ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রুবাইয়াতের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’, ভেনিসের লালগালিচায় বাংলাদেশের ইতিহাস


রুবাইয়াতের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’, ভেনিসের লালগালিচায় বাংলাদেশের ইতিহাস

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এবার বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হচ্ছে। উৎসবটির প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র স্থান করে নিয়েছে। নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ নির্বাচিত হয়েছে ‘ওরিজন্তি’ প্রতিযোগিতা বিভাগে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ইতালির লিডো দি ভেনেজিয়ায় ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা হয়েছে। এবারের আয়োজন ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বিশ্বের খ্যাতিমান তারকা, নির্মাতা ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের এই অর্জন আলাদা করে নজর কাড়ছে। রুবাইয়াত হোসেনের চতুর্থ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ উৎসবের ‘ওরিজন্তি’ প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এই উৎসবেই সিনেমাটির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ২০১০ সালে ইশতিয়াক জিকোর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘৭২০ ডিগ্রি’ ভেনিসে নির্বাচিত হয়েছিল। তবে বাংলাদেশের কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা এবারই প্রথম উৎসবটির প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে স্থান পেল। তাই দেশের চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক যাত্রায় ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর এই অংশগ্রহণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নারীর মৃত্যু, তামাবিল দিয়ে লাশ হস্তান্তর

‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমাটি ঢাকার এক নববধূকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। বিয়ের প্রস্তুতির সময় সৌন্দর্যচর্চা, পারিবারিক প্রত্যাশা ও সামাজিক চাপের পাশাপাশি তার চরিত্র অস্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে থাকে। গল্পে বাস্তবতার সঙ্গে অতিপ্রাকৃত আবহও মিশে রয়েছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক অংশগ্রহণের পাশাপাশি এবারের ভেনিস উৎসব তারকাবহুল আয়োজনে শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে ব্রিটিশ নির্মাতা ড্যানি বয়েলের ‘ইঙ্ক’। রুপার্ট মারডকের সংবাদমাধ্যম সাম্রাজ্য ও এর প্রভাবকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটির বিশ্ব প্রিমিয়ার উদ্বোধনী রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ সম্মান পেয়েছেন হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের স্বীকৃতি হিসেবে উৎসবের আজীবন সম্মাননা ‘গোল্ডেন লায়ন’ তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক তারকাদের ঝলক ও জমকালো আয়োজনের ভিড়ে এবারের ভেনিসে বাংলাদেশের উপস্থিতিই দেশের দর্শকদের জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। ১২ সেপ্টেম্বর উৎসবের পর্দা নামার আগে রুবাইয়াত হোসেনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ ঘিরে দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন: স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমিরের গালে অক্ষয় খান্নার ১৭ চড়, যা জানালেন অভিনেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


আমিরের গালে অক্ষয় খান্নার ১৭ চড়, যা জানালেন অভিনেতা

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘দিল চাহতা হ্যায়’ মুক্তির ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও সম্পর্কের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি আজও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করে আছে। এই বিশেষ উপলক্ষ্যে সিনেমাটির কলাকুশলী ও নির্মাতারা সম্প্রতি একটি আড্ডায় অংশগ্রহণ করে পুরোনো স্মৃতিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। সেখানেই সিনেমার একটি দৃশ্যের পেছনের চমকপ্রদ ঘটনা সামনে এসেছে।

সিনেমাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে আমির খানের গালে অক্ষয় খান্নার চড় মারার দৃশ্য রয়েছে। তবে পর্দায় যে চড়টি দেখা যায়, সেটি অভিনয়ের অংশ নয়। দৃশ্যটি বাস্তবসম্মত করার জন্য অক্ষয় খান্না সত্যিই আমির খানকে চড় মেরেছিলেন। এটি একবার নয়, টানা ১৭ বার ঘটেছিল।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আমির খান বলেন, দৃশ্যটির জন্য তিনি বারবার চড় খেতে প্রস্তুত ছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন যে বাস্তব চড়ের অনুভূতি দৃশ্যটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।

