ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প ও কৃষকের অবদান


মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প ও কৃষকের অবদান

দেয়ালজুড়ে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত বাবার জীবনসংগ্রাম, আইন, ব্যবসা, চিকিৎসা, প্রকৌশল, সাধারণ চাকরি, সাংবাদিকতা- এসবের মাধ্যমে সন্তানের জন্য নিরন্তর ছুটে চলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

যে বাবা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সুখ বিসর্জন দেন, সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে দায়িত্বের ভার নিয়ে নীরবে চলতে থাকেন, সেই বাবার ঘাম, শ্রম, ত্যাগ এবং ভালোবাসার গল্প এবারের দুর্গাপূজার মণ্ডপে উঠে এসেছে।

নরসিংদী শহরের মধ্যকান্দাপাড়ার বাঘবিতান ক্লাবের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শনার্থীদের সামনে বাবার জীবনের অন্যরকম প্রতিচ্ছবি উপস্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন

বাঘবিতান ক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের দুর্গাপূজার থিম ‘অর্ধশতকের প্রণাম—বাবা’। কঠিন পদার্থে শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঠামোয় সাজানো হয়েছে মণ্ডপটি। পুরনো ধাতুর ক্ষয় এবং লোহার কাঠামোর দৃঢ়তায় নানা শিল্পকর্মের মাধ্যমে বাবার জীবনের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

পূজা সাহা নামের এক দর্শনার্থী মন্তব্য করেন, "পূজার আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি আমরা উপলব্ধি করছি পরিবারের জন্য বাবার নীরব আত্মত্যাগ। এটা দেখে আমার চোখে জল এসে পড়েছে। সত্যিই, প্রত্যেক পরিবারে বাবারা অনেক কষ্ট করে।"

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে আসা দর্শানার্থী সজল রায় বলেন, "নরসিংদীর পূজা সবসময় জাকজমক ও দৃষ্টিনন্দন হয়। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে পূজায় ঘুরছি আর আনন্দ করছি। শিক্ষণীয় থিমে মণ্ডপ সাজানোয় ছেলেমেয়েরা আনন্দের পাশাপাশি শিক্ষাও পাচ্ছে।"

বাঘবিতান ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সুদীপ্ত কুমার সাহা জানান, "প্রতিবারই আমরা থিমভিত্তিক পূজার আয়োজন করি। এবার ক্লাবের ৫০ বর্ষ উদযাপনে বেছে নেওয়া হয়েছে সংসারে বাবার আত্মত্যাগের গল্প। তিন মাস পরিশ্রম করে শ্রমিকরা তা ফুটিয়ে তুলেছেন। সন্তানরা যেন বাবাকে ভালোবাসে, সম্মান করে- এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া চেষ্টা করছি।"

আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান

বাবার আত্মত্যাগের গল্পের পাশাপাশি এবারের দুর্গাপূজায় নরসিংদী শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে কৃষি, পুরাণ, প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ উঠে এসেছে। কোথাও দেবী দুর্গার প্রতিমায় কৃষকের রূপ, কোথাও ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতার, কোথাও আবার প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা কিংবা অযোধ্যার স্থাপত্যশৈলী।

বৈচিত্র্যময় এসব আয়োজন দেখতে প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষের ভিড় জমছে মণ্ডপগুলোতে। শহরের অগ্রণী সংঘ এবারের থিমে কৃষি ও কৃষকের অবদান তুলে ধরেছে। মণ্ডপে দেবী দুর্গাকে কৃষকের রূপে উপস্থাপনের পাশাপাশি টেরাকোটার মাধ্যমে বাংলাদেশের জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতিতে কৃষকের ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

অগ্রণী সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার সাহা বলেন, "আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। আমাদের জীবনে কৃষকের গুরুত্ব অনেক। তাই মা দুর্গাকে কৃষক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা এই পূজায় কৃষকের গুরুত্ব ও ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।"

অন্যদিকে, শহরের দেবাঙ্গন মন্দিরের মণ্ডপ সাজানো হয়েছে ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতার ঘিরে। প্রতিমা, নিখুঁত শিল্পকর্ম এবং আলোকসজ্জায় পুরানের দশ অবতারকে তুলে ধরা হয়েছে। সেবা সংঘের মণ্ডপে রয়েছে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা ও ফারাওদের স্থাপত্যের অনুপ্রেরণা। আর শীতলা বাড়ির মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভারতের প্রাচীন অযোধ্যা মন্দিরের আদল।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ী জেলা কারাগারে হাজতি নারায়ণ চন্দ্র দাসের মৃত্যু

