ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুমার দিনে মুমিনের ১২ কাজ


জুমার দিনে মুমিনের ১২ কাজ

জুমার দিন ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এ দিনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

 

পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের নামাজ, মসজিদে দ্রুত গমন, খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা, দোয়া, দরুদ ও বিভিন্ন নেক আমলের প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। একজন মুমিনের জন্য জুমার দিন কেবল একটি সাপ্তাহিক নামাজের দিন নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর স্মরণ এবং আখিরাতের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

আরও পড়ুন: চন্দ্রপাড়া দরবারে অসচ্ছলদের সহায়তা ও ওরসের তারিখ ঘোষণা

ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের আজান হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাবিক্রি বন্ধ কোরো, তা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝো। এরপর নামাজ শেষ হলে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।

 

’ (সুরা : জুমা, আয়াত : ৯-১০)

জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—

আরও পড়ুন: মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে জামাতের ১০০ বছর পূর্ণ

১. জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা

আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির (রা.) থেকে বর্ণিত, হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো—এক. আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। দুই. আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম (আ.)-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন। তিন. এই দিনে আদম (আ.)-কে মৃত্যু দিয়েছেন।

 

চার. এই দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা দেবেন। যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না। পাঁচ. এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮৯৫)

আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

২. জুমার দিন ফজরের নামাজে তিলাওয়াত

জুমার দিন ফজরের নামাজে বিশেষ সুরা দিয়ে তিলাওয়াত করা সুন্নত। হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) শুক্রবার ফজরের নামাজে সুরা আস-সিজদা এবং সুরা আল-ইনসান তিলাওয়াত করতেন।

 

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১০৬৮)

আরও পড়ুন: নিজের যা নেই, তা থাকার ভান করা নিন্দনীয়

জুমার দিন এই সুরা তিলাওয়াত করতেন, কারণ এই সুরাতে আদম (আ.)-এর সৃষ্টির কথা, পুনরুত্থানের কথা, কিয়ামতের দিন সবাইকে সমবেত হওয়া ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আর এসব হবে জুমার দিন। সে জন্য এই সুরা পাঠ করে উম্মতকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

৩. জুমার দিন গোসল করা

জুমার দিন গোসল করা ও আগে আগে মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আউস বিন আউস সাকাফি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তার জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)

৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা

আরও পড়ুন: মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে মসজিদুল হারামে নামাজ ও কাবা শরিফের তাওয়াফ অব্যাহত

জুমার দিন সুগন্ধি ব্যবহার করা উত্তম। আবু সাইদ খুদরি (রা.) বলেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮০)

৫. মসজিদে প্রথমে প্রবেশ করা

জুমার দিন মসজিদে আগে প্রবেশ করা ও মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনার বিশেষ গুরুত্ব আছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, অতঃপর প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে ডিম সদকা করল। অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪১)

৬. খুতবার সময় সম্পূর্ণ নিশ্চুপ থাকা

আরও পড়ুন: আমিরাতে শুরু হলো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় তার সঙ্গীকে বলল, ‘চুপ থাকো’ সে একটি অনর্থক কাজ করল। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৪০১)

৭. খুতবা শোনা ও জুমার নামাজ আদায় করা

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে জুমার নামাজ আদায় করা। সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তার দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩)

অন্য হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩৩)

৮. জুমার নামাজে নির্ধারিত সুরা পাঠ করা

নুমান ইবনে বশির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই ঈদের নামাজে ও জুমার নামাজে ‘সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা’ ও ‘হাল আতা-কা হাদিসুল গা-শিয়াহ’ সুরা দুটি পাঠ করতেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯১৩)

কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, রাসুল (সা.) সুরা জুমুআ ও সুরা আলা তিলাওয়াত করতেন।

৯. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত

জুমার দিন দোয়া কবুল হয় জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আসরের পর অনুসন্ধান কোরো।’ (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮)

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান কোরো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)

১০. সুরা কাহাফ পাঠ

জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ (সহিহ তারগিব, হাদিস : ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক : ২/৩৯৯)

১১. গুনাহ মাফের বিশেষ আমল

সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩)

১২. দরুদ পাঠ

জুমার দিন নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা কর্তব্য। আউস বিন আবি আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ো। কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ সাহাবারা বললেন, আমাদের দরুদ আপনার কাছে কিভাবে পেশ করা হবে, অথচ আপনার দেহ একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে? তিনি বলেন, ‘আল্লাহ জমিনের জন্য আমার দেহের ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭)

জুমার দিনের আমলগুলো কেবল আনুষ্ঠানিক ইবাদতের সমষ্টি নয়; এর মধ্যে রয়েছে একজন মুমিনের আত্মশুদ্ধির গভীর শিক্ষা। এ দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও আল্লাহর জন্য সময় বের করতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও পার্থিব ব্যস্ততা ছেড়ে নামাজের দিকে এগিয়ে যাওয়া, খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা, দোয়া করা, কোরআন তিলাওয়াত এবং দরুদ পাঠের মাধ্যমে একজন মুসলিম নিজের ঈমানকে নতুন করে জাগ্রত করতে পারে।

