাবে প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনিক কিছু জায়গায় হয়তো সাময়িক দুর্বলতা তৈরি হয়েছিল বা কিছু ভুল-ত্রুটি থেকে থাকতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই সেসব ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধন ও পূরণ করছে। আমরা আশাবাদী, পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত নিখুঁত ও ভালোভাবে সম্পন্ন হবে।’

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বর্তমানে শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ, মর্যাদা এবং পাঠদান মনিটরিং ব্যবস্থা কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে। পুরো প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, নিটারের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, আয়োজন কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি ২৭ অক্টোবর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় সর্বত্র চায়না জাল বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


পাবনায় সর্বত্র চায়না জাল বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ

পাবনার জলাশয়, খাল, বিল, নদী, ও নদনদীতে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে চায়না দুয়ারী জাল। এই জালের সূক্ষ্ম সুতা জলাশয় থেকে ছোট মাছ, ডিম, রেণু পোনা নির্বিচারে তুলে নিচ্ছে সুবিধাবাদীরা। শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া, কাছিম, সাপ, ব্যাঙ, সহ অন্যান্য জলজ প্রাণী ও কীটপতঙ্গও এই জালের ফাঁদ থেকে বাদ যাচ্ছে না। পাবনার পদ্মা, যমুনা, বড়াল, চলনবিল, গাজনার বিল, ডিকশির বিল, হাদল বিল, খাল, পুকুর, মুক্ত জলাশয়, পানিতে ডোবা খোলা জায়গায় ব্যাপকভাবে এই সর্বনাশা জালের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়েছে।

সুবিধাবাদীদের মাছ শিকারের এই প্রবণতা দেশীয় মাছকে মাছে ভাতে বাঙালির পাত থেকে চিরতরে হারিয়ে ফেলতে পারে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পাবনা সদরের দিয়া রাজাপুর এলাকার একটি মুক্ত জলাশয়ে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করছিলেন মোঃ মানিক। তিনি ইনকিলাবকে জানান, "এখানে পানি আছে, মাছ নেই। চায়না জালের কারণে আগের মত মাছ পাই না।"

স্থানীয় জেলেরা জানান, একসময় এখানে যে পরিমাণ কৈ, পাবদা, টেংরা, টাকি, বোয়াল, শিং, মাগুর, সহ নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ পাওয়া যেত, বর্তমানে তার অর্ধেকও নেই।

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার রহিমপুর গ্রামে নাম প্রকাশে অনচ্ছুক চায়না দুয়ারী জালে এক মাছ শিকারি ইনকিলাবকে জানান, "অন্য জালের চেয়ে এই জালে প্রচুর পরিমাণে মাছ আটকায়।" তবে তিনি মনে করেন, চায়না জালে মাছ শিকারে সাময়িক লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সরেজমিনে চলনবিল, ডিকশির বিল, খলিশাগাড়ি বিল, হাদল বিল ও গাজনার বিল ঘুরে দেখা যায়, পানির নিচে অসংখ্য চায়না জালের ফাঁদ পেতেছে সুবিধাবাদীরা।

চলনবিল অধ্যুষিত চাটমোহর উপজেলার মো আনোয়ার ইনকিলাবকে জানান, "কয়েক বছর আগেও বিলে বড় সাইজের বোয়াল, শৈল, টাকি, গজার, পাবদা, ট্যাংরা, বাইম সহ নানা রকমের ছোট মাছ পাওয়া যেত। এখন বিলে আগের মতো মাছ নেই।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "বিলে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার ঠেকানো না গেলে কিছুদিন পর খাল বিলে আর মাছ পাওয়া যাবে না।"

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাবনা সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে। শুধু কারখানাতেই নয়, সুবিধাবাদী মানুষ ঘরে বসেই এই ভয়ংকর জাল তৈরি করছে।

পাবনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল ইনকিলাবকে বলেন, "পাবনার খাল বিল জলাশয়ে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার ব্যাকপভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সুযোগসন্ধানীরা ভবিষ্যতের কথা না ভেবে এই জালের ব্যবহার করছে।" তিনি জানান, "চায়না দুয়ারী জালের ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা হচ্ছে।"

চায়না দুয়ারী জালের ব্যাপক বিস্তার ঠেকাতে সামাজিক সচেতনতার উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "জেলার আইনশৃঙ্খলার সভায় বিষয়টা উত্থাপন করা হবে এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শুক্রবার জুমার সময় চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারের মারাত্মক দিকগুলো তুলে ধরা নিয়ে আলোচনা করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় ২৮ হাজার ইয়াবা ও ১৯ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


মাগুরায় ২৮ হাজার ইয়াবা ও ১৯ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

মাগুরা শহরের কলেজপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে ২৮ হাজার পিস ইয়াবা, চার বোতল ফেনসিডিল এবং মাদক বিক্রির জন্য নগদ ১৯ লাখ ৫৮ হাজার ১০০ টাকা সহ মো. রাশেদ শেখ (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬, সিপিসি-২, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি টাকা গণনার মেশিন, চারটি ল্যাপটপ, ‘প্রেস’ লেখা বুম মাইক্রোফোন এবং খেলনা পিস্তল সদৃশ একটি গ্যাস লাইটার।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে মাগুরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়ায় স্বপ্নবিলাস ভবনের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া রাশেদ শেখ ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মালিপাড়া এলাকার মো. মোস্তফা শেখ ও রোকেয়া বেগমের ছেলে। তিনি স্বপ্নবিলাস ভবনের চতুর্থ তলার ডি-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

