ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে সীমান্তে নারী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১


ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে সীমান্তে নারী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্তে এক নারী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের কাছে পাচারের চেষ্টা চলাকালীন ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মানবপাচারচক্রের সদস্য হিসেবে মো. ইমন (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রবাসী নিহত, আহত ৪ জন।

গ্রেপ্তার হওয়া ইমন মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাংগা গ্রামের খাইরুল ইসলামের ছেলে। উদ্ধার হওয়া নারী নিতুন জেরা (৪১) রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার উজিয়াল গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চল এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র ওই নারীকে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসার জন্য ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখায়।

 

গত ২০ আগস্ট জীবননগর হয়ে বাঘাডাংগা সীমান্ত দিয়ে তাকে অবৈধভাবে ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।

আরও পড়ুন: কমলনগরে কোরআনের আলোয় আলোকিত ৫ শিক্ষার্থী, ফয়জুল কোরআন ইসলামী একাডেমির সংবর্ধনা

সীমান্তে ভারতে পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে চক্রের সদস্যরা ওই নারীকে ইমনের বাড়িতে আটকে রাখে বলে পুলিশ জানায়। পরে সুযোগ বুঝে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান।

খবর পেয়ে মহেশপুর থানার পুলিশ বাঘাডাংগা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

 

এ ঘটনায় সাভারের জাহিদুল ইসলাম মীর, স্থানীয় সামিনুর ও আমিনুর রহমানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনকে আসামি করে মহেশপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ১৮টি ভারতীয় কম্বলসহ যুবক গ্রেপ্তার

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ইমনকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য সীমান্ত এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহুরুল ইসলাম বাবু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন।

বাবু পাবনা পিওয়াইসি ক্লাবের একজন কৃতি ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি পাবনা সাবেক ক্রিকেটার সমিতিরও সদস্য ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার আশ্বাস বিজেপি সাংসদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার আশ্বাস বিজেপি সাংসদের

২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর হবে, বিজেপি সাংসদের আশ্বাস

গুরুগ্রাম, যা মিলেনিয়াম সিটি অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, একসময় একটি ছোট শহর ছিল।

 

কিন্তু চলতি শতকের শুরুতে, গুরগাঁও নামে পরিচিত এই শহরটি দ্রুত পরিবর্তিত হতে শুরু করে। নগরায়ণ, আধুনিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ফলে গুরুগ্রাম এখন একটি চোখ ধাঁধানো আধুনিক শহর হিসেবে পরিচিত। দিল্লি এনসিআর এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে, গুরুগ্রাম বর্তমানে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম করপোরেট ও আইটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফরচুন ৫০০ কোম্পানির ২৫০টিরও বেশি অফিস বা সদর দপ্তর অবস্থিত।

 

গুরুগ্রামে উচ্চ জীবনযাত্রার মান ও আধুনিক লাইফস্টাইলের জন্য ৪০টিরও বেশি আধুনিক শপিং মল, বিশ্বমানের হাসপাতাল, থিয়েটার কমপ্লেক্স এবং পাঁচ তারকা হোটেল রয়েছে। এখানে জমির দাম বেড়েছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। তবে, সামান্য বৃষ্টিতে সকল উন্নয়ন থমকে যায়। জলাবদ্ধতা এই আধুনিক শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা।

 

গত সোমবারের কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে গোটা গুরুগ্রাম জলমগ্ন হয়ে যায়। যানজট এবং জলজটের কারণে শহরটি একরকম নরকে পরিণত হয়।

গুরুগ্রামের মানুষদের কাছে জলাবদ্ধতার সমাধান এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তরে, হরিয়ানার বিজেপি সাংসদ ও রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী ধর্মবীর সিং বলেন, ‘২০৪৭ সালের নতুন মাস্টারপ্ল্যানে ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী শহরের উন্নয়ন করা হবে।

 

তখন সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে।’ যদি তার আশ্বাস সত্যি হয়, তবে গুরুগ্রামের বাসিন্দাদের জলাবদ্ধতার সাথে বসবাস করতে হবে আরো ২১ বছর। ধর্মবীর সিংয়ের বক্তব্যে কোনো অভাব নেই। তিনি জলাবদ্ধতার জন্য সরকার ছাড়া অন্যদের দায়ী করেন। তার বক্তব্যের তালিকা দীর্ঘ- তিনি বলেন, হঠাৎ এবং ভারী বৃষ্টি হয়, আমরা অনুমান করতে পারিনি গুরুগ্রাম এত বড় হয়ে উঠবে, এখানে অতিরিক্ত মানুষ এবং গাড়ি রয়েছে, ৬০ বছর আগে তৈরি পরিকল্পনাটি অপর্যাপ্ত ছিল, ২০৪৭ সালের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে, সরকারের কোনো দোষ নেই ইত্যাদি।

