ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনসিপির রাজনীতি নিয়ে রাশেদ খানের কড়া সমালোচনা


এনসিপির রাজনীতি নিয়ে রাশেদ খানের কড়া সমালোচনা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, এনসিপি বাংলাদেশে নতুন রাজনীতির নামে ভণ্ডের বন্দোবস্ত কায়েম করছে। Thursday (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। জামায়াত একটি চালাক ও ধুরন্ধর দল। তারা নিজেদের মধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখছে। সংসদ চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশংসা করে বক্তব্য দেয়।

কিন্তু মাঠে গিয়ে দেখা যায় যে, তারা গণঅভ্যুত্থানের হুমকি দেয়। আবার তারাই এনসিপির নেতৃবৃন্দকে দিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করছে।

আরও পড়ুন: ‘জামায়াত সমর্থন না পেলে ৯১ সালে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যেতে পারতো’

তিনি আরো বলেন, এনসিপির নেতৃবৃন্দকে বলব, আপনারা রাজনীতির পরিবেশকে যদি নষ্ট করেন তাহলে তার উত্তম জবাব দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। জামায়াত ও এনসিপির সকল ষড়যন্ত্রের দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি দেন রাশেদ খাঁন।

এছাড়া, জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাও বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় জেলার নানা উন্নয়ন, সম্ভাবনা, সমস্যা ও তা সমাধানে পরামর্শ গ্রহণ করেন রাশেদ খাঁন এবং সমাধানের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও বাবা-মা হারাবেন না ভোগের অধিকার: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও বাবা-মা হারাবেন না ভোগের অধিকার: আইনমন্ত্রী

সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় ভোগ-দখলের অধিকার বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সে বিষয়ে বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন’ সংশোধনের পরিকল্পনা করছে সরকার, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্যে সবার প্রতি প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান যে, প্রস্তাবিত এই আইনি পরিবর্তনের ফলে আদালতে দেওয়ানি বা সিভিল মামলার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে। এসব মামলার প্রায় বড় অংশটাই মূলত সম্পত্তির বণ্টন এবং হিসাব-নিকাশ নিয়ে তৈরি হয়। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মুসলিম আইনে হেবা হয় এবং হিন্দু আইনে উইলও হচ্ছে, আবার আমাদের মুসলিম আইনে ওয়াসিয়তনামা হতে দেখা যায়। বিদ্যমান হেবা ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা যদি হেবা করে দেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাতে থাকা সম্পত্তি চলে যাচ্ছে। ফলে তারাও নিজেদের সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তিতে সন্তানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ছেলে-মেয়ে তাদের দেখেন না, তাহলে বাবা-মায়ের কিছু করার থাকে না; তারা অসহায় হয়ে পড়েন। আইনমন্ত্রী এসময় আরও জানান, হেবার পাশাপাশি ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’-এ (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন) গিফটের একটি ধারা রয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণভাবে হেবার বাইরে গিয়েও কেউ গিফট দিতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১৯৬৩ সালের পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘ইউসুফ্রাক্ট রাইট’ বা জীবনস্বত্বের বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে সম্পত্তি গিফট করার পরও বাবা-মা তাদের জীবদ্দশায় সেটি ভোগদখল করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বাবা-মায়ের জীবনদশায় দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউ ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না। সন্তান যেমন বিক্রি করতে পারবে না, তেমনি বাবা বা মা চাইলেও এককভাবে বিক্রি করতে পারবেন না। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড়ের বিধান থাকতে পারে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এমন পরিস্থিতি আসে যে বাবার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এবং ওই সম্পত্তি না বিক্রি করলে চিকিৎসা সম্ভব নয়, কিন্তু সন্তান বিক্রিতে সম্মতি না দেয়, সেক্ষেত্রে জেলা জজকে একটা ক্ষমতা দেওয়া থাকবে। জেলা জজের কাছে আবেদন করা হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এই সংশোধনের ফলে ভবিষ্যতে সিভিল মামলা ফাইলিং কমে আসবে এবং অনেক পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে, এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা কাজ করতে চাই এবং জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন করতে চাই। আমাদের যেখানে যেভাবে সম্ভব পরিবর্তন করতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে আইনমন্ত্রী জানান, বাগেরহাটে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ওঠা গুমের (এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স) অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করবে সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনা অবসরপ্রাপ্তদের বেতন বৈষম্য দূর করতে ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


সেনা অবসরপ্রাপ্তদের বেতন বৈষম্য দূর করতে ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকার ঘোষিত ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড পরিদর্শনকালে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে সমপদের জন্য সমান বেতন নীতি কার্যকরের কথায় জোর দিয়েছেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাশরুর হোসাইন ভূইয়া।

এই পরিদর্শনের সময়ে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করেন।

তিনি জেলা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মিলনমেলা ও সহায়তার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি জেলার সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। এর জন্য প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ৬১টি জেলায় ওষুধ সংগ্রহের লক্ষ্যে মেডিক্যাল স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সংগ্রহ বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য সম্মানজনক জীবনযাপন ও টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তিনি ‘ডিফেন্স কলোনি’ গড়ে তোলার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর জেলায় এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারিত রয়েছে।

