ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আফগানিস্তান যুব দলের কাছে বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জ


আফগানিস্তান যুব দলের কাছে বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জ

আফগানিস্তান যুব দল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। ওমানের আল আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়লাভ করার পর, টাইগার যুবারা দ্বিতীয় ম্যাচে একটি বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।

আফগানিস্তান যুব দল ৯ উইকেটে ৩০৪ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। বাংলাদেশ যুবাদের ৩০০ বলের মধ্যে ৩০৫ রান করতে হবে জয়ী হতে হলে।

সোমবার টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আফগান ব্যাটারদের মধ্যে এক থেকে সাত নম্বর পর্যন্ত সবাই রান করেছেন। তাদের মধ্যে দুইজন ফিফটি করেছেন।

আরও পড়ুন: আর্জেন্টিনাতেই থাকছেন স্কালোনি, সমঝোতা চূড়ান্ত

আবিদুল্লাহ নাদারজান ২৩ রান, ফরিদুল্লাহ ইহসাস ৫১ রান, সোবহান জাখাইল ২৭ রান, নোমান সালারজাই ৭৬ রান এবং হামজা খান ২৯ রান সংগ্রহ করেছেন। শেষদিকে তাহির সারওয়ারি ৩১ বলে ৪৩ রান এবং আমির হামজা ১১ বলে ২১ রান করেছেন।

বাংলাদেশের রুবাই ইসলাম রিজন ৪টি উইকেট এবং জেকে শরিফ সিয়াম ২টি উইকেট নিয়েছেন।

টার্গেট তাড়াতে নেমে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৬৯ রান। ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মুহি ৫০ রান করে আউট হন। অপর ওপেনার জারিফ সাইম ২২ রানে ফিরে যান।

১০১ রানে দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন আল আমিন রনি ও এহসান আল মুনির। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ২৬.১ ওভারে ১৬৯ রান। আল আমিন ৬৩ রান এবং মুনির ২৬ রান করে ব্যাট করছেন।

আরও পড়ুন: গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে সাকিব, নাসির ও রনি একই দলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিন্দুত্ববাদী নেতা গৌরব সিংয়ের ‘মুল্লা-মুক্ত’ ভারতের ডাক, মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


হিন্দুত্ববাদী নেতা গৌরব সিংয়ের ‘মুল্লা-মুক্ত’ ভারতের ডাক, মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবাদ

একাধিক ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও হিন্দুত্ববাদী নেতা গৌরব সিং রাজপুতকে একটি জনসভায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতার উসকানি দিতে এবং তাঁদের জনসংখ্যাগতভাবে নির্মূল করার আহ্বান জানাতে দেখা গেছে। এই ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ফোরাম তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের মিরাট জেলার হস্তিনাপুরে সংঘটিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাজপুত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় ভারত থেকে মুসলিম সম্প্রদায়কে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার এবং সব উপায়ে ‘মুল্লা-মুক্ত’ ভারত গড়ার উসকানিমূলক বার্তা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, ভারতে ‘মুল্লা’ শব্দটি মুসলিমদের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ও বর্ণবিদ্বেষমূলক গালি, যা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজপুতের এই ভাষণ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১৯৬, ১৯৭, ২৯৯ এবং ৩৫৩ ধারার অধীনে স্পষ্ট অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এই ধারাগুলি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি, সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ঘৃণাভাষণ সংক্রান্ত স্পষ্ট নির্দেশিকা অনুসরণ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলি ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা অবিলম্বে একটি প্রথমিক তথ্য রিপোর্ট (এফআইআর) দায়ের এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

গৌরব সিং রাজপুত অনলাইন জগতে ‘গৌরব রাজপুত চম্বল’ নামে পরিচিত। তিনি নিজেকে “সনাতন জাতীয়তাবাদী” বলে দাবি করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ডানপন্থী রাজনৈতিক মন্তব্য ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করেন।

এটি তাঁর প্রথম বিতর্কিত ঘটনা নয়। তাঁর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অতীতে বিভেদমূলক ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য শেয়ার করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর আগে পবিত্র কুরআন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কুরুচিকর ও অপমানজনক মন্তব্য করার কারণে তিনি বিভিন্ন মিডিয়া ওয়াচডগ এবং ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

