বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ পি.এম
মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও বাজারে দিন দিন বেড়ে চলেছে কোণা পোড়া ১০ ও ২০ টাকার নোটের ব্যবহার। এর পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ৫০, ৫০০ এমনকি ১ হাজার টাকার কোণা পোড়া নোটও পাওয়া যাচ্ছে। এসব নোট নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ফলে দৈনন্দিন লেনদেনে সৃষ্টি হচ্ছে ভোগান্তি, পাশাপাশি খুচরা টাকার সংকটও প্রকট হয়ে উঠছে।
মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর ও ডাসার উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিনই তাদের ক্যাশবাক্সে কয়েকটি করে কোণা পোড়া নোট জমা হচ্ছে। অধিকাংশই ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোট। অনেক সময় ক্রেতার কাছে বিকল্প টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে এসব নোট গ্রহণ করতে হয়। পরে অন্য ক্রেতার কাছে দিলে তারা তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি লেনদেনেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
শিবচর বাজারের ব্যবসায়ী ফজলু বেপারী বলেন, "প্রতিদিনই আমাদের হাতে কয়েকটি কোণা পোড়া নোট আসে। ছেঁড়া নোট অনেক সময় চালানো গেলেও পোড়া নোট কেউ নিতে চান না। ফলে এসব নোট নিয়ে আমরা বিপাকে পড়ি।"
মাদারীপুর পৌর এলাকার পুরান বাজারের ব্যবসায়ী রতন মুন্সি বলেন, "প্রতিদিনই কয়েকটি কোণা পোড়া নোট হাতে আসে। ক্রেতাদের কাছ থেকে না নিলে তারা অসন্তুষ্ট হন, আবার অন্য কাউকে দিতে গেলেও নিতে চান না। এতে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। দ্রুত ব্যাংকের মাধ্যমে এসব নোট পরিবর্তনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।"
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও হেরোইনসহ কিছু মাদক সেবনের সময় টাকার নোট ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগুনের সংস্পর্শে আসায় অনেক নোটের কোণা পুড়ে যায় এবং পরে সেগুলোর একটি অংশ বাজারে চলে আসে। তবে বাজারে থাকা সব কোণা পোড়া নোট একই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত নোট দ্রুত বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নতুন নোট ছাপাতে হয়। এতে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় এবং মুদ্রা ব্যবস্থাপনার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিস্তার রোধেও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।
মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। কেউ মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করলে তাকে ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন তিনি।
মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রশাসনের চলমান অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মাদারীপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ মাদক সংক্রান্ত তথ্য দিলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদারীপুরের পাঁচ উপজেলাতেই মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। চিহ্নিত মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত নোট দ্রুত ব্যাংকের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতিতে তেমন কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। টানা বৃষ্টি এবং উজানের ঢলের কারণে জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানাচ্ছে, খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির সড়ক যোগাযোগ এবং দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক-লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে, থেমে থেমে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। খাগড়াছড়ি সদর এবং দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে এখনও পানি জমে রয়েছে। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
জেলায় এখনও বৈরী আবহাওয়ার দাপট বিদ্যমান। এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির শালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে সেগুলোতে দুর্গত মানুষদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বিপর্যস্ত রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দুর্যোগকবলিত এলাকায় আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গাছড়া জোনের উদ্যোগে জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কর্ণফুলী সরকারি কলেজ এবং কলেজ সংলগ্ন মিনি স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাহাড়ধসের আশঙ্কা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা প্রায় ৭০ জন স্থানীয় বাসিন্দার হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন বিজিবি সদস্যরা।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল খেজুর, চিড়া, মুড়ি, ব্রেড, বিস্কুট, বিশুদ্ধ খাবার পানি, চিনি, ওরস্যালাইনসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাবার। দুর্যোগের সময় খাদ্য সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এসব সামগ্রী তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ওয়াগ্গাছড়া জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী (সিগন্যালস)। তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।
এ সময় তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্বিপাক কিংবা যেকোনো মানবিক সংকটে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও সহায়তায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবারকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী বিতরণ তাদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে কয়েকদিন ধরে অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধস, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বেড়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও সহায়তায় মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ওয়াগ্গাছড়া জোনের এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরলে একটি রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক দিনমজুরের মরদেহ। বৃহস্পতিবার সকালে বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের বাদরুনিয়া গ্রাম নামক স্থানের রেললাইনের ধারে তার লাশ পাওয়া যায়।
নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি হচ্ছেন বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের বাদরুনিয়া গ্রামের মৃত ধরণী দেবশর্মার ছেলে বাহিরু দেবশর্মা (৫৫)।
স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাহিরু দেবশর্মা একজন দিনমজুর হিসাবে কাজ করতেন। গত বুধবার (৮ জুলাই) কাজ শেষ করে সন্ধ্যাবেলা তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর রাতের খাবার খেয়ে তিনি পুনরায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবার সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাদরুনিয়া গ্রামের রেললাইনের ধারে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান এবং এরপর এ ব্যাপারে পরিবার ও পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে বাহিরুর ছেলে বাবু দেবশর্মা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি তার বাবার বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে চলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করে।
বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। তাঁদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য পুলিশি তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ১৫৮ নম্বর চর আলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টায় কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলার সর্বস্তরের শিক্ষকদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষক সমাজ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস শিকদার, সহসভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া, অর্থ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সনজিৎ বাড়ৈ, শিক্ষক জসিমউদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলী, আইসিটি সম্পাদক বেলায়েত হোসেন এবং ক্রীড়া সম্পাদক সবুজ হোসেন।
বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হলেও এখনো জড়িতদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
স্মারকলিপিতে শিক্ষকরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জানা যায়, সম্প্রতি স্কুল ছুটি শেষে বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা আলীনগর সস্তাল এলাকার কথিত বালু ব্যবসায়ী মিলন মোল্লার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি পূর্বশত্রুতার জেরে শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে এবং তার দুই পা ও একটি হাত ভেঙে দেয়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় মিলন মোল্লা, লিপি বেগমসহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমাজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