ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিরোনাম রাজধানীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, চালক গ্রেপ্তার


শিরোনাম  রাজধানীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, চালক গ্রেপ্তার

রাজধানীর ডেমরায় ডাম্পার ট্রাকের ধাক্কায় মো. সাইফুল (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী মারা গেছেন। সেই ঘটনায় জনতার হাতে আটক করা ডাম্পারের চালক মো. শাহ আলমকে (৩৫) গ্রেফতার করে ডেমরা থানার পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার রাতে ১২টার সময় ডেমরার বাওয়ানী জুট মিল সংলগ্ন পুকুর পাড় ট্রাফিক বক্সের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

এসময় স্থানীয়রা দ্রুত সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনার সময় ডাম্পারের হেলপার মো. রফিক (৫০) পলাতক ছিল।

নিহত সাইফুল নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার বিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. সুলতান উদ্দীনের ছেলে।

ডেমরা থানায় তার মা মোছা. সুলতানা বেগম চালক শাহ আলম ও হেলপার রফিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ডেমরা থানার ওসি মির্জা তাইফুর রহমান বলেন, নিহত সাইফুল বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় এসেছিলেন। রোববার রাত ১২টার দিকে সাইফুল মোটরসাইকেলযোগে স্টাফ কোয়ার্টার যাচ্ছিলেন। এসময় অপর দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা ডাম্পার ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে গায়ে হলুদে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ এম


নোয়াখালীতে গায়ে হলুদে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ ৫

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এক ক্যামেরাম্যানসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের মৌশাকপুর গ্রামের গাজীটোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, নজরুল ইসলাম শান্ত, মারুফ আহাম্মেদ, জসিম উদ্দিন, সাকিব হোসেন ও বাবলু। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম শান্ত জানান, তিনটি মোটরসাইকেল, দুটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন নারীসহ আমরা একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ভিডিও করতে যাচ্ছিলাম। ওই সময় পিছন দিক থেকে আমাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়। এতে তারা মোটরসাইকেল থেকে সড়কে পড়ে যান। এতে তাদেরর সঙ্গে থাকা পাঁচজনের মাথায়, হাতে পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়।   হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় হারুন ও পিচ্চি রিয়াদকে চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় পিচ্চি রিয়াদ আমাকে জামায়াত-শিবির করি বলে মন্তব্য করে পায়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দেয়।  

স্থানীয় সূত্র জানায়, হারুন ও রায়হানের মধ্যে পূর্ববিরোধের জেরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।  মূলত হারুন ও তার লোকজন তাদের প্রতিপক্ষ রায়হানের লোকজন ভেবেই এদের ওপর গুলি চালায় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হারুন ও পিচ্চি রিয়াদের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।  

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, মোটরসাইকেল আরোহীদের পিছন থেকে গুলি করা হলে তিনজন ছররা গুলিতে আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমের ব্যাঘাত করায় নবজাতককে হত্যা করল মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ এম


ঘুমের ব্যাঘাত করায় নবজাতককে হত্যা করল মা

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কান্নাকাটি ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর অভিযোগে ১৪ দিন বয়সী নবজাতক ছেলেকে বৃষ্টির পানি রাখার প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নবজাতকের মা ফাতেমা বেগমকে (১৯) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট সংলগ্ন বাজার বাড়ির সৌরভের ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নবজাতক ওই বাড়ির সৌরভ হোসেনের ছেলে। ফাতেমা বেগম উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের শরীফ উল্যার মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রেমের সম্পর্কের পর সৌরভের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। এরপর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যা থেকে নবজাতক নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রথমে তিনি দাবি করেন, পেছন থেকে তাকে মাথায় আঘাত করে কে বা কারা শিশুটিকে নিয়ে গেছে। পরে বলেন, জিনে নিয়ে গেছে। এতে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে ঘরে থাকা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফাতেমা সন্তানকে ড্রামের পানিতে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেন। নবজাতক জ্বালাতন করত,ঘুম যেতনা, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করত, মাকে ঘুম যেতে দিতনা বলে প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে পেলে তাকে হত্যা করেন।

বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতককে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়ি পার্কিং নিয়ে তর্কের জেরে জনসম্মুখে কয়েক রাউন্ড গু-লি ছুড়লেন যুবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ এম


গাড়ি পার্কিং নিয়ে তর্কের জেরে জনসম্মুখে কয়েক রাউন্ড গু-লি ছুড়লেন যুবক

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে একটি প্রাইভেটকার থেকে অজ্ঞাত এক যুবক এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করার ফলে দুজন আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে ঘটে।

থানার সামনে গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে সামান্য কথাকাটাকাটির পর জনসমক্ষে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি প্রাইভেটকার হাইওয়ে থানার সামনে পৌঁছালে চা খেতে নামেন এক যুবক ও যুবতী। তখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয়রা ওই যুবককে বলেন, ভাই প্রাইভেটকারটি সাইড করে দাঁড়ান। এই নিয়ে কথোপকথনের এক পর্যায়ে যুবক গাড়িতে গিয়ে পিস্তল বের করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে দেন।

এরপর ওই যুবক ও যুবতী প্রাইভেটকার নিয়ে দ্রুত খুলনা রোডে চলে যান। যাওয়ার সময় যুবক বলেন, আমি গোপালগঞ্জের চেয়ারম্যানের ছেলে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু জানিয়েছেন, বিষয়টি জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ, দেখা দিয়েছে অস্থিরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ এম


