ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী


জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, "আমরা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো।"

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শহরের শেরে বাংলা পার্কে, জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের দল, তারেক রহমানের সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন করবো।"

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

সকল দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হই। যাতে ফ্যাসিস্ট আবারো কোনোভাবে সুযোগ নিয়ে আমাদের মধ্যে অনৈক্য তৈরি করতে না পারে। এই বাংলাদেশে বিভেদ তৈরি করতে না পারে। বাংলাদেশ যে দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেয়েছে, সেই স্বাধীনতা আমরা যেন অক্ষুণ্ন রাখতে পারি। আমি আমাদের সকল দলের, সকল মতের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই।"

তিনি আরো বলেন, "আমাদের এই পঞ্চগড়ের ৫ জন কৃতি সন্তান রাজ পথে ফ্যাসিস্টের গুলিতে তাদের তাজা প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছে। আমরা তাদের মাগফেরাত কামনা করছি।"

এদিন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদ, সিভিল সার্জন, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জুলাই শহীদ পরিবারসহ সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

পরে, জুলাই শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

এ সময় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে সরকারি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এতে জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা আয়োজনে খাগড়াছড়িতে পালিত হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


নানা আয়োজনে খাগড়াছড়িতে পালিত হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস

খাগড়াছড়িতে যথাযথ মর্যাদার সাথে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসটি পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের প্রাঙ্গণে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার আয়োজন করা হয়।

প্রথমে, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে, বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ সহ স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলে জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার শাদাত। সভায় বক্তারা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তি উদ্ভাবনেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন সম্ভব: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


প্রযুক্তি উদ্ভাবনেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন সম্ভব: ববি হাজ্জাজ

বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, যদি কোন একটি দেশ কেবল প্রযুক্তি কিনে ব্যবহার করে, তাহলে সে দেশ সবসময় অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকবে। তবে যে দেশ STЕM (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা এবং গণিত) শিক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তিকে বোঝে, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত করে এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে পারে, সেই দেশ প্রকৃত অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন করে।

তিনি বলেন, ইতিহাসে জাপান সেই পথ দেখিয়েছে। বাংলাদেশও প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই STЕMভিত্তিক দক্ষতা তৈরি করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আজ জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত আরটেক জেনারেল এক্সিবিশন ২০২৬- এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার এমন একটি STЕM শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে চায়, যেখানে বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি শেখানো একমাত্র লক্ষ্য নয়। বরং শিশুদের প্রশ্ন করতে শেখানো, সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করা, ধারণাকে গভীরভাবে বোঝা, সমস্যা বিশ্লেষণ করা এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলাই হবে মূল উদ্দেশ্য।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে শ্রমশক্তি ৭ কোটিরও বেশি এবং বিপুল সংখ্যক শিশু প্রাথমিকে পড়ালেখা করছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি এখনও তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। একটি বহুমুখী, জ্ঞানভিত্তিক ও উচ্চ মূল্য সংযোজনকারী অর্থনীতি তৈরি করতে হলে প্রাথমিক স্তর থেকেই STЕM শিক্ষার শক্ত ভিত নির্মাণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় জাপানের ইতিহাস এক গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। মেইজি পুনর্গঠনের সময় কিংবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর উভয় ক্ষেত্রেই জাপান শিক্ষা, প্রযুক্তি, শৃঙ্খলা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চায়।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক শিখন সংকট মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। শিশুরা সাক্ষরতা, সংখ্যাজ্ঞান এবং মৌলিক দক্ষতা শক্তিশালী করার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি দৃঢ় শিক্ষাভিত্তি তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, STЕM শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ব্যয়বহুল প্রযুক্তির প্রয়োজন হয় না সবসময়। একটি শিশুর লাগানো একটি গাছই জীববিজ্ঞান শেখার ল্যাবরেটরি হতে পারে। স্থানীয় পানির মান পরীক্ষা করে দেখা, বৃষ্টিপাত পরিমাপ করা, কাগজ দিয়ে সেতু নির্মাণ করা অথবা নিজ এলাকার রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যার সহজ প্রকৌশলভিত্তিক সমাধান খুঁজে পাওয়া, এসবই শিশুদের জন্য কার্যকর STЕM শিক্ষার অংশ হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে গণিত ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব এবং মৌলিক রোবোটিক্স শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে চায়। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে STЕM শিক্ষা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, আরটেক জেনারেল এক্সিবিশনে প্রদর্শিত শিক্ষা উপকরণ ও শেখানোর পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত সহজ, মডুলার, ব্যবহারিক এবং সাশ্রয়ী। এসব উদ্ভাবনী মডেল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সহজেই অভিযোজিত করা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ব্যয়সাশ্রয়ী ও বিস্তৃত পরিসরে বাস্তবায়নযোগ্য শিক্ষাসমাধানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা শিক্ষার্থীদের শুধু তথ্য মুখস্থ না করায় বরং সমস্যাকে শনাক্ত করতে, বিশ্লেষণ করতে এবং বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনে সক্ষম করে তোলে।

তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, দ্রুত নগরায়ণ, খাদ্য নিরাপত্তা, অটোমেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। তবে এসব চ্যালেঞ্জ শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। তাই এসব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকল্প নেই।

বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী আরটেক, অক্টোব্রেইন, অনুষ্ঠানের আয়োজক, অংশগ্রহণকারী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আগামী প্রজন্মের শিক্ষায় বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা আরও সহনশীল, উদ্ভাবনী এবং সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি।

অনুষ্ঠানে ওসাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অতিথি এবং আরটেক ও অক্টোব্রেইনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের আর ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না: রাবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের আর ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না: রাবি উপাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, আজকে আমরা যখন বিজয় উৎসব পালন করছি, ঠিক সেই সময়ে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পায়তারা করছে। বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসররা যেন কোনোভাবেই বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সাহস না পায়, আজকের দিনে এই অঙ্গিকার ব্যক্ত করছি।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয়বর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে সকলের দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করেন তিনি।

দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ডকুমেন্টরির উদ্বোধন করা হয়। একই স্থান থেকে বিজয় শোভাযাত্রা নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করা হয়। বেলা ১১ টায় 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রং তুলিতে মুক্ত স্বদেশ' উদ্বোধন শেষে সিনেট ভবনে আলোচনা সভা শুরু হয়।

এদিকে, রাকসুর উদ্যোগে শহিদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে রক্তদান কর্মসূচি চলছে। এরআগে, রাকসুর উদ্যোগে কয়েকশো শিক্ষার্থী নিয়ে ভিক্টরি রান কর্মসূচি পালিত হয়।

এ ব্যাপারে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, এদিন ফ্যাসিবাদকে চূড়ান্তভাবে দমনের দিন। এই বিজয় ছাত্রজনতা ছিনিয়ে এনেছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিতাড়িত হয়েছে। এই ভিক্টরি রানে তাদের দৌড়ানির কথা মনে করিয়ে দেই। যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করবে, তাদের এভাবেই এদেশের মানুষ দৌড়ানি দিবে।

উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে আবাসিক হলগুলোতে বিজয় ফিস্টের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেলে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থাও আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

টাঙ্গাইল, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার আবহে টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে পালন করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস।

 

বুধবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা এবং বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

 

শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

 

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

 

শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, জুলাই আমাদের চেতনা। আমাদের বুকে জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করে আগামী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণ করব। আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

 

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা সবাই মিলে এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গড়ে তুলব এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাব।

 

তিনি এটাও বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের রক্তের প্রতি আমরা কোনো দিন বেইমানি করব না। আজকের এই দিনে আমরা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

 

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ‘আমরাই গড়বো স্বপ্নের বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের হলসমূহে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%