সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৬ এম
সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা। ১৮৮২ সালের দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধনে বিল জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাশ হয়েছে। যদিও বিল পাশের আগেই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। তবে বাবা-মাকে সুরক্ষায় বিলটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে সরকারি দল।
রবিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
পাস হওয়া বিলের বিধান অনুযায়ী, বাবা-মা কিংবা দাদা-দাদি বা নানা-নানির কাছ থেকে সন্তান বা নাতি-নাতনির কাছে সম্পত্তি দান করা হলে দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন। একইভাবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রেও দাতার জীবনকালীন ভোগাধিকার বহাল থাকবে।
এ ছাড়া দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির গ্রহীতার মৃত্যু হলে দাতার ভোগের অধিকার বজায় থাকবে। পরবর্তী সময়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ওই সম্পত্তি গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তরিত হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দানের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত সংশোধনের মাধ্যমে জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানের একটি স্বতন্ত্র ব্যবস্থা তৈরি হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন এই বিধান সব ধর্মের মানুষের ক্ষেত্রে সমভাবে কার্যকর হবে। এর ফলে প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের অধীনে হেবা কিংবা আইনস্বীকৃত অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না এবং সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিও সৃষ্টি হবে না।
তবে বিলটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। এর আগে তিনি বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট পরিপন্থি দাবি করে সংসদে পাস না করার আহ্বান জানান।
তার বক্তব্য, এর মাধ্যমে দাতার আজীবন সম্পত্তি ভোগের সুযোগ রাখা হলে ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের বিধানকে পাশ কাটানোর আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তিনি দাবি করেন, দেশের কয়েকজন প্রখ্যাত আলেমও প্রস্তাবিত ব্যবস্থাকে ইসলামী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দিয়েছেন।
ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর দেওয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে এই বিলের বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশে কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কোনো আইন করা হবে না এমন অঙ্গীকার করা হয়েছিল।
তার মতে, প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য সম্পত্তির অধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসার, সম্পর্ক ও জীবনের টানাপোড়েনে মানবেতিহাসে সম্পর্কের নানা রূপ পরিলক্ষিত হয়। কর্মক্ষমতা ও সামাজিক সফলতার ওপর ভিত্তি করে মানুষের প্রতি পারিপার্শ্বিক আচরণের পরিবর্তন এক নিত্যদিনের বাস্তবতা। সম্প্রতি পারিবারিক জীবনের এই কঠোর বাস্তবতা ও মায়ের চিরন্তন ত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গভীর বার্তা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উঠে আসে জীবনের এক নির্মম সমীকরণ। পুরুষ যতক্ষণ উপার্জনক্ষম থাকেন এবং পরিবারে আর্থিক যোগান দিতে পারেন, ততক্ষণ সংসারের সম্পর্কগুলোতে এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ও অনুগত্য বজায় থাকে। কিন্তু সময়ের ঘূর্ণাবর্তে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেলে বা শারীরিক অক্ষমতা চলে এলে অনেক সময় স্ত্রী কিংবা সন্তানসহ কাছের মানুষের আচরণে ব্যবধান দেখা যায়। সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও দেখা যায়, বিপদে পড়ে স্বামী অসহায় বা অক্ষম হয়ে পড়লে কিছু ক্ষেত্রে বৈবাহিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জীবনসঙ্গী মুখ ফিরিয়ে নিতেও দ্বিধা করেন না।
তবে অন্যান্য সম্পর্কের সঙ্গে মায়ের সম্পর্কের পার্থক্য यहीं স্পষ্ট হয়। মায়ের ভালোবাসা কোনো আর্থিক দেনাপাওনা বা উপার্জনের পরিমাপকের ওপর নির্ভর করে না। সন্তান জীবনের যে পর্যয়েই থাকুক না কেন, মায়ের কাছে সে চিরকালই সেই স্নেহের ছোট সন্তান। সন্তানের বিপদে অশ্রুপাত করা এবং তাঁর মঙ্গল কামনায় নিরন্তর প্রার্থনা করাই মায়ের সহজাত ধর্ম।
সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক জীবনে প্রতিটি সম্পর্কের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। স্ত্রীকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কোনো অবস্থাতেই সাময়িক প্ররোচনা বা সম্পর্কের মোহে পড়ে জন্মদাত্রী মাকে কষ্ট দেওয়া সমীচীন নয়। কারণ, জীবনে কোনো বিপর্যয় ঘটলে কিংবা অকালমৃত্যু হলে অন্য যেকোনো সম্পর্কের মানুষ হয়তো একসময় নিজের পথ গুছিয়ে নেয়, কিন্তু মায়ের বুক খালি হলে সেই শূন্যতা ও অশ্রু চিরকাল থেকে যায়।
তাই পারিবারিক টানাপোড়েনের মাঝেও মায়ের নিঃস্বার্থ অবস্থান ও ভালোবাসাকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া প্রতিটি সন্তানের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।
কোন লেখা পরিবর্তন বা সরানোর দরকার নাই, নিউজে যদি ভুল থেকে সেটি সংশোধন করে দিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ‘সম্পূর্ণরূপে বন্ধ’ রয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। শুধু তাই নয়, এই জলপথের চারপাশে শিগগিরই একটি নতুন ‘নিয়ন্ত্রিত এলাকা’ বা রেস্ট্রিক্টেড জোন গড়ে তোলার ঘোষণাও দিয়েছে তেহরান।
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন এই নিয়ন্ত্রিত এলাকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। এটি মূলত মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ রেখা থেকে শুরু করে উপসাগরীয় অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। রেজাইয়ের কড়া হুঁশিয়ারি, এই জোনে প্রবেশকারী যেকোনো জাহাজকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ফেলা হবে। পরবর্তীতে তেহরানের অনুমোদন ছাড়া ওই জাহাজগুলোকে আর কখনোই এই জলপথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না।
রেজাইয়ের দাবি, বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র সাত-আটটি জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করছে। মার্কিন বাহিনী মাঝেমধ্যে ওমানের কাছাকাছি জলসীমায় পাঁচ-ছয়টি জাহাজকে পাহারায় রেখে (এসকর্ট) পার করার চেষ্টা করে। কিন্তু সেগুলোও সাধারণত হামলার শিকার হয় এবং অক্ষত অবস্থায় পার হতে পারে না।
তবে ইরানের এই দাবির ঠিক উল্টো চিত্র তুলে ধরেছে ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। সংস্থাটির তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে অন্তত ৫৯টি জাহাজ নিরাপদে পার হয়েছে। যদিও তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের বর্তমান ঝুঁকির মাত্রাকে ‘মারাত্মক’ বলে চিহ্নিত করেছে।
এদিকে, চরম সামরিক উত্তেজনার মুখেও নিজেদের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির জানান দিয়েছে ইরান। মোহসেন রেজাই দাবি করেছেন, ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রথমবারের মতো দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ার-লঞ্চড (রণতরি থেকে নিক্ষেপযোগ্য) একটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজে পরীক্ষা চালিয়েছে তারা। পাশাপাশি সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকটের শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, ইরানে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এমনকি বিশ্ববাজারে তেল বিক্রি এবং এর অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়াও পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি কার্গো উড়োজাহাজ রানওয়ের পাশের সড়কে ছিটকে পড়েছে। এই ঘটনায় উড়োজাহাজটি সড়কে থাকা কয়েকটি গাড়িতে আঘাত করে, যার ফলে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
মিয়ামির ডেড কাউন্টির মেয়র ড্যানিয়েলা লেভিন কাভা নিহতদের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জানান, "আরও অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।" তবে তিনি নিহতদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার শিকার বোয়িং ৭৬৭–৩০০ মডেলের কার্গো উড়োজাহাজটি বিশ্বখ্যাত ই–কমার্স কোম্পানি অ্যামাজনের পরিচালিত প্রাইম এয়ারের।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন (এফএএ) জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উড়োজাহাজটি পুয়ের্তো রিকোর সান জুয়ানের লুইস মুনোজ মারিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মিয়ামির উদ্দেশে রওনা হয়।
এফএএ আরও জানায়, অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি পাশের সড়কে ছিটকে পড়ে এবং সেখানে থাকা ‘একাধিক’ গাড়িতে আঘাত করে। পরে উড়োজাহাজে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় ফায়ার রেসকিউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে আগুনের শিখা এবং ব্যাপক ধোঁয়া দেখা যায়।
দুর্ঘটনার পর মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কার্গো উড়োজাহাজটি অবতরণের সময় কেন রানওয়ে থেকে সড়কে ছিটকে পড়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এছাড়া, উড়োজাহাজটি কতটি গাড়িতে আঘাত করেছে, সেটাও জানা যায়নি।
অ্যামাজনের করপোরেট গ্লোবাল মিডিয়া রিলেশনসের পরিচালক কেলি নানতেল বলেন, "ঠিক কী ঘটেছে, তা জানতে আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।"
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সান সেবাস্তিয়ানের সেই ছোট্ট শহর থেকে উত্তর লন্ডন—সময় পরিবর্তিত হয়েছে, বদলেছে মঞ্চও। একসময় স্পেনের ক্লাব আন্তিগুওকোর হয়ে একসঙ্গে ফুটবল খেলা দুই কিশোর আজ মুখোমুখি ডাগআউটে দাঁড়িয়ে আছেন। এক পাশে রয়েছেন মিকেল আরতেতা, অন্য পাশে জাবি আলোনসো। পুরনো দুই বন্ধুর মধ্যে এই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন আরতেতা। নাটকীয় লন্ডন ডার্বিতে চেলসিকে ২-১ গোলে পরাজিত করে প্রিমিয়ার লিগে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল।
শুরুর মুহূর্তটি যেন ঝড়ের মতো। এমিরেটস স্টেডিয়ামের গ্যালারি তখনো পুরোপুরি বসে উঠেনি, খেলা মাত্র শুরু হয়েছে। এমন সময়েই আঘাত হানে চেলসি। ৭৭ সেকেন্ডের মধ্যে তারা গোল করে। লন্ডন ডার্বি যে এইভাবে আগুন ছড়িয়ে শুরু হবে, তা হয়তো আর্সেনালও ভাবেনি।
মরগান রজার্স নামটি আর্সেনাল সমর্থকদের কাছে অচেনা নয়। একসময় যাকে দলে নেওয়ার গুঞ্জন ছিল, সেই ইংলিশ মিডফিল্ডারই প্রথম ধাক্কাটি দিলেন। ফ্রি কিক থেকে বক্সের বাইরে পড়ে থাকা বলটি ভলিতে জড়িয়ে দিলেন জালে। ডেভিড রায়া নড়ার আগেই বলটি জালের কোণে ঢুকে গেছে। চেলসি এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।
গোল খেয়ে আর্সেনাল থেমে থাকেনি। মিকেল আর্তেতার দল ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের ছাপ ফেলতে শুরু করে। মার্টিন ওডেগার্ড, বুকায়ো সাকা, কাই হাভার্টজদের পাসিংয়ে ছন্দ ফিরে আসে। একবার তো বল জালেও জড়ায়। কিন্তু ভিএআরের হস্তক্ষেপে সেই গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তখনও স্কোরলাইন চেলসির পক্ষেই ছিল।
মাঝে কয়েক মিনিট যেন শ্বাস নেওয়ারও সময় ছিল না। একদিকে আক্রমণ গড়ছে আর্সেনাল, অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে ছুটছে চেলসি। সাকার শট ঠেকালেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আবার রিস জেমসের দূরপাল্লার শট সামলাতে হিমশিম খেলেন রায়া। ম্যাচ তখন খোলা, অনিশ্চিত, দুলতে থাকা এক পাল্লার মতো।
শেষ পর্যন্ত সেই দুলুনি থামালেন হাভার্টজ। ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে নিচু শটে গোল করে আর্সেনালকে ম্যাচে ফেরালেন। ১-১। ম্যাচ আবার নতুন করে শুরু হলো যেন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে আবারও সুযোগ পেয়েছিল চেলসি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে পেদ্রো নেতোর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ভাগ্য সেদিন আর্সেনালের পাশেই ছিল।
দ্বিতীয়ার্ধে গল্পটি পুরোপুরি বদলে গেল। এবার মঞ্চে উঠলেন ওডেগার্ড। হাভার্টজের বুদ্ধিদীপ্ত ডামি পাস ছেড়ে দিয়ে, সেই ফাঁকা জায়গা কাজে লাগিয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নিখুঁত শট নেন। মার্টিনেজের কিছু করার ছিল না। আর্সেনাল এগিয়ে গেল ২-১ গোলে।
এরপর চেলসি চেষ্টা করেছে। পাল্টা আক্রমণ, উইং দিয়ে উঠে আসা, দূরপাল্লার শট। কিন্তু আর্সেনালের রক্ষণ এবং রায়ার দৃঢ়তা তাদের বারবার থামিয়ে দিয়েছে। ম্যাচের শেষমুহূর্তে এস্টেভাওয়ের বাঁকানো শটটি দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন রায়া। সেটিই যেন ম্যাচের শেষ সিলমোহর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