এসব জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরুর জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। দেশের সেবায় নিবেদিত প্রাক্তন সৈনিকদের অর্জিত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের সম্মানজনক শেষ বিদায় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্দেশ্যে কোন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্য সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে অধিকতর সম্পৃক্ত ও সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিদর্শনের সময় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোটি বছর আগের সরীসৃপের জীবাশ্মে পাকস্থলী-অন্ত্রের বিরল সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


কোটি বছর আগের সরীসৃপের জীবাশ্মে পাকস্থলী-অন্ত্রের বিরল সন্ধান

চীনের বিজ্ঞানীরা প্রায় ২৪ কোটি ৫০ লাখ বছর আগের একটি সামুদ্রিক সরীসৃপের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন।

এই জীবাশ্মের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো, এতে শুধু হাড়ই নয়, প্রাণীটির পাকস্থলী, যকৃত ও অন্ত্রের গঠনও সংরক্ষিত রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এত পুরোনো কোনো সরীসৃপের জীবাশ্মে এভাবে শরীরের ভেতরের অঙ্গের চিহ্ন পাওয়া খুবই বিরল।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, অস্ট্রোনাগা মিনুটা নামে এই প্রাণীটি ট্রায়াসিক যুগে বাস করত। তখনো পৃথিবীতে ডাইনোসরের আবির্ভাব ঘটেনি।

জীবাশ্মটি দক্ষিণ চীনের ইউনান প্রদেশে পাওয়া গেছে। প্রাণীটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার। এর ছিল লম্বা গলা, লম্বা লেজ এবং সূচালো দাঁত। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি সহজেই মাছ শিকার করতে পারত।

জীবাশ্ম পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, প্রাণীটির পাকস্থলী ছিল একটি থলির মতো। এর পেছনে ছিল যকৃত এবং আরও পেছনে ছিল অন্ত্র। অন্ত্রের ভেতরে মাছের আঁশও পাওয়া গেছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, প্রাণীটি মাছ খেয়েই বেঁচে থাকত এবং মৃত্যুর আগে শেষ খাবারও ছিল মাছ।

গবেষকদের মতে, এই জীবাশ্ম শুধু প্রাণীটির খাদ্যাভ্যাসই নয়, সেই সময়ের সরীসৃপের শরীরের ভেতরের অঙ্গ কীভাবে গঠিত ছিল, সেটিও জানতে সাহায্য করবে।

বিশেষ করে, ডাইনোসরের পূর্বপুরুষদের পরিপাকতন্ত্র কীভাবে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে, সে বিষয়ে নতুন ধারণা পাওয়া যাবে।

আরও একটি চমকপ্রদ তথ্য হলো, যকৃতের অংশে এখনো লাল রঙের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গবেষকদের ধারণা, এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনে থাকা লোহার উপাদানের অবশিষ্টাংশ হতে পারে। প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি বছর পরও এমন চিহ্ন টিকে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণবিলুপ্তির পর প্রাণিজগত কীভাবে আবার বিকশিত হয়েছিল, এই জীবাশ্ম সেই সময়ের জীবজগত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে। গবেষণাটি সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এখন রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। এর জন্য একদম জিরো (শূন্য) বয়স থেকে উদ্ভাবনী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্বখাতে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনিবএ কথা বলেন।

নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এম এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজন ডাক্তারের হাসিমুখ এবং সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে দেয়। চিকিৎসকই পারেন রোগীকে সুস্থ করে তুলতে। অসুস্থ অসহায় মানুষের শেষ সম্বল হয়ে থাকেন ডাক্তার।

তিনি বলেন, মানুষকে চিকিৎসা হিসেবে কেবল ট্যাবলেট বা ওষুধ দেওয়া নয়; ভালো কথা ও সঠিক পরামর্শও বড় চিকিৎসার মধ্যে পড়ে। চিকিৎসকদের নিজেদের এমন মানবিক মানুষে রূপান্তর করতে হবে, যা কেবল ওষুধ নয়- আচরণ দিয়েও রোগীকে সুস্থ করে তোলে।

ক্যান্সার ও কিডনি রোগী বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, দেশে মারাত্মকভাবে বেড়েছে কিডনি ও ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। কিডনি ও ক্যান্সারের রোগীদের ভয়াবহ কষ্ট সহ্য করতে হয় এবং এই রোগীদের কষ্টের সীমা নেই।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই সরকার সব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার শপথ নিয়েছে। দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কোনো নাগরিকই স্বাস্থ্যসেবার বাহিরে থাকবে না।

তিনি জানান, খুব শিগগিরই দেশব্যাপী ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা এবং মা ও নবজাতকের সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

হামে মৃত্যুর জন্য শিশুদের পুষ্টির অভাব উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়গুলোতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। তবে এখন হচ্ছে, কারণ বাচ্চারা শালদুধ খেতে পারে না। মায়েরা শিশুদের ঠিকমতো দুধ খাওয়ায় না। এমনকি শিশুরা সুষম খাবারও পায় না। সেজন্য এগুলো প্রতিরোধ করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ গবেষক তৈরিতে নিপসম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

তিনি রোগ প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি হেলথ কার্ডের সঙ্গে কার্যকর রোগী রেফারেল সিস্টেম সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%