ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সালিশে শিশুর ইজ্জতের মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ; কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের মামলা


সালিশে শিশুর ইজ্জতের মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ; কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের মামলা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ১১ বছর বয়সী এক শিশু মেয়েকে দিনের বেলায় খোলা আকাশের নিচে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মো. জজ মিয়া (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট শনিবার কুলিয়ারচর থানায় মামলাটি দায়ের করেন ধর্ষিতার অসহায় পিতা। মামলা নম্বর- ১০।

অভিযুক্ত জজ মিয়া আলীনগর গ্রামের মৃত আ. গফুরের ছেলে ও স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা যায়।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার
সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আলীনগর পূর্ব পাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী শিশু নিজ বাড়ির পশ্চিমে নদীর পাড় ফারুক মিয়ার জমিতে লাকড়ি শুকাতে যায়। এ সময় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা জজ মিয়া শিশুটির মুখে গামছা পেঁচিয়ে টেনে-হিঁচড়ে পাশের নদীর পাড় সংলগ্ন একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির পরনের কাপড় খুলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

শিশুটির ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অভিযুক্ত জজ মিয়াকে হাতেনাতে আটক করে ভুক্তভোগীর বাড়িতে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ বিষয়টি শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপোস-মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্তকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।
এরপর ওইদিন ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির বাড়িতে একটি সালিশ বসিয়ে শিশুটির ইজ্জতের মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে তাঁর পরিবারের নিকট ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে স্থানীয় মাতব্বররা। তবে অন্যায় এই আপসে রাজি না হয়ে পরের দিন শুক্রবার ১৪ আগস্ট সকালে মেয়েকে সাথে নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন শিশুটির বাবা।

আরও পড়ুন: নারী শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তির কারণে সুনামগঞ্জে বাউল গানের আসর বন্ধ

শিশুটির বাবা জানান, অভিযুক্ত জজ মিয়া পূর্বেও এলাকায় এ ধরনের জঘন্য অপকর্ম ঘটিয়েছে। ইতিপূর্বে তার বড় ভাইয়ের ছোট মেয়ের সাথেও সে একই ধরনের অপরাধ করেছিল। সে সময় উপযুক্ত বিচার না হওয়ায় সে পুনরায় এই বর্বরতা চালানোর সাহস পেয়েছে। তিনি আরও জানান, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা রহস্যজনক কারনে আতঙ্কে সাক্ষ্য দিতে ভয় পাচ্ছেন। এ অবস্থায় বর্তমানে তারা বিচারহীনতায় ভুগছেন দাবী করে ন্যায়বিচারের আশায় তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের বিচারিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অপর দিকে শিশুটির চাচা মো. নজরুল ইসলাম (৩৮) বলেন, "থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত জজ মিয়ার লোকজন আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। প্রভাবশালী আসামির ভয়ে পুরো পরিবার নিয়ে আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. জজ মিয়া পলাতক থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করেও তাকে পাওয়া না যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মোবারক হোসেন বলেন, "এ ঘটনার খবর পেয়ে আমি ভিকটিমের খোঁজ খবর নিতে তাদের বাড়িতে গিয়েছি। অন্যায়ের কোনো ছাড় নেই। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। আর অভিযুক্ত ব্যক্তি নিরপরাধ হলে তাকেও মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া উচিত।"

আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা

কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্ত শেষে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে বলা যাবে ধর্ষণ নাকি ধর্ষণের চেষ্টা, তাই ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করেছে প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ এম


অবশেষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করেছে প্রশাসন

সরকারি বদলি আদেশের তোয়াক্কা না করে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে ক্ষমতার দাপটে কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে থাকা কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে উক্ত কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করেছে প্রশাসন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে "স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায়?" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এর একদিন আগের তারিখ ১৩ আগস্ট উল্লেখ করে তাকে বদলীকৃত কর্মস্থল কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদানের জন্য গত ১৩ আগস্ট অপরাহৃ সময় থেকে অবমুক্ত করা হয়। ১৩ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ উল্লেখিত কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াছিন খন্দকারের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
অবমুক্তই শেষ সমাধান নয় দাবী করে ভুক্তভোগীরা বলেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে বিভাগীয় ব্যাবস্থা নিতে হবে।