ঘটনাটি সম্পর্কে সাইফ আলি খান জানতে চান, চড়গুলো কি সত্যিই মারা হয়েছিল। এ বিষয়ে পরিচালক ফারহান আখতার জানান, অক্ষয়কে সত্যিকারের চড় মারার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে দৃশ্যটিকে আরও আকস্মিক ও বাস্তবসম্মত করতে সংলাপ শেষ হওয়ার আগেই চড় মারার পরিকল্পনা করা হয়।

ফারহানের বক্তব্য অনুযায়ী, আমিরকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল যে চড়টি সত্যি হবে এবং আমিরও এতে সম্মতি দেন। বরং তিনি বারবার চড় খাওয়ার জন্য নিজেই জোর করছিলেন। কারণ এতে চরিত্রটির প্রয়োজনীয় মানসিক অবস্থায় পৌঁছাতে তার সুবিধা হচ্ছিল।

শুধু তাই নয়, শুটিং শেষে আমিরের মুখের অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ফারহান আখতার জানান, তার মুখের এক পাশে চড়ের দাগ পড়ে গিয়েছিল এবং অংশটি প্রায় ফুলে উঠেছিল।

আমিরও পরে স্বীকার করেন, বাস্তবে চড় মারার বিষয়টি দৃশ্যটিকে আরও কার্যকর করেছে। ক্যামেরার কোণ ও অভিনয়ের সঙ্গে বাস্তব প্রতিক্রিয়া মিলে যাওয়ায় দৃশ্যটি পর্দায় আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল।

২৫ বছর পর ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর সেই দৃশ্যের পেছনের গল্প প্রকাশ্যে আসায় সিনেমাটির নির্মাণের নানা অজানা অধ্যায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সূত্র :

এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই, কাদা-মাটিতে চাপা সব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই, কাদা-মাটিতে চাপা সব

নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা আর কোনো শ্রমিকের জীবিত থাকার সম্ভাবনা নেই, এমন তথ্য দিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। শুক্রবার সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে তল্লাশি চালিয়ে দুই শ্রমিককে জীবিত এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর উদ্ধারকারীরা নিশ্চিত করেছেন যে, সুড়ঙ্গের ভেতরে আর কোনো জীবিত বা মৃত শ্রমিকের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই অবস্থায় সুড়ঙ্গটির উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) সাত সদস্যের একটি বিশেষ দল সুড়ঙ্গে প্রবেশ করে। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাং। অভিযানে নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

উদ্ধারকারী দলের সদস্য অম্বর মহাত জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের প্রায় পুরো অংশই কাদা, মাটি ও পাথরে চাপা পড়ে গেছে। কোথাও কোথাও ওপরের কংক্রিটের স্ল্যাবও ধসে পড়েছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকারীরা হামাগুড়ি দিয়ে সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালান। কিন্তু কোথাও আর কোনো মানুষের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এর আগে ৯ দিন পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ওই সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত অবস্থায় দুই শ্রমিক—সঞ্জয় শাহ ও কবির মহারাজনকে উদ্ধার করা হয়। একই সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা হয় আরও এক শ্রমিকের মরদেহ। দুই শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধারের সময় সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে আরও মানুষের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে বলে ধারণা তৈরি হয়েছিল। এতে নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়। তবে পরে উদ্ধারকারী দল সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়ে আর কাউকে খুঁজে না পাওয়ায় সেই আশা শেষ হয়ে যায়।

উদ্ধার অভিযানে থাকা ভূতাত্ত্বিক প্রকৌশলী উদয় নেউপানে জানিয়েছেন, বন্যার দুই দিন পর থেকেই সুড়ঙ্গের ভেতরে উদ্ধারকাজ চলছিল। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ অংশে কিছু ফাঁকা জায়গা থাকায় সঞ্জয় ও কবীর সেখানে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে থাকতে পেরেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপালের ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীতে আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বান আঘাত হানে। এতে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন অন্তত ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক আটকা পড়েন।

নেপালের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে প্রায় ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার ভোর পর্যন্ত হড়পা বানে দেশটিতে ১ হাজার ৩৪২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ৪ হাজার ৯০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

আপার ত্রিশূলী-৩এ প্রকল্পের প্রধান অভাস ওঝা জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালিয়েও আর কাউকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেন্ডায়ার জন্মদিনে ইনস্টাগ্রামে তৈরি হলো নতুন রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


