ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধসে আহত অন্তত ১৩


কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধসে আহত অন্তত ১৩

ভারতের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি গুদামঘরের লোহার কাঠামো ও কংক্রিটের শেড বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৩ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এছাড়া একজনের মৃত্যুর সম্পর্কে স্থানীয়ভাবে খবর পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে আরও কেউ আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নির্মাণাধীন গুদামঘরে কাজ চলাকালীন হঠাৎ করে লোহার কাঠামো ও কংক্রিটের শেড ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পরে পুলিশ, দমকল বাহিনী, জাতীয় এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হয় অ্যাম্বুলেন্স ও বিশেষ উদ্ধার সরঞ্জাম। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা করতে ঘটনাস্থলে হাজির হন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘের ‘কালেক্টিভ হাউজিং অ্যাওয়ার্ড’ পেল জামালপুর গ্রাম

উদ্ধারকারীরা গ্যাস কাটারের সাহায্যে লোহার কাঠামো কেটে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা শ্রমিকদের বের করে আনেন। আহতদের কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ফলে গুদামটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল, যে কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: সাইমুম পারভেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: সাইমুম পারভেজ

ফারাক্কা বাঁধের কারণে সৃষ্ট পানিসংকট মোকাবেলায় সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এমন তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ব্যারাজ তৈরি করব, যেখানে পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

যাতে শুষ্ক মৌসুমে খাল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়। পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার এ উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স (বিটিএস) এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ন্যাশনাল-লেভেল কমিউনিটি বেইজড অর্গানাইজেশন (সিবিও) সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিটিএসের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যার পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদী, খাল ও জলাশয়ে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকায়। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।’

ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচনে পরিবেশ ও জলবায়ু ইস্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজনকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রচারণায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর অঙ্গীকার করেছি। একই সঙ্গে ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।’

জলবায়ু অর্থায়নের প্রসঙ্গ তুলে ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে খুব সামান্য অবদান রাখলেও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম। তাই জলবায়ু অর্থায়ন ঋণভিত্তিক নয়, অনুদানভিত্তিক হওয়া উচিত। জলবায়ু সংকটের জন্য দায়ী দেশগুলোকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকারের উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু সহনশীলতা, জেন্ডার ন্যায়বিচার এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী এই সামিট শুরু হয়েছে। সামিটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন অক্সফামের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাহমুদ সুলতানা।

তিনি জানান, জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করাই এ সামিটের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি সামিটে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জেন্ডার সমতা এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুই দিনের এ সামিটে নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, তরুণ নেতা এবং সিবিও প্রতিনিধি এর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মূল প্রতিপাদ্যের ওপর কীনোট উপস্থাপনা ও আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে সিবিওগুলোর ভূমিকা ও নারীদের অবদান নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই পরিবেশ গঠনে স্থানীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় স্ত্রী পারভীন আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

অনাদায়ে তাকে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণা করার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত শফিকুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কিন্তু মামলার অন্য দুই আসামি, শ্বশুর তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুন, খালাস পেয়েছেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে বারহাট্টা উপজেলার রত্নপুর গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে পারভীন আক্তারের সঙ্গে কলমাকান্দা উপজেলার ক্ষুদ্র সিধলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলেসন্তান রয়েছে।

বিয়ের পর থেকেই শফিকুল ইসলাম পারভীনকে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করতে শুরু করেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রায় এক মাস আগে শফিকুল ইসলাম স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পারভীনকে মারধরের অভিযোগ উঠে। এরপর পারভীন বাবার বাড়িতে ফিরে যান। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টির সমাধান হলে পারভীন আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।

২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল গভীর রাতে প্রতিবেশীর মাধ্যমে পারভীনের মৃত্যুর খবর শোনা যায় তার স্বজনদের। তারা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে টিনের চৌচালা ঘরের বারান্দায় পারভীনের মরদেহ দেখতে পান।

এসময় মরদেহে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু ইউসুফ কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী শফিকুল ইসলাম, শ্বশুর তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং শুনানি শেষে আদালত শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মো. নুরুল কবির রুবেল বলেন, 'এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যা করার কারণে আদালত শফিকুল ইসলামকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান

প্রথমবারের মতো, ইরান ও ওমানের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে হরমুজ প্রণালীতে সম্ভাব্য ফি বা শুল্ক আরোপের বিষয়ে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

এখানে ‘টোল’ (রাস্তা বা সেতু ব্যবহারের কর) এবং ‘সার্ভিস ফি’ (সেবামূলক ফি)-র মধ্যে একটি বড় পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন বেশ কিছু সময় ধরে ইরানি কর্মকর্তারা একটি নতুন সামুদ্রিক নিয়ম বা শাসনব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছিলেন, যার মধ্যে টোল আদায়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে সম্প্রতি তারা তাদের বক্তব্যের সুর কিছুটা বদলেছেন। তারা এখন বলছেন যে, হরমুজ প্রণালীর সীমান্তবর্তী দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশগত কারণে সার্ভিস ফি বা সেবা মূল্য নেওয়ার অধিকার রয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে ইরানের সাথে, দু’টি দেশই জানিয়েছে যে, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা একটি কার্যনির্বাহী দল (ওয়ার্কিং গ্রুপ) গঠন করবে।

একটি বিষয় পরিষ্কার যে, ইরান যেকোনো উপায়ে এবং এখন ওমানও, হরমুজ প্রণালীর জন্য একটি নতুন সামুদ্রিক নিয়ম বা শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে চাইছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী এই সরু জলপথটি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনের প্রবেশদ্বার। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো বৈশ্বিক বাজারে তাদের জ্বালানি রপ্তানি করতে এই পথের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।

সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ওপেক (OPEC) সদস্য দেশগুলোর উৎপাদিত বেশিরভাগ তেল ও গ্যাস এই প্রণালী হয়ে সমুদ্রে পাড়ি জমায়। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল এই জলপথ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির বিরুদ্ধে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


আওয়ামী লীগের কর্মসূচির বিরুদ্ধে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

ঢাকার সাভারে কর্মসূচি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে এবং ফ্যাসিবাদের বিচারের জন্য সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলকে সাভার পৌর যুবদল আয়োজন করেছে।

বুধবার দুপুরে এই কর্মসূচি গেন্ডা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সাভার থানা যুবদল ও পৌর যুবদলের নেতাকর্মীরা।

এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন সাভার পৌর যুবদলের নেতা সুরুজজামান। এ সময় সাভার থানা যুবদল এবং পৌর যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে বক্তারা অনুষ্ঠিত সমাবেশে বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করার জন্য যুবদলের নেতাকর্মীরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

এরপর নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%