সরকারি খাসজমি ব্যক্তি নামে নামজারি (খারিজ), অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে জালিয়াতি, প্রকাশ্যে সরকারি সম্পদ মূল্যবান গাছ বিক্রি, ঘুষ দাবী ও ঘুষ নেওয়ার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্যের অভিযোগে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি স্ট্যান্ডরিলিজ (তাৎক্ষণিক অবমুক্ত) আদেশের পরেও অফিস ত্যাগ না করে তিনি অনিয়মের রাজত্ব চালিয়ে আসছিলেন এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়রা বলছিলেন তাঁর খুটির জোর কোথায়? কে বা কারা তাঁকে সেল্টার দিচ্ছেন এ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল জনমনে। এরপর গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দেদারসে অফিস করছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার। এরপরই "স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায়? শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের টনক নড়ে। পরে তরিগড়ি করে শুক্রবার রাতে অবমুক্ত করার আদেশ স্বাক্ষরিত হয়।

নাছিমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো- গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুর বাজারের সরকারি খাসজমি (এসএ দাগ-৯১৯২, বিআরএস দাগ-২৭২৫৬) অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে যথাযথ তদন্ত ছাড়াই মো. এনামুল হক নামে এক ব্যক্তির নামে নামজারির প্রস্তাব প্রেরণ করেন যা পরবর্তীতে অনুমোদিত হয়। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে গত ১২ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
বাজারের পক্ষ থেকে দু'জনের স্বাক্ষরিত আবেদনে একমাত্র ইজারাকৃত লক্ষ্মীপুর বাজারের সরকারি খাসজমির নামজারি বাতিল করার জন্য ইউএনও'র হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। বিষয়টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পন্ন হওয়া নামজারিটি অবিলম্বে বাতিল ঘোষণা এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবিও জানানো হয় ওই আবেদনে। এরপর তদন্ত সাপেক্ষে ওই খারিজ বাতিল করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার। তবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও খাসজমি দখলের চক্রান্তে জড়িত থাকা এই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কিংবা কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শুধু খাসজমিই নয়, সাধারণ গ্রহীতাদের জমিও জালিয়াতির মাধ্যমে নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মো. বকুল মিয়ার অভিযোগ, সম্প্রতি তার ভাগের ৪ শতাংশ জমি নিজ নামে খারিজ করতে গেলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। তিনি ও তার ভাই জালাল মিয়া বিগত ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কুলিয়ারচর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ২৭৭৫ নং দলিল মূলে গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর মৌজার ৮ শতাংশ জমি যৌথভাবে ক্রয় করেন। দলিল অনুযায়ী দুই ভাই সমহারে অর্থাৎ ৪ শতাংশ করে জমির মালিক হয়ে ভোগদখলে আছেন। কিন্তু অসাধু উপায়ে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নাছিমা আক্তার পুরো ৮ শতাংশ জমিই জালাল মিয়ার ওয়ারিশানদের নামে খারিজ করে দেন। এতে নিজের ৪ শতাংশ জমির অধিকার হারিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন বকুল মিয়া। এ নিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী বকুল মিয়া জানান, "উক্ত কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে তার বৈধ জমি বিবাদীদের নামে খারিজ করে দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি তাঁর প্রাপ্য ৪ শতাংশ জমির নামজারি ফেরত পেতে প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।"

অপর দিকে, ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ কুলিয়ারচর সাব-রেজিস্টার অফিস কর্তৃক ৮৮৯ নং দলিলমূলে গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর মৌজার ৫৭০৫ নং খতিয়ানের ১৮০১ নং দাগের শ্রেণি কান্দা থেকে ৮ শতাংশ ভূমির মালিক ও দখলদার হন কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের মো. জালাল উদ্দিন ও মোছা. সুফিয়া খাতুন দম্পত্তির ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি ওই দলিল দাতা মো. হানিছ মিঞার নিকট থেকে একই দলিলে ৩৬৪৫, ৩৬৪৭ ও ১৩৭৮ নং (খতিয়ান নং ৫৭০৫/১৫৪) দাগ থেকে আরো ৮ শতাংশ জমির মালিক ও দখলদার হন। বিগত ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই মো. সাইফুল ইসলাম ১৮০১ দাগে ক্রয়কৃত ৮ শতাংশ ভূমি খারিজের জন্য আবেদন করেন। তৎকালীন গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান বিগত ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট নামজারির প্রস্তাব পাঠান এবং একই সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসানের স্বাক্ষরে নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন হয়। যাহার খতিয়ান নং ২৫-১৩৬৯০। এ বিষয়টি অবগত হওয়ার পরও বর্তমান দ্বায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার অতিরিক্ত সুবিধা পেয়ে ৪ মাসের ব্যবধানে একই দলিলের একই দাগে (১৮০১) প্রাপ্ত ৮ শতাংশ ভূমি মো. সাইফুল ইসলামের নামে নামজারি (খারিজ) প্রস্তাব পাঠান। যাহা চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসানের স্বাক্ষরে অনুমোদিত হয়। যাহার খতিয়ান নং ২০২৬-১০০০৬৭। এই নিয়ে একই দাগে দুইবার নামজারি (খারিজ) করা হয় জমির মালিক মো. সাইফুল ইসলামের নামে। যাহ সম্পূর্ণ অবৈধ। কেননা মো. ছাইফুল ইসলাম ১৮০১ দাগে শুধু মাত্র ৮ শতাংশের ক্রয়কৃত মালিক। ১৮০১ দাগে ১৬ শতাংশের মালিক নয়।

