বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৬ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কিশোর কুমার দাস। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অপরাহ্নে তিনি কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনিযুক্ত ইউএনও কিশোর কুমার দাস উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়ানো এবং সরকারি সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং জনগণের হয়রানি কমিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে মানুষের দূরত্ব কমানো তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি কালকিনিকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করতে চান।
যোগদানকালে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা নবনিযুক্ত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তার দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
নতুন ইউএনওর যোগদানে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী মির্জা আব্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পর তিনি গাড়ি থেকে নেমে হুইলচেয়ারে করে সমাধিস্থলে পৌঁছান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।
মির্জা আব্বাস প্রয়াত দুই নেতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তিনি কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।
এর আগে, চিকিৎসা শেষে গতকাল বুধবার রাতে পাঁচ মাস পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘আমি ফিরে এসেছি মানুষের কাছে, মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে। জীবনের শেষ দিনগুলো যেন মানুষের জন্য কাজ করতে পারি— সকলের কাছে সেই দোয়া চাই।’
আজ বিকেলে আসরের নামাজের বিরতির পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস এই দোয়া চান।
তিনি উল্লেখ করেন, 'আপনারা দোয়া করবেন— আমি যাতে বাকি সময়টুকু বেঁচে থাকি দেশ এবং জাতির জন্য, দেশের জন্য যেন কিছু করতে পারি।'
মির্জা আব্বাস বক্তব্য দেওয়ার সময় কয়েকবার আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। তার বক্তব্যের সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। ট্রেজারি বেঞ্চের প্রথম সারিতে হুইল চেয়ারে বসা মির্জা আব্বাসকে দেখে শুভেচ্ছা জানান স্পিকার।
স্পিকার মির্জা আব্বাসের উপস্থিতি ঘোষণা করে বলেন, ‘সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসার পর দেশে ফিরে এসেছেন। আপনাকে (মির্জা আব্বাস) এই সংসদে স্বাগতম জানাচ্ছি।'
এই পুরো জাতীয় সংসদের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান। হুইল চেয়ারে বসা মির্জা আব্বাস ডান হাত একটু উঠিয়ে সালাম জানান।
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে গতকাল রাতে দেশে ফেরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস।
আসরের নামাজের বিরতির পর মির্জা আব্বাস সংসদে কিছু বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এই সময়ে স্পিকারের চেয়ারে বসা ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
প্রথম সারিতে পাঁচ নম্বর আসনটি মির্জা আব্বাসের। হুইল চেয়ারে বসা বলে তিনি সেখানে যেতে পারেননি।
প্রথম সারিতে বিএনপির সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানের মাইক থেকে বক্তব্য রাখেন মির্জা আব্বাস।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, একজন সংসদ সদস্যের প্রতি সংসদ স্পিকারের এই মানবিক ও আন্তরিক আচরণ আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। এটি শুধু একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি সহমর্মিতা নয়, এটি আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের মানবিক সৌন্দর্য্যরে উজ্জ্বল উদাহরণ।'
তিনি বলেন, 'আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কথা আমি কোনোদিন ভুলব না। মহান জাতীয় সংসদ স্পিকার হিসেবে আপনার দায়িত্বের পাশাপাশি একজন মানুষ হিসেবে যে মর্মত্ববোধ আপনি দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'
বক্তব্যের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন মির্জা আব্বাস।
আজকের দিনটি আমার রাজনৈতিক জীবনের অত্যন্ত আবেগঘন ও স্মরণীয় একটি দিন মন্তব্য করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, '২০০৬ সালের পর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পেরিয়ে আজ আবার মহান জাতীয় সংসদের এই পবিত্র কক্ষে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত আর কী হতে পারে।'
গত ১১ মার্চ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় সংসদে না আসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় চিকিৎসার জন্য আমাকে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় থাকতে হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সংসদের অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিত হতে পারিনি।’
তিনি বলেন, 'চিকিৎসা শেষে প্রথমবার সংসদে উপস্থিত হতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। একই সঙ্গে অসুস্থতার সময়ে যারা দোয়া করেছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, অসুস্থতার সময়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। এজন্য তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনি নিজে সিঙ্গাপুরে গিয়ে আমাকে দেখে এসেছেন। একজন সংসদ সদস্যের প্রতি সংসদের স্পিকারের এই মানবিক ও আন্তরিক আচরণ আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। আপনার এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কথা আমি কোনোদিন ভুলব না। এটি শুধু একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি সহমর্মিতা নয়; এটি আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের মানবিক সৌন্দর্যের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।'
