বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৩ এম
কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে একই দলে খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন এবং রনি তালুকদার। ভ্যাঙ্কুভার গার্ডিয়ান্সে তাদের সঙ্গে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশ কিছু পরিচিত ক্রিকেটার।
ভ্যাঙ্কুভার নাইটসের নতুন নাম ভ্যাঙ্কুভার গার্ডিয়ান্স। এই দলের হয়ে খেলার কথা রয়েছে স্কটল্যান্ডের জর্জ মানসি, দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ইনগ্রাম, আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেনার লুইসের। এছাড়া শ্রীলঙ্কার মালিন্দা পুষ্পকুমারা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহিদ আলীও এই দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
তবে সাকিবের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ একই সময়ে তার নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, নাসির ও রনিকে নিয়মিতভাবে কানাডার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দেখা যেতে পারে। নাসির ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে গেছেন।
এবারের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগের ম্যাচগুলো কানাডার পরিবর্তে অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনে। টুর্নামেন্টটি চলবে ২ নভেম্বর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি জয়ী হন, তাহলে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্কের কর্মকাণ্ড এবং কথিত দুর্নীতির তদন্তের উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে ডেমোক্র্যাটরা। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই কোটিপতি সহযোগী ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সরাসরি হুমকি প্রদান করেছেন।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাস্ক মন্তব্য করেন, ‘যে তরবারি দিয়ে আঘাত করবে, সে তরবারির আঘাতেই মরবে।’ ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনা সম্পর্কিত নিউজ পোর্টাল ‘পলিটিকো’র একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মাস্ক, যিনি বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচারের জন্য পরিচিত, আরও লেখেন, ‘যারা আমার সঙ্গে বিরোধে জড়াবে, তাদের বুঝতে হবে যে নেপথ্যে আসলে কে সুতা নাড়াচ্ছে তা আমি খুঁজে বের করব এবং শুধু অনুগত পুতুলদের পেছনে না ছুটে সরাসরি আসল মাথার পেছনেই লাগব।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিত ইলন মাস্ক, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম শীর্ষ অর্থদাতা। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হওয়ার পাশাপাশি তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের মাধ্যমে সরকারি চুক্তির বড় অঙ্কের সুবিধাভোগী। এছাড়া, তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান টেসলারও প্রধান।
২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে মাস্ক আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করেন। পরে তিনি সরকারি খরচ কমাতে এবং প্রায় তিন লাখ সরকারি কর্মচারীকে ছাঁটাই করার একটি বিতর্কিত প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন।
বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে, অর্থাৎ উচ্চকক্ষ সেনেট ও নিম্নকক্ষ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রিপাবলিকানদের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের কাছে চলে যেতে পারে।
যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তাহলে তারা শক্তিশালী তদন্ত কমিটিগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে, যার মাধ্যমে কাউকে জবাবদিহিতা ও সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার ক্ষমতা থাকবে। সে ক্ষেত্রে ইলন মাস্ক তাদের মূল লক্ষ্য হতে পারেন।
পলিটিকোর প্রতিবেদনে প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট সদস্য জো লোফগ্রেনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘মাস্কের স্বার্থের সংঘাত ও সরকারি পদের অপব্যবহারের যে বিশাল তালিকা সামনে এসেছে, তা এক কথায় স্তম্ভিত করার মতো।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও পতনের সম্মুখীন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) মুদ্রানীতি নির্ধারণী বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যার ফলে সুদের হারের গতিপথ সম্পর্কে নতুন সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণের বাজারে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে এশিয়ার প্রাথমিক লেনদেনে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৬ শতাংশ কমে যায়। ফলে প্রতি আউন্সের দাম ৪ হাজার ১১৫ ডলার ৫০ সেন্টে নেমে আসে। এর আগের দিন বুধবার দাম কমে ৪ হাজার ১০৪ ডলার ৩৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছিল, যা ১৫ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন।
অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩২ ডলার ৩০ সেন্ট হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার সংশ্লিষ্টদের নজর এখন ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডের মুদ্রানীতি নির্ধারণী বৈঠকের দিকে। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি বুঝতে ফেড এই সূচকটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে, যার লক্ষ্য মূল্যস্ফীতির হার ২ শতাংশে নামিয়ে আনা।
গণমাধ্যমটির জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় সব অর্থনীতিবিদের ধারণা, অক্টোবরে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন তারা।
সাধারণত সুদের হার বৃদ্ধি পেলে স্বর্ণের দামে চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ, স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদ পাওয়া যায় এমন সম্পদ তুলনামূলকভাবে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন ঘটেছে। বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ ডলার ৩৩ সেন্টে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬০৯ ডলার ৯৫ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৭৮ ডলার ৫২ সেন্ট হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেক্সিকো সরকারের আপত্তি সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ২ হাজার ৩০০ মেক্সিকান নাগরিককে গুয়াতেমালায় পাঠিয়েছে। তাদের পরবর্তীতে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসীদের বহিষ্কারের অভিযানের অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটছে। তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানোর এই প্রবণতা নিয়ে মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো বুধবার জানিয়েছেন, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ২ হাজার ২৮৪ জন মেক্সিকান নাগরিককে তার দেশ গ্রহণ করেছে।