অনিয়মের এখানেই শেষ নয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি হালট ও রাস্তার পাশ থেকে প্রায় ২০-২৫টি মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিনের বিরুদ্ধে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ টাকা। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে একটি অভিযোগ দাখিল করা হলেও অনুসন্ধানে জানা যায়, সেটি থানায় এজাহার বা এফআইআর হিসেবে নথিভুক্তই হয়নি।
পরবর্তীতে জুলাই মাসে পুনরায় দুই দফা গাছ কাটা হয়। যার ভিডিও প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নাছিমা আক্তার সুকৌশলে নিজেকে বাঁচাতে ও তার সহযোগীদের আড়াল করতে আবারও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় দায়সারা একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এ অভিযোগও আলোর মুখ দেখেনি।

ভূমি অফিসে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ২৩ জুলাই কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নাছিমা আক্তারকে তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়। রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর স্বাক্ষরিত আদেশে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে অবমুক্ত হওয়ার নির্দেশ এবং অমান্য করলে তা ‘তাৎক্ষণিক অবমুক্ত’ (Stand Release) হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মস্থল আঁকড়ে ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

অপর দিকে গণমাধ্যমে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদকে খুন করার জন্য সন্ত্রাসী ভাড়া করেন এই কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও তাঁর সহযোগীরা। সন্ত্রাসীরা এ প্রতিনিধিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।

জানা যায়, সরকারি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় কিংবা মিডিয়াতে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বা এককভাবে ওই সংবাদের প্রতিবাদ বা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যায় না; এটি সরকারি নিয়ম ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এর ফলে মূলত সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এবং সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিবিধান লঙ্ঘন হয়। দুর্নীতির খবরের প্রতিবাদ জানানো বা মিডিয়াতে কথা বলার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। এই ধরনের আচরণ শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা বা disciplinary action গ্রহণ করা হতে পারে।

এমন আইন থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই যৌথ স্বাক্ষরে গত ২৪ জুলাই জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ ও গত ২৬ জুলাই সাপ্তাহিক সোনালী ধারা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করিয়েছে। যা সরকারি নিয়ম ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

অভিযুক্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে তিন দফা গাছ কাটার বিষয়ে থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, তাকে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদানের জন্য এ কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ এম


ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

ইন্দোনেশিয়ার মধ্যাঞ্চলের কাছে স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পর দেশটিতে স্থানীয় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানাচ্ছে, মূল ভূমিকম্পের পর ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ১ মাত্রার তিনটি পরাকম্পন অনুভূত হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বৃদ্ধদের সৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, অগভীর সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছে ফ্লোরেস দ্বীপের কাছাকাছি। ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে চলে যাওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিমুর সাগরের অপর পাশে থাকা অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আপাতত দেশটিতে কোনো সুনামির হুমকি নেই।

ভূমিকম্পের কম্পনের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ইউএসজিএসের প্রাথমিক হিসাবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইন্দোনেশীয় সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

ইউএসজিএস পেজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫ লাখ মানুষ অত্যন্ত শক্তিশালী বা তীব্র কম্পনের মুখে পড়েছেন। এ ধরনের কম্পনে শক্তভাবে নির্মিত ভবনে সামান্য থেকে মাঝারি ক্ষতি ঘটে এবং দুর্বলভাবে নির্মিত স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