হরিয়ানার ভিওয়ানি-মহেন্দ্রেগড়ের বিজেপি সাংসদ ধর্মবীর সিং জোর দিয়ে বলেন, ’কর্তৃপক্ষ যানজট এবং জলাবদ্ধতা যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে কঠোর পরিশ্রম করে। তবে সবকিছু করা সম্ভব নয়।’ তার মতে, ৬০ বছর আগের গুরুগ্রামের পরিকল্পনায় ত্রুটি রয়েছে। যখন পরিকল্পনাবিদরা বুঝতে পারেননি যে শহরটি এই গতিতে বড় হবে। তিনি বলেন, ’আমরা জানতাম না যে এত মানুষ, বাড়িঘর এবং যানবাহন গুরুগ্রামে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্মাণকাজের কারণে পুরোনো ড্রেনগুলো সংকুচিত হয়ে গেছে। আমরা এখন আর সেগুলো চওড়া করতে পারছি না।’ ধর্মবীর সিং বৃষ্টির তীব্রতা এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনকেও দায়ী করে বলেন, ‘আজকাল হঠাৎ এবং ভারী বৃষ্টিপাত হয়। জল জমে যায় এবং তা নেমে যেতে সময় নেয়।’ চলতি বছর বর্ষার বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট প্লাবিত হওয়া এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্কুল বাস আটকে থাকার মতো ভয়াবহ দৃশ্য শহরবাসী আবারও দেখলেও, এই সাংসদ সরকার এবং প্রশাসনকে দোষারোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘জল নিষ্কাশনের জন্য আমরা সাধ্যমতো কাজ করি।’

গুরুগ্রামের বিজেপি সাংসদ রাও ইন্দ্রজিৎ সিংও গুরুগ্রামের এই সমস্যার জন্য বিজেপি সরকারের কোনো দায় দেখেন না। বরং তিনি কংগ্রেস আমলের দিকে দোষ ঠেলে দেন, ‘গুরুগ্রামে বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতা হয়ে আসছে। এর প্রধান কারণ হলো পাহাড় থেকে যমুনায় জল নিয়ে যাওয়ার পুরোনো, ঐতিহ্যবাহী ড্রেনগুলোর ওপর উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। কংগ্রেস আমলে হওয়া সেই উন্নয়নের খেসারত আমরা আজও দিচ্ছি।’

সমাধানের পথ বাতলেছেন ঈন্দ্রজিৎ সিং, ‘এটি ঠিক করার একমাত্র উপায় হলো পুরোনো ড্রেনগুলোর পথ ধরে মেট্রোর মতো ভূগর্ভস্থ টানেল তৈরি করা, যাতে জলকে সেই আগের পথ দিয়েই প্রবাহিত করা যায়। আমরা বর্তমানে যা করছি তা মূলত একটি সাময়িক জোড়াতালি সমাধান মাত্র। এটি কিছুটা স্বস্তি দেয়, তবে আমরা যদি এক জায়গায় জল আটকে দিই, তবে তা অন্য জায়গায় পথ খুঁজে নেয়। সরকার এটি নিয়ে কাজ করছে এবং আমরা প্রয়োজনীয় ফান্ডের ব্যবস্থা করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

চট্টগ্রাম, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করেছে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামও জব্দ করা হয়। 

মঙ্গলবার মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৫টা পর্যন্ত হালদা নদীসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। 

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ, ভূজপুর থানা-পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন। 

উপজেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানে হালদা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা বিপুল পরিমাণ বালু এবং বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট বালু ফ্ল্যাশিং আউট করে পুনরায় নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলোও বিনষ্ট করা হয়েছে। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ বলেন, ‘হালদা নদী আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আধার। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হালদা নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ 

তিনি বলেন, কেউ আইন অমান্য করে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, হালদা নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামালের উদ্যোগে সড়কের পাশে লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলা ও ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে কলমাকান্দা-ঠাকুরাকোনা সড়কের বামনী এলাকায় অন্তত ২৫টি চারা উপড়ে ফেলা হয়।

এছাড়া, কিছু চারা ভেঙে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ আগস্ট কায়সার কামালের উদ্যোগে কলমাকান্দার বিভিন্ন এলাকায় বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কলমাকান্দা-ঠাকুরাকোনা সড়কের পেট্রল পাম্প এলাকা থেকে হীরাকান্দা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির হাজারো চারা লাগানো হয়। গরু-ছাগলের হাত থেকে চারাগুলো রক্ষার জন্য বাঁশের বেড়াও দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস আলী জানান, সকালে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সড়কের পাশে কয়েকটি গাছের চারা উপড়ে পড়ে থাকতে দেখেন। কিছু চারা ভেঙেও ফেলা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫টি চারা নষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গাছের সঙ্গে এমন শত্রুতা কেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের চারা উপড়ে ও ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। তাঁর মতে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেন, ‘বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। যারা এই কাজ করেছে, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছে বলে মনে হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ করছি।’ তিনি জানান, উপড়ে ফেলা গাছগুলো আবার লাগানোর জন্য বলা হয়েছে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বাসাউরা এলাকার বাসিন্দা বিভাস সাহা বলেন, সরকারি জায়গায় পরিবেশের জন্য উপকারী গাছ লাগানোর পর সেগুলো নষ্ট করা খুবই দুঃখজনক। গাছগুলো বড় হলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পথচারী ও যাত্রীদেরও উপকার হবে। যারা এ কাজ করেছে, তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হওয়া 

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%