নরসিংদীর পূজামণ্ডপে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নয়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা রাতভর পূজা দেখতে আসছেন। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা দর্শন, আলোকসজ্জা উপভোগ এবং ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তবে উৎসবের ভিড়ে বাবার আত্মত্যাগ কিংবা কৃষকের অবদানের মতো বিষয়গুলো মণ্ডপের শিল্পকর্মে উঠে আসায় আয়োজনগুলো ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

হবিগঞ্জ থেকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী পার্বতী দে বলেন, "নরসিংদীর পূজা কয়েক বছর ধরে থিম নির্ভর হয়ে উঠেছে। তাই পূজায় ঘোরার তালিকায় নরসিংদী বাদ যায় না। এবারও দৃষ্টিনন্দন সাজে পূজা হচ্ছে এখানে।"

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নরসিংদী জেলায় মোট ৩৬৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে।

আরও পড়ুন: শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ বছরে কার্ড লেনদেন ১০৩% বেড়ে বিদেশে খরচ ৯৮৭ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


পাঁচ বছরে কার্ড লেনদেন ১০৩% বেড়ে বিদেশে খরচ ৯৮৭ কোটি টাকা

দেশে ব্যাংক কার্ডের ব্যবহার ও লেনদেনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে এক মাসের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমে গেছে। অন্যদিকে, বিদেশে বাংলাদেশিদের সম্মিলিত ব্যয় ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে প্রায় ৯৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে বিদেশিরা বাংলাদেশে কার্ডের মাধ্যমে ব্যয় করেছেন প্রায় ২৪৯ কোটি টাকা। এই কারণে, দেশের বাইরে কার্ডে ব্যয়ের পরিমাণ দেশীয় বিদেশিদের কার্ডে ব্যয়ের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেশে ইস্যু করা ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা ৯৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে, এসব কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের মোট অর্থমূল্য ১০৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঁচ বছরে কার্ডভিত্তিক লেনদেনের এই প্রবৃদ্ধি দেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তার নির্দেশ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৪টি, ক্রেডিট কার্ড ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৮টি এবং প্রিপেইড কার্ড ১০ লাখ ২৬ হাজার ৫৮০টি। সব মিলিয়ে কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৭২২টি।

২০২৬ সালের আগস্টে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৭ হাজার ৮০৪টি, ক্রেডিট কার্ড ২৮ লাখ ৫ হাজার ৪৪৯টি এবং প্রিপেইড কার্ড ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮টি। তিন ধরনের কার্ড মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার। অর্থাৎ পাঁচ বছরে কার্ডের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

কার্ডের ধরনভেদে প্রবৃদ্ধিতে বড় পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ৬৯ শতাংশ, ক্রেডিট কার্ড ৫৯ শতাংশ এবং প্রিপেইড কার্ড ৮০৩ শতাংশ। প্রতিবেদনের পাঁচ বছরের তুলনায় প্রিপেইড কার্ডের বিস্তার সবচেয়ে বেশি। তবে মোট কার্ডের মধ্যে ডেবিট কার্ডই সংখ্যাগরিষ্ঠ।

কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের মোট অর্থমূল্য ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের ২৪ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের আগস্টে ৪৯ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ মাসিক লেনদেনের অর্থমূল্য পাঁচ বছরে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

আগস্টে দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। জুলাইয়ে এই পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। এক মাসে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ৫.৪৪ শতাংশ।

দেশে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে ডিপার্টমেন্ট স্টোর বা বড় বিপণিবিতানে। আগস্টে এ খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা, যা অভ্যন্তরীণ ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ৪৮.১৪ শতাংশ। জুলাইয়ে এ খাতে ব্যয় ছিল ২ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা বা মোট লেনদেনের ৫০.৩১ শতাংশ।

অন্যদিকে, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় জুলাইয়ের ৪৮৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে আগস্টে ৫১৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ বিভিন্ন পরিষেবার বিল পরিশোধে ব্যয় বেড়ে ৪৪২ কোটি টাকা হয়েছে। ওষুধ ও ফার্মেসিতে ব্যয় হয়েছে ২৮৪ কোটি টাকা, পোশাকের দোকানে ১৯৬ কোটি টাকা এবং পরিবহনে ১২৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, নগদ অর্থ উত্তোলন, সরকারি সেবা, ব্যবসায়িক ও পেশাগত সেবা এবং অর্থ স্থানান্তর খাতে ব্যয় কমেছে। প্রতিবেদনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বড় বিপণিবিতানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা, ব্যাংকের প্রচারমূলক সুবিধা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে কার্ড গ্রহণের সুযোগ বেশি থাকার কারণে সেখানে কার্ডের ব্যবহার বেশি হতে পারে। তবে এগুলো সম্ভাব্য ব্যাখ্যা; প্রতিবেদনে এসব কারণের পৃথক পরিসংখ্যানভিত্তিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।

