০৫:০৮ পি.এম
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের একাধিক হামলার অভিযোগ তুলে কাতার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং মহাসচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠির মধ্যে হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করে কাতার এসব ঘটনার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
দোহার অভিযোগ, কাতারের একটি তেলবাহী জাহাজ ও কাতারের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে। এই ঘটনায় ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি জবাব দেওয়ার অধিকারও সংরক্ষণের কথা জানিয়েছে কাতার।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, ইরানের হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে কাতার।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
চিঠিতে কাতার দাবী করেছে, ইরান বহুবার দেশটির ওপর হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে গত ৭ জুলাই কাতারের তেলবাহী জাহাজ আল রেকাইয়াত-এ হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ১২ জুলাই কাতারের ওপর চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও কাতার দাবি করছে, ওই হামলা দেশটির সশস্ত্র বাহিনী প্রতিহত করেছে।
কাতারের অভিযোগ, এগুলো সব হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে ইরান। তাই এসব হামলার জন্য কাতার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে এবং প্রয়োজন হলে জবাব দেওয়ার অধিকারও সংরক্ষণ করবে বলেও জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে একটি জাহাজকে ঘিরে দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এটি গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমন ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা। জাহাজটি হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অঞ্চলের রুট দিয়ে চলাচল করছিল।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তবে ইরানের দাবি, তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় না করে এ রুট ব্যবহার করা মানে জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালিতে চলাচলসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে এ রুট ব্যবহারে উৎসাহিত করছে, যাতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন