শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। আগামী বছরের ১৯, ২০ ও ২৭ মার্চ তিন দিনব্যাপী চারটি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে গুচ্ছে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং নতুন তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কনভেনর ও পবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। ভর্তি আবেদনের বিস্তারিত তথ্য, যোগ্যতা, ফি ও অন্যান্য বিষয় পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে।
চূড়ান্ত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা ১৯ মার্চ ২০২৭ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ২০ মার্চ ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা এবং ‘ডি’ ইউনিটের (আর্কিটেকচার) পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) পরীক্ষা ২৭ মার্চ ২০২৭ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় এবারের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্ব পবিপ্রবিকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক আয়োজন ও সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। পরে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্মতিতে পরীক্ষার আয়োজনের দায়িত্ব পবিপ্রবির ওপর অর্পণ করা হয়।
বর্তমানে জিএসটি গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।
গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় নতুন করে আরও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো হলো—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কনভেনর ও পবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, "১৭ সেপ্টেম্বর রাতে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার আয়োজন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে উপাচার্যদের নিয়ে কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়াই মূল লক্ষ্য। এ জন্য অধিকাংশ উপাচার্য শিক্ষার্থীদের নিজ এলাকা বা নিকটস্থ কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, যাতে দূরের কেন্দ্রে যাতায়াতের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অতিরিক্ত ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান খলনায়ক নাসির খানের জন্মস্থান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় অবস্থিত। স্থানীয়দের মতে, সেখানে একটি গলি বর্তমানে ‘নাসির খানের গলি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই নামকরণের উদ্দেশ্য হলো প্রিয় অভিনেতার স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।
নাসির খান ১৯৫৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মফস্বল থেকে উঠে এসে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন।
নাসির খানের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ১৯৮৫ সালে ‘চোর’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর তিনি প্রায় ২৭ বছরের অভিনয়জীবনে পাঁচ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। হুমায়ুন ফরীদি, রাজীব, এ টি এম শামসুজ্জামান ও আহমেদ শরীফের মতো খ্যাতিমান খলনায়কদের সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নিয়েও তিনি নিজস্ব অভিনয় শৈলীতে দর্শকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
তিনি ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘সাক্ষাৎ’, ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেনমোহর’, ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘ভালোবাসার ঘর’, ‘পাগল মন’, ‘স্বপ্নের নায়ক’ এবং ‘গরিবের রাণী’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি নাসির খানের সংলাপও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। তার অভিনীত বিভিন্ন চরিত্রের সংলাপ দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুখে ফিরেছে।
২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি নাসির খান মাত্র ৪৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্ত্রী মেহেরুন্নেসা এবং তিন কন্যা—নাছিমা খানম মমতা, ফাহিমা খানম শর্মিতা ও মহিমা খানম নিশিতাকে রেখে যান।
মঠবাড়িয়া পৌর শহরের বাসিন্দা সজীব মিত্র জানান, "ছোটবেলা থেকেই আমরা তার সিনেমা দেখতাম। তিনি আমাদের এই জনপদের একজন কৃতী সন্তান। শুরুতে বিষয়টি জানতাম না। পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, তিনি আমাদের এলাকার মানুষ ছিলেন। শুক্রবার হলে ছুটে যেতাম তার সিনেমা দেখতে। শুনেছি জন্মস্থানের ভিটা ঘিরে নাসির খানের গলি নামে পরিচিত।"
প্রবীণ সাংবাদিক দেবদাস মজুমদার আরটিভিকে বলেন, "নাসির খানের বাড়ি এ উপজেলার একটি ইউনিয়নে। তিনি মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতেন, তবে গ্রামের বাড়িতে খুব একটা আসতেন না। তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন অভিনেতা ও শিল্পমনা মানুষ। পরিচিত মুখ হিসেবে তার অভিনয় আমাদের জনপদের মানুষের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে তার অভিনয় ও কাজের মাধ্যমে মনে রেখেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনা করা এবং দলের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা।