ইন্দোনেশিয়া অতীতেও বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগর ঘিরে থাকা ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, যেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। এই বলয়টি একদিকে জাপান ও ইন্দোনেশিয়া থেকে অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।

২০০৪ সালের ভয়াবহ ভারত মহাসাগরীয় সুনামির সূত্রপাতও হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ৯ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের পর। ওই দুর্যোগে ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় ২ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যান। তাদের অর্ধেকের বেশি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দা।

এরপর ২০১৮ সালের আগস্টে লম্বক দ্বীপে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে শত শত মানুষ মারা যান। একই মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি দ্বীপে পরপর তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।

ওই বছরের সেপ্টেম্বরে সুলাওয়েসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হানে। এতে আরও শত শত মানুষ মারা যান। এ ছাড়া ২০২২ সালের নভেম্বরে পশ্চিম জাভার সিয়ানজুর অঞ্চলে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে শত শত মানুষ মারা যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে ৩ দপ্তরে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ এম


ফেনীতে ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে ৩ দপ্তরে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ফেনীতে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের দাবিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারা জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে ফেনী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরাবর এই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

ছাত্রদল নেতারা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন যে, খাদ্য মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের পাশাপাশি সুস্থ ও নিরাপদ জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তবে বর্তমানে খাবারে ভেজাল, অনিরাপদ সংরক্ষণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়, এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্যসহ নানা অনিয়মের ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। এর ফলে লিভার, কিডনি ও হার্টের রোগসহ স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এমন অবস্থায় জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান আরাবী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহের আমিরুল হক, সহ-সভাপতি পারভেজ ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক সাইমুন হোসেন এবং ছাত্রনেতা সৈয়দ মুসা আহমেদ রেজা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোগল, যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম, সদস্য ইমরান হাসান, কামরুজ্জামান হৃদয় এবং মোহাম্মদ আসিফ।

সংস্থাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন এবং বাজার তদারকি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ আগস্ট: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ও আলোচিত যত ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ এম


১৫ আগস্ট: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ও আলোচিত যত ঘটনা

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে ইতিহাসে রূপ নেয়। এসব ঘটনা ইতিহাসের পাতায় জায়গা পেয়ে থাকে, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। ইতিহাস আমাদের দিশা দেখায় নতুন নতুন দিগন্তের।

আজ ১৫ আগস্ট ২০২৬, শনিবার। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম ও মৃত্যুর দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

১২৮১ সালে - গোয়েথালস প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে স্টিভেন্সের স্থলাভিষিক্ত জাপান আক্রমণ করতে গিয়ে কুবলাই খানের নৌবহর ঝড়ে পতিত হয়ে ধ্বংস হয়। ইতিহাসে এ ঘটনা ডিভাইন উইন্ড বা দৈব বাতাস বলে পরিচিত।

১৮৫৪ সালে - বাংলায় প্রথম ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির হাওড়া হতে হুগলি পর্যন্ত রেল চলাচল শুরু হয়।

১৮৭২ সালে - ইংল্যান্ডে প্রথম গোপন ব্যালটে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৭৫ সালে - ব্রিটিশবিরোধী রাজনৈতিক সংগঠন ইন্ডিয়ান লীগের জন্ম ঘটে।

১৮৮৯ সালে - মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব কলকাতার প্রসিদ্ধ ফুটবল ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১৪ সালে - পানামা খালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

১৯৪৫ সালে - জাপান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৭ সালে - ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে জন্ম নেয়।

১৯৪৭ সালের এই দিনে - পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ গভর্নর জেনারেল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

১৯৪৮ সালে - কোরীয় উপদ্বীপ বিভক্ত হয়ে দক্ষিণ কোরিয়া স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৬০ সালে - আফ্রিকার দেশ কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ফরাসি উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে৷

১৯৬৫ সালে - ভারতে প্রথম দূরদর্শন প্রদর্শিত হয়।

১৯৭১ সালে - অপারেশন জ্যাকপট সংগঠিত হয়।

১৯৭৫ সালে - বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সামরিক অভ্যুত্থানে তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন।

১৯৭৫ সালে - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সৌদি আরব।

১৯৮২ সালে - ভারতে প্রথম রঙিন টেলিভিশনে দূরদর্শনের সম্প্রচার শুরু হয়।

২০০৫ সালে - ইহুদীবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনীদের প্রতিরোধের মুখে গাজা উপত্যকা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