লেনদেনের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে দেশে ক্রেডিট কার্ডে মোট ব্যয়ের ৯৩.৩৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা কেনাকাটায়, ৬.৪৩ শতাংশ নগদ উত্তোলনে এবং ০.২১ শতাংশ অর্থ স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ ক্রেডিট কার্ডের প্রধান ব্যবহার কেনাকাটা হলেও নগদ উত্তোলনেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

আগস্টে বাংলাদেশে ইস্যু করা ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড দিয়ে বিদেশে মোট ৯৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে ৫০৫ কোটি, ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

ক্রেডিট কার্ডে বিদেশে লেনদেনের সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ২৩ হাজার ১৫০টি। জুলাইয়ে এ সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৬টি। অর্থমূল্যের হিসাবে বিদেশে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় জুলাইয়ের ৫২৬ কোটি টাকা থেকে আগস্টে কমে ৫০৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ গেছে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে—৩০.২৯ শতাংশ। খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ১৭.৮৯ শতাংশ, পরিবহনে ১২.০৯ শতাংশ এবং ওষুধ ও ফার্মেসিতে ১১.৮৬ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়িক সেবা, পোশাক, সরকারি সেবা, পেশাগত সেবা, পরিষেবার বিল এবং নগদ উত্তোলনেও কার্ড ব্যবহার হয়েছে।

দেশভিত্তিক হিসাবে বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে। দেশটিতে ব্যয়ের অংশ ১৭.১৬ শতাংশ। এরপর থাইল্যান্ডে ১০.৮৬ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৯.৭৫ শতাংশ, ভারতে ৯.১২ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরে ৭.৯৮ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। মালয়েশিয়া, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সৌদি আরব, চীন ও অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশি কার্ডধারীরা ব্যয় করেছেন।

ডেবিট কার্ডে বিদেশে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪২২ কোটি টাকা, যা জুলাইয়ের ৪০১ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। এ খাতে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ২০.২৪ শতাংশ, সরকারি সেবায় ১৭.১২ শতাংশ, ব্যবসায়িক সেবায় ১৩.৯৯ শতাংশ এবং নগদ উত্তোলনে ১২.৯২ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে ডেবিট কার্ডের ব্যয়ে যুক্তরাজ্য ১৪.১৯ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে; এরপর যুক্তরাষ্ট্র ১৩.৪৩ শতাংশ এবং ভারত ১১.৭৬ শতাংশ।

প্রিপেইড কার্ডে বিদেশে ব্যয় হয়েছে ৬০ কোটি টাকা, যা জুলাইয়ের ৫৮ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। এ ধরনের কার্ডে সরকারি সেবায় ২০.৬০ শতাংশ, নগদ উত্তোলনে ১৭.৫৩ শতাংশ, ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ১৬.৩৬ শতাংশ এবং ব্যবসায়িক সেবায় ১৪.৩৯ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে প্রিপেইড কার্ডে ব্যয়ের শীর্ষে ভারত, যার অংশ ১৮.৭১ শতাংশ। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে ১৪.৯৪ শতাংশ, সৌদি আরবে ১০.২১ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৯.৪৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।

বিদেশে ইস্যু করা কার্ড দিয়ে বাংলাদেশে আগস্টে লেনদেন হয়েছে ২৪৯ কোটি টাকা। জুলাইয়ে এ পরিমাণ ছিল ২৩৪ কোটি টাকা। এক মাসে প্রবৃদ্ধি ৬.২৭ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে বিদেশিদের কার্ডে ব্যয় বেড়েছে ৩৪.৬৬ শতাংশ।

বিদেশি কার্ডধারীরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছেন ডিপার্টমেন্ট স্টোরে, যার অংশ ৩৫.২৫ শতাংশ। নগদ উত্তোলনে ২৩.৭৬ শতাংশ, পরিবহনে ১২.৯৯ শতাংশ এবং পোশাকের দোকানে ৯.১৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। দেশভিত্তিক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে ইস্যু করা কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট লেনদেনের ২১.২৯ শতাংশ হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অংশ ১০.৮১ শতাংশ এবং ভারতের ৮.৬১ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আগস্ট শেষে ৪৭টি তফসিলি ব্যাংক ও একটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য ঋণের অনুমোদিত সীমা ছিল ৪৩১.০৮ বিলিয়ন টাকা বা ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। কার্ড ব্যবহারকারীদের কাছে পাওনা বা স্থিতি ছিল ১৪৪.৮২ বিলিয়ন টাকা বা ১৪ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা। অর্থাৎ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণসুবিধার অনুমোদিত সীমা ও ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যমান পাওনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশে কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়লেও নগদনির্ভর অর্থনীতি, ডিজিটাল অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, আর্থিক সাক্ষরতার ঘাটতি, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ডিজিটাল ব্যবস্থার প্রতি আস্থার অভাব, লেনদেনের খরচ এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা নগদবিহীন লেনদেন বিস্তারের পথে বাধা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, কার্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারে সহায়ক হতে পারে। তবে কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জালিয়াতি প্রতিরোধ, গ্রাহক সুরক্ষা এবং ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