এছাড়াও, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং এর প্রস্তুতিমূলক বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক, যিনি বর্তমানে কারাবন্দি, তাকে গৃহবন্দি অবস্থায় বাকি সাজা কাটানোর অনুমতি দিয়েছেন রাজা সুলতান ইব্রাহিম। নাজিব রাজাককে ১এমডিবি দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার কারণে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
এখন তাকে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দি থেকে বাকি সাজা ভোগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আরব নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে, এই সুবিধা পেতে তাকে প্রায় ১২ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে।
৭৩ বছর বয়সী নাজিবকে ১ মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বারহাদ (১এমডিবি) থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রাজা সুলতান ইব্রাহিম নাজিবকে শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা দিয়েছেন। এর ফলে, তিনি ২০২৮ সালের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত গৃহবন্দি থেকে বাকি সাজা ভোগ করতে পারবেন।
আইন বিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সুবিধা পেতে নাজিবকে ৫০ মিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত বা ১২ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে। তাকে গৃহবন্দি থাকার সব শর্তও মেনে চলতে হবে। যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন, তবে ক্ষমা বাতিল হয়ে যাবে এবং তাকে আবার কারাগারে ফিরে গিয়ে বাকি সাজা ভোগ করতে হবে। গত বছরের শেষ দিকে, একজন মালয়েশীয় বিচারক নাজিবের গৃহবন্দি থাকার আবেদন খারিজ করেছিলেন।
পরে জানা যায়, ১এমডিবির সাবেক সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএইচডি থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ২০২০ সালের জুলাইয়ে তাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে একটি ক্ষমা বোর্ড তার সাজা অর্ধেক কমিয়ে দেয় এবং জরিমানার পরিমাণ ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত করা হয়। এই মামলায় তার সাজা ২০২৮ সালের আগস্টে শেষ হওয়ার কথা।
এর মধ্যে, গত ডিসেম্বরে গৃহবন্দি থাকার আবেদন নাকচ হওয়ার কিছুদিন পর, ১এমডিবি-সংক্রান্ত আরেকটি মামলায় নাজিবকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই মামলায় তাকে ১১ দশমিক ৪ বিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানাও করা হয়েছে।
নাজিব এই ১৫ বছরের সাজা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করছেন। তার বর্তমান ছয় বছরের সাজা শেষ হওয়ার পর নতুন ১৫ বছরের সাজা কার্যকর হওয়ার কথা। নাজিব মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতার ছেলে। ছোটবেলা থেকেই তাকে রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে ১এমডিবি কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ক্ষমতা হারান। এরপর বিভিন্ন সরকারের সময় চলা তদন্তে নাজিব ও তার স্ত্রী রোসমাহ মানসুরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং ১এমডিবির উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালে নাজিব নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তহবিলের বিপুল অর্থ নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেন।
তদন্তকারীদের দাবি, ওই অর্থের একটি অংশ দিয়ে দামি সম্পত্তি, একটি বিলাসবহুল ইয়ট এবং মোনে ও ভ্যান গঘের মতো বিখ্যাত শিল্পীদের মূল্যবান চিত্রকর্ম কেনা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসাইন মন্তব্য করেছেন যে, দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার প্রবণতা কমে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "হার্টের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।"
আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কার্ডিওভাসকুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, হৃদ্রোগের চিকিৎসায় দেশে এখন অনেক আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি হয়েছে। তবে চিকিৎসক ও সার্জনদের দক্ষতা কাজে লাগাতে ভিশনারি প্ল্যানিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, হৃদরোগের প্রকোপ বাড়লেও এখন হার্টের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশের সার্জন ও অধ্যাপকদের কাজে লাগিয়ে চিকিৎসাসেবার আউটপুট বৃদ্ধি করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকারের বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার এবং রোগীর প্রয়োজনের মুহূর্তে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মন্ত্রী হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা সার্ভিস নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, ইমার্জেন্সি সার্ভিস ২৪/৭ চালু রাখতে হবে, যেখানে রোগী ভর্তির ২ ঘণ্টার মধ্যে ওয়ার্কআপ এবং ৬ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