বুলবুল আহম্মেদ বুলু বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৪১ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় মোসা: তহমিনা আক্তার রেবা বেগম (৩০) নামের এক নারীকে দুর্বৃত্তরা গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক জখম করেছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় বদলগাছী থানাধীন কোলা ইউনিয়নের পারআধাইপুর গ্রামে। নিহত রেবা বেগম নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের মৃত দারাস উদ্দিন সরদার এর মেয়ে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারআধাইপুর গ্রামের বুড়াকালী মণ্ডপের উত্তর পাশে, আদিবাসী রঞ্জিত এর বাড়ির নিকটে ওই নারী রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় আত্মচিৎকার করলে অঞ্জলি রানী পড়ে থাকতে দেখে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের খবর দেন।
অঞ্জলি রানী বলেন, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার গলায় এবং পেটে চাকু মেরে পালিয়ে যায়। ওই সময় ভিকটিমের চিৎকার শুনে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে আশেপাশের লোকজনকে খবর দিলে তারা দ্রুত ছুটে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে অবহিত করেন।
খবর পাওয়ার সাথে সাথে বদলগাছী থানার ওসির নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় রেবা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে রেফার করেন, পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, এই নৃশংস হামলার সাথে ‘ভেকু চালক’ জড়িত থাকতে পারে। অভিযুক্ত ভেকু চালক বেশ কিছুদিন ধরে ওই কালী মন্দিরের পাশের একটি দিঘী খননের কাজ (ভেকু দিয়ে মাটি কাটা) করে আসছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই খুন হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রহুল আমিন জানান, ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে ও মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের বিদ্যালয় থেকে খালা পরিচয়ে এক তরুণী শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে যখন শিক্ষকরা সন্দেহজনকভাবে এই তরুণীর কার্যক্রম দেখতে পান এবং তারা ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই তরুণীকে আটক করা হয় এবং তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
আটক তরুণী সুমাইয়া আক্তার, যিনি নিজেকে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার বাসিন্দা বলে পরিচয় দিয়েছেন, তার বয়স ২০ বছর। বর্তমানে তাকে নাসিরনগর থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
যাদুকাটা গ্রামের আব্দুল বাছিলের মেয়ে জান্নাত আক্তার অপহরণের চেষ্টার শিকার হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে তুল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সময়ে সুমাইয়া আক্তার শিশুবিভাগের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি নিজেকে জান্নাতের খালা পরিচয় দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা জান্নাতের মাকে খবর দেন।
জান্নাতের মা এসে জানান যে, আটক তরুণী তার বোন নন এবং তাদের কোনো আত্মীয়ও নন। এর পর স্থানীয়রা জড়ো হয়ে তরুণীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম বলেন, “শিশু অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ওই তরুণীকে থানায় আনা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুবায়ের হোসেনের বদলি জনিত বিদায় উপলক্ষে মধুপুর অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মধুপুর অফিসার্স ক্লাবের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (০৯) দুপুরে মধুপুর অফিসার্স ক্লাবে ইউএনও মো. জুবায়ের হোসেনের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত মো: জুবায়ের হোসেন ও তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো.সাইদুর রহমান, মধুপুর থানার তদন্ত ওসি আনোয়ার হোসেন, সমাজ সেবা অফিসার মোস্তফা হোসাইন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শহীদুজ্জামান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আল রানা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগী, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মো: আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অফিসার্স ক্লাবের সকল সদস্য গণ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা ও জনবান্ধব প্রশাসনিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং নতুন কর্মস্থলে তাঁর সাফল্য কামনা করেন। এ সময় বিদায়ী ইউএনওকে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী বক্তব্যে মো. জুবায়ের হোসেন দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার জন্য সহকর্মী ও মধুপুরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের সিংড়ায় বজ্রপাতে ৩৬ বছর বয়সী ইসমাইল হোসেন নামের কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায়, বাড়ির পার্শ্বে অবস্থিত বিলে মাছ ধরতে গিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষক উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের মুন্সি বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিনের সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্র থেকে জানা গেছে, নিহত ইসমাইল হোসেন সকাল ৬ টায় বাড়ির পার্শ্বের মাঠে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যান। সেসময় সেখানে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে বিকট শব্দ হচ্ছিল। একই বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু ঘটে। পরে, স্থানীয় সিদ্দিক নামের এক প্রতিবেশী কৃষক মাছ ধরতে গিয়ে ইসমাইলের পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান এবং সে কারণে তিনি চিৎকার শুরু করেন। পরে, তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বজ্রপাতে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও বাজারে দিন দিন বেড়ে চলেছে কোণা পোড়া ১০ ও ২০ টাকার নোটের ব্যবহার। এর পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ৫০, ৫০০ এমনকি ১ হাজার টাকার কোণা পোড়া নোটও পাওয়া যাচ্ছে। এসব নোট নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ফলে দৈনন্দিন লেনদেনে সৃষ্টি হচ্ছে ভোগান্তি, পাশাপাশি খুচরা টাকার সংকটও প্রকট হয়ে উঠছে।
মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর ও ডাসার উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিনই তাদের ক্যাশবাক্সে কয়েকটি করে কোণা পোড়া নোট জমা হচ্ছে। অধিকাংশই ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোট। অনেক সময় ক্রেতার কাছে বিকল্প টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে এসব নোট গ্রহণ করতে হয়। পরে অন্য ক্রেতার কাছে দিলে তারা তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি লেনদেনেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
শিবচর বাজারের ব্যবসায়ী ফজলু বেপারী বলেন, "প্রতিদিনই আমাদের হাতে কয়েকটি কোণা পোড়া নোট আসে। ছেঁড়া নোট অনেক সময় চালানো গেলেও পোড়া নোট কেউ নিতে চান না। ফলে এসব নোট নিয়ে আমরা বিপাকে পড়ি।"
মাদারীপুর পৌর এলাকার পুরান বাজারের ব্যবসায়ী রতন মুন্সি বলেন, "প্রতিদিনই কয়েকটি কোণা পোড়া নোট হাতে আসে। ক্রেতাদের কাছ থেকে না নিলে তারা অসন্তুষ্ট হন, আবার অন্য কাউকে দিতে গেলেও নিতে চান না। এতে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। দ্রুত ব্যাংকের মাধ্যমে এসব নোট পরিবর্তনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।"
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও হেরোইনসহ কিছু মাদক সেবনের সময় টাকার নোট ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগুনের সংস্পর্শে আসায় অনেক নোটের কোণা পুড়ে যায় এবং পরে সেগুলোর একটি অংশ বাজারে চলে আসে। তবে বাজারে থাকা সব কোণা পোড়া নোট একই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত নোট দ্রুত বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নতুন নোট ছাপাতে হয়। এতে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় এবং মুদ্রা ব্যবস্থাপনার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিস্তার রোধেও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।
মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। কেউ মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করলে তাকে ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন তিনি।
মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রশাসনের চলমান অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মাদারীপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ মাদক সংক্রান্ত তথ্য দিলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদারীপুরের পাঁচ উপজেলাতেই মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। চিহ্নিত মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত নোট দ্রুত ব্যাংকের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