সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
০৯:০৪ এম
গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (RUB) এবং ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকোনমিক রিসার্চ (NBER), বাংলাদেশ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৫:৩০ মিনিটে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ গেস্ট হাউসের সভাকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার-এর দূরদর্শী উদ্যোগ ও দিকনির্দেশনায় উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া। অপরদিকে, NBER Bangladesh এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ এবং NBER Bangladesh-এর নির্বাহী পরিচালক এস. মুর্শেদ (মনি) এবং ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর মো. মাহির দেওয়ান।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আধুনিক RUB-NBER Resource & Innovation Center প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। কেন্দ্রটির মাধ্যমে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রিসোর্স অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে—
* গবেষণা, উদ্ভাবন এবং একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য একটি আধুনিক গবেষণা পরিবেশ ও অবকাঠামো গড়ে তোলা।
* রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং NBER-এর মধ্যে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময় জোরদার করা।
* শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার, ওয়েবিনার এবং স্বল্পমেয়াদি কোর্সের আয়োজন।
* গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল রিসোর্স, আন্তর্জাতিক ডেটাবেজ, গবেষণা সফটওয়্যার এবং অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী সহজলভ্য করা।
* উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম উৎসাহিত করা।
* দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, প্রকাশনা এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি।
* গবেষণা অনুদান (Research Grant), গবেষণা প্রকল্প, বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।
* শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে গবেষণামুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন।
* বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে বহুমাত্রিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ।
* গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজ ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখা।
এছাড়াও, কেন্দ্রটির মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এক্সচেঞ্জ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়েবিনার, স্টাডি ট্যুর এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বিশেষভাবে, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি ও সহজতর করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আগামী ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪:০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-৩-এ রিসোর্স অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এমপি।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বাস করে, এই সমঝোতা স্মারক এবং রিসোর্স অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কখনো প্রশাসন, কখনো পুলিশ, আবার কখনো পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাব তৈরি করতেন। এরপর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে নানা অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অবশেষে দিনাজপুর শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
আটক যুবকের নাম মোশাররফ হোসেন (২৮)। তিনি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নওখৈর গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে শহরের কালুর মোড় এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মোশাররফ নিজেকে কখনো পুলিশ ক্যাডার, কখনো প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন। তিনি দাবি করতেন, ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার, ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডার এবং ৪৯তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। নামী ব্র্যান্ডের পোশাক পরে ছবি তুলে নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন। এসব ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অর্থ আত্মসাৎ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিজেকে ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তিনি ওই ছাত্রাবাসে ওঠেন। পরে শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন, তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ছাত্রাবাস ছেড়ে চলে যান।
মঙ্গলবার ভোরে নিজের মালামাল নিতে ছাত্রাবাসে এলে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তার বিভিন্ন প্রতারণার তথ্য সামনে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে এসএসসি পাস বলে জানান। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, মোশাররফ আটকের খবর পেয়ে প্রতারণার শিকার দাবি করা রাঙামাটির এক তরুণী দিনাজপুরে এসেছেন। এছাড়া নীলফামারী থেকেও এক তরুণীর অভিভাবক কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করেছেন।
পুলিশের হাতে থাকা মোবাইল ফোনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব লেনদেনের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