জীবনের ব্যস্ততার কারণে যেন আমরা জুমার দিনের এই অমূল্য সুযোগ হারিয়ে না ফেলি। বরং প্রতি সপ্তাহের জুমাকে আত্মশুদ্ধি, তওবা, ইবাদত এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নতুন সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জুমার দিনের মর্যাদা উপলব্ধি করে কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ এম


দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

গত মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার দাম সমন্বয় করেছিল। প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম (ভ্যাটসহ) ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেশের বাজারে সোনার দাম অপরিবর্তিত থাকায়, সোনা বিক্রি হচ্ছে একই দামে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।

যদিও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, ঘোষিত বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায়, ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ডিজাইন বা নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।

এছাড়াও, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জ (বদল) ও পারচেজের (ক্রয়) ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেক অন্টারিও’র নাম লেক আমেরিকা করে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


লেক অন্টারিও’র নাম লেক আমেরিকা করে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক জলসীমার নাম পরিবর্তন করে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছেন। কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত পঞ্চরদের অন্যতম ‘লেক ওন্টারিও’র নাম পরিবর্তন করে 'লেক আমেরিকা' রাখার জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। নতুন আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অফিশিয়াল ভূ-তাত্ত্বিক নথিপত্রে নতুন নামটি কার্যকর করতে হবে।

কানাডা সরকারের তরফ থেকে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে জানান, এই নামটির ঐতিহাসিক ভিত্তি প্রায় চারশত বছরের পুরোনো। তিনি উল্লেখ করেন, কানাডা সবসময় এই লেককে লেক ওন্টারিও বলেই ডাকবে। অন্যদিকে, কানাডার বেশ কয়েকজন রাজ্য প্রধান এবং মন্ত্রী ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে হাস্যকর বলে অভিহিত করেছেন। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক কোনো একক দেশের ইচ্ছায় চারপাশের জলসীমার ভৌগোলিক নাম পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিরোধিতা শুরু হয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধিরা এই পদক্ষেপকে অপ্রয়োজনীয় ও খামখেয়ালি বলে সমালোচনা করছেন। মিশিগানের এক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের আদেশ বাতিল করতে কংগ্রেসে বিল আনার ঘোষণা দিয়েছেন। এমনকি, ওন্টারিও লেক সংলগ্ন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নরও জানিয়েছেন যে তারা এই নতুন নাম মেনে নেবেন না।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেলেগু অভিনেতা নারায়ণ রাওয়ের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


তেলেগু অভিনেতা নারায়ণ রাওয়ের মৃত্যু

ভারতের হায়দরাবাদে হৃদরোগের কারণে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তেলেগু চলচ্চিত্রের প্রবীণ ও গুণী অভিনেতা জিভি নারায়ণ রাও। বুধবার রাতে ৭৩ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন সহশিল্পী ও অভিনেত্রী কারাতে কল্যাণী।

এই গুণী অভিনেতার প্রয়াণে তেলেগু চলচ্চিত্র অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হায়দরাবাদের বৈকুণ্ঠ মহাপ্রস্থান শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।

জিভি নারায়ণ রাও ১৯৭৬ সালে কে বালচন্দরের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আন্তুলেনি কথা’ দিয়ে সেলুলয়েডের জগতে প্রবেশ করেন। সূচনাতেই তিনি অভিনয়নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দর্শকদের নজর আকর্ষণ করেন। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি অন্তত ১০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তেলেগু সিনেমাজগতে একটি অনন্য স্থান তৈরি করেন। মুখ্য অভিনেতা হিসেবে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৭৭ সালের ‘ওকা উরি কথা’, ১৯৮১ সালের ‘উ রুকিচ্ছিনা মাটা’ এবং ১৯৮২ সালের ‘মঞ্চু পাল্লাকি’।

প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি তিনি বহু ব্যবসায়িক সফল চলচ্চিত্রেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। ‘চিলকমা চেপ্পিন্দি’, ‘মুথিয়ালা পাল্লাকি’র পাশাপাশি চিরঞ্জীবী অভিনীত সুপারহিট ছবি ‘গ্যাং লিডার’ ও ‘হিটলার’-এ তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। কর্মজীবনে তিনি চিরঞ্জীবী ও রজনীকান্তের মতো দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার শীর্ষ তারকাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন।

অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেও সফলতা অর্জন করেছেন। ১৯৮১ সালে ‘চেত্তানিকি কাল্লু লেভু’, ১৯৮৪ সালে ‘দেবাস্তকুদু’ এবং ১৯৮৮ সালে সাড়া জাগানো ‘যমুদিকি মগুডু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমাগুলো তার প্রযোজনায় নির্মিত হয়।