জেন্ডায়ার জন্মদিনে ইনস্টাগ্রামে তৈরি হলো নতুন রহস্য

হলিউডের অভিনেত্রী জেন্ডায়ার ৩০তম জন্মদিন উপলক্ষে একটি নতুন রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিনেত্রীর মা ক্লেয়ার স্টোয়ারমার জানিয়েছেন, তার মেয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রয়েছেন। তবে মায়ের এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই ইনস্টাগ্রামে উপস্থিত হন জেন্ডায়া নিজেই। জন্মদিনের উপলক্ষে তিনি নিজের ছোটবেলার একটি ছবি পোস্ট করে ভক্তদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার জবাব দেন।

জেন্ডায়া ১ সেপ্টেম্বর ৩০ বছরে পা দিয়েছেন। বিশেষ দিনটিতে ক্লেয়ার তার মেয়ের শৈশবের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেওয়া সেই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জেন্ডায়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন না। ফলে, তার মেয়ের চোখে পোস্টটি পড়বে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।

কিন্তু মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। ক্লেয়ার জানান, পোস্টটি দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে তিনি ফেসটাইমে জেন্ডায়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। মায়ের এমন মন্তব্য দ্রুতই ভক্তদের নজরে আসে। অনেকেই মনে করেন, কাজের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা বিরতি নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

কিন্তু সেই ধারণা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মায়ের পোস্টের পরেই জেন্ডায়া নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছোটবেলার একটি ছবি শেয়ার করেন। জন্মদিনে ভক্তদের পাঠানো শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদও জানান।

এর আগে, গত ৮ জুলাই ইনস্টাগ্রামে সর্বশেষ পোস্ট করেছিলেন জেন্ডায়া। ‘ডুন: পার্ট থ্রি’-এর ট্রেলার প্রকাশের পর সেটি নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর জন্মদিন উপলক্ষে আবারও সামাজিক মাধ্যমে তার উপস্থিতি দেখা গেল।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনজীবন থেকে দূরে থাকার ইচ্ছার কথা জেন্ডায়া এর আগেও জানিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে ফানডাঙ্গোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, টানা কাজ এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর কিছুদিন জনজীবনের ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকতে চান। মজা করে তিনি তখন জানিয়েছিলেন, কিছুদিন তাকে হয়তো কম দেখা যাবে এবং তিনি অনেকটা আড়ালে থাকতে চান।

অবশ্য কাজ থেকে দীর্ঘ বিরতি নেওয়ার বিষয়টি তার জন্য খুব একটা সহজ নয়। কয়েক মাস পর ‘এল’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেন্ডায়া জানান, দীর্ঘ সময় কাজ ছাড়া থাকলে তিনি অস্থির হয়ে পড়েন। বিরতি শেষ হওয়ার আগেই নতুন কাজ খুঁজতে শুরু করেন বলেও জানান তিনি।

তাহলে মায়ের কথায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি বিদায় নেওয়ার ইঙ্গিত মিললেও জন্মদিনে জেন্ডায়ার নিজের পোস্ট যেন বলছে অন্য কথা। আপাতত নিয়মিত না হলেও বিশেষ মুহূর্তে ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের দরজা যে পুরোপুরি বন্ধ করছেন না, তারই ইঙ্গিত মিলল ৩০তম জন্মদিনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেন স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেন স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো?

নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সপ্তাহে নিশ্চিত করেছে যে তারা উত্তর আমেরিকা থেকে কয়েক টন স্বর্ণ সরিয়ে নিয়েছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, এই স্থানান্তরের ফলে তারা "গুরুতর সংকটের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত" থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সংরক্ষিত মোট প্রায় ৩১৩ টন স্বর্ণের মধ্যে ৮৬ টন 'ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে' লন্ডনে স্থানান্তর করা হয়েছে। ব্যাংকটি বলেছে, এর ফলে এই মূল্যবান ধাতুটি "সংকট পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য" থাকবে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, ডাচরা কেন এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে? তারা কি সামনে কোনো বড় অর্থনৈতিক ধাক্কার আশঙ্কা করছে? মনে হচ্ছে তা নয়। তবে এই পদক্ষেপ স্পষ্টভাবে এমন এক বিশ্বের প্রতিক্রিয়া, যা বর্তমানে অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। বাণিজ্য ও সামরিক সংঘাত দেশগুলোকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে এবং তাদের স্বর্ণ নিজ দেশের কাছাকাছি রাখতে উৎসাহিত করছে।