অধিকার কর্মীদের মতে, বারবার লিখিত অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার ফলে এই ধরনের উসকানিমূলক ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটার সুযোগ পাচ্ছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, হস্তিনাপুরের এই ঘটনাটি দেশে ক্রমবর্ধমান ঘৃণাভাষণের ধারাবাহিকতারই অংশ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন জনসভায় মুসলিমবিরোধী বয়কট এবং অবমাননাকর শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মিরাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি এবং গৌরব সিং রাজপুতের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো স্পষ্ট তথ্য জানায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী তাহসিন ফেরদৌস মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী তাহসিন ফেরদৌস মারা গেছেন

নিউইয়র্কে একজন মেধাবী নৃত্যশিল্পী, শিক্ষক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌস (৩৫) মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় রোববার (১৮ অক্টোবর) ভোরে নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে এই নৃত্যশিল্পী তার স্বামী, সন্তান, বাবা-মা সহ অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) হঠাৎ তীব্র ভাইরাসজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে জ্যামাইকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করেন। তবে সংক্রমণ দ্রুততার সাথে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় চিকিৎসকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

পেশাগত জীবনে তাহসিন ফেরদৌস নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের একজন শিক্ষক ছিলেন। পেশার পাশাপাশি তিনি ঐতিহ্যবাহী নৃত্যে বাংলা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ সমাদৃত ছিলেন।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বাইরেও তিনি ব্রুকলিনের কেনসিংটনসহ স্থানীয় অভিবাসী বাংলাদেশিদের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক উদ্যোগে সক্রিয় ছিলেন।

মাত্র ৩৫ বছর বয়সে সম্ভাবনাময় এই শিল্পীর আকস্মিক প্রয়াণে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত মা অ্যানি ফেরদৌস ও বাবা জাফর আহমেদসহ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প ও কৃষকের অবদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প ও কৃষকের অবদান

দেয়ালজুড়ে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত বাবার জীবনসংগ্রাম, আইন, ব্যবসা, চিকিৎসা, প্রকৌশল, সাধারণ চাকরি, সাংবাদিকতা- এসবের মাধ্যমে সন্তানের জন্য নিরন্তর ছুটে চলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

যে বাবা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সুখ বিসর্জন দেন, সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে দায়িত্বের ভার নিয়ে নীরবে চলতে থাকেন, সেই বাবার ঘাম, শ্রম, ত্যাগ এবং ভালোবাসার গল্প এবারের দুর্গাপূজার মণ্ডপে উঠে এসেছে।

নরসিংদী শহরের মধ্যকান্দাপাড়ার বাঘবিতান ক্লাবের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শনার্থীদের সামনে বাবার জীবনের অন্যরকম প্রতিচ্ছবি উপস্থাপন করেছে।

বাঘবিতান ক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের দুর্গাপূজার থিম ‘অর্ধশতকের প্রণাম—বাবা’। কঠিন পদার্থে শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঠামোয় সাজানো হয়েছে মণ্ডপটি। পুরনো ধাতুর ক্ষয় এবং লোহার কাঠামোর দৃঢ়তায় নানা শিল্পকর্মের মাধ্যমে বাবার জীবনের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

পূজা সাহা নামের এক দর্শনার্থী মন্তব্য করেন, "পূজার আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি আমরা উপলব্ধি করছি পরিবারের জন্য বাবার নীরব আত্মত্যাগ। এটা দেখে আমার চোখে জল এসে পড়েছে। সত্যিই, প্রত্যেক পরিবারে বাবারা অনেক কষ্ট করে।"

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে আসা দর্শানার্থী সজল রায় বলেন, "নরসিংদীর পূজা সবসময় জাকজমক ও দৃষ্টিনন্দন হয়। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে পূজায় ঘুরছি আর আনন্দ করছি। শিক্ষণীয় থিমে মণ্ডপ সাজানোয় ছেলেমেয়েরা আনন্দের পাশাপাশি শিক্ষাও পাচ্ছে।"