২০০৬ সালে - বাংলাদেশের কাছে পরপর দুইবার হোয়াইট ওয়াশ হয় কেনিয়া।

২০০৮ সালে - ২০০৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে মহিলাদের ১০০০০ মিটার দৌড়ের ফাইনালে তিরুনেশ দিবাবা ২৯:৫৪.৬৬ সময়ে নতুন অলিম্পিক রেকর্ড স্থাপন করেন। একই দিনে মহিলাদের ১০০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

২০২১ সালে - তালেবান কর্তৃক কাবুল দখলকৃত হয়।

জন্ম:

১৭৭১ সালে - ওয়াল্টার স্কট, স্কটল্যান্ডীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা এবং কবি।

১৮৭২ সালে - অরবিন্দ ঘোষ, বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মিক সাধক এবং দার্শনিক।

১৮৭৩ সালে - রমাপ্রসাদ চন্দ, ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ এবং পুরাতত্ত্ববিদ।

১৮৭৯ সালে - ইথেল ব্যারিমোর, মার্কিন অভিনেত্রী, অস্কার বিজয়ী।

১৮৯২ সালে - লুই দ্য ব্রোয়ি, ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯০০ সালে - সন্তোষ কুমার মিত্র, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন বিপ্লবী শহীদ।

১৯১২ সালে - আমির খাঁ, ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী।

১৯১২ সালে - ওয়েন্ডি হিলার, ইংরেজ অভিনেত্রী, ডেম উপাধিপ্রাপ্ত ও অস্কার বিজয়ী।

১৯১৫ সালে - সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র, সারা ভারতে আধুনিক রীতিতে সাক্ষরতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।

১৯১৭ সালে - খোদেজা খাতুন, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজ কর্মী।

১৯২২ সালে - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, একজন বাঙালি কথাশিল্পী।

১৯২৬ সালে - সুকান্ত ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চেতনার কিশোর কবি।

১৯২৬ সালে - পণ্ডিত প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি উচ্চাঙ্গ কণ্ঠসংগীত শিল্পী।

১৯৩১ সালে - শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি কবি।

১৯৩৭ সালে - নয়ীম গহর, বাংলাদেশি গীতিকার।

১৯৩৮ সালে - প্রাণ কুমার শর্মা, ভারতীয় কার্টুনিস্ট ও কমিকস লেখক।

১৯৪৫ সালে - আল্যাঁ জুপে, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৫ সালে - খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৭ সালে - রাখী গুলজার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৫১ সালে - লায়লা আরজুমান বানু, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৬৮ সালে - আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৭৩ সালে - মারজুক রাসেল, বাংলাদেশি কবি, গীতিকার, মডেল এবং অভিনেতা।

১৯৮৯ সালে - ঈশ্বর পান্ডে, ভারতীয় ক্রিকেটার।

মৃত্যু:

৭৬৭ সালে - আবু হানিফা, ফিকাহশাস্ত্রের একজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ এবং হিজরি প্রথম শতাব্দীর একজন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ব্যক্তিত্ব।

১০৩৮ সালে - প্রথম স্টিফেন, হাঙ্গেরির প্রথম রাজা।

১৯১০ সালে - গিরিশ চন্দ্র সেন, ইসলামবিষয়ক পণ্ডিত ও ব্রাহ্মধর্ম-প্রচারক।

১৯৩৬ সালে - গ্রাৎসিয়া দেলেদ্দা, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালীয় লেখিকা।

১৯৪২ সালে - মহাত্মা গান্ধীর ব্যক্তিগত সচিব মহাদেব দেশাই।

১৯৬০ সালে - এরল হোমস, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৬৯ সালে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়নের ছাত্র আব্দুল মালেক শহিদ হন।

১৯৭৫ সালে - স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।

১৯৭৮ সালে - বাণীকুমার নামে সুপরিচিত বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, গীতিকার, প্রযোজক ও নাট্য পরিচালক।

১৯৯৪ সালে - হরপ্রসাদ মিত্র, কবি ও সাহিত্য সমালোচক।

২০১৮ সালে - অজিত ওয়াড়েকর, ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার।

২০২০ সালে - মুর্তজা বশীর, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।

২০২১ সালে - গের্ড মুলার, জার্মান ফুটবলার।

২০২৩ সালে - মহম্মদ হাবিব, ভারতীয় ফুটবলার।

২০২৪ সালে - রাম নারায়ণ আগরওয়াল, প্রখ্যাত ভারতীয় মিসাইল বিজ্ঞানী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%