মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বিপর্যস্ত রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দুর্যোগকবলিত এলাকায় আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গাছড়া জোনের উদ্যোগে জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কর্ণফুলী সরকারি কলেজ এবং কলেজ সংলগ্ন মিনি স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাহাড়ধসের আশঙ্কা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা প্রায় ৭০ জন স্থানীয় বাসিন্দার হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন বিজিবি সদস্যরা।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল খেজুর, চিড়া, মুড়ি, ব্রেড, বিস্কুট, বিশুদ্ধ খাবার পানি, চিনি, ওরস্যালাইনসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাবার। দুর্যোগের সময় খাদ্য সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এসব সামগ্রী তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ওয়াগ্গাছড়া জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী (সিগন্যালস)। তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।
এ সময় তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্বিপাক কিংবা যেকোনো মানবিক সংকটে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও সহায়তায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবারকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী বিতরণ তাদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে কয়েকদিন ধরে অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধস, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বেড়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও সহায়তায় মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ওয়াগ্গাছড়া জোনের এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরলে একটি রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক দিনমজুরের মরদেহ। বৃহস্পতিবার সকালে বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের বাদরুনিয়া গ্রাম নামক স্থানের রেললাইনের ধারে তার লাশ পাওয়া যায়।
নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি হচ্ছেন বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের বাদরুনিয়া গ্রামের মৃত ধরণী দেবশর্মার ছেলে বাহিরু দেবশর্মা (৫৫)।
স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাহিরু দেবশর্মা একজন দিনমজুর হিসাবে কাজ করতেন। গত বুধবার (৮ জুলাই) কাজ শেষ করে সন্ধ্যাবেলা তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর রাতের খাবার খেয়ে তিনি পুনরায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবার সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাদরুনিয়া গ্রামের রেললাইনের ধারে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান এবং এরপর এ ব্যাপারে পরিবার ও পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে বাহিরুর ছেলে বাবু দেবশর্মা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি তার বাবার বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে চলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করে।
বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। তাঁদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য পুলিশি তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ১৫৮ নম্বর চর আলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টায় কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলার সর্বস্তরের শিক্ষকদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষক সমাজ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস শিকদার, সহসভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া, অর্থ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সনজিৎ বাড়ৈ, শিক্ষক জসিমউদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলী, আইসিটি সম্পাদক বেলায়েত হোসেন এবং ক্রীড়া সম্পাদক সবুজ হোসেন।
বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হলেও এখনো জড়িতদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
স্মারকলিপিতে শিক্ষকরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জানা যায়, সম্প্রতি স্কুল ছুটি শেষে বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা আলীনগর সস্তাল এলাকার কথিত বালু ব্যবসায়ী মিলন মোল্লার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি পূর্বশত্রুতার জেরে শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে এবং তার দুই পা ও একটি হাত ভেঙে দেয়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় মিলন মোল্লা, লিপি বেগমসহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমাজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল ও অন্যান্য এন্ডোক্রাইন রোগ মা ও অনাগত শিশুর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এসব রোগের আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসকদের সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ‘প্রেগন্যান্সি অ্যান্ড কমন এন্ডোক্রাইন ডিসওর্ডার’ শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্সের উদ্যোগে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মালিহা রশিদ, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি ডা. ফারিয়া আফসানা, সাধারণ সম্পাদক ডা. এম সাইফুদ্দিন, উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্সের কনভেনর এবং গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তানজিনা হোসেন সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফারুক পাঠান।
সেমিনারে দেশের খ্যাতনামা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টরা গর্ভাবস্থায় অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি, থাইরয়েড ম্যালিগন্যান্সির ইতিহাস থাকা নারীদের চিকিৎসা, প্রোল্যাকটিনোমা, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) এবং গ্রেভস ডিজিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক চিকিৎসা নির্দেশনা, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কেসভিত্তিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনারে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. শাহিন ইবনে রহমান, ডা. আহমেদ ইফরাদ বিন রওনক, ডা. সানজিদা ইসলাম, ডা. রিফাত ফেরদৌস এবং ডা. আফিয়া জয়নব তন্নি। আলোচনায় প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন ডা. নাজমা আক্তার, ডা. মির্জা শরিফুজ্জামান, ডা. মারুফা মোস্তারী, ডা. ফৌজিয়া আনার এবং ডা. রেজওয়ানা সোবহান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মালিহা রশিদ বলেন, ‘গর্ভাবস্থায় এন্ডোক্রাইন রোগের প্রভাব শুধু মায়ের স্বাস্থ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, এটি অনাগত শিশুর সুস্থ বিকাশের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই প্রসূতি ও এন্ডোক্রাইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের নিয়মিত বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা সময়ের দাবি।’
বিশিষ্ট এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. ফারুক পাঠান বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিনিয়ত নতুন গবেষণা ও চিকিৎসা নির্দেশিকা যুক্ত হচ্ছে। এসব অগ্রগতি চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের বৈজ্ঞানিক সেমিনার অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার এই আদান-প্রদান শেষ পর্যন্ত রোগীদের আরও নিরাপদ ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি ডা. ফারিয়া আফসানা বলেন, ‘এন্ডোক্রাইন রোগের চিকিৎসায় মাল্টিডিসিপ্লিনারি সমন্বয় এখন সময়ের দাবি। এ ধরনের বৈজ্ঞানিক সেমিনার চিকিৎসকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’
উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্স’র কনভেনার প্রফেসর ডা. তানজিনা হোসেন বলেন, ‘গর্ভাবস্থায় এন্ডোক্রাইন রোগের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে মা ও নবজাতকের জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তাই চিকিৎসকদের সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক তথ্য ও আন্তর্জাতিক নির্দেশনা বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. এম সাইফুদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এন্ডোক্রাইন চিকিৎসার মানোন্নয়নে ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও গবেষণার বিকল্প নেই। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি ভবিষ্যতেও চিকিৎসকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম আয়োজন অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি ডা. ফারিয়া আফসানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উইমেনস হেলথ টাস্ক ফোর্সের কনভেনর প্রফেসর ডা. তানজিনা হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার বড়াইগ্রামে মালবাহী ট্রাকের ধাক্কা লেগে ইজিবাইক চালকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ দুপুরের দিকে উপজেলার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের গোপালপুর সরকারের ঢালান এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত চালকের নাম রান্টু মিয়া (২৮), যিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামের তফেজ উদ্দিন ঝড়ুর ছেলে। রান্টু মিয়া ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকের চালক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, দুপুরের দিকে রান্টু মিয়া তার ইজিবাইক নিয়ে দুই জন যাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গড়মাটি থেকে রাজাপুর বাজারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে সরকারের ঢালান এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রান্টু মিয়ার ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার ফলে ইজিবাইকটিতে রান্টু মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন, আর আহত হন অন্য দুই যাত্রী।
আহতদের পরে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ট্রাকটি বনপাড়া হাইওয়ে থানায় আটক রাখা হয়েছে। এই ব্যাপারে বড়াইপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