মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৫ পি.এম
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শেরপুর শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) শেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ কে এম এনামুল হক বিপুর নেতৃত্বে তাঁরা শহরের প্রধান প্রধান পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মিলন মিয়া ও রেজাউল করিম এবং জেলা জাসাসের সদস্য ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম জপি। এ ছাড়া এনামুল হক রাজু, শহর জাসাসের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে জাসাস নেতৃবৃন্দ পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ, পূজার আয়োজন এবং উৎসবের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তাঁরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও সৌহার্দ্য সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় নেতৃবৃন্দ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।
জাসাস নেতৃবৃন্দের এ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুজ্জামান সোহেল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য অফিসিয়াল ক্যাপ ও টি-শার্ট উপহার প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্টেডিয়ামের সামনে এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মোঃ মোজেম্মেল হক, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার মোহাম্মদ জিমু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইউনুস আলী অনিক, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ওমর আলী রবি এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ বাচ্চু।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টের ক্ষুদে খেলোয়াড়রাও উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য অফিসিয়াল ক্যাপ ও টি-শার্ট উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গৃহযুদ্ধের কারণে বিপর্যস্ত সুদানে ড্রোন হামলার ফলে শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। জনবহুল বাজার এবং সাধারণ মানুষের ওপর পরিচালিত এই হামলার সাথে দেশটির সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যের দুটি স্থানে হামলা চালানোর ফলে অন্তত ১৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'সুদান ওয়ার অবজারভেটরি'। ২০২৩ সালে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর থেকে এই সংস্থাটি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
অন্যদিকে, সোমবার (১৯ অক্টোবর) আবিয়েইয়ের একটি বাজারে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। আবিয়েই অঞ্চলের তথ্যমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুদানি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীই আবিয়েই এলাকায় হামলাটি চালিয়েছে। তাদের দাবি, ওই বাজারটি আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের জ্বালানি সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
সুদানের তেলসমৃদ্ধ আবিয়েই অঞ্চলটির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে বিরোধ চলছে। ২০১১ সালে সুদান থেকে আলাদা হয়ে দক্ষিণ সুদান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে যৌথভাবে পরিচালিত অঞ্চলটির মালিকানা নিয়ে কোনো সমাধান আসেনি। এই হামলার ফলে দক্ষিণ সুদানের সাথে সুদানের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ সুদান ইতোমধ্যেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে সুদানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। দেশটির আশঙ্কা, এই সংঘাত সীমান্ত ছাড়িয়ে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
জাতিসংঘ সুদানে অস্ত্র সরবরাহের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে। তবে তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন দেশ সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফ উভয় পক্ষকেই ড্রোন সরবরাহ করে যাচ্ছে। ফলে রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফেন দুজারিচ সোমবার জানান, ড্রোন হামলার সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েছে, যা শিশু ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটাচ্ছে এবং জরুরি পরিষেবা ব্যাহত করছে।
তিনি আরও জানান, ড্রোন হামলার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দেশটির অন্তত দুই কোটি মানুষ মারাত্মক খাদ্যসংকটে পড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর ও গ্রেটার কর্ডোফানের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলার আবহমান, গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও রোমাঞ্চকর জলক্রীড়ার অনন্য মেলবন্ধন নিয়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বাঘাবাড়িতে "মোজো" পানসি নৌকা বাইচ উৎসব ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম এ মুহিত এমপি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায়, বাংলাদেশ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য ফোরামের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, বাঘাবাড়ি নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালনায় শাহজাদপুর বাঘাবাড়ির প্রমন্তা বড়াল নদীর বুকে জাঁকজমকপূর্ণ লোকজ উৎসব ও প্রতিযোগিতা পানসি নৌকা বাইচ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম এ মুহিত এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ফরিদুল ইসলাম, শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন হিরু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ প্রমুখ।
মোঃ রাসেল সরকার
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
মোবা: ০১৭২৯-১৪৮৮৮৪
তারিখ :২০.১০.২৬খ্রি:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘এ দেশ, এ মাটি সবার। আমরা কেউ বাইরে থেকে আসিনি। আপনার রক্ত লাল, আমার রক্তও লাল। আপনার একটি ভোট, আমারও একটি ভোট। আপনার অধিকার যেমন সমান, আমার অধিকারও তেমন সমান।’
তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, আমি মন্ত্রী হয়েছি, সংসদ সদস্য হয়েছি; কিন্তু আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন সবার জন্য সমান। হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও সবাই এ দেশের নাগরিক এবং সবার অধিকার সমান।
তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ধর্মই অন্যায়কে সমর্থন করে না। সব ধর্মেই অন্যায় থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। তাই অন্যায়কে অন্যায় বলতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করা গেলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিন্নতা যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
এ সময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