তিনি আরো বলেন, ‘আজকে সংসদে ফিরে এসে আমার কাছে মনে হয়েছে, রাজনীতি শুধু মতের পার্থক্য নয়, রাজনীতি মানুষের জন্য; সংসদ শুধু বিতর্কের জায়গা নয়, এটি মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন।'
নিজের নির্বাচনী এলাকা ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করার কথা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, মহান আল্লাহ যেন সুস্থতা ও শক্তি দেন, যাতে অবশিষ্ট সময় আরো নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করতে পারি।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসা, শুভ কামনা ও দোয়া আমাকে কঠিন সময় অতিক্রম করতে সাহস জুগিয়েছে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ দান করুন। আমি সকল সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।
তারা আমার জন্য যথেষ্ট দোয়া করেছেন। বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমার সুস্থতা কামনা করেছেন। দলমত নির্বিশেষে আমি সবার কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।'
সংসদের বিরতির সময়ে মির্জা আব্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিজের চেম্বারে কিছু সময় কাটান। এ সময় সংসদ সদস্যরা তার সাথে দেখা করে কুশল বিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) উদ্যোগে আয়োজিত একটি সমাবেশে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সাংবাদিক নেতারা উল্লেখ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দৈনন্দিন ব্যয়ের বৃদ্ধির কারণে সাংবাদিক সমাজ বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে রয়েছে। ২০১৯ সালে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত ‘নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ’ বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক অজুহাতের কারণে অনেক সংবাদমাধ্যম এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেলে ব্যাপক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে; কিন্তু গণমাধ্যমকর্মীদের বাদ দিয়ে কেবল সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা বাড়ালে সমাজে তীব্র বৈষম্য সৃষ্টি হবে।
সমাবেশে বিএফইউজে মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা ও কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলেন, “সরকার যেভাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন, সেভাবে সাংবাদিকদের বেতনও বাড়িয়ে অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীরাও দিনযাপনের কষ্টে রয়েছেন। সরকার তার সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছেন, এতে তারা আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। তবে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন সাংবাদিকরা।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি তেল, সবজি, চাল, ডাল, আটা, রুটি, কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিএফইউজে মহাসচিব উল্লেখ করেন, সিনিয়র সাংবাদিকরা মারা যাচ্ছেন, কিন্তু হাসপাতালের বিলটাও দিতে পারেন না। গতকালও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, প্রায়দিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিনিয়র সাংবাদিকরা ৪০ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, তাদের গ্রামের বাড়িতে লাশ বহন করার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াটাও এখন জোগাড় করতে পারেন না। এত কষ্টের মধ্যেই বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আছেন। অথচ সবচেয়ে শ্রম বেশি ব্যয় করতে হয় সাংবাদিকদেরকে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আশা করেন, এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকারের পরিচয় দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করুন।
কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, অতীতে সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি ছিল। সরকারি কর্মচারীরা নানা সুযোগ-সুবিধা পান, যা সাংবাদিকরা পান না। সরকারি কর্মচারীরা সাপ্তাহে দুই দিন ছুটি পান, সাংবাদিকরা ছুটি পান একদিন। এসব বিবেচনা করে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সবসময় সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে বেশি করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অতীতের সেই পথ অনুসরণ করে সরকার অবিলম্বে সাংবাদিকদের জন্য ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করবে।
তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, ১০ম ওয়েজ বোর্ড অবিলম্বে ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকদের কাছেও দাবি, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সাংবাদিক সমাজ আর বসে থাকবে না। অতীতের মতো রাজপথে নেমে এসে তাদের অধিকার আদায় করবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডিইউজে সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, ডিইউজের সহ-সভাপতি রফিক মুহাম্মদ ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নেতা মোদাব্বের হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, বাসস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। এর মধ্যে শুক্রবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপটি অবস্থান করছে।
এটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