বাঘবিতান ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সুদীপ্ত কুমার সাহা জানান, "প্রতিবারই আমরা থিমভিত্তিক পূজার আয়োজন করি। এবার ক্লাবের ৫০ বর্ষ উদযাপনে বেছে নেওয়া হয়েছে সংসারে বাবার আত্মত্যাগের গল্প। তিন মাস পরিশ্রম করে শ্রমিকরা তা ফুটিয়ে তুলেছেন। সন্তানরা যেন বাবাকে ভালোবাসে, সম্মান করে- এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া চেষ্টা করছি।"

বাবার আত্মত্যাগের গল্পের পাশাপাশি এবারের দুর্গাপূজায় নরসিংদী শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে কৃষি, পুরাণ, প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ উঠে এসেছে। কোথাও দেবী দুর্গার প্রতিমায় কৃষকের রূপ, কোথাও ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতার, কোথাও আবার প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা কিংবা অযোধ্যার স্থাপত্যশৈলী।

বৈচিত্র্যময় এসব আয়োজন দেখতে প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষের ভিড় জমছে মণ্ডপগুলোতে। শহরের অগ্রণী সংঘ এবারের থিমে কৃষি ও কৃষকের অবদান তুলে ধরেছে। মণ্ডপে দেবী দুর্গাকে কৃষকের রূপে উপস্থাপনের পাশাপাশি টেরাকোটার মাধ্যমে বাংলাদেশের জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতিতে কৃষকের ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

অগ্রণী সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার সাহা বলেন, "আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। আমাদের জীবনে কৃষকের গুরুত্ব অনেক। তাই মা দুর্গাকে কৃষক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা এই পূজায় কৃষকের গুরুত্ব ও ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।"

অন্যদিকে, শহরের দেবাঙ্গন মন্দিরের মণ্ডপ সাজানো হয়েছে ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতার ঘিরে। প্রতিমা, নিখুঁত শিল্পকর্ম এবং আলোকসজ্জায় পুরানের দশ অবতারকে তুলে ধরা হয়েছে। সেবা সংঘের মণ্ডপে রয়েছে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা ও ফারাওদের স্থাপত্যের অনুপ্রেরণা। আর শীতলা বাড়ির মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভারতের প্রাচীন অযোধ্যা মন্দিরের আদল।

নরসিংদীর পূজামণ্ডপে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নয়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা রাতভর পূজা দেখতে আসছেন। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা দর্শন, আলোকসজ্জা উপভোগ এবং ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তবে উৎসবের ভিড়ে বাবার আত্মত্যাগ কিংবা কৃষকের অবদানের মতো বিষয়গুলো মণ্ডপের শিল্পকর্মে উঠে আসায় আয়োজনগুলো ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

হবিগঞ্জ থেকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী পার্বতী দে বলেন, "নরসিংদীর পূজা কয়েক বছর ধরে থিম নির্ভর হয়ে উঠেছে। তাই পূজায় ঘোরার তালিকায় নরসিংদী বাদ যায় না। এবারও দৃষ্টিনন্দন সাজে পূজা হচ্ছে এখানে।"

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নরসিংদী জেলায় মোট ৩৬৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ বছরে কার্ড লেনদেন ১০৩% বেড়ে বিদেশে খরচ ৯৮৭ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


পাঁচ বছরে কার্ড লেনদেন ১০৩% বেড়ে বিদেশে খরচ ৯৮৭ কোটি টাকা

দেশে ব্যাংক কার্ডের ব্যবহার ও লেনদেনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে এক মাসের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমে গেছে। অন্যদিকে, বিদেশে বাংলাদেশিদের সম্মিলিত ব্যয় ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে প্রায় ৯৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে বিদেশিরা বাংলাদেশে কার্ডের মাধ্যমে ব্যয় করেছেন প্রায় ২৪৯ কোটি টাকা। এই কারণে, দেশের বাইরে কার্ডে ব্যয়ের পরিমাণ দেশীয় বিদেশিদের কার্ডে ব্যয়ের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেশে ইস্যু করা ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা ৯৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে, এসব কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের মোট অর্থমূল্য ১০৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঁচ বছরে কার্ডভিত্তিক লেনদেনের এই প্রবৃদ্ধি দেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তার নির্দেশ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৪টি, ক্রেডিট কার্ড ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৮টি এবং প্রিপেইড কার্ড ১০ লাখ ২৬ হাজার ৫৮০টি। সব মিলিয়ে কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৭২২টি।

