ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে এবং সাংগঠনিক সপ্তাহ পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে জেলা যুবদলের উদ্যোগে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি জেলার যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মাহমুদের নেতৃত্বে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি রাশেদুল হক, সহসভাপতি নাসির আহমেদ, সহসভাপতি রাশেদ কবীর আকন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান, সৈয়দ তৈমুর, রুমেল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুল হক জালাল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আরিফুল হক মাসুদ, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট ইয়াছিন মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

সমাবেশে নেতারা অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেন। তাদের বক্তব্য ছিল, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা এবং জনসম্পৃক্ত রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে যুবদল সাংগঠনিক কার্যক্রমকে জোরদার করছে। তারা আরও বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা সৃষ্টি করছে। দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার এই কার্যক্রম প্রতিহত করতেই যুবদল সারা দেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছে। সমাবেশে জেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ রুটে ঘন ঘন ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল-লাইনচ্যুতি, নেপথ্যে কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ময়মনসিংহ রুটে ঘন ঘন ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল-লাইনচ্যুতি, নেপথ্যে কী?

যাত্রাপথে চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল বা লাইনচ্যুতি যেন নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে ঢাকা–ময়মনসিংহ–জামালপুর রেলপথে। একটির পর এক এই ধরনের ঘটনায় ট্রেনের সময়সূচি ভেঙে পড়ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরোনো ইঞ্জিন আর দুর্বল লাইনের সামগ্রিক সমস্যা হচ্ছে বড় কারণ। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে সিন্ডিকেটের কারণে রেলপথে উন্নয়ন না হওয়ায় রেলসেবা থেকে জনগণকে অবরুদ্ধ করাও হচ্ছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, রেলপথের মানোন্নয়নে সরকার সচেষ্ট হয়েছে এবং প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে।

লোকোশেড থেকে ট্রেন ছাড়ার আগে ইঞ্জিনের ব্রেক, ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, জ্বালানি ও অন্যান্য কারিগরি বিষয় পরীক্ষা করা হয়। যাকে রেলওয়ের পরিভাষায় বলা হয় লোকোমেটিভ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ–জামালপুর রেলপথে বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা বেড়েছে। কখনও চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লেগেছে, কখনও ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে থেমে গেছে, আবার কখনও হুক ভেঙে ইঞ্জিন থেকে বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এই রুটে চলতি জুন মাসেই তিনটি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকলের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ১৫ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গফরগাঁও এলাকায় আন্তনগর জামালপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও বগির সংযোগস্থলের হুক ভেঙে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা–ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই দিন সন্ধ্যার আগে চট্টগ্রাম থেকে জামালপুরগামী বিজয় এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন লাগে। ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে বিকল্প ইঞ্জিনে ট্রেনটি চালানোর চেষ্টা হলেও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সরারচর এলাকায় সেটিও বিকল হয়ে পড়ে। ইঞ্জিনের সংকটের কারণে সেদিন চট্টগ্রামগামী ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস মেইল ট্রেনের যাত্রাও বাতিল হতে হয়েছিল।

এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ১৮টি এবং ২০২৫ সালে ২৫টি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়েছিল। এমন ঘটনার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে আটকে থাকে ট্রেন। বিপরীতে ট্রেনের সময়সূচি ভেঙে পড়ে এবং যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

কিন্তু কেন বারবার এই বিকল দশা? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রুটে চলাচলকারী ট্রেনের অধিকাংশ ইঞ্জিনের বয়স পেরিয়েছে ৩০ থেকে ৪৫ বছর। এর মধ্যে দুটি ৭৩ বছরের পুরনো ইঞ্জিনও রয়েছে। ২০ বছরের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ায় মাঝপথেই এগুলো অচল হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে, রেলপথে পাথর, স্লিপার ও নাট–বল্টুর ঘাটতি এবং লাইনের দুর্বল অবস্থার কারণে ধীরগতিতে ট্রেন চালাতে হয়। তবে প্রায়ই ঘটছে লাইনচ্যুতি। সম্প্রতি লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ ইঞ্জিনই পুরোনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ। চলাচলের সময় অতিরিক্ত গরম হলে অনেক ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। অন্যদিকে, রেলপথে পাথর, স্লিপার ও নাট–বল্টুর ঘাটতি এবং লাইনের দুর্বল অবস্থার কারণে ট্রেন ধীরগতিতে চালাতে হয়। নতুন ইঞ্জিন সংযোজন ও রেলপথ সংস্কার ব্যতীত পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়।

