ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্থানীয় সরকারের সব অফিসের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে: মীর শাহে আলম


স্থানীয় সরকারের সব অফিসের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে থাকা সকল সরকারি অফিসের ভবনের ছাদে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক সভায় তিনি এই তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সীমাবদ্ধতা না রেখে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি অফিসগুলোতেও ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আওতা সম্প্রসারণ করা হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করে একটি সাশ্রয়ী, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সরকারি সেবা অবকাঠামোর উদাহরণ স্থাপন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

তিনি বলেন, সোলার প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং এবং হাইব্রিড সিস্টেম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সন্ধ্যার পরেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানো হবে। এ লক্ষ্যে ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল এবং গ্রামীণ শক্তির মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় সাশ্রয় এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং এ কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের দুজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগের আওতাধীন সরকারি ভবনগুলোর মধ্যে যেসব ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করা সম্ভব, সেসব স্থান চিহ্নিত করেছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ছাদগুলোর মোট ক্ষেত্রফল, সম্ভাব্য ব্যয় এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

সভায় জানানো হয়, সরকারি কার্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গত ১০ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নির্দেশনা জারি করেছে। এর ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল ও গ্রামীণ শক্তির প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

চলমান সামরিক সংঘাত ও দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অবরোধে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি যখন প্রায় স্থবির, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও চড়া, ঠিক তখনই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে চলেছে ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। পশ্চিমা বিশ্ব ও ওয়াশিংটনের একের পর এক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ ইরানকে ধসিয়ে দেওয়ার বদলে উল্টো এক অবাধ্য ও প্রতিরোধমুখী অর্থনীতিতে রূপ দিয়েছে।

বাহ্যিক দৃষ্টিতে পরিসংখ্যানগুলোকে বেশ ভয়াবহ মনে হতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে চলতি বছর দেশটির অর্থনীতি ৫ দশমিক ৪ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। খোলাবাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দর নেমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখে, আর খাদ্যের দামসহ সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছুঁয়েছে আকাশচুম্বী উচ্চতা। কিন্তু এই চরম বিরূপতার মধ্যেও দেশটির প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি ভেঙে পড়েনি, যা অনেক উন্মুক্ত বাজারভিত্তিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই ঘটত।

বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে একের পর এক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হতে ইরান এমন এক স্বাবলম্বী ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা বাইরের ধাক্কা সামলাতে অভ্যস্ত। সাধারণ শান্তিকালীন সময়ে যেসব বিষয়কে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক ভাবা হয়—যেমন বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্নতা, বিদেশি বিনিয়োগের অভাব ও অভ্যন্তরীণ বাজারে রাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ—যুদ্ধকালীন চরম সংকটে সেসব উপাদানই ইরানকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে।

বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন থাকায় দেশটিতে আন্তর্জাতিক কোনো মূলধন বা ঋণ ফেরতের চাপ ছিল না। ফলে যুদ্ধের ধাক্কায় মুহূর্তের মধ্যে পুঁজি পাচারের যে ঝুঁকি থাকে, তা আগে থেকেই অবরুদ্ধ ছিল। এমনকি তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জ টানা ৮০ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলেও সূচকের রেকর্ড ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। রিয়ালের অবমূল্যায়ন এবং ডলার অর্জনের বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা স্থানীয় পুঁজিবাজারেই নিজেদের অর্থ লগ্নি করেছেন।

একই সঙ্গে বছরের পর বছর আরোপিত অবরোধের পথ ধরে ইরান যেসব বিকল্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ উন্মুক্ত করেছে, তা যুদ্ধের সময়েও সচল রয়েছে। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক বা পাকিস্তানের সঙ্গে স্থল, রেল ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সমুদ্রপথে তেল রপ্তানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড সোজা রেখেছে। এই সক্ষমতার জোরেই চরম সামরিক উত্তেজনার মাঝেও ইরান তাদের বাজেটের নির্ধারিত তেল রাজস্বের অর্ধেকেরও বেশি সচল রাখতে পেরেছে।

তবে এতে নিশ্চিতভাবেই কোনো স্থায়ী স্বস্তির খবর নেই। এই টিকে থাকার ব্যবস্থার পুরো মাশুল দিতে হচ্ছে দেশটির সাধারণ জনগণকেই। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির বাজারে পণ্য দিয়ে ভরিয়ে রাখলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছে। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বলছে, দেশটির দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪৫ শতাংশে।

অবকাঠামো সংস্কার স্থগিত রেখে কিংবা পুঞ্জীভূত সঞ্চয় ব্যয় করে এই কৌশল বেশি দিন চালানো সম্ভব নয়। দীর্ঘ দেড় দশকের নিষেধাজ্ঞায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন থমকে গেলেও, ইরান এমন এক অর্থনৈতিক প্রতিরোধশক্তি গড়ে তুলেছে যা উন্মুক্ত অর্থনীতির দেশগুলোতে দেখা যায় না। বাহ্যিক অর্থনৈতিক চাপ কিংবা অবরোধ প্রয়োগ করে কোনো দেশকে দ্রুত নতিস্বীকার করানোর প্রচলিত ধারণাকে ইরান আরও একবার পুনর্বিবেচনার মুখোমুখি দাঁড় করাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় একটি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দল মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক ডক্টর এস এম রহমান তনু। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের সদস্য সচিব শামসুল আলম হেলাল শিকদার।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। প্রধান বক্তা ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান বাদল।

বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা) মোহাম্মদ সেলিম হোসেন। এ ছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জাহিন এবং গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ ইসফাক হোসাইন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দল মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন (হৃদয়)।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি তালহা মাহমুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. কাজী সালাউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাউদ্দিন, মালয়েশিয়া যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন এবং জাসাস মালয়েশিয়ার আহ্বায়ক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুম।

স্বেচ্ছাসেবক দল মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম কবির, এমএম মোজাম্মেল হক প্রধান, মাহফুজুর রহমান, এম মাহফুর রহমান সোহেল, মোহাম্মদ সোহেল ও মিজানুর রহমান মিজু।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি দাতু আব্দুল জলিল লিটন, সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক এসএম নিপু, দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রতন এবং ক্রীড়া সম্পাদক আরিফুল ইসলাম।

এ ছাড়া যুবদল মালয়েশিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরে সিদ্দিকী সুমন, সহ-সভাপতি শেখ সেলিম, নাজমুল হাসান, খালিদ হাসান রিপন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতান বিন সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান বাবু, প্রচার সম্পাদক বাদল করার, জাসাস মালয়েশিয়ার সদস্য সচিব ইমতিয়াজ আবির, প্রফেসর মোহাম্মদ শফিউর রহমান, শ্যামপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান মাসুম, চৌকিট শাখা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান সুমন এবং ছাত্রদল নেতা আদিব আনজুম অর্ণবসহ মালয়েশিয়া বিএনপির বিভিন্ন শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বেচ্ছাসেবক দল মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান, মহিউদ্দিন মহিন ও আক্তার গাজী।

অধীনস্থ শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইপো প্রদেশ শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজিজুল হক ওয়াজেদ, গোমবাক শাখার আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, হাংতুয়া শাখার আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস শুক্কুর মুহাম্মদ অনিক এবং পেনাং প্রদেশ শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান কামাল।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সদস্য আজিজুল হক, আব্দুল ওয়াদুদ তোতা, ওসমান গনি, মান্নান খান, মো. সজিব, ফোরকান শাহ, উত্তম কুমার চৌধুরী, সাইফুল মিয়া, পলাশ তালুকদার, হাসিব ইসলাম শান্ত, আলম হোসেন, আলীম উল্লাহ, মহর উদ্দিন খান রাজা, মো. হাসান, আদনান রাজীব, মো. আনোয়ার হোসেন, আওলাদ হোসেন, মো. ইরফান হোসেন, কৌশিক আহমেদ, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, দোস মোহাম্মদ, জিল্লুর রহমান, নোমান, আনোয়ার, দিদার আলম, নাঈম আহমেদ, হারুন, মোজাম্মেল, মো. কাউসার, মোহাম্মদ বাহারুল ইসলাম, লিটন, রহিম, মিথুন, মিরাজ, মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, মো. আকাশ, মোহাম্মদ মিল্লাত হোসেন, মোহাম্মদ জামাল, মোহাম্মদ রাজিব খান, মোহাম্মদ লাবলু ও মোহাম্মদ জুয়েলসহ আরও নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরে আগত অতিথিদের সামনে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বিভিন্ন শিল্পীর যৌথ অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও অতিথিরা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘যেসব গণমাধ্যম ইন্টেলেকচুয়াল বা বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা-চেতনায় ফ্যাসিজমকে সাপোর্ট করে, প্রমোট করে, কিংবা চর্চা করে, তাদের সামাজিকভাবে ধিক্কার ও বয়কট করা ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই।’

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী সরকারের ৬ মাসের বিশেষ অর্জন সম্পর্কে তথ্য অধিদফতর প্রকাশিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান: গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ৬ মাস’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

গণমাধ্যমের স্বাধীন ভূমিকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ‘বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম’ (ইন্টেলেকচুয়াল ফ্যাসিজম)-এর কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইন্টেলেকচুয়াল চিন্তা-চেতনায় যদি কেউ ফ্যাসিজমকে সাপোর্ট বা প্রমোট করে, সেই জিনিসটাকে সামাজিকভাবে ধিক্কার জানানো ছাড়া আমাদের অন্য কিছু করার থাকে না। যারা মুক্ত বাংলাদেশ এবং নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনায় বিশ্বাস করে না, তাদের জন্য সামাজিকভাবে বয়কট হওয়াই সবচেয়ে বড় বিচার।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র বিশ্বাস করাটা একটি মানসিকতার বিষয়। গত ১৭ বছর যে মানসিকতা আমরা দেখেছি, তা ছিল সমালোচনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া।

কিন্তু বর্তমান সরকার কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে মিডিয়ার স্বাধীনতা বন্ধ করে দেওয়া বা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো মানসিকতা নেই।’

বিগত শাসনামলের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে দেশের সব সিস্টেম দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। এমন একটি ভঙ্গুর অবস্থার পর দায়িত্ব নিয়ে সরকার দেশের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময় পার করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা আশা করি, যাতে আমরা ভুলত্রুটি শুধরে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পারি।’

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান জানান, তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী বিষয়টি আদালত বা বিচারিক প্রক্রিয়ার (জুডিশিয়ারি) মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। তবে বাংলাদেশ সরকারের স্পষ্ট দাবি হলো জুলাই আন্দোলনসহ বিগত সময়ের সব অপরাধের সঠিক বিচারের স্বার্থে যাদের নামে মামলা রয়েছে, তাদের সবাইকে ফেরত আনা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের ভুয়া প্রচারসংখ্যা বন্ধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, কম পত্রিকা ছাপিয়ে লক্ষাধিক সার্কুলেশন দেখানোর অসত্য প্রক্রিয়া বন্ধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জোরালোভাবে কাজ শুরু করেছে।

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘অতীতেও বলেছি, সরকারের বিরুদ্ধে বলার স্বাধীনতা সকলেরই আছে। সরকারের বিরুদ্ধে হোক কিংবা পক্ষে জনগণের কথা তুলে ধরাই গণতন্ত্র। বিটিভি ও সরকারি মাধ্যমে এখন থেকে আনুপাতিক হারে বিরোধী দলগুলোর খবরও প্রচার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, সাংবাদিকদের কল্যাণে ট্রাস্ট ফান্ডের অনুদান দ্বিগুণ করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। অসুস্থ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের জন্য ইতোমধ্যে এক কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর 

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের মুনাফার ওপর কোনো ধরনের হেয়ারকাট থাকবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাদের আমানতের মূল অর্থ নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী উত্তোলনের সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান কাজী শায়রুল হাসান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। 

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ড. মো. কবির আহমেদ, মো. সরোয়ার হোসেন ও মো. আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর।

গভর্নর বলেন, জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমানতকারীদের মুনাফার ওপর কোনো ধরনের ‘হেয়ারকাট’ থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আমানতকারীদের মধ্যে এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। তাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সব আমানতকারীকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে যে তাদের মুনাফার ওপর কোনো ধরনের হেয়ারকাট থাকবে না।

তিনি আরও জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী ইতোমধ্যে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তিগত আমানতকারীরা যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ‘আল-ওয়াদিয়াহ’ চলতি হিসাব, ‘মুদারাবা’ সঞ্চয়ী হিসাব এবং ‘মুদারাবা’ মেয়াদি আমানতের মূল অর্থ উত্তোলন করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গভর্নর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%