২০২৬ সালের আগস্টে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৭ হাজার ৮০৪টি, ক্রেডিট কার্ড ২৮ লাখ ৫ হাজার ৪৪৯টি এবং প্রিপেইড কার্ড ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮টি। তিন ধরনের কার্ড মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার। অর্থাৎ পাঁচ বছরে কার্ডের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

কার্ডের ধরনভেদে প্রবৃদ্ধিতে বড় পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ৬৯ শতাংশ, ক্রেডিট কার্ড ৫৯ শতাংশ এবং প্রিপেইড কার্ড ৮০৩ শতাংশ। প্রতিবেদনের পাঁচ বছরের তুলনায় প্রিপেইড কার্ডের বিস্তার সবচেয়ে বেশি। তবে মোট কার্ডের মধ্যে ডেবিট কার্ডই সংখ্যাগরিষ্ঠ।

কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের মোট অর্থমূল্য ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের ২৪ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের আগস্টে ৪৯ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ মাসিক লেনদেনের অর্থমূল্য পাঁচ বছরে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

আগস্টে দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। জুলাইয়ে এই পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। এক মাসে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ৫.৪৪ শতাংশ।

দেশে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে ডিপার্টমেন্ট স্টোর বা বড় বিপণিবিতানে। আগস্টে এ খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা, যা অভ্যন্তরীণ ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ৪৮.১৪ শতাংশ। জুলাইয়ে এ খাতে ব্যয় ছিল ২ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা বা মোট লেনদেনের ৫০.৩১ শতাংশ।

অন্যদিকে, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় জুলাইয়ের ৪৮৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে আগস্টে ৫১৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ বিভিন্ন পরিষেবার বিল পরিশোধে ব্যয় বেড়ে ৪৪২ কোটি টাকা হয়েছে। ওষুধ ও ফার্মেসিতে ব্যয় হয়েছে ২৮৪ কোটি টাকা, পোশাকের দোকানে ১৯৬ কোটি টাকা এবং পরিবহনে ১২৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, নগদ অর্থ উত্তোলন, সরকারি সেবা, ব্যবসায়িক ও পেশাগত সেবা এবং অর্থ স্থানান্তর খাতে ব্যয় কমেছে। প্রতিবেদনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বড় বিপণিবিতানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা, ব্যাংকের প্রচারমূলক সুবিধা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে কার্ড গ্রহণের সুযোগ বেশি থাকার কারণে সেখানে কার্ডের ব্যবহার বেশি হতে পারে। তবে এগুলো সম্ভাব্য ব্যাখ্যা; প্রতিবেদনে এসব কারণের পৃথক পরিসংখ্যানভিত্তিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।

লেনদেনের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে দেশে ক্রেডিট কার্ডে মোট ব্যয়ের ৯৩.৩৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা কেনাকাটায়, ৬.৪৩ শতাংশ নগদ উত্তোলনে এবং ০.২১ শতাংশ অর্থ স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ ক্রেডিট কার্ডের প্রধান ব্যবহার কেনাকাটা হলেও নগদ উত্তোলনেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

আগস্টে বাংলাদেশে ইস্যু করা ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড দিয়ে বিদেশে মোট ৯৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে ৫০৫ কোটি, ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

ক্রেডিট কার্ডে বিদেশে লেনদেনের সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ২৩ হাজার ১৫০টি। জুলাইয়ে এ সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৬টি। অর্থমূল্যের হিসাবে বিদেশে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় জুলাইয়ের ৫২৬ কোটি টাকা থেকে আগস্টে কমে ৫০৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ গেছে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে—৩০.২৯ শতাংশ। খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ১৭.৮৯ শতাংশ, পরিবহনে ১২.০৯ শতাংশ এবং ওষুধ ও ফার্মেসিতে ১১.৮৬ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়িক সেবা, পোশাক, সরকারি সেবা, পেশাগত সেবা, পরিষেবার বিল এবং নগদ উত্তোলনেও কার্ড ব্যবহার হয়েছে।