রাঙামাটি থেকে আসা এক তরুণী জানান, কয়েক মাস আগে মোশাররফের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে নিজেকে ৪৬তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলে কয়েক দফায় তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে বিষয়টি ভুলে যেতে বলেন। পরে ওই তরুণী কক্সবাজার থানায় প্রতারণার মামলা করেন।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরনবী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ বিভিন্ন নারীর সঙ্গে ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, মোশাররফের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় একটি প্রতারণার মামলা রয়েছে। এছাড়া নীলফামারীতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিয়ের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা বিচারাধীন। আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীতে একটি বসতবাড়ি থেকে প্রায় ৪ ফুট লম্বা একটি পদ্ম গোখরা উদ্ধার করে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিমলের বসতবাড়ি থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) উদ্যোগে উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এবং অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী টিমের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতবাড়ির আঙিনায় হঠাৎ বিষধর পদ্ম গোখরা দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সাপটিকে জীবিত উদ্ধার করেন। এ সময় উদ্ধার অভিযানটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমলেও সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়।
বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) কুয়াকাটা টিমের সদস্য কেএম বাচ্চু বলেন, "লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী চলে এলে আতঙ্কিত হয়ে সেটি হত্যা না করে বন বিভাগ বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। প্রতিটি বন্যপ্রাণী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এর যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, "মানুষের সচেতনতা বাড়লে বন্যপ্রাণী হত্যা অনেকাংশে কমে আসবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী টিমের সদস্য রাকায়েত আহসান বলেন, "উদ্ধার অভিযানের পুরো সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। পরে সাপটিকে তার স্বাভাবিক আবাসস্থল গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়, যাতে এটি নিরাপদ পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে।"
এ বিষয়ে মহিপুর থানা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, "বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সাপসহ সব বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত। তাই লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে হত্যা না করে বন বিভাগ অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রতিটি মাদরাসায় চারটি করে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।
প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল ও আলিম স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে চারটি দল গঠন করে বোর্ডে তথ্য পাঠাতে হবে।
সুতরাং, একই সঙ্গে আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন।
একই দিন ও একই সময়ে সারা দেশে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এ কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন এবং দলকে প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি।
শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে দাখিল (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) পর্যায়ে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী দল এবং আলিম (প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ) পর্যায়ে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী দল গঠন করতে হবে।
গঠিত দলগুলোর জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।
এ ছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। টুর্নামেন্ট-সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনাও যথাযথভাবে অনুসরণ করায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন করে [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে তথ্য পাঠাতে হবে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, ক্রীড়ানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীদের সম্পৃক্ত করে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জীবন্ত কিংবদন্তি তামিল সিনেমার এক পরিচিত রূপ জননন্দিত ভিলেন প্রকাশ রাজ রূপালী পর্দায় নায়িকার পিতার চরিত্রে কঠোর ভূমিকায় যেমন অভিনয় করেন তেমনি আজকে সমস্ত ভারতের সন্তানদের অভিভাবক হিসেবে দিল্লির মসনদ কাঁপাতে ছাত্রদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে আন্দোলনকারী ছেলে মেয়েদের সাথে দিল্লির জন্তর মন্ত্ররের মাটিতে এসে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি যন্তর-মন্তরে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেন। ভারতীয় মিডিয়া 'ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ রাজ বলেন যে,
তিনি আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান এবং তিনি নিজের বিবেকের তাগিদে সেখানে গিয়েছেন। রয়টার্সের প্রকাশিত আলোকচিত্রেও ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে সিজেপির অবস্থান কর্মসূচিতে প্রকাশ রাজকে অংশ নিতে দেখা যায়।
শুধু প্রকাশ রাজ নয় সাহিত্য, শিল্পী, সংস্কৃতি ও সংগীত জগতের অনেকেই ইতিমধ্যেই মোদির উগ্র জাতীয়তাবাদী হিন্দুত্ববাদ, একনায়ক ও স্বৈরশাসনের বিরোধীতার প্রতীক হিসেবে মাঠে নামা এই ককরোচ জনতা পার্টির ছাত্র - ছাত্রীদের পাশে এসে নিজেদেরকে সর্বভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক হিসেবে সমর্থন জানিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিনেমার পর্দায় যাকে দর্শক ভয় পেতে শিখেছে, বাস্তবের রাজপথে কখনো কখনো সেই মানুষটিই ক্ষমতাকে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি করে বসেন। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ সেই বিরল ব্যতিক্রমদের একজন। চলচ্চিত্রে তিনি বহুবার কঠোর পিতা, নির্মম প্রতিপক্ষ কিংবা ক্ষমতার উদ্ধত প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