ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে একমাত্র রক্ষাকবচ পারমাণবিক অস্ত্র: রাশিয়া


বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে একমাত্র রক্ষাকবচ পারমাণবিক অস্ত্র: রাশিয়া

ক্রমাগত বৈশ্বিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কার মধ্যে, ক্রেমলিন বলেছে, পারমাণবিক অস্ত্রই হলো বিশ্বের একমাত্র রক্ষাকবচ যা বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

বুধবার ক্রেমলিন জানিয়েছে যে, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি নিউ স্টার্ট-এর মেয়াদ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশের অস্ত্র মোতায়েনের ওপর থাকা গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতাগুলো কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র উচ্চপর্যায়ের সামরিক আলোচনা আবার শুরু করতে সম্মত হলেও, এখন পর্যন্ত নিউ স্টার্ট চুক্তি নবায়ন বা এর পরিবর্তে নতুন কোনো চুক্তির উদ্যোগ দেখা যায়নি। মস্কোতে অনুষ্ঠিত একটি পররাষ্ট্রনীতি ফোরামে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেন, বিশ্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছাড়া বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানোর মতো আর কিছু নেই। এটি বরং বিশ্বকে বড় ধরনের যুদ্ধ থেকে রক্ষা করছে।’ পেসকোভ এর সাথে আরো বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে ভবিষ্যতে এমন অস্ত্র তৈরি হতে পারে, যেগুলোর ধ্বংসক্ষমতা পারমাণবিক অস্ত্রের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

একদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একাধিকবার পারমাণবিক অস্ত্রের প্রসঙ্গ তুলেছেন এবং এর কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র মস্কোর বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন, কিন্তু চীন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

রাশিয়ার দাবি হচ্ছে, নতুন কোনো চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ মিত্র দেশগুলি, যেমন যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকেও এতে যুক্ত করতে হবে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কয়েক দশকের মধ্যে এটি প্রথমবারের মতো পৃথিবীর বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিগুলোর অস্ত্র মোতায়েন সীমিত করার জন্য কোনো কার্যকর চুক্তি নেই। ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির অধীনে, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ১,৫৫০টি মোতায়েনকৃত পারমাণবিক ওয়ারহেড রাখার অনুমতি পেত। সেই সঙ্গে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল।

আরও পড়ুন: লখনউয়ের মসজিদ ও মাদরাসায় নোটিশ জারি করেছে আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীকে নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীকে নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

“রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানে নেত্রকোনার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী রচনা, চিত্রাঙ্কন ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে নেত্রকোনার সাতপাই উচ্চবিদ্যালয়ের হলরুমে দুর্নীতি দমন কমিশনের ময়মনসিংহ সমন্বিত কার্যালয় ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এসব প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের চেয়ে সামাজিক আন্দোলনই অধিক কার্যকর বিষয়ে বিতর্কের ফাইনাল রাউন্ডে সরকারের পক্ষ দলে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিপক্ষে আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চविद्यालय প্রতিযোগিতা করেছে।

যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সব রাউন্ডে ক ও খ শাখার জেলা শহরের মোট ১২টি স্কুলের মধ্যে আটটি স্কুলের ৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া রচনা, চিত্রাঙ্কনসহ বিতর্কের মোট ৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। তার মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী টিত্রাঙ্কণে অংশগ্রহণ করে।

নেত্রকোনা জেলা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট দিলুয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগिता উদ্বোধন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগের দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।

এছাড়াও অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, দুদক ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মকার, সহকারী পরিচালক রাজু মো. সারওয়ার হোসেন, সাতপাই উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিউল্লাহ খান পাঠান। প্রতিযোগিতায় জেলা কমিটির সম্পাদক অধ্যাপক নাজমুল কবীর সরকারের সঞ্চালনায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এল নিনো: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশ তীব্র বায়ু দূষণের ঝুকিতে, রেড অ্যালার্ট জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


এল নিনো: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশ তীব্র বায়ু দূষণের ঝুকিতে, রেড অ্যালার্ট জারি

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনাই বর্তমানে চলতি বছর তীব্র ধোঁয়াশা (হেইজ) সংক্রান্ত উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দারুণ তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া, বায়োফুয়েলের অতিরিক্ত চাহিদা এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে এ বছর পরিস্থিতি ভীষণ ভয়াবহভাবে রূপ নিতে পারে বলে বুধবার (২৪ জুন) সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (এসআইআইএ) এক প্রতিবেদনে জানাচ্ছে।

