ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার আশ্বাস বিজেপি সাংসদের


২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার আশ্বাস বিজেপি সাংসদের

২০৪৭ সালের মধ্যে গুরুগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর হবে, বিজেপি সাংসদের আশ্বাস

গুরুগ্রাম, যা মিলেনিয়াম সিটি অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, একসময় একটি ছোট শহর ছিল।

 

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

কিন্তু চলতি শতকের শুরুতে, গুরগাঁও নামে পরিচিত এই শহরটি দ্রুত পরিবর্তিত হতে শুরু করে। নগরায়ণ, আধুনিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ফলে গুরুগ্রাম এখন একটি চোখ ধাঁধানো আধুনিক শহর হিসেবে পরিচিত। দিল্লি এনসিআর এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে, গুরুগ্রাম বর্তমানে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম করপোরেট ও আইটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফরচুন ৫০০ কোম্পানির ২৫০টিরও বেশি অফিস বা সদর দপ্তর অবস্থিত।

 

গুরুগ্রামে উচ্চ জীবনযাত্রার মান ও আধুনিক লাইফস্টাইলের জন্য ৪০টিরও বেশি আধুনিক শপিং মল, বিশ্বমানের হাসপাতাল, থিয়েটার কমপ্লেক্স এবং পাঁচ তারকা হোটেল রয়েছে। এখানে জমির দাম বেড়েছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। তবে, সামান্য বৃষ্টিতে সকল উন্নয়ন থমকে যায়। জলাবদ্ধতা এই আধুনিক শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা।

 

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

গত সোমবারের কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে গোটা গুরুগ্রাম জলমগ্ন হয়ে যায়। যানজট এবং জলজটের কারণে শহরটি একরকম নরকে পরিণত হয়।

গুরুগ্রামের মানুষদের কাছে জলাবদ্ধতার সমাধান এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তরে, হরিয়ানার বিজেপি সাংসদ ও রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী ধর্মবীর সিং বলেন, ‘২০৪৭ সালের নতুন মাস্টারপ্ল্যানে ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী শহরের উন্নয়ন করা হবে।

 

তখন সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে।’ যদি তার আশ্বাস সত্যি হয়, তবে গুরুগ্রামের বাসিন্দাদের জলাবদ্ধতার সাথে বসবাস করতে হবে আরো ২১ বছর। ধর্মবীর সিংয়ের বক্তব্যে কোনো অভাব নেই। তিনি জলাবদ্ধতার জন্য সরকার ছাড়া অন্যদের দায়ী করেন। তার বক্তব্যের তালিকা দীর্ঘ- তিনি বলেন, হঠাৎ এবং ভারী বৃষ্টি হয়, আমরা অনুমান করতে পারিনি গুরুগ্রাম এত বড় হয়ে উঠবে, এখানে অতিরিক্ত মানুষ এবং গাড়ি রয়েছে, ৬০ বছর আগে তৈরি পরিকল্পনাটি অপর্যাপ্ত ছিল, ২০৪৭ সালের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে, সরকারের কোনো দোষ নেই ইত্যাদি।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

হরিয়ানার ভিওয়ানি-মহেন্দ্রেগড়ের বিজেপি সাংসদ ধর্মবীর সিং জোর দিয়ে বলেন, ’কর্তৃপক্ষ যানজট এবং জলাবদ্ধতা যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে কঠোর পরিশ্রম করে। তবে সবকিছু করা সম্ভব নয়।’ তার মতে, ৬০ বছর আগের গুরুগ্রামের পরিকল্পনায় ত্রুটি রয়েছে। যখন পরিকল্পনাবিদরা বুঝতে পারেননি যে শহরটি এই গতিতে বড় হবে। তিনি বলেন, ’আমরা জানতাম না যে এত মানুষ, বাড়িঘর এবং যানবাহন গুরুগ্রামে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্মাণকাজের কারণে পুরোনো ড্রেনগুলো সংকুচিত হয়ে গেছে। আমরা এখন আর সেগুলো চওড়া করতে পারছি না।’ ধর্মবীর সিং বৃষ্টির তীব্রতা এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনকেও দায়ী করে