রিয়াদে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের কার্যকরী সদস্য এবং কালবেলার সাংবাদিক মোহাম্মদ রাকিব সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা এবং আরটিভির সৌদি আরব ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক আবুল বশির। ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন যমুনা টিভির প্রতিনিধি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন দীদার।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (হাবিব)। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জামাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এনামুল হক ভূঁইয়া, সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং সময় টিভির প্রতিনিধি আরিফুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক এবং বাংলা টিভির প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ লিটন, প্রচার সম্পাদক এবং চ্যানেল ২৪-এর প্রতিনিধি শিহাব শাহীন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং দেশ টিভির প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ, আল দাওয়া টিভির প্রতিনিধি মাওলানা মহব্বত উল্লাহ এবং ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জামাল হোসেন।

এছাড়া, সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের কার্যকরী সদস্য এবং ডিবিসি টিভির প্রতিনিধি গোলাম রাসেল রুসুল, চ্যানেল আই এবং বাংলা বিনোদনের সম্পাদক বুলবুল আহমদ, তিতাস টিভির সম্পাদক আল আমিন নান্নু, আই ওয়াল টিভির প্রতিনিধি তানিয়া আহমেদ, স্বাধীন কাগজের প্রতিনিধি ফখরুল ইসলাম জয় এবং রিয়াদ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা, সম্ভাবনা ও অর্জনের বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। প্রবাসীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বক্তারা। তারা দৈনিক কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সৌদি আরবে পত্রিকাটির প্রতিনিধিকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রবাসীদের কল্যাণে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়, কেক কাটা এবং বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন

কম্বোডিয়ার অভিবাসন পুলিশের বন্দিশালায় আটক থাকা ৩০ বাংলাদেশি নাগরিক অবশেষে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরছেন। তাদের দেশে ফেরার সময় নির্ধারিত হয়েছে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে হযরত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।

এই তথ্য 'অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন' নামের একটি অভিবাসন বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের একটি বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী ৩০ বাংলাদেশি নাগরিক উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় বিভিন্ন সময়ে কম্বোডিয়ায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর একটি প্রতারক চক্র তাদেরকে জিম্মি করে বেআইনি কাজের জন্য বাধ্য করে, যা ছিল অনলাইন স্ক্যাম। পরবর্তীতে, কম্বোডিয়া সরকার তাদের উদ্ধার করে দেশে ফেরার সুযোগ দিলেও, ৩ সেপ্টেম্বর নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর স্থানীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের আটক করে বন্দিশালায় পাঠিয়ে দেয়।

ঘটনার পর 'অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন' বন্দি বাংলাদেশিদের দ্রুত মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করে।

এর ফলস্বরূপ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থাইল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি নির্দেশনা পাঠায়। দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বন্দি বাংলাদেশিরা মুক্তি পেয়েছেন এবং আজ তারা স্বদেশের পথে পা বাড়াচ্ছেন বলে সংগঠনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন উপজেলা গঠনের দাবি জামায়াত এমপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন উপজেলা গঠনের দাবি জামায়াত এমপির

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে একটি পৃথক উপজেলা গঠনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন।

সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এ প্রস্তাবনা পেশ করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি পৃথক উপজেলা গঠনের প্রয়োজনীয়তা, যৌক্তিকতা ও সার্বিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর ও দিয়াড় অঞ্চলের ৭টি ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, বর্তমান যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সেবা প্রাপ্তির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি এলাকাটিতে দ্রুত নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘পৃথক উপজেলা গঠিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে। প্রশাসনিক সেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছানোর পাশাপাশি শিক্ষা, আধুনিক চিকিৎসা, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহজলভ্য হবে। এছাড়া কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।’

তিনি চর ও দিয়াড় অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি লাঘবে প্রস্তাবনাটি দ্রুত বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সূত্র জানায়, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এক জনসভায় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, নির্বাচিত হলে চর ও দিয়াড় অঞ্চলের ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক উপজেলা গঠনের কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। সেই কথা রাখতেই তিনি সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%