এ বছরের শুরুতে ফ্রান্স ঘোষণা করে যে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ দেশে ফিরিয়ে এনেছে। অন্যদিকে, জার্মানির বুন্ডেসব্যাংক ২০১৬ সালের মধ্যে বিদেশি সংরক্ষণাগার থেকে ২১৬ টনের বেশি স্বর্ণ স্থানান্তর করে, এর মধ্যে ১১১ টন নিউ ইয়র্ক থেকে এবং ১০৫ টন প্যারিস থেকে আনা হয়। বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার সময়ে এর আগেও এমন কৌশল দেখা গেছে। গোল্ডম্যান স্যাকস-এর গবেষণা বিশ্লেষক লিনা থমাস ও ডান স্ট্রুইভেন বলেন, "শীতল যুদ্ধের সময় কিছু ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের স্বর্ণের একটি অংশ নিউ ইয়র্কে স্থানান্তর করেছিল।"

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ বাজার কৌশলবিদ জোসেফ কাভাতোনি বিবিসিকে বলেছেন, যুদ্ধ এবং বাণিজ্যগত উত্তেজনা "এই সিদ্ধান্তগুলোর কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে", তবে তা প্রেরণার কারণগুলোর তালিকার "শীর্ষে নয়"। মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার এবং দ্রুত লেনদেন করা যায় এমন স্থানে স্বর্ণ রাখা, এসব বিষয়ও ভূমিকা রেখেছে। কাভাতোনি বলেন, "আমি মনে করি না যে কোনো আসন্ন বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। তবে আমি মনে করি মানুষ এখন তাদের রিজার্ভ সম্পদ কীভাবে পরিচালনা করতে হবে, কীভাবে তা বাড়াতে হবে এবং কীভাবে সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আরও ভালোভাবে অবগত হচ্ছে।"

নেদারল্যান্ডসের ব্যাংক জানিয়েছে, এ বছরের মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে সরিয়ে আনা স্বর্ণ এখন ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড-এর ভল্টে সংরক্ষিত রয়েছে। ডাচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ওলাফ স্লেইপেন বলেন, "আমরা আশা করি কখনও এগুলো ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না, তবে আমাদের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে হবে।" বিশ্বের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোর একটি হওয়ায় লন্ডনকে সেরা বিকল্প হিসেবে দেখা হয়েছে।

কোনো সংকটের সময় যদি দ্রুত স্বর্ণ কেনাবেচা করতে হয়, তাহলে লন্ডনই সবচেয়ে উপযোগী স্থান। এ কারণেই ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড স্বর্ণ সংরক্ষণের জন্য জনপ্রিয় একটি কেন্দ্র। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড বিশ্বে স্বর্ণ গচ্ছিত রাখা সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। মধ্য লন্ডনের এই ৩০০ বছর পুরোনো প্রতিষ্ঠানের নিচে চার লাখের মতো স্বর্ণের বার সংরক্ষিত রয়েছে, যার মূল্য ২০০ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের শিল্পখাতভিত্তিক জরিপ অনুযায়ী, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় ভল্টিং কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ক্রমেই মূল্যবান এই ধাতু কোথায় সংরক্ষণ করবে, সে ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনছে।

গোল্ডম্যান স্যাকস-এর থমাস ও স্ট্রুইভেনের মতে, কোনো দেশের স্বর্ণ কোথায় সংরক্ষণ করা হবে, তা এখন "রিজার্ভ ব্যবস্থাপকদের ভাবনার কেন্দ্রে ক্রমশ চলে আসছে"।

আধুনিক বিশ্বে সম্পদ স্থানান্তরের বহু উপায় রয়েছে। ডাচরা নিউ ইয়র্কে প্রায় ৫৯ টন স্বর্ণ বিক্রি করে লন্ডনে সমপরিমাণ নতুন মজুত কিনেছে। ফলে ওই পরিমাণ স্বর্ণ আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে পরিবহন করার প্রয়োজন পড়েনি।

