০৩:২৩ পি.এম
বাস মালিক সমিতির বিরুদ্ধে যাত্রী ওঠাতে বাধা, মারধর ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ধর্মঘট শুরু করেছেন বরিশালের মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে কয়েকটি লোকাল বাস আটকে দেওয়ার পর বরিশাল থেকে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেন মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। এ সময় তারা মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকটি লোকাল বাস আটকে দেন। বরিশাল থেকে ছেড়ে যাওয়া এবং ভুরঘাটা থেকে আসা কয়েকটি বাস আটকে মীরগঞ্জ সড়কে পার্কিং করে রাখা হয়।
থ্রি-হুইলার চালকদের দাবি, তাদের সঙ্গে বাস মালিকদের বিরোধ মীমাংসার জন্য সোমবার প্রশাসনের উদ্যোগে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। এ কারণে তারা ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
মাহিন্দ্রাচালক আলী হোসেন, লিটন হাওলাদার, সাহাদাত, ফারুক ও মোস্তফা অভিযোগ করেন, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী ওঠানোর সময় বাস মালিক সমিতির কর্মচারীরা তাদের লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর ও গালাগাল করেন। পাশাপাশি মাহিন্দ্রায় যাত্রী ওঠাতেও বাধা দেওয়া হয়।
চালকদের ভাষ্য, তারা সরকারকে নিয়মিত কর পরিশোধ করে বৈধভাবে যানবাহন চালালেও তাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হচ্ছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এদিকে হঠাৎ লোকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা। কয়েকটি বাস থেকে মাঝপথে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমঝোতা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন