বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৪০ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ বাতিলের খবরকে ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে অভিহিত করেছে।
মিরপুর স্টেডিয়াম থেকে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ মুছে ফেলা হয়নি, এই তথ্য জানিয়ে বিসিবি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে যে, নাম মুছে ফেলার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে বিসিবি স্পষ্টভাবে জানায়, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।’
দেশের অন্যান্য সব আন্তর্জাতিক ভেন্যুর অফিশিয়াল স্ট্যান্ডের নামগুলো মিরপুর স্টেডিয়ামের মতো পূর্বের অবস্থায় রয়েছে এবং ম্যাচ চলাকালীন সময়ে তা প্রদর্শিত হয়ে আসছে, এ বিষয়টিও জানায় বিসিবি।
বিসিবি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব গ্রহণের পর যে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, প্রতিটি সিরিজেই ভেন্যু এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে ‘আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ নামটি যথাযথভাবে প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া, ওইসব সিরিজের ম্যাচের টিকিট ও প্রচারমূলক সামগ্রীতেও স্ট্যান্ডটির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্টেডিয়ামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সময় স্ট্যান্ডের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা সাময়িকভাবে সরানো হতে পারে।
বিসিবি জানায়, বর্তমান বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রশাসন ও বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে বিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় এবার তিনদিনব্যাপী এক অভিযান চালিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিশেষ এ অভিযানে ৫২৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৪৫ জনই বাংলাদেশি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক দাতুক বাসরি ওথমান। খবর নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের
গত ২৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশের আটটি নির্মাণস্থলে ‘অপস সাসার’ নামক এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ, জাতীয় মাদকবিরোধী সংস্থা এবং মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির মোট ৪১৪ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক দাতুক বাসরি ওথমান জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওইসব এলাকায় অভবাসীদের উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের আইন বা বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, তা শনাক্ত করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
অভিযানে মোট ৬৭৮ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে ৫২৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৫০ জন পুরুষ এবং ৭৯ জন নারী বলে জানানো হয়েছে।
আটকদের মধ্যে ২৪৫ জন বাংলাদেশি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার ১১৯ জন, ভারতের ২৩ জন, মিয়ানমারের ১০০ জন, নেপালের ৪ জন এবং অন্যান্য দেশের ৩৭ জন নাগরিক রয়েছেন।
অভিযানে যেসব অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পরিচয়পত্র বা বৈধ নথি না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করা, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহার এবং অভিবাসন আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধ।
আটক সবাইকে তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আব্দুল মাজেদ পিকলু (২৪) নামের এক পর্যটকের মরদেহ তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের লামাগাঁও বাজারের পাশে মানাই নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মাজেদ পিকলু রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যনওদাপাড়া এলাকার বন বিভাগকর্মী নুরুল ইসলাম বাবুর পুত্র। তিনি রাজশাহীর মোহনপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা থেকে পিকলুসহ ১০ জন পর্যটক একটি নৌকা ভাড়া করে টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। যাওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার লামাগাঁও বাজারের কাছে মানাই নদীতে নৌকাটি নোঙর করা হয়। নৌকার যাত্রীরা কয়েকজন বাজারে কেনাকাটা করতে যান এবং অন্যরা নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় পিকলু নৌকা থেকে নদীতে লাফ দেওয়ার পর আর ভেসে ওঠেননি। স্থানীয়রা এবং তার বন্ধুরা প্রায় তিন ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমেদ মোরাদ জানিয়েছেন, পর্যটকেরা টাঙ্গুয়ার হাওরে পৌঁছানোর আগেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসনাত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহটি নৌকাসহ তাহিরপুর থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ইউএও) হিসেবে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ-এর যোগদান এবং কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানের বদলী জনিত বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কক্ষে কৃষি কর্মকর্তাগণের বরণ ও বিদায় উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাবাসসুম মকবুলা দিশা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ এবং বিদায়ী অতিথি কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত অন্যান্য কর্মকর্তাগণও বক্তব্য প্রদান করেন।
কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানের শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বদলী হওয়ার ফলে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। এর আগে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ যখন কৃষি অফিসে পৌঁছান, তখন তাকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করা হয়। এটি তাঁর নকলায় তৃতীয়বারের মতো কৃষি অফিসে যোগদান। পূর্বে তিনি নকলা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।
আলোচনা সভার পর বিদায়ী কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং কৃষি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে তার হাতে বিভিন্ন উপঢৌকণ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসে ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক সরানোর অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নাম বাতিল কিংবা পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং নামফলকও সরানো হয়নি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার একটি ফেসবুক পোস্টের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যান্ডটির নামফলক সরিয়ে নেওয়ার দাবি ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিসিবির দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়াই পুরোনো ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। বোর্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক আগের জায়গাতেই রয়েছে।
এ বিষয়ে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হয়, বর্তমান বোর্ড প্রশাসন মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জুলাই ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা স্ট্যান্ডটি বাতিল করেছে। তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে ক্রিকেট বোর্ড।
বিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম কিংবা দেশের অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ভেন্যুর কোনো স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
বোর্ড আরও জানায়, চলতি বছরের শুরুতে বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর মিরপুরে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব ম্যাচে শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডসহ সব স্ট্যান্ডের নাম মাঠে উপস্থিত দর্শক এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে দৃশ্যমান ছিল। ম্যাচের টিকিট ও প্রচারসামগ্রীতেও স্ট্যান্ডগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে কোনো স্ট্যান্ডের নামসংবলিত সাইনেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছে বিসিবি। এ ধরনের কাজ সাধারণত ম্যাচ না থাকার সময়ই করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তার নামে স্ট্যান্ডটির নামকরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিসিবি বলেছে, এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা জল্পনার কোনো সুযোগ নেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা প্রচারণা হিসেবে দেখছে ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির দাবি, এসব প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য বর্তমান বোর্ডের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করা। বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার বিসিবি সংরক্ষণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