অথর প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে তাদের ‘হেইজ আউটলুক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করা শুরু করার পর থেকে এটি দ্বিতীয়বারের মত এই সর্বোচ্চ ‘রেড’ সতর্কতা জারি করেছে, যার প্রথমটি ছিল ২০২৩ সালে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল নিনো এবং ভারত মহাসাগরীয় দ্বিপদ (ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল) আবহাওয়া পরিস্থিতির জন্য আগামী আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস এই অঞ্চলের জন্য ধোঁয়াশার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হতে পারে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

এল নিনোর চলমান প্রভাবের ফলে শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসাথে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে আগুন নেভানোর সামগ্রিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এসআইআইএ এর সহযোগী পরিচালক খোর ইউ-লেং জানান, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে অনেক খামারি ও প্রতিষ্ঠান খরচ সাশ্রয় করতে আধুনিক যন্ত্রপাতির পরিবর্তে আগুন দিয়ে জমি পরিষ্কার এবং বর্জ্য ফেলার মত ক্ষতিকর পন্থা গ্রহণ করতে পারে। তাছাড়া শক্তি বা জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বায়োফুয়েলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, এ পরিস্থিতি ভূমি ব্যবহারের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে তুলবে।

এই পরিস্থির মধ্য থেকে উত্তরণে এবং ধোঁয়াশার ঝুঁকি কমাতে আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি বলে প্রতিবেদনে জোর দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধসে আহত অন্তত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধসে আহত অন্তত ১৩

ভারতের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি গুদামঘরের লোহার কাঠামো ও কংক্রিটের শেড বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৩ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এছাড়া একজনের মৃত্যুর সম্পর্কে স্থানীয়ভাবে খবর পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে আরও কেউ আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নির্মাণাধীন গুদামঘরে কাজ চলাকালীন হঠাৎ করে লোহার কাঠামো ও কংক্রিটের শেড ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পরে পুলিশ, দমকল বাহিনী, জাতীয় এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হয় অ্যাম্বুলেন্স ও বিশেষ উদ্ধার সরঞ্জাম। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা করতে ঘটনাস্থলে হাজির হন।

উদ্ধারকারীরা গ্যাস কাটারের সাহায্যে লোহার কাঠামো কেটে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা শ্রমিকদের বের করে আনেন। আহতদের কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ফলে গুদামটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল, যে কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: সাইমুম পারভেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: সাইমুম পারভেজ

ফারাক্কা বাঁধের কারণে সৃষ্ট পানিসংকট মোকাবেলায় সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এমন তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ব্যারাজ তৈরি করব, যেখানে পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

যাতে শুষ্ক মৌসুমে খাল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়। পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার এ উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স (বিটিএস) এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ন্যাশনাল-লেভেল কমিউনিটি বেইজড অর্গানাইজেশন (সিবিও) সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিটিএসের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যার পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদী, খাল ও জলাশয়ে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকায়। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।’

ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচনে পরিবেশ ও জলবায়ু ইস্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজনকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রচারণায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর অঙ্গীকার করেছি। একই সঙ্গে ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।’

জলবায়ু অর্থায়নের প্রসঙ্গ তুলে ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে খুব সামান্য অবদান রাখলেও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম। তাই জলবায়ু অর্থায়ন ঋণভিত্তিক নয়, অনুদানভিত্তিক হওয়া উচিত। জলবায়ু সংকটের জন্য দায়ী দেশগুলোকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকারের উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু সহনশীলতা, জেন্ডার ন্যায়বিচার এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী এই সামিট শুরু হয়েছে। সামিটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন অক্সফামের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাহমুদ সুলতানা।

তিনি জানান, জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করাই এ সামিটের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি সামিটে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জেন্ডার সমতা এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুই দিনের এ সামিটে নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, তরুণ নেতা এবং সিবিও প্রতিনিধি এর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মূল প্রতিপাদ্যের ওপর কীনোট উপস্থাপনা ও আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে সিবিওগুলোর ভূমিকা ও নারীদের অবদান নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই পরিবেশ গঠনে স্থানীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%