কেবল রুপালি পর্দাতেই নয়, ছোট পর্দাতেও জিভি নারায়ণ রাও ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখ। ‘পাসুপু কুমকুমা’ এবং ‘সুন্দরকাণ্ড’-এর মতো তুমুল জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে তিনি সাধারণ দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিতে চুক্তি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিতে চুক্তি করছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দেশটির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে কয়েকটি তেলক্ষেত্রের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো এসব তেলক্ষেত্রের উন্নয়ন করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে যে, চুক্তিটি খুব শিগগিরই সই ও প্রকাশ করা হতে পারে। এতে ভেনেজুয়েলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্র মার্কিন সরকারের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে পারে। একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

সূত্রের ভাষ্য, “এটি সত্যি এবং দুই দেশের সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।” অন্য একটি সূত্র বলেছে, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য “ইজারা” পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। পরে নিলাম বা দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিটি তেলক্ষেত্র মার্কিন তেল উৎপাদনকারী কোম্পানির কাছে দেওয়া হতে পারে।

রয়টার্স যে আলোচনার তালিকা দেখেছে, তাতে মোট ১৭টি তেলক্ষেত্রের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই তালিকার মধ্যে ভেনেজুয়েলার বিশাল ওরিনোকো বেল্টের নতুন তেলক্ষেত্র রয়েছে। এছাড়া মারাকাইবো হ্রদের আশপাশের পুরোনো ও বেশি উৎপাদনশীল তেলক্ষেত্রও রয়েছে। তালিকায় থাকা কয়েকটি তেলক্ষেত্র বর্তমানে একটি ছোট চীনা কোম্পানি পরিচালনা করছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের সময়ে ওই কোম্পানির সঙ্গে এসব তেলক্ষেত্র নিয়ে চুক্তি হয়েছিল।

সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের কাছে পাঠায়।

তবে ভেনেজুয়েলার তেল মন্ত্রণালয়, রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ভেনেজুয়েলার তেলমন্ত্রী পাওলা এনাওয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়নি। বৃহস্পতিবার ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার অংশ হিসেবে ওপেক থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ভেনেজুয়েলা ১৯৬০ সালে ওপেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সংগঠনটিতে যোগ দেয়। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগের ঘাটতি ও দুর্নীতির কারণে দেশটি অনেক বছর ধরে ওপেকের নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। তেলের উৎপাদন ও দামের ওপর ওপেকের প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংগঠনটির দীর্ঘদিনের মতবিরোধ রয়েছে। ফলে ভেনেজুয়েলার ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলের মজুত ভেনেজুয়েলায় রয়েছে। তবে দেশটির বর্তমান জ্বালানি আইনে সরাসরি তেলক্ষেত্র ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। দেশটির সংবিধানেও তেল শিল্পের মূল কার্যক্রম রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বলা হয়েছে। हालের সংস্কার করা তেল আইনে যৌথ উদ্যোগ ও উৎপাদন ভাগাভাগির চুক্তির মাধ্যমে তেলক্ষেত্র পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কয়েক দশক ধরে ভেনেজুয়েলা বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোকে দেশটির তেলের মজুত নিজেদের সম্পদ হিসেবে হিসাবভুক্ত করার অনুমতি দেয়নি। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে যে চুক্তির আলোচনা চলছে, সেটি বাস্তবায়িত হলে দেশটির সংবিধান ও বিদ্যমান আইনের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুক্তিটি আইনি চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে পারে। কারণ, তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ বিদেশি কোম্পানি বা অন্য কোনো দেশের হাতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেনেজুয়েলার আইনে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটির অপরিশোধিত তেলের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার দুর্বল হয়ে পড়া তেল ও জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়। দেশটির বিশাল তেল মজুতের তুলনায় এই উৎপাদন অনেক কম। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, দেশটির তেলক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে উৎপাদন আরো বাড়ানো সম্ভব। এতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে দেশটিতে পেট্রলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা থেকে তুলনামূলক কম দামে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দেশটির উৎপাদন বাড়াতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির বাজারে চাপ কিছুটা কমতে পারে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত বা স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) আবার পূরণ করার চেষ্টা করছে। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য এই মজুত রাখা হয়। মজুত পূরণের ক্ষেত্রে মার্কিন তেল উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অপরিশোধিত তেল বিনিময়ের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে এসপিআর পূরণ করতে অর্থের সংকট রয়েছে। পাশাপাশি মজুতের অবকাঠামোতে চলমান রক্ষণাবেক্ষণের কাজও প্রশাসনের পরিকল্পনাকে সীমিত করছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত মজুত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও মজুত থেকে তেল নেওয়া হয়। এতে এসপিআরের মজুত অনেক কমে গেছে। ফলে এখন সেই মজুত আবার পূরণ করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রবেশের সম্ভাব্য চুক্তি তাই শুধু দুই দেশের জ্বালানি সম্পর্কের বিষয় নয়। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের সরবরাহ, জ্বালানির দাম এবং কৌশলগত তেল মজুত পূরণের বিষয়ও সরাসরি জড়িত।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%