পুলিশ প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ, দেখা দিয়েছে অস্থিরতা

নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে মাঠপর্যায়ে পুলিশ প্রশাসনে অস্থিরতা ও অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে পদায়ন বাণিজ্য নিয়ে পেশাদার পুলিশ সদস্যরা খুবই হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য পুলিশ প্রশাসনে বদলি বাণিজ্য জিরো টলারেন্সের মাধ্যমে বন্ধ করতে হবে। পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা এবং যোগ্যতাকে অন্যতম মাপকাঠি হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এটি জরুরি। অন্যথায়, পুলিশের কোনো একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্বে অবহেলা করলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো নাজুক হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। পুলিশের প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। সূত্র মতে, দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও পুলিশের প্রশাসনে স্বস্তি ফিরে আসেনি। বরং এখানে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

সেক্ষেত্রে সবার আগে বদলি বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে না। অর্থের বিনিময়ে পদের পরিবর্তন হলে কর্মকর্তারা স্বাভাবিকভাবেই আইন-শৃঙ্খলার চেয়ে বিনিয়োগ তোলার দিকে বেশি নজর দেবেন। বর্তমান পুলিশ প্রশাসন বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কালে শুরু হওয়া মব কালচার দমনে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। আর যদি দেশে বড় ধরনের আন্দোলন বা শোডাউন ঘটে তবে তা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চরম বেগ পেতে হবে। সূত্র জানায়, উপযুক্ত কর্মকর্তাদের সংক্ষিপ্ত তালিকা বা ফিট লিস্ট অনুসরণ করে পুলিশ প্রশাসনে পদোন্নতি-পদায়ন করা হচ্ছে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংবেদনশীল স্থানগুলো, যেমন জেলার এসপি, রেঞ্জ ডিআইজি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদগুলোতে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পদায়নের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া অতিরিক্ত আইজিপি পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ (বিশেষ করে ইউনিট প্রধান) পদগুলোও অর্থ ও তদবিরের বিনিময়ে বণ্টনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। পুলিশ সুপারদের (এসপি) জন্য ৬৪টি জেলাসহ প্রায় ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা রয়েছে। কিন্তু বাহিনীতে এসপির সংখ্যা ৭০০-এর বেশি। নিয়ম অনুযায়ী ব্যাচভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে ফিট লিস্ট তৈরি করে পদায়ন করার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। বরং নানামুখী তদবিরের মাধ্যমে নিচের দিকে থাকা অযোগ্য বা তোষামোদকারী অফিসাররা গুরুত্বপূর্ণ পদে পোস্টিং পাচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের দ্রুত প্রত্যাহার করাও হচ্ছে। এইসব ঘটনার কারণে পুলিশের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে। ইতিপূর্বে পুলিশ প্রশাসনে রাজনৈতিক অজুহাতে অনেক কর্মকর্তাই তাদের প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এখন পদোন্নতি কেন্দ্রিক বাণিজ্য চলছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং সহকর্মীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে অনেক ভালো অফিসারকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে জোরপূর্বক বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে, অথচ তারা ছিলেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ।

তাদের পেশাগত জীবনে সাফল্য ও সততা সর্বজনবিদিত ছিল। কোনো সুনির্দিষ্ট বা বড় ধরনের অভিযোগ ছাড়া একের পর এক জ্যেষ্ঠ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের অবসরে পাঠানো হচ্ছে, যা পুলিশের বিভিন্ন স্তরে মনস্তাত্ত্বিক চাপের সৃষ্টি করেছে। এ কারণে কর্মকর্তাদের কাজের স্পৃহা এবং পেশাদারিত্ব মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সূত্র আরো জানায়, পুলিশ প্রশাসনে নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালার (পিআরবি) ইচ্ছামতো সংশোধন পুলিশ অভ্যন্তরীণ কাঠামোর চেইন অব কমান্ড ভেঙে দিয়েছে। ৪ হাজার নতুন এএসআই পদ মঞ্জুরের ক্ষেত্রে ৫০ ভাগ বিভাগীয় প্রমোশন এবং ৫০ ভাগ সরাসরি নিয়োগের নিয়ম মেনে চলা হয়। কিন্তু সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদের ক্ষেত্রে এ নিয়মটি মানা হয়নি। বরং পিআরবি সংশোধন করে এসআই পদে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়া কার্যকর হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে যোগ্যতার ভিত্তিতে এএসআই থেকে এসআই হওয়ার অপেক্ষায় থাকা বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে।

এর ফলে মাঠপর্যায়ে চরম অসন্তোষ বাড়ছে। ফলে পুলিশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি অধস্তনদের আস্থা কমে যাচ্ছে। অধস্তনরা নিজের দায় নিয়ে কাজ করতে ভয় পাচ্ছে। পুলিশের মতো একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর মধ্যে এভাবে ক্ষোভ, অনিয়ম, ঘুষবাণিজ্য এবং পদায়ন নিয়ে বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি কখনো সম্ভব নয়। এদিকে, এ ধরনের বিষয়গুলো সম্পর্কে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিন), খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা যে অভিযোগ রয়েছে তার কোনো সত্যতা নেই। বর্তমান আইজিপির বিরুদ্ধে পুলিশে একটি গ্রুপ সক্রিয় আছে, যারা নানা ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%