তবে ২৭ টনের বেশি স্বর্ণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে নেদারল্যান্ডসের জাইস্ট শহরে 'বাহ্যিকভাবে স্থানান্তর' করা হয়েছে। একই পরিমাণ স্বর্ণ জাইস্ট থেকে লন্ডনেও পাঠানো হয়েছে।

এ ধরনের কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে অভিযান পরিচালনা করে, সে বিষয়ে সাধারণত মুখ খোলে না। তবে বাস্তব জীবনের ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা ও পরিকল্পনার মাত্রা যে ব্যাপক, তা বলাই যায়।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের কাভাতোনি বলেন, স্বর্ণ স্থানান্তরের একটি প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে এক জায়গায় বিক্রি করে অন্য জায়গায় কেনা।

তিনি বলেন, "ধরা যাক, আমি চাই আমার স্বর্ণ নিউ ইয়র্কে থাকুক, কিন্তু সেটি লন্ডনে রয়েছে। আমি লন্ডনে তা বিক্রি করতে পারি, একই দিনে একই সময়ে নিউ ইয়র্কে কিনতে পারি। কার্যত এটি একটি হিসাবভিত্তিক স্থানান্তর, যেখানে অন্য কোনো লজিস্টিক পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।"

সীমান্ত পেরিয়ে স্বর্ণ পরিবহনের কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান খুব বেশি নেই। এর মধ্যে একটি হলো ব্রিংক'স গ্লোবাস সার্ভিসেস। প্রতিষ্ঠানটি বিবিসিকে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে 'চাহিদা বৃদ্ধি' লক্ষ্য করেছে।

ব্রিংক'স-এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট নাদের আন্তার বলেন, "ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি, পাশাপাশি কৌশলগত রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, এই প্রবণতায় অবদান রাখছে বলে মনে হচ্ছে।"

বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্বর্ণ সংরক্ষণ নিয়ে এত আলোচনা হওয়ার কারণ হলো তারা ক্রমেই বেশি স্বর্ণ কিনছে। তবে গোল্ডম্যান স্যাকস-এর থমাস ও স্ট্রুইভেন বলেন, দেশে স্বর্ণ সংরক্ষণ করতে খরচ হয়।

তারা বলেন, "দেশীয় সংরক্ষণের জন্য শারীরিক নিরাপত্তা, নিরীক্ষা অবকাঠামো এবং বীমায় বিনিয়োগ করতে হয়। ছোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য এসব খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।"

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বছরে গড়ে এক হাজার টন স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে। এর আগের দশকে এই গড় ছিল ৫০০ টন।

এই প্রবণতার শিকড় বৈশ্বিক আর্থিক সংকট পর্যন্ত বিস্তৃত এবং আগামী বছর এই পরিমাণ আরও বাড়বে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বর্ণের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর দাম ধারাবাহিকভাবে নতুন রেকর্ড গড়েছে এবং জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স পাঁচ হাজার ডলার অতিক্রম করেছে।

দাম বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। তবে প্রধান কারণগুলোর একটি হলো আর্থিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে, বিশেষ করে বাণিজ্য ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, স্বর্ণকে একটি তথাকথিত নিরাপদ বিনিয়োগ সম্পদ হিসেবে দেখা হয়।

মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হারও স্বর্ণের জনপ্রিয়তাকে প্রভাবিত করে। স্বর্ণের সীমিত প্রাপ্যতা এবং হাজার বছরের ইতিহাসজুড়ে এর ওপর আরোপিত মূল্যের কারণে এটি মূল্যস্ফীতির প্রভাবের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে প্রতিরোধী। তাই একে ভালো বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিনিয়োগ ব্যাংক চার্লস শোয়াব-এর মতে, "গত অর্ধশতকে স্বর্ণের দাম ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) থেকে অনেক দ্রুত বেড়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতির সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষণ করা সূচক।"

এ বছরের শুরুতে দেখা রেকর্ড উচ্চতা থেকে স্বর্ণের দাম কমলেও, তা এখনো ঐতিহাসিকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

গোল্ডম্যান স্যাকস-এর গবেষকদের মতে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণের দাম চার হাজার ৯০০ ডলারে (তিন হাজার ৬২৪ পাউন্ড) পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা আগস্টের দামের চেয়ে ৩০০ ডলার বেশি।

থমাস ও স্ট্রুইভেনের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম প্রধান কারণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%