দেশভিত্তিক হিসাবে বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে। দেশটিতে ব্যয়ের অংশ ১৭.১৬ শতাংশ। এরপর থাইল্যান্ডে ১০.৮৬ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৯.৭৫ শতাংশ, ভারতে ৯.১২ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরে ৭.৯৮ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। মালয়েশিয়া, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সৌদি আরব, চীন ও অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশি কার্ডধারীরা ব্যয় করেছেন।

ডেবিট কার্ডে বিদেশে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪২২ কোটি টাকা, যা জুলাইয়ের ৪০১ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। এ খাতে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ২০.২৪ শতাংশ, সরকারি সেবায় ১৭.১২ শতাংশ, ব্যবসায়িক সেবায় ১৩.৯৯ শতাংশ এবং নগদ উত্তোলনে ১২.৯২ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে ডেবিট কার্ডের ব্যয়ে যুক্তরাজ্য ১৪.১৯ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে; এরপর যুক্তরাষ্ট্র ১৩.৪৩ শতাংশ এবং ভারত ১১.৭৬ শতাংশ।

প্রিপেইড কার্ডে বিদেশে ব্যয় হয়েছে ৬০ কোটি টাকা, যা জুলাইয়ের ৫৮ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। এ ধরনের কার্ডে সরকারি সেবায় ২০.৬০ শতাংশ, নগদ উত্তোলনে ১৭.৫৩ শতাংশ, ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ১৬.৩৬ শতাংশ এবং ব্যবসায়িক সেবায় ১৪.৩৯ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে প্রিপেইড কার্ডে ব্যয়ের শীর্ষে ভারত, যার অংশ ১৮.৭১ শতাংশ। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে ১৪.৯৪ শতাংশ, সৌদি আরবে ১০.২১ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৯.৪৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।

বিদেশে ইস্যু করা কার্ড দিয়ে বাংলাদেশে আগস্টে লেনদেন হয়েছে ২৪৯ কোটি টাকা। জুলাইয়ে এ পরিমাণ ছিল ২৩৪ কোটি টাকা। এক মাসে প্রবৃদ্ধি ৬.২৭ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে বিদেশিদের কার্ডে ব্যয় বেড়েছে ৩৪.৬৬ শতাংশ।

বিদেশি কার্ডধারীরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছেন ডিপার্টমেন্ট স্টোরে, যার অংশ ৩৫.২৫ শতাংশ। নগদ উত্তোলনে ২৩.৭৬ শতাংশ, পরিবহনে ১২.৯৯ শতাংশ এবং পোশাকের দোকানে ৯.১৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে ইস্যু করা কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট লেনদেনের ২১.২৯ শতাংশ হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অংশ ১০.৮১ শতাংশ এবং ভারতের ৮.৬১ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আগস্ট শেষে ৪৭টি তফসিলি ব্যাংক ও একটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য ঋণের অনুমোদিত সীমা ছিল ৪৩১.০৮ বিলিয়ন টাকা বা ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। কার্ড ব্যবহারকারীদের কাছে পাওনা বা স্থিতি ছিল ১৪৪.৮২ বিলিয়ন টাকা বা ১৪ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা। অর্থাৎ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণসুবিধার অনুমোদিত সীমা ও ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যমান পাওনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশে কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়লেও নগদনির্ভর অর্থনীতি, ডিজিটাল অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, আর্থিক সাক্ষরতার ঘাটতি, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ডিজিটাল ব্যবস্থার প্রতি আস্থার অভাব, লেনদেনের খরচ এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা নগদবিহীন লেনদেন বিস্তারের পথে বাধা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, কার্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারে সহায়ক হতে পারে। তবে কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জালিয়াতি প্রতিরোধ, গ্রাহক সুরক্ষা এবং ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%