মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ পি.এম
কিশোরগঞ্জ, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পান বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন খাবার, যা আমাদের সংস্কৃতি ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে রাজশাহী, বরিশাল (টরকি), চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে শতাব্দী ধরে পানের চাষ হয়ে আসছে। কিশোরগঞ্জের মাটি পান চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এখানে প্রচুর পরিমাণে পান উৎপাদন হচ্ছে, ফলে পাকুন্দিয়া পৌরসদরের পাটমহালের পানবাজার সারা বছরই জমজমাট থাকে।
ফজরের আজানের আগেই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসদরের পাটমহালের পানবাজার সরগরম হয়ে ওঠে। কৃষকরা ভ্যান, অটোরিকশা ও পিকআপে করে পানভর্তি ঝুড়ি নিয়ে আসেন। কারও মাথায় পানের বিড়া, কারও হাতে বস্তা থাকে। ভোরের আলো ফুটতেই শুরু হয় পান বাছাই, ভিরা গোনা ও দরদাম।
পাইকাররা ভিরা হাতে নিয়ে পানের আকার, রং ও মান যাচাই করেন। দরদাম মিলে গেলেই মুহূর্তের মধ্যে পান হাতবদল হয়। বড়জোর দুই ঘণ্টার এই বেচাকেনায় প্রতিটি হাটে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার পান বিক্রি হয়। শীত মৌসুমে চাহিদা ও দাম বাড়লে কিছু কিছু হাটে লেনদেন কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
প্রতি শনি ও বুধবার বসা পাটমহালের পানবাজার এখন শুধুমাত্র কেনাবেচার স্থান নয়, এটি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রও। এই হাটকে ঘিরে কৃষক, পাইকার, আড়তদার, শ্রমিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার চরফরাদী, এগারসিন্দুর, হোসেন্দী, নারান্দী ও সুখিয়া ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বরাটিয়া, হিজলীয়া, লক্ষীয়া ও সৈয়দগাঁও এলাকায় পান চাষ হয়। উপজেলায় প্রায় ৬৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ করছেন প্রায় ৮৬০ জন কৃষক, যার মধ্যে ২৪৫ জন নারী।
কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, উপজেলায় বছরে উৎপাদিত পানের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা। সারাবছরই এসব এলাকায় লাল ডিঙ্গি ও গয়েসুর জাতের পান উৎপাদিত হয়। স্থানীয় মাটি ও আবহাওয়া পান চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এখানকার পানের মান ভালো বলেও কৃষি কর্মকর্তারা জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বাসস’কে জানান, পান একটি লাভজনক কৃষিপণ্য। সারা বছর কৃষকেরা পান বিক্রি করে আয় করেন। প্রতি বিঘায় বছরে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মণ পান উৎপাদন হতে পারে। উৎপাদন খরচের তুলনায় কৃষকরা ভালো লাভ করে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, উপজেলায় পান সংরক্ষণের জন্য কোনো সংরক্ষণাগার নেই। তবে রোগবালাই দমনে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। পানচাষিদের চাহিদা অনুযায়ী বিসিআইসির টিএসপি ও ডিএপি সার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ রাখা হয়।
সপ্তাহে দুই দিন জমে বড় বাজার পাটমহালের পানহাটে প্রতি হাটে প্রায় ৪শ’ কৃষক পান নিয়ে আসেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক পাইকারও এ বাজারে আসেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
হাটের ইজারাদার কফিল উদ্দিন বলেন, প্রতি হাটে সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার পান বিক্রি হয়। পানের মৌসুমে চাহিদা ও দাম বাড়লে কিছু কিছু হাটে লেনদেন কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে কৃষক ও পাইকাররা আসায় হাটের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।
পাটমহালের হাটে আসা পান শুধুমাত্র পাকুন্দিয়াতেই বিক্রি হয় না। হাট শেষ হওয়ার আগেই এসব পান কটিয়াদী, ভৈরব, নিকলী, নরসিংদী, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যায়।
গাজীপুর থেকে পান কিনতে আসা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, তিনি প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে এ হাট থেকে পান কিনছেন। এখানকার পানের মান ভালো হওয়ায় গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি বিক্রির জন্য পান নিয়ে যান।
পান ব্যবসায়ী স্বাধীন জানান, তিনি পাকুন্দিয়া থেকে কয়েক লাখ টাকার পান কিনে কটিয়াদী, ভৈরব, নরসিংদী ও নিকলীসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঠান। স্থানীয় ব্যবসায়ী মনির উদ্দিন বলেন, তিনিও প্রতি হাটে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার পান কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠান।
ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, হাটে কৃষকের কাছ থেকে ২০ বিড়া পান প্রায় ৪ হাজার টাকায় কেনা হয়। পরিবহন, শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ যোগ হয়ে পাইকারি পর্যায়ে এর দাম দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। পরবর্তী আড়ত বা বাজারে দাম হয় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা। খুচরা পর্যায়ে একই পরিমাণ পান বিক্রি হয় প্রায় ৬ হাজার টাকায়।
ফলে বরজ থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতি কুড়ি পানে দামের পার্থক্য প্রায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়। পানের মান, চাহিদা, পরিবহন ব্যয়, শ্রমিকের মজুরি ও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকির কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে দাম পরিবর্তিত হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
বর্তমানে ভালো মানের লাল ডিঙ্গি পান প্রতি কুড়ি প্রায় ৪ হাজার টাকা এবং গয়েসুর জাতের পান আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, বাজারদর ভালো থাকলে পানচাষ থেকে আয় বাড়ে। তবে সরবরাহ বেড়ে গেলে বা দাম কমে গেলে উৎপাদন খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়ে।
পাকুন্দিয়ার দরদরা, বরাটিয়া, হিজলীয়া, লক্ষীয়া, নামালক্ষীয়া, সৈয়দগাঁও, হোসেন্দী চরপাড়া, মির্জাপুর ও বাহাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পান চাষ হয়ে আসছে। অনেক পরিবারে পানচাষ এখন বংশপরম্পরার পেশায় পরিণত হয়েছে।
তবে কৃষকরা জানান, বাঁশ, শ্রমিক, সার ও কীটনাশকের দাম বেড়েছে। রোগবালাই এবং পানের দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়লেও সবসময় সে অনুযায়ী পান বিক্রির দাম পাওয়া যায় না।
পান নিয়ে হাটে আসা কৃষকদের বড় সমস্যা হলো পর্যাপ্ত জায়গা ও সংরক্ষণ সুবিধার অভাব।
কৃষক হাদিকুল ইসলাম বলেন, পান উৎপাদন করে ভালো আয় হলেও বাজারে পান নিয়ে এসে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। বসার ও পান রাখার জায়গা পর্যাপ্ত নেই। বৃষ্টি হলে পান রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, স্থায়ী শেড, ভালো রাস্তা, পানি ও নিরাপদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে ভোগান্তি কমবে। বিক্রি না হওয়া পান রাখার ব্যবস্থা থাকলে ভালো দাম পাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে। বাজারে ছাউনি, পান রাখার জায়গা, আলো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস বাসস’কে বলেন, পাকুন্দিয়া পৌরসভা বাজার ও শ্রীরামদী কোল্ড স্টোর বাজার একসঙ্গে ইজারা দেওয়া হয়। পাটমহল বা পানমহলের জন্য আলাদা কোনো ইজারা ব্যবস্থা নেই। ফলে এ পানবাজার থেকে আলাদাভাবে কত রাজস্ব আদায় হয়, তার হিসাব নেই।
তিনি বলেন, পাটমহলের রাস্তার উন্নয়নে আইইউজিআইপি (ওটএওচ) প্রকল্পের আওতায় টেন্ডার হয়েছে। ইতোমধ্যে এমপি রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেছেন। ঠিকাদার শিগগিরই কাজ শুরু করবেন।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সঠিক পরিচর্যা, উন্নত বাজারব্যবস্থা, সংরক্ষণ সুবিধা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে পাকুন্দিয়ার পানচাষ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। তবে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা, পানের অপচয় কমানো এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ডের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেন। তারা শিক্ষার উন্নয়নে তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ ও শিক্ষা কার্যক্রমে ভূমিকার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
এ সময় ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়, যা শিক্ষকদের মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়ানোর উপর কেন্দ্রিত।
শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের ইংরেজি শিক্ষার উন্নয়নে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটির এসব উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং হেড অব ইংলিশ অ্যান্ড স্কুল এডুকেশন দিপ্তী দাস উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে হাকিমপুর উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন ইউনিটের প্রতিনিধিদের হাতে মাননীয় সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন, এমপির পক্ষ থেকে জার্সি ও ফুটবল তুলে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব মোঃ ফেরদাউস রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব মোঃ মোতালেব হোসেন মিঠু খান, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ হযরত আলী সরদারসহ টুর্নামেন্টের প্রতিনিধিরা।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ক্রীড়ার মাধ্যমে তারুণ্যের ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের ফুটবল রেফারি সংস্থার প্রধান ফেরহাত গুনদোগদু এবং তার সহযোগীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, রেফারি নিয়োগ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।
গুরলেক সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, “রেফারিদের শ্রেণিবিন্যাস, নিয়োগ, স্কোরিং ও পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে।”
সন্দেহভাজনদের বাড়ি, কর্মস্থল ও অফিসে তল্লাশি পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ফুটবলকে কলঙ্কমুক্ত রাখার লড়াই অব্যাহত থাকবে, যাতে আস্থাকে ক্ষুণ্ন করা অভিযোগগুলো স্পষ্ট হয়, দোষীরা আইনের মুখোমুখি হয় এবং ফুটবল মাঠে প্রচেষ্টা, সংগ্রাম ও খেলাধুলার মানসিকতার জন্য স্মরণীয় হয়।”
এক বছর আগে, তুরস্ক ফুটবল ফেডারেশন (টিএফএফ) অবৈধ জুয়া কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪৯ জন রেফারিকে স্থগিত করেছিল।
তদন্তে দেখা যায়, দেশটির ৫৭১ জন পেশাদার রেফারির মধ্যে ৩৭১ জনের জুয়ার অ্যাকাউন্ট ছিল এবং তাদের মধ্যে ১৫২ জন সক্রিয়ভাবে বাজি ধরতেন।
ওই কেলেঙ্কারিতে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৪ জন ফুটবলার ছিলেন। ফেনারবাচের আন্তর্জাতিক মিডফিল্ডার মের্ত হাকান ইয়ানদাসও ছিলেন তাদের মধ্যে।
কর্তৃপক্ষ ১,০০০-এর বেশি খেলোয়াড়কে স্থগিত করেছিল, যার মধ্যে প্রথম বিভাগের ২৫ জনও ছিলেন।
তবে গুরলেক স্পষ্ট করেছেন, গত বছরের জুয়া কেলেঙ্কারির সঙ্গে চলমান তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলার ২৯টি নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির মধ্যে মোট আটলাখ ২০ হাজার দুইশ’ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে নড়াইল জেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, যিনি উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।
এছাড়া, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব মোর্শেদ জাপল, নড়াইল প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক এমএম মাহবুবুর রশিদ লাবলু, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মৃত্তিকা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সেক্রেটারি বৈশাখী আক্তার প্রমুখও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জেলায় তিনটি উপজেলার ২৯টি স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির মধ্যে এই আটলাখ ২০ হাজার দুইশ’ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