বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৬ পি.এম
কওমি ঘরানার সাতটি সমমনা ইসলামী রাজনৈতিক দল নতুন রাজনৈতিক দল গঠন না করে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে অভিন্ন ব্যানারে একসঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখযানুল উলুম মাদরাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়।
বৈঠকে মৌলিক আলোচনায় প্রাথমিকভাবে চারটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো,
অন্যান্য জোটে থাকা দলগুলোর অংশগ্রহণ: বর্তমানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা দলগুলো পর্যায়ক্রমে নিজ নিজ দলীয় প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করে সমমনা ইসলামী দলের এই ঐক্যপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে অগ্রসর হবে। এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমমনা ইসলামি দলসমূহের ঐক্যপ্রচেষ্টার লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, ‘আজকের বৈঠকে আমিও উপস্থিত ছিলাম। আলোচনার একপর্যায়ে জোটের বিভিন্ন শর্তাবলি নিয়ে কথা ওঠে এবং একটি প্রস্তাব রাখা হয় যে—অন্য কোনো দল বা জোটের সঙ্গে যুগপৎভাবে থাকা যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়ে দিয়েছি, কোনো চাপিয়ে দেওয়া শর্ত আমরা মানব না। কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই কেবল অভিন্ন মৌলিক ইস্যুগুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’
তিনি আরো স্পষ্ট করেন, ‘কোনো জোটে থাকা না-থাকা একান্তই সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ও অভ্যন্তরীণ নীতিগত সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে কোনো ধরনের টানাটানি বা অন্য কারও দিকনির্দেশনা গ্রহণযোগ্য নয়। আজকের বৈঠকে জোট ত্যাগ করা নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং আমরা জোট ছেড়ে দেব—এমন কোনো কথাও বলিনি। কোন দল জোটে থাকবে আর কোন দল থাকবে না, তা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা গণমাধ্যমে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচারের কথা ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তিতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার জন্য সরকারকে দুই মাসের সময়সীমা দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। যদি এই সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হয়, তাহলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য নিরসন প্রত্যাশী মাধ্যমিক শিক্ষক উইং’-এর নেতারা এই ঘোষণা দেন। তারা দাবি করেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা-২০২৫ সংশোধন করে মাদ্রাসার এমপিও নীতিমালা-২০২৬-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য, একই এমপিওভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় কর্মরত থাকা সত্ত্বেও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানভেদে শিক্ষকদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।
তারা অভিযোগ করেছেন, মাদ্রাসার এমপিও নীতিমালা-২০২৬-এর ১১.৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষকদের প্রথম উচ্চতর গ্রেড প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম এমপিওভুক্তির সময়কাল বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে, স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১১.৭ অনুচ্ছেদে ভিন্ন শর্ত থাকায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একই ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন না।
শিক্ষক নেতাদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চাকরির ধরন প্রায় একই হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র নীতিমালার পার্থক্যের কারণে অনেক শিক্ষক আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন চাকরি করার পরও কাঙ্ক্ষিত উচ্চতর গ্রেড পেতে বিলম্ব হওয়ায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) ডিগ্রির বিষয়টিও উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণে বৈষম্যের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন শিক্ষকরা। তাদের বক্তব্য, বিএড ডিগ্রি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও পাঠদান পদ্ধতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু উচ্চতর গ্রেড প্রদানের ক্ষেত্রে বিএড ডিগ্রি অর্জনের পরবর্তী সময়কে ভিত্তি করায় অনেক শিক্ষককে আর্থিক সুবিধা পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
তাদের মতে, পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় এই ডিগ্রির কারণে আর্থিক সুবিধা পেতে বিলম্ব হওয়া শিক্ষকদের জন্য হতাশাজনক। তাই উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণে বিএড ডিগ্রিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বৈষম্যও দূর করতে হবে।
শিক্ষক নেতারা জানান, দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য তারা গত ১২ আগস্ট, ৩ সেপ্টেম্বর ও ২৩ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন তারা। তবে এখনো প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না পাওয়ায় নতুন করে দুই মাসের সময়সীমা ঘোষণা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে, স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালার ১১.৭ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে মাদ্রাসার এমপিও নীতিমালার ১১.৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা, প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে চাকরির অভিজ্ঞতা গণনা করে প্রথম উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং বিএড ডিগ্রির কারণে সৃষ্ট আর্থিক বৈষম্য দূর করা।
একই সঙ্গে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জন্য উচ্চতর গ্রেড প্রদানে অভিন্ন ও ন্যায়সংগত নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান তারা।
এ ছাড়া ২০২৬ সালে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার আহ্বান জানান শিক্ষক নেতারা। তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং আগামী ঈদুল ফিতরে পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের (বাবেশিকফো) সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মাইন উদ্দীন, নির্বাহী মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি মো. আতিকুর রহমান তালুকদার, সহসভাপতি মো. শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মো. রবিউল ইসলাম ও মো. তোফায়েল সরকার।
এ ছাড়া ‘উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য নিরসন প্রত্যাশী মাধ্যমিক শিক্ষক উইং’-এর মো. সাইদুজ্জামান, মো. মাহমুদুল হাসান মোহাব্বত, মো. রাশেদ, মো. আল মামুন, মো. জসিম উদ্দিন, রিনা খাতুন ও মো. মাসুদসহ অন্যান্য শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের সুসম্পর্কের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, "পতিত ফ্যাসিস্ট ও জামায়াত মিলেমিশে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।"
এদিকে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, "পতিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সুসম্পর্ক করেই ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি।"
জামায়াত সেক্রেটারি আরও মন্তব্য করেন যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই বিএনপি গণভোটের রায় মানতে নারাজ।
দেশের রাজনীতিতে জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক বর্তমানে একটি আলোচিত ইস্যু।
এর আগেও, প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই দলের সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রুহুল কবির রিজভী একই অভিযোগ করেছেন।
তিনি বলেন, "পতিত ফ্যাসিস্ট ও গুপ্তদল মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে দুই ঘণ্টা গুলি বিনিময়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার উল্লেখ করেছেন, ‘সাজেকের পর্যটকেরা যখন উজোবাজার এলাকায় পৌঁছান, তখন সড়ক অবরোধকারীরা তাদের বাধা দেয়। সড়ক ছেড়ে দিতে বলার পর তারা প্রথমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আট সদস্য আহত হন। এরপর সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে।’
তিনি আরও জানান, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ওই এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
পুলিশ সুপার বলেন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘সাজেক থেকে ফিরে আসা পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক সংগঠনের বিরোধের কারণে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজ থেকে রাঙামাটির সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন এই অবরোধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক অবরোধের খবর পাওয়ার পর প্রশাসন সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর আজ সকাল ৮টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় প্রায় তিন হাজার পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো বেলা ১১টার দিকে উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার সম্মুখীন হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় সশস্ত্র ব্যক্তিদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়। তবে সাজেক থেকে ফেরার পর পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও ধর্মচর্চার সঙ্গে শাবানা আজমির সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়। বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি তার স্বামী গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের সঙ্গে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মতবিরোধের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি আইআইএমইউএন-এর ইউটিউব চ্যানেলে অনুষ্ঠিত এক আলাপচারিতায় শাবানা উল্লেখ করেন, তার বাবা, প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার কাইফি আজমি ছিলেন নাস্তিক। তার মা শওকত কাইফি ধর্ম পালন করতেন, তবে এ বিষয়ে তিনি খুব কঠোর ছিলেন না। এই পারিবারিক পরিবেশ শাবানার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।
শাবানা আরও বলেন, তিনি দৈনন্দিন কথাবার্তায় ‘মাশাআল্লাহ’ এবং ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেন। কিন্তু এই শব্দগুলো ব্যবহার নিয়ে তার স্বামী জাভেদ আখতার প্রায়ই প্রশ্ন তোলেন। জাভেদের যুক্তি হলো, ব্যক্তির নিজের সিদ্ধান্তে নেয়া কাজের ক্ষেত্রে ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বলাটা অপ্রাসঙ্গিক।
শাবানার স্বামীও নাস্তিকতায় বিশ্বাসী। গীতিকার জাভেদ আখতার মনে করেন, সমাজে ধর্মের চেয়ে মানব ধর্মই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে শাবানার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তার স্বামীর কিছু অমিল রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শাবানা বলেন,
শাবানা বলেন, এসব শব্দ ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। তিনি মনে করেন, যদি কেউ ধর্ম পালন করে মানসিক শান্তি পায়, তবে তাকে সেই স্বাধীনতা দেয়া উচিত। অকারণে কারও বিশ্বাসে আঘাত করার প্রয়োজন নেই।
নিজের পরিচয় স্পষ্ট করে শাবানা জানান, তিনি মুসলিম। ঈদ, উর্দু ভাষা এবং মুসলিম খাবারের প্রতি তার ভালো লাগা রয়েছে। তবে তিনি নামাজ পড়েন না এবং ধর্মচর্চার সঙ্গেও তার সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়।
ধর্ম ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রসঙ্গে শাবানা বলেন, ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। ধর্মীয় বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কাম্য নয় এবং অন্যের বিশ্বাসে অকারণে আঘাত করা অনুচিত।
শাবানা আজমির ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে এ বক্তব্য বর্তমানে নেটদুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