এসআরবি-৬-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় একই ফ্ল্যাটের আরেক বাসিন্দা দ্বীপ্ত কুমার বিশ্বাস ওরফে সুমন (৩৫) পালিয়ে যান। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাপড়ি এলাকার মৃত দয়াল চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। অভিযানে অংশগ্রহণকারী দলের দাবি, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।

অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল বলে জানানো হয়েছে।

এসআরবি-৬, সিপিসি-২, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. ইমামীম মুবীন সরকার সুমন জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির আওতায় তাঁদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং হত্যা ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

বলিউড এবং মারাঠি চলচ্চিত্রের সুপরিচিত ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর গত বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ায় তার বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ওই দিন চিকিৎসা সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আজ শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে গোয়ার পানাজি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে ডোনা পালার বাসভবন থেকে নানা পাটেকরকে বোম্বোলিমের মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে ব্যর্থ হন; হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু ঘটে বলে নিশ্চিত করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটিকে একটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) হিসেবে ঘোষণা করার পর গোয়ার পানাজি পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৯৪ ধারায় একটি ‘অপমৃত্যু’ মামলা দায়ের করে।

পুলিশ এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাড়িতে একা অবস্থায় কারো মৃত্যু হলে এবং হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হলে সম্ভাব্য যেকোনো অস্বাভাবিকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় খতিয়ে দেখতে এ ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ একটি রুটিন পুলিশি নিয়ম।

গোয়া থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বর্ষীয়ান এই অভিনেতার মৃতদেহ বিমানে করে মহারাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পুনের দোনজে এলাকায় অভিনেতার প্রিয় খামারবাড়িতে গভীর রাতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

শেষবিদায় জানাতে গভীর রাত হওয়া সত্ত্বেও সেখানে হাজার হাজার ভক্ত, সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা জড়ো হয়েছিলেন। উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক শীর্ষকর্তাগণও।

বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন নানা পাটেকরের ছেলে মালহার পাটেকর। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘নানা সাহেবের মতো মানুষ কখনো আমাদের ছেড়ে চলে যান না; নিজের কাজের মাধ্যমে তিনি অমর হয়ে থাকেন। তিনি সবসময় চাইতেন সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে সৎ ও সঠিক পথে চলে। তার রেখে যাওয়া স্বপ্ন ও চিন্তাভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব।’

রাত বেশি হওয়ায় কেন তড়িঘড়ি করে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে মালহার জানান, গোয়া থেকে মরদেহ পুনের গ্রামে পৌঁছাতে অনেকটা সময় লেগে গিয়েছিল। যেহেতু ঘটনাটি ভোরবেলায় ঘটেছিল এবং অনেক সময় পার হয়ে গিয়েছিল, তাই বিলম্ব না করে রাতেই কাজ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লে ২০২৬ সালে পুরস্কৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লে ২০২৬ সালে পুরস্কৃত

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লে। নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।

এই পুরস্কারটি শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী বিচারকের নাম ঘোষণা করেছে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য নাভি পিল্লেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে এ বছর পুরস্কারের জন্য ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি ছিল বিভিন্ন সংগঠন।

১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন পিল্লে। বর্ণবৈষম্য ও বর্ণবাদী শাসনের সময়ে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। কাঠামোগত বৈষম্য, বিভাজন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কাজ করার পাশাপাশি নেলসন ম্যান্ডেলাসহ বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন।

কর্মজীবনে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্ট, রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন নাভি পিল্লে।

সম্প্রতি তিনি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নোবেল কমিটি বলেছে, আন্তর্জাতিক আদালতের গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোতে পিল্লে দেখিয়েছেন, আইনি পদক্ষেপ যুদ্ধ ও সহিংসতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতেও তার অবদান রয়েছে। তার স্বাধীনচেতা অবস্থান, দক্ষতা ও দৃঢ়তা তাকে সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম শ্রদ্ধেয় আন্তর্জাতিক আইনজ্ঞে পরিণত করেছে।

রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারক থাকাকালে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অংশ হিসেবে বিবেচনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। একই মামলায় প্রচারণার মাধ্যমে গণহত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে প্রথমবারের মতো একজন আসামির বিচারের ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

নোবেল কমিটির মতে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনের শাসন শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাতের অহিংস সমাধানের ভিত্তি। পিল্লে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র ও ব্যক্তির আইনের প্রতি দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সহিংসতা ও সংঘাতের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছেন।

কমিটি বলেছে, বিচারক ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যখন নিষেধাজ্ঞা ও আক্রমণের মুখে পড়ছে, তখন নাভি পিল্লেয়ের মতো সাহসী, দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ব্যক্তিদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি তার অঙ্গীকার আরও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে আগ্রহীদের অনুপ্রেরণা জোগায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%