বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ পি.এম
সংসদ ভবন, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমানে গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার গণমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চায় না এবং সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
জাতীয় সংসদে এনসিপি দলের সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আজ তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে না এবং এটি বাস্তবায়নেও নেই। সংবাদমাধ্যম সম্পূর্ণ স্বাধীন। তারা কোন সংবাদ প্রকাশ করবে, কোন সংবাদ ডাউনলোড করবে, অথবা কোন সংবাদ ছাপবে বা ছাপবে না, এটি সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়।
তিনি বলেন, যদি কোনো সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম মনে করে যে সংবাদটি সঠিক নয় অথবা প্রকাশ করা উচিত হয়নি, তাহলে তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেটি সরিয়ে নিতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে বলেই সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না।
এর আগে, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৯-এর স্বতন্ত্র সদস্য সুলতানা জেসমিনের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক দর্শন বা আদর্শ থাকা স্বাভাবিক। তবে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন বলে সরকারের প্রত্যাশা।
সুলতানা জেসমিন বিভিন্ন প্রেস ক্লাবের সদস্যদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং সংবাদমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ বা ফটোকার্ড প্রকাশের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক আদর্শ পেশাগত ক্ষেত্রে প্রয়োগের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন ছড়িয়ে পড়ছে।
জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য, অসত্য তথ্য ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব তথ্য শনাক্ত ও প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের পর তা সরিয়ে নেওয়া এবং সংবাদমাধ্যম সাইবার হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানতে চান, এসব ঘটনায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী।
এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সরকারের নীতিগত অবস্থান। কোনো সংবাদমাধ্যম কী সংবাদ প্রকাশ করবে বা প্রকাশের পর তা রাখবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব। সরকার এ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার মজুদ থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক পৌণে একটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকনের মালিকানাধীন মেসার্স খোকন ব্রিক্স-এর দুটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে, কুড়ারপাড় বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের মেসার্স রফিক ট্রেডার্স-এর দোকানে অভিযান চালিয়ে ৯ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। অভিযানে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ জানিয়েছেন, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করে আসছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। পরবর্তী সময়ে জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সরকারি মূল্যে ওই ইউনিয়নের কৃষকদের কাছে বিক্রি করে দেবেন বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্কাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ জন বাংলাদেশি আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরবেন। তাদের দেশে ফেরার জন্য থাই এয়ারওয়েজের TG-321 ফ্লাইটটি দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৫ জন মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ হলো, কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত কিছু বাংলাদেশি মানবপাচারকারী তাদের দেশে ফেরার পথে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাপ প্রয়োগ এবং দেশে ফেরত না যাওয়ার জন্য নানা ধরনের চেষ্টা করেছেন।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, স্কাম কম্পাউন্ডে তাদের আটক রেখে প্রতারণামূলক সাইবার কার্যক্রমে যুক্ত হতে বাধ্য করা হয়েছিল। দেশে ফেরার পর তাদের নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা, মানসিক সহায়তা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে কলেজ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে ডা. রিতুল মণ্ডল স্নিগ্ধ চারটি দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—হামলাকারী ও দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা এবং মামলার দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা; দেশের প্রতিটি হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘আর্মড আনসার’ বা সমমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করা; শয্যা সংখ্যার সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশের বেশি অতিরিক্ত রোগী ভর্তি না করা এবং প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি ছাড়া হাসপাতালের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি বন্ধ করা; হাসপাতালের রোগীর সঙ্গে একাধিক স্বজন বা দর্শনার্থীর অবস্থান নিষিদ্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক প্রতিনিধি ডা. অর্পণ দত্ত, ডা. রিদোয়ান উদ্দিন, ডা. এ কে এম আহসান জারিফ এবং ডা. মেহেরুপ হোসেন পৃথিবী।
চিকিৎসক প্রতিনিধি ডা. রিদোয়ান উদ্দিন জানান, হাসপাতালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলতে থাকবে।
এদিকে আকস্মিক কর্মবিরতির ফলে হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা দুর্ভোগে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সেবা বন্ধ রাখার কারণে চিকিৎসা নিতে এসে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে শজিমেক হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের সপ্তম তলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল মালেক (৫০) মারা যান। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মো. রাজিবুল ইসলামের ছেলে। অ্যাজমার জটিলতা ও তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের দাবি, সর্বাত্মক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পরও রোগীর মৃত্যু হলে স্বজন ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত ব্যক্তিরা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান। এতে ইন্টার্ন ও মিড-লেভেলের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ছয়জন চিকিৎসক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি চিকিৎসকদের।
হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ চারজন স্থানীয় ছাত্রদল নেতাসহ রোগীর আহত ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছয়জন স্বজনকে হেফাজতে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠন এবং বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানিয়ে মিসর সফরে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এটি চার বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রথম সফর। ওয়াশিংটন ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রভাবের অনিশ্চয়তার মধ্যে বেইজিং এ অঞ্চলে নিজেদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানকে দৃঢ় করতে চায়।
বুধবার কায়রোতে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। বিমানবন্দরে শি জিনপিংকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও সামরিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বৈঠকে শি অঞ্চলের দেশগুলোকে নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন ‘নিরাপত্তা স্থাপত্য’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সুয়েজ খাল, বাব আল-মানদেব প্রণালি এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার প্রেক্ষিতে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং।
বার্ষিক প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের মার্কিন সামরিক সহায়তা পাওয়া মিসর ঐতিহ্যগতভাবে ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষাসঙ্গী হিসেবে পরিচিত। তবে সম্প্রতি কায়রো চীনের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ বৃদ্ধি করছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ের মধ্যে মিসর একটি কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে বলে সফরসূচির আগে প্রেসিডেন্ট সিসি জানিয়েছেন। সাবেক মিসরীয় কূটনীতিকদের মতে, কায়রো চায় বিশ্বের অন্যান্য প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে, যা চীনের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