বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৩৬ পি.এম
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ঋণ আদায় ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পর্যালোচনা করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আজ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ঋণ আদায়, পুনর্গঠন এবং সার্বিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য গভর্নরের নেতৃত্বে একটি সভা আয়োজন করেছে।
সভায় ব্যাংকটির একীভূতকরণ ও পুনর্গঠন, পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস, মানবসম্পদ সমন্বয়, শাখা একীভূতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিচালন কার্যক্রমের সমন্বয়ের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় উল্লেখ করা হয়, খেলাপি ঋণ আদায়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকটি ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার মামলা দায়ের করেছে এবং কিছু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঋণ আদায়ে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সিট পলিসি ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর)-সহ বিভিন্ন সমঝোতাভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ব্যাংকটির পূর্ববর্তী মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার সময় সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি, ঋণ জালিয়াতি এবং সম্পদ অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য পরিচালিত ফরেনসিক অডিট বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
গত ছয় মাসে ব্যাংকটির পুনর্গঠন ও কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচালকদের প্রাধান্য দিয়ে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং গত ১৬ জুলাই থেকে নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদমর্যাদা, দায়িত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামোর প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
পাঁচটি ব্যাংকের কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস), সুইফট ও আরএমএ-সহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো একীভূত করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে, আমানতকারীরা যাতে পাঁচটি ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে আমানতের অর্থ উত্তোলন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে একটি কমন ইন্টারফেস চালুর কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
শাখার অবস্থান, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা, গ্রাহকসেবা ও পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় ৭৮০টি শাখা এবং ১ হাজার ৫০০টি বিজনেস ইউনিটের একীভূতকরণ, যৌক্তিকীকরণ ও পরিচালন সমন্বয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠন, ঋণ আদায়, মামলা নিষ্পত্তি, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শাখা ও বিজনেস ইউনিট একীভূতকরণ এবং প্রযুক্তিগত সমন্বয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিআরডি নিয়মিতভাবে এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ফলোআপ করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এসব সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ব্যাংকটির সুশাসন, পরিচালন দক্ষতা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, ঋণ আদায় ত্বরান্বিত হবে এবং পরিচালন ব্যয় কমবে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির আটকে থাকা অর্থ উৎপাদনশীল খাতে পুনঃপ্রবাহিত করা সম্ভব হবে।
৩৫ হাজার কোটি টাকা মূলধন সমৃদ্ধ রাষ্ট্র-মালিকানাধীন বাংলাদেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির সম্পদ ও আমানত ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করাকে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ বাতিলের খবরকে ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে অভিহিত করেছে।
মিরপুর স্টেডিয়াম থেকে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ মুছে ফেলা হয়নি, এই তথ্য জানিয়ে বিসিবি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে যে, নাম মুছে ফেলার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে বিসিবি স্পষ্টভাবে জানায়, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।’
দেশের অন্যান্য সব আন্তর্জাতিক ভেন্যুর অফিশিয়াল স্ট্যান্ডের নামগুলো মিরপুর স্টেডিয়ামের মতো পূর্বের অবস্থায় রয়েছে এবং ম্যাচ চলাকালীন সময়ে তা প্রদর্শিত হয়ে আসছে, এ বিষয়টিও জানায় বিসিবি।
বিসিবি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব গ্রহণের পর যে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, প্রতিটি সিরিজেই ভেন্যু এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে ‘আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ নামটি যথাযথভাবে প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া, ওইসব সিরিজের ম্যাচের টিকিট ও প্রচারমূলক সামগ্রীতেও স্ট্যান্ডটির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্টেডিয়ামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সময় স্ট্যান্ডের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা সাময়িকভাবে সরানো হতে পারে।
বিসিবি জানায়, বর্তমান বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রশাসন ও বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে বিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় এবার তিনদিনব্যাপী এক অভিযান চালিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিশেষ এ অভিযানে ৫২৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৪৫ জনই বাংলাদেশি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক দাতুক বাসরি ওথমান। খবর নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের
গত ২৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশের আটটি নির্মাণস্থলে ‘অপস সাসার’ নামক এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ, জাতীয় মাদকবিরোধী সংস্থা এবং মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির মোট ৪১৪ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক দাতুক বাসরি ওথমান জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওইসব এলাকায় অভবাসীদের উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের আইন বা বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, তা শনাক্ত করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
অভিযানে মোট ৬৭৮ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে ৫২৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৫০ জন পুরুষ এবং ৭৯ জন নারী বলে জানানো হয়েছে।
আটকদের মধ্যে ২৪৫ জন বাংলাদেশি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার ১১৯ জন, ভারতের ২৩ জন, মিয়ানমারের ১০০ জন, নেপালের ৪ জন এবং অন্যান্য দেশের ৩৭ জন নাগরিক রয়েছেন।
অভিযানে যেসব অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পরিচয়পত্র বা বৈধ নথি না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করা, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহার এবং অভিবাসন আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধ।
আটক সবাইকে তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আব্দুল মাজেদ পিকলু (২৪) নামের এক পর্যটকের মরদেহ তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের লামাগাঁও বাজারের পাশে মানাই নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মাজেদ পিকলু রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যনওদাপাড়া এলাকার বন বিভাগকর্মী নুরুল ইসলাম বাবুর পুত্র। তিনি রাজশাহীর মোহনপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা থেকে পিকলুসহ ১০ জন পর্যটক একটি নৌকা ভাড়া করে টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। যাওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার লামাগাঁও বাজারের কাছে মানাই নদীতে নৌকাটি নোঙর করা হয়। নৌকার যাত্রীরা কয়েকজন বাজারে কেনাকাটা করতে যান এবং অন্যরা নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় পিকলু নৌকা থেকে নদীতে লাফ দেওয়ার পর আর ভেসে ওঠেননি। স্থানীয়রা এবং তার বন্ধুরা প্রায় তিন ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমেদ মোরাদ জানিয়েছেন, পর্যটকেরা টাঙ্গুয়ার হাওরে পৌঁছানোর আগেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসনাত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহটি নৌকাসহ তাহিরপুর থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ইউএও) হিসেবে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ-এর যোগদান এবং কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানের বদলী জনিত বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কক্ষে কৃষি কর্মকর্তাগণের বরণ ও বিদায় উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাবাসসুম মকবুলা দিশা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ এবং বিদায়ী অতিথি কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত অন্যান্য কর্মকর্তাগণও বক্তব্য প্রদান করেন।
কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানের শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বদলী হওয়ার ফলে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। এর আগে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ যখন কৃষি অফিসে পৌঁছান, তখন তাকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করা হয়। এটি তাঁর নকলায় তৃতীয়বারের মতো কৃষি অফিসে যোগদান। পূর্বে তিনি নকলা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।
আলোচনা সভার পর বিদায়ী কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং কৃষি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে তার হাতে বিভিন্ন উপঢৌকণ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসে ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