মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪১ এম
দেশের বাজারে গত রবিবার সোনার দাম কমানো হয়েছে। এদিন, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন করে দাম সমন্বয় না হওয়ায় আজ মঙ্গলবারও সোনার বিক্রয় একই দামে হচ্ছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এদিকে, সোনার দাম কমানোর পরেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধূলো, ধোঁয়া এবং ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের নানা শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, মালয়েশিয়ার শহর কুচিং ২৪৯ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১৫৭ স্কোর নিয়ে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানও ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ২৪৯ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং। দ্বিতীয় স্থানে ২৩২ স্কোর নিয়ে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। তৃতীয় স্থানে ১৭৭ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, চতুর্থ স্থানে ১৭০ স্কোর নিয়ে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং পঞ্চম স্থানে পাকিস্তানের লাহোরের বায়ুদূষণ স্কোর ১৬৩।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে গণ্য করা হয়।
যদি স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হয়, তবে সেটি ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সেটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ।
সোমবার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী জাতীয় সংসদে তিনি এ-সংক্রান্ত দাবি উত্থাপন করেন।
সংসদে বক্তব্য রাখার সময়, সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ উল্লেখ করেন যে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত বাগেরহাটের ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ দীর্ঘকাল ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। পূর্বে এই প্রতিষ্ঠানে দর্জি বিজ্ঞান, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অঞ্চলের হতদরিদ্র বেকার জনগণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হতো। তবে, ২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে এবং এর ভবনগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন করে প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য আবার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এদিকে, জাতীয় সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর দাবি তোলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাগেরহাটের স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে ৩.৯০ একর জমির ওপর ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল ১০ থেকে ১৮ বছর বয়সী এতিম ও দুস্থদের লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর চার সপ্তাহের জন্য মুলতবি করা হয়েছে আপিল বিভাগ কর্তৃক।
আজ মঙ্গলবার, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আবেদনের মধ্যে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনা এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন করেছেন। শুনানি শেষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক সাংবাদিকদের জানান, অবকাশকালীন ছুটি শেষে চার সপ্তাহ পর্যন্ত বিষয়টি মুলতবি রাখা হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করার জন্য আদালত মৌখিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি ছিল দেশের প্রথম রায়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন, অপহরণ ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। পরে জানা যায়, আত্মসমর্পণের শর্তে তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গত বছরের ২২ অক্টোবর জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আত্মসমর্পণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন। পরে তিনি আপিল দায়ের করেন।
সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যোগদান করেছে, যা পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও বিস্তারের পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রসহ মোট ২৪টি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর সোমবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জি২০ ইনোভেশন মিনিস্ট্রিয়ালের পার্শ্ব বৈঠকের সময় মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক এবং ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদীয়মান টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন নীতি ও কর্মপন্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর জানিয়েছে, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতের নেটওয়ার্কের উন্নয়ন এমনভাবে করা হবে, যাতে তা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। ভারত এই উদ্যোগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এমন একটি গোষ্ঠীর অংশ হলো, যারা ভবিষ্যতের ৬জি নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত মান ও সামগ্রিক কাঠামো নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে চায়।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি অংশীদারিত্বে এটি নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো কৌশলগত ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
জি২০ ইনোভেশন বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদল
গত ১ ও ২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের চ্যাপেল হিলে জি২০ ইনোভেশন মিনিস্টার্স বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। বৈঠকটি মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর এবং হোয়াইট হাউসের অফিস অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি দ্বারা আয়োজিত হয়।
ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অজিত কুমারসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক শেষে জি২০-এর ইনোভেশন মন্ত্রীরা একটি ইনোভেশন মিনিস্টেরিয়াল স্টেটমেন্ট প্রকাশ করেন। এতে উদীয়মান প্রযুক্তির সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এসব প্রযুক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদীয়মান প্রযুক্তি সমৃদ্ধি বাড়ানো, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