বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪১ পি.এম
শৈশবের স্মৃতিতে কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করে খেলার অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সেই আনন্দের মুহূর্তগুলো হারিয়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড রাশ সেই শৈশবের খেলাকে নতুন করে বিশ্ব রেকর্ডে পরিণত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বোইজিতে, ডেভিড রাশ এক ঘণ্টায় ৪১৫টি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করেছেন। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনি আবারও গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসে নিজের নাম লেখালেন। প্রতিটি উড়োজাহাজ তৈরিতে তার গড়ে সময় লেগেছে মাত্র ৮ দশমিক ৬৭ সেকেন্ড।
ডেভিড রাশ এর আগে ২০০টিরও বেশি বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়ার অধিকারী।
নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য বোইজির ওয়াইএমসিএর র্যাকেটবল কোর্টে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন ডেভিড রাশ। তার লক্ষ্য ছিল এক ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি কাগজের উড়োজাহাজ বানানোর রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়া। তবে এই কাজটি মোটেও সহজ ছিল না।
ডেভিড রাশ জানান, গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির জন্য সাত ধাপের নির্দিষ্ট ভাঁজ অনুসরণ করতে হয়েছে। শুধু উড়োজাহাজ তৈরি করলেই হবে না, সেগুলো নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে।
এ কারণে পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে দ্রুততার পাশাপাশি নির্ভুলতা ও সমন্বয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
একটি অনলাইন পোস্টে, ডেভিড রাশ জানান, তার সহকারীদের একটি দল কাগজ সরবরাহ, তৈরি করা উড়োজাহাজ নির্ধারিত বিচারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সেগুলো ছুড়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা, তা নিশ্চিত করার কাজ করেছে।
গত ৩০ মে, এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চসংখ্যক কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নেন ডেভিড রাশ। এক ঘণ্টায় ৪১৫টি উড়োজাহাজ বানিয়ে তিনি সফল হন।
তবে ডেভিড রাশ এখানেই থামতে চান না। এখন তার লক্ষ্য আরও দ্রুত কাগজের উড়োজাহাজ বানানো ও ছোড়ার রেকর্ড ভাঙা। বর্তমানে এই রেকর্ড ৪ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী এ সময় বলেন, “সরবরাহ ও সাপ্লাই চেইনের মধ্য একটা বৈষম্য লক্ষ করা যায়। যে কারণে বাজারে এখনো স্থিতিশীলতা নেই।” ভর্তুকির মাধ্যমে টিসিবি যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা দেশের মানুষের জন্য উপকারী হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, টিসিবির কার্ড ডিজিটাল রূপান্তর করার ফলে ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
এই নিয়োগের জন্য বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বর্তমান মহাপরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি আলাদা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মো. হুসাইন শওকতকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের পরিচালক পদ থেকে বদলি করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার জেনারেল করা হয়েছে।
তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য পদে বদলির আদেশাধীন ছিলেন। এজন্য তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য পদে বদলি করা হয়েছে। এজন্য তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুম্বাইয়ে ‘বন: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ সিনেমার ঝলক প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠানে তিনি একটি গান সম্পর্কে আলোচনা করেন। অভিনেত্রী জানান, গানটির বিস্তারিত তার বাড়ির পুরোহিতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ট্রেলার অনুষ্ঠানে ছবির নায়ক সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, মনীশ পাল, সুনীল গ্রোভার, শ্বেতা তিওয়ারী, অনুপ সোনী, প্রযোজক একতা কাপুর এবং পরিচালক দীপক কুমার মিশ্রসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তামান্না ভাটিয়া ‘বন: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট’ ছবির ‘ছট মাইয়া’ গানটি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, ১৫ সেপ্টেম্বর তার বাড়িতে গণেশ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। পূজার পর তার পুরোহিত গানের ভিডিওটি দেখেন এবং গানটিতে ছট পূজার বিভিন্ন আচার যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা দেখে তিনি প্রশংসা করেন। এমনকি তিনি ছবিটি সবাই মিলে দেখতে যাওয়ার কথাও জানান।
তামান্না ভাটিয়া বলেন, "আমার পুরোহিত গানটির প্রতিটি বিষয় খুব ভালো করে খেয়াল করেছেন। আমরা সবাই মিলে ছবিটি দেখতে যাব। ছট পূজার গুরুত্ব যেভাবে ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে, তা দেখে পুরোহিত খুব খুশি।"
ছবিটি ছট পূজা কেন্দ্র করে তৈরি কিনা, তা নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হয় তামান্না ভাটিয়াকে। অভিনেত্রী বলেন, "গল্পে ছট পূজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ঠিকই, তবে ছবির মূল বিষয় বনদেবীকে ঘিরে।"
তিনি আরও বলেন, "ছট শুধু একটি পূজা বা উৎসব নয়, এটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আবেগ। ছবিতে ছট পূজা ঘিরে যে বড় আকারের দৃশ্য দেখানো হয়েছে, তা বড়পর্দায় দর্শক দেখবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন—এটাই সবার স্বাভাবিক প্রত্যাশা। তবে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সময় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ অনিচ্ছাকৃত ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, স্বাস্থ্যসেবা নিতে যাওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় একজন কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। অনিরাপদ স্বাস্থ্যসেবার কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ৩০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে। সংস্থাটি জানায়, এসব ক্ষতির অর্ধেকেরও বেশি প্রতিরোধযোগ্য।
আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব রোগী সুরক্ষা দিবস’। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদের সিদ্ধান্তের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘অসংক্রামক রোগের নিরাপদ চিকিৎসা’ এবং স্লোগান ‘জীবনের জন্য নিরাপদ সেবা’। অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিরাপদ চিকিৎসা এবং জীবনভর নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করার ওপর এবারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগের মতো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় চিকিৎসা, পরীক্ষা, ওষুধ সেবন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে থাকতে হয়। ফলে তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগও বেশি হয়ে যায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, দীর্ঘ ও জটিল চিকিৎসাপ্রক্রিয়ায় ভুল রোগ নির্ণয়, ভুল ওষুধ ব্যবহার, সংক্রমণ, চিকিৎসার মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে বাধার কারণে রোগী ক্ষতির শিকার হতে পারেন। বিশ্বজুড়ে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৪ শতাংশই অসংক্রামক রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রোগী সুরক্ষার ঝুঁকি হাসপাতালের শয্যায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রাথমিক ও বহির্বিভাগের চিকিৎসাতেও ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, এসব ব্যবস্থায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া প্রতি ১০ জনে সর্বোচ্চ চারজন পর্যন্ত ক্ষতির শিকার হতে পারেন। এর বড় অংশই প্রতিরোধযোগ্য।
ওষুধ ব্যবহারে ভুল, রোগ নির্ণয়ে ভুল, অনিরাপদ অস্ত্রোপচার, হাসপাতালে সংক্রমণ, রোগীর পরিচয় শনাক্তকরণে ভুল এবং অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন রোগী সুরক্ষার প্রধান ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈশ্বিক তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে অনিরাপদ চিকিৎসার বোঝা আরও বেশি। শুধু হাসপাতালেই এসব দেশে বছরে আনুমানিক ১৩ কোটি ৪০ লাখ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। রোগী সুরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষতির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশও এসব দেশে ঘটে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
রোগী সুরক্ষা শুধু চিকিৎসকের ব্যক্তিগত সতর্কতার বিষয় নয়; এটি পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানের সঙ্গে জড়িত। নিরাপদ ওষুধ ব্যবস্থাপনা, নির্ভুল রোগ নির্ণয়, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ, রোগীর তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং চিকিৎসাপ্রক্রিয়ায় রোগী ও স্বজনকে সম্পৃক্ত করা—এসব ব্যবস্থা জোরদার করলে চিকিৎসাজনিত ক্ষতি কমানো সম্ভব।
চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নিরাপদ চিকিৎসা পাওয়াও রোগীর অধিকার। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় পুরো চিকিৎসাযাত্রার প্রতিটি ধাপে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