প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যোগদান করেছে, যা পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও বিস্তারের পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রসহ মোট ২৪টি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর সোমবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জি২০ ইনোভেশন মিনিস্ট্রিয়ালের পার্শ্ব বৈঠকের সময় মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক এবং ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদীয়মান টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন নীতি ও কর্মপন্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর জানিয়েছে, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতের নেটওয়ার্কের উন্নয়ন এমনভাবে করা হবে, যাতে তা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। ভারত এই উদ্যোগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এমন একটি গোষ্ঠীর অংশ হলো, যারা ভবিষ্যতের ৬জি নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত মান ও সামগ্রিক কাঠামো নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে চায়।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি অংশীদারিত্বে এটি নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো কৌশলগত ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
জি২০ ইনোভেশন বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদল
গত ১ ও ২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের চ্যাপেল হিলে জি২০ ইনোভেশন মিনিস্টার্স বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। বৈঠকটি মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর এবং হোয়াইট হাউসের অফিস অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি দ্বারা আয়োজিত হয়।
ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অজিত কুমারসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক শেষে জি২০-এর ইনোভেশন মন্ত্রীরা একটি ইনোভেশন মিনিস্টেরিয়াল স্টেটমেন্ট প্রকাশ করেন। এতে উদীয়মান প্রযুক্তির সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এসব প্রযুক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদীয়মান প্রযুক্তি সমৃদ্ধি বাড়ানো, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন