ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার অভিজ্ঞতা জানালেন ইরানি পাইলটরা


কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার অভিজ্ঞতা জানালেন ইরানি পাইলটরা

ইরানের বিমানবাহিনীর পাইলটরা একটি রোমহর্ষক ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন কীভাবে কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে এফ-৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। এই হামলাটি চলতি বছরের মার্চ মাসের দিকে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১ মার্চ সংঘটিত সেই রুদ্ধশ্বাস এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবার প্রকাশ করেছেন অভিযানে অংশ নেওয়া ইরানি বিমান বাহিনীর বীর সেনারা। বুধবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে অভিযানের কমান্ডার এবং দুই ক্রু সদস্য এই রোমাঞ্চকর অভিযানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল বিষয় তুলে ধরেন। অত্যন্ত নিচু দিয়ে বিমান উড়িয়ে রাডার ফাঁকি দিয়ে এবং নিখুঁতভাবে বোমা বর্ষণ করে নিরাপদে ফিরে আসার এই মিশনটি সম্পন্ন হতে সময় লেগেছিল মাত্র ৫০ মিনিট।

অপারেশনের কমান্ডার টেলিভিশন সম্প্রচারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক এবং দাঁতভাঙা জবাব দিতেই এই প্রতিশোধমূলক হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারা কুয়েতের ক্যাম্প বুহরিং ঘাঁটিটিকে অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেন, কারণ সেখানে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনার উপস্থিতি ও বিশাল সামরিক সক্ষমতা বিদ্যমান ছিল। সফলতার লক্ষ্যে দুটি এফ-ফাইভ যুদ্ধবিমানে তিনজন পাইলট চরম প্রতিকূলতার মধ্যে যাত্রা শুরু করেন। মার্কিন ও শত্রুপক্ষের রাডার ফাঁকি দিতে তারা এতটাই নিচু দিয়ে বিমান উড়িয়েছিলেন যে এটি সাধারণ যুদ্ধকালীন বিমান চালনার সকল রেকর্ড ভেঙে দেয়। কমান্ডার উল্লেখ করেন, যেখানে সাধারণ প্রশিক্ষণে সর্বনিম্ন ৫০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ার নিয়ম, সেখানে তারা মাটি থেকে মাত্র ৫০ ফুট বা তারও কম উচ্চতায় বিমান চালিয়েছেন। এমনকি যাত্রাপথে তারা বিদ্যুতের তারের নিচ দিয়েও বিমান নিয়ে উড়ে যান。

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম, অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান এবং প্রস্তুত থাকা যুদ্ধবিমানগুলো চোখ এড়াতে পুরো মিশনটি পরিচালিত হয় সম্পূর্ণ রেডিও নীরবতা বজায় রেখে। সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময়ের এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে কমান্ডার বলেন, তারা দুটি জাহাজের মাঝে এতটাই নিচু দিয়ে উড়ে গিয়েছিলেন যে জাহাজের ডেকগুলো তাদের বিমানের চেয়ে উঁচুতে ছিল। বিমানের গর্জন শোনার পর জাহাজের নাবিকেরা নিচে ঝুঁকে রেলিংয়ের ওপর দিয়ে তাদের দিকে তাকিয়েছিলেন। কুয়েতের আকাশসীমায় প্রবেশের পর বিমানের গতি আরও বাড়ানো হয়। যেহেতু এই অভিযানে ফ্রি-ফল বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল, তাই লক্ষ্যবস্তুর ঠিক ওপর দিয়ে উড়েই হামলা চালানো বাধ্যতামূলক ছিল। তারা মার্কিন ঘাঁটির ওপর পৌঁছালে ইরানি যুদ্ধবিমানগুলো থেকে ভারী বোমা বর্ষণ শুরু হয়।

বোমার আঘাতে মুহূর্তের মধ্যেই পুরো ঘাঁটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং সেখানে থাকা সামরিক সরঞ্জাম ও হেলিকপ্টারগুলো বিস্ফোরণের তীব্রতায় আকাশে ছিটকে যায়। এই হামলার সময় শত্রুপক্ষের পাল্টা প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে এবং এক চরম হাহাকার ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। কমান্ডার জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে উড্ডয়ন করা শত্রুপক্ষের তিনটি এফ-ফিফটিন যুদ্ধবিমান নিজেদের বিভ্রান্তির কারণে ও ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে যায়। পরবর্তীকালে অন্যান্য সূত্র থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ১ মার্চ কুয়েতে নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী মার্কিন সরবরাহকৃত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ভুলবশত নিজেদেরই তিনটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল।

সাফল্যের সাথে বোমা হামলা শেষ করার পর ইরানি পাইলটরা শত্রুকে ধোঁকা দিতে একটি বিশেষ কৌশলগত চাল খাটান, যার ফলে শত্রুপক্ষ তাদের ট্র্যাক বা বাধা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। এরপর যুদ্ধবিমানগুলো নিরাপদে ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং পূর্বনির্ধারিত একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করে। কমান্ডারের পেছনের আসনে থাকা পাইলট জানান, ফিরে আসার সময়ও ঘাঁটিতে একের পর এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটছিল। অপর এক পাইলট বলেন, মিশনটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে যদি একটি বিমান ধ্বংসও হয়ে যেত, তবে অন্য বিমানটিকে যেকোনো মূল্যে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। দেশের সম্মান রক্ষার্থে নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এই মিশন সফল করা হয়েছে, বলে কমান্ডার তার বক্তব্য শেষ করেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা সেতুর পিলারের পাশের মাটি সরানোর কারণ ব্যাখ্যা করলেন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


পদ্মা সেতুর পিলারের পাশের মাটি সরানোর কারণ ব্যাখ্যা করলেন মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর পাশে মাটি সরানোর কাজ প্রকল্পের কনস্ট্রাকশনের একটি অংশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে বিএসআরএফ এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কিছু বাড়তি কাজ প্রয়োজন হয়, যার জন্য সেখানে অনেক বাড়তি মাটি জমা করা হয়। কাজ শেষ হলে, এই বাড়তি মাটিটা সরিয়ে ফেলারও একটা চুক্তি থাকে ঠিকাদারের সঙ্গে।

তবে, পিলারের মাটির সাথে ওই বাড়তি মাটির কোন সম্পর্ক নেই। এজন্যই পদ্মা সেতুর পিলারের পাশে জমা থাকা অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, পদ্মা সেতুর মাটি সরানোর কাজ সেতু কনস্ট্রাকশনেরই একটি অংশ।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার লাগানোর কারণে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সুতরাং, এ ব্যাপারে সবার সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সরকার জনকল্যাণকর কাজ করতে তৎপর। সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে কৃষি প্রণোদনার অর্থ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


ভৈরবে কৃষি প্রণোদনার অর্থ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ঘোষিত সরকারি প্রণোদনার অর্থের বণ্টনে অনিয়ম এবং আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য নিশ্চিত করার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বেশ কিছু প্রান্তিক কৃষক।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকার অনেক কৃষকের জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের পরিবর্তে এমন কিছু ব্যক্তির নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যারা কৃষিকাজের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পৃক্ত নন বা কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হননি। এর ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

কৃষকদের দাবি রয়েছে যে, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নিয়ে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকায় অসঙ্গতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা বিষয়টিতে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগকারী কৃষকদের একজন জানালেন, তাদের এলাকায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু প্রণোদনার তালিকায় বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে উদ্বেগ এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অন্যদিকে, উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্র থেকে জানা গেছে যে, চলতি বছরের অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করার কাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কৃষকদের প্রত্যাশা, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে এগোচ্ছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে এগোচ্ছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

কর বাড়ানোর পরিবর্তে সরকার অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিড দ্বারা আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন।

ড. তিতুমীর বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনমুখী শিল্পায়নের দিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ উৎপাদনমুখী শিল্পায়ন বাড়লে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। এই কারণে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে অর্থনীতির উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়ানো প্রয়োজন এবং সরকার এই দিকেই কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে যে কোনো অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে সরকার উৎপাদনমুখী অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আলোচনায় র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, সরকারের ‘থ্রি আর’ (পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও পুনর্গঠন) উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অর্থনীতিকে সঠিকভাবে স্থিতিশীল না করলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। যদি প্রবৃদ্ধির ওপর বেশি জোর দেওয়া হয় এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আনা হয়, তাহলে মূল্যস্ফীতি আবারও বাড়তে পারে।

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে হলে প্রতিবছর ৮ শতাংশের নামমাত্র জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। তবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হলে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এদিকে টাকার মান যাতে অতিরিক্ত অবমূল্যায়নের শিকার না হয়, সেই দিকেও লক্ষ্য রাখার প্রয়োজন আছে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সর্বোচ্চ দক্ষতা দেখালেও আগামী অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ সংগ্রহে চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে সরকারকে।

সরকারি ঋণের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে Dr. রাজ্জাক বলেন, গত কয়েক বছরে সরকারের ঋণ বেড়েছে এবং এতে অর্থনীতিতে বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে সরকারের সুদের পরিশোধে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে, তা এনবিআর আদায়কৃত মোট রাজস্বের ৩৬ শতাংশের সমান। এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক চাপ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ সুবিধা বাতিল, বেতন বৃদ্ধির রূপরেখা চূড়ান্তে বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


বিশেষ সুবিধা বাতিল, বেতন বৃদ্ধির রূপরেখা চূড়ান্তে বৈঠক

সরকার নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে তা ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।

এই পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন কৌশল চূড়ান্ত করার জন্য আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে। এই বৈঠকে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি বসছে।

এমনকি নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে, বর্তমানে চালু থাকা বিশেষ সুবিধাগুলো বাতিল করা হবে। বিশেষ সুবিধা মূল বেতনের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা করা হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বাজেট প্রস্তাব পেশের পর অর্থমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে কোনো পে স্কেল হচ্ছে না অর্থাৎ সরকারি চাকরিজীবীদের কোনো বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে না। কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে গেছে। তাই আমরা অবশ্যই এ বিষয়টি দেখব।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, সচিব কমিটির পর্যবেক্ষণ, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রস্তাবনা এবং সশস্ত্রবাহিনীর বেতন কাঠামো সংক্রান্ত বিষয়গুলি পর্যালোচনা করা হবে।

নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারী চাকরিজীবীদের দেওয়া বিশেষ সুবিধাগুলো আর পৃথকভাবে বহাল থাকবে না বলে জানা গেছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে যারা ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মরত, তারা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে কর্মরত চাকরিজীবীরা ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পান।

অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জুলাই মাস থেকে পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের বেতন ৩৫ শতাংশ বাড়বে। একইসাথে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের চাকরিজীবীদের বেতন বাড়বে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ। ফলে বিশেষ সুবিধাগুলো বাতিল হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%