ময়মনসিংহ লোকোশেডের পরিদর্শক শফিউল হাসান বলেছেন, পুরোনো ইঞ্জিন ও দুর্বল রেলপথের কারণে নির্ধারিত গতিতে ট্রেন চলালে এসব সমস্যা হয়। অনেক সময় পূর্ণাঙ্গ মেরামতের আগেই ইঞ্জিন আবার চলাচলে নিয়ে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। রেলপথ সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে একাধিক বার চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা, জামালপুর, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রাম রুটে ১৮ জোড়া ট্রেন চলাচল করে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংকটের কারণে ভাওয়াল ও ধলেশ্বরী নামে দুটি মেইল ট্রেন এবং মোহনগঞ্জগামী দুটি লোকাল ট্রেন ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী একটি লোকাল ট্রেন বন্ধ রয়েছে।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে সিন্ডিকেটের কারণে রেলপথে উন্নয়ন না হওয়ায় রেলসেবা থেকে জনগণকে অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সম্পাদক আলী ইউসুফ জানান, রেলপথে দায়িত্বপ্রাপ্তরা এ বিষয়ে অবহেলা করছেন। দীর্ঘদিন রেলপথ সংস্কার না হওয়া, নিয়মিত পাথর না ফেলা এবং পুরোনো ইঞ্জিন যথাযথভাবে মেরামত না করায় যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাঁর দাবি, রেলের উন্নয়নে অবহেলার কারণে জনগণ যেমন নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব হারিয়ে যাচ্ছে।

তবে রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেলপথের মানোন্নয়নে সরকারের নজর রয়েছে, তারা প্রকল্প প্রণয়নের কাজ করছে। রেলওয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, লাইনচ্যুতির ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম হলেও তারা নিয়মিত ইঞ্জিন বিকলের সমস্যায় পড়ে যাচ্ছেন। অধিকাংশ ইঞ্জিন মেয়াদোত্তীর্ণ। নতুন ইঞ্জিন সংগ্রহ প্রয়োজন। একই সঙ্গে শ্রীপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে বিদ্যাগঞ্জ, গৌরীপুর, আঠারবাড়ি, মোহনগঞ্জ ও জারিয়া পর্যন্ত রেলপথ সংস্কার জরুরি। পাথর কমে যাওয়ায় চাপ পড়ে এসব রেলপথে লাইন ভেঙে যায়। এখন লাইন সংস্কার হলে লাইনচ্যুতির ঘটনা কমে আসবে এবং ট্রেনের গতিও বাড়বে। এ বিষয়ে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ করছে।

শুধুমাত্র মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিন আর নড়বড়ে লাইনের কারণে এই রুটের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো যেন চলে লোকালের গতিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে হলে ইঞ্জিন সংকট ও ফিটনেস সমস্যার স্থায়ী সমাধান দরকার। সেই সঙ্গে ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজন ডুয়েল গেল ডাবল লাইন স্থাপন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি সালাহউদ্দিনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ পরিদর্শনে গেল কাপাসিয়ার ৮০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


এমপি সালাহউদ্দিনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ পরিদর্শনে গেল কাপাসিয়ার ৮০ শিক্ষার্থী

গাজীপুরের কাপাসিয়ার ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বাস্তব ধারণা দেয়ার উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনে নিয়ে গেছেন সালাহউদ্দিন আইউবী।

এটি বুধবার তার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কাপাসিয়া সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বর্ণমালা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষাসফরের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন করতে যায়।

এই পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখা ছাড়াও সংসদীয় কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। এ সময়ের মধ্যে তাদেরকে সংসদের ইতিহাস, কার্যক্রম এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, নতুন প্রজন্মকে দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে পরিচিত করা, রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নেতৃত্ব গুণাবলী ও দেশপ্রেম জাগ্রত করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষাসফরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শিক্ষণীয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, বইয়ের বাইরে বাস্তবে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ তাদের জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং দেশের শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে নতুন করে জানার আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার বিষয়টি নিয়ে আয়োজকরা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

এতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এমন একটি ব্যতিক্রমী ও শিক্ষামূলক সুযোগ তৈরি করার জন্য সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ দালালের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ দালালের কারাদণ্ড

রাজধানীর ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে (ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২) চলাকালীন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এই অভিযানটি গ্রাহকদের হয়রানি এবং প্রতারণা বন্ধের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।

বুধবার বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত-৫ এ অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা এবং দ্রুত কাজ করে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়। পরে আদালতে তারা দোষ স্বীকার করায় তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন যা মো. আব্দুস সালাম, মো. পিন্টু, নুর মোহাম্মদ এবং মো. ইয়াছিন আরাফাত। তাদের মধ্যে দু’জনকে ৪০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অন্য দু’জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অভিযানের সময় প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

এই বিষয়টি নিয়ে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হাই সাংবাদিকদের বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার নামে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ অভিযান চলতে থাকবে।

তিনি আরও যোগ করেন, বিআরটিএতে সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা যদি সরাসরি বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাহলে তারা দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিযান অব্যাহত থাকলেও গারো পাহাড়ে থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


অভিযান অব্যাহত থাকলেও গারো পাহাড়ে থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন

ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের নদী, ঝরণা এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, প্রশাসন ও বন বিভাগের অভিযান সত্ত্বেও এক প্রভাবশালী চক্র দিনের বেলায় এবং রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এতে পাহাড়ি পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বনাঞ্চল হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বনরানী, দরবেশতলা, মালিটিলা এবং হালচাটি এলাকা সহ গারো পাহাড়ের বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কাজে জড়িত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলা পর্যন্ত সাহস পায় না। গত ২৪ জুন, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে সরেজমিনে কাংশা ইউনিয়নের দরবেশতলা এলাকায় কালঘোষা নদী থেকে অন্তত ১০ জনকে বালু উত্তোলন করতে দেখা গেছে। এর পাশাপাশি বনরানী এলাকার একটি পাহাড়ি ঝরণা থেকেও দুই-তিনজনকে বালু উত্তোলনে ব্যস্ত অবস্থায় দেখা যায়। গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যান। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ফলে কিছুদিন ওই কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রায় এক সপ্তাহ ধরেই আবারও বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সেভ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার’ (সোয়ান)-এর সভাপতি মো. নাইম ইসলাম মন্তব্য করেন, গারো পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় অব্যবস্থাপনার কারণে বালু উত্তোলন পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে। এখনই যদি কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তার আলী অভিযোগ করেছেন যে, এভাবে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের পেছনে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীরব ভূমিকা থাকতে পারে। অন্যথায় দীর্ঘদিন এ কার্যক্রম চলতে পারতো না। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বন বিভাগের গজনী বিট কর্মকর্তা মো. সালেহীন নেওয়াজ খান। তিনি জানিয়েছেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এ কাজে জড়িত নয়। অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধ করার জন্য আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত সোমবার ভোরে গজনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা বালু পরিবহনের সময় মাহিন্দ্র ট্রাক্টরচালিত ছয়টি মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর পাওয়া মাত্রই অভিযানে নামা হচ্ছে। কোথাও কারাদণ্ড, কোথাও অর্থদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হচ্ছে এবং পাইপলাইন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এদিকে স্থানীয়দের দাবি, গারো পাহাড়ের পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%