আরেভালো এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, গুয়াতেমালায় ফেরত আসা নাগরিকদের বহনকারী বিমানে মেক্সিকানদেরও আনা হচ্ছে। মেক্সিকো সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের গুয়াতেমালার মধ্য দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। দেশটিতে পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের মেক্সিকোর ভূখণ্ডে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের গন্তব্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের যুক্তি হলো, যাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে, তাদের অনেককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। তবে মেক্সিকোর ক্ষেত্রে এই যুক্তি প্রযোজ্য নয়, কারণ দেশটি নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত নাগরিকদের গ্রহণ করে আসছে।
সমালোচকদের মতে, তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানো এক ধরনের শাস্তি। এতে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীরা নিজ দেশ থেকে অনেক দূরে আটকা পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
মেক্সিকান নাগরিকদের গুয়াতেমালায় পাঠানোর বিষয়ে আরেভালো জানান, তাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে খরচ বহন করছে মেক্সিকো অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।
তবে তৃতীয় দেশে নিজেদের নাগরিকদের পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মেক্সিকো সরকার। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের কাছে এ চর্চার বিরোধিতা জানিয়েছে মেক্সিকো। একই সঙ্গে দেশটির প্রত্যেক নাগরিকের মেক্সিকোয় প্রবেশের অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার গুয়াতেমালার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মেক্সিকোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দুই দেশ অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এর মধ্যে নিরাপত্তা এবং মর্যাদার সঙ্গে মানুষের চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে।
গুয়াতেমালাই একমাত্র দেশ নয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকান নাগরিকদের পাঠাচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিছু মেক্সিকান নাগরিককে হন্ডুরাসেও পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে।
হন্ডুরাসে বহিষ্কৃত হয়ে যাওয়া মেক্সিকান নাগরিক আর্তুরো ত্রেখো টেলিভিশন চ্যানেল টেলিমুন্দোকে জানান, তাদের কিছু জানানো হয়নি। শুধু বিমানে উঠতে বলা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র কেন মেক্সিকান নাগরিকদের তৃতীয় দেশে পাঠাচ্ছে, সে বিষয়ে মেক্সিকোর জাতীয় অভিবাসন ইনস্টিটিউট (আইএনএম) বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানায়, মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপকে অভিবাসীদের নিরুৎসাহিত করার কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। আইএনএমের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র চায়, এসব মানুষ যেন আবার দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা না করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) জানায়, ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বহিষ্কার অভিযান পরিচালনা করতে তারা আইনের আওতায় থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করছে।
তবে মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের অনেকে মেক্সিকান নাগরিকদের তৃতীয় দেশে পাঠানোকে ভয় দেখানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন। অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ওয়োলা (ডব্লিউওএলএ)-এর মধ্য আমেরিকাবিষয়ক পরিচালক আনা মারিয়া মেন্দেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতি ক্রমেই কঠোর হচ্ছে। অভিবাসীদের মধ্যে যেকোনো মূল্যে আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে মনে হচ্ছে।
প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশ পরস্পরের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। শুধু ২০২৫ সালেই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তপারের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৬ হাজার ৪১০ কোটি ডলার।
গত বছর ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মেক্সিকো সরকারকে কঠিন ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। একদিকে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের হাতে নিজেদের নাগরিকদের সম্ভাব্য নির্যাতন ও অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হচ্ছে।
অভিবাসন কর্মকর্তাদের অভিযানের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইসিই) হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আইসিইর হেফাজতে অন্তত ১৫ জন মেক্সিকান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসনবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় আরও তিনজন মেক্সিকান নাগরিক মারা গেছেন।
এসব ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের কৌঁসুলিদের কাছে অভিযোগ করেছে মেক্সিকো সরকার। আইসিইর আটককেন্দ্রগুলোর পরিবেশকে ‘মানবাধিকারের মানদণ্ডের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ’ বলেও নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি আটককেন্দ্রগুলোতে মেক্সিকোর কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মেক্সিকো সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সাঈদ হোসেন ওরফে নান্নু (৪২) উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের দারুল আবরার মাদরাসার শিক্ষক এবং মৃত আফফান ডাক্তারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৪ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে মাদরাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলাকালে শিক্ষক সাঈদ হোসেন কৌশলে শিশুটিকে মাদরাসার অফিসকক্ষে ডেকে নেন। অভিযোগ উঠেছে যে, পরে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে তাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার সহপাঠী ও স্থানীয় কয়েকজন নারী এগিয়ে আসেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জুব্বা ও পায়জামা হাতে নিয়ে অফিসকক্ষ থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে শিশুটি উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে শিশুটির মা তাতে রাজি না হয়ে গত ২০ অক্টোবর দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে ওই রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, একটি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে মাদরাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা চলে গেলেও ওই শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দিলে মামলা নথিভুক্ত করা হয় এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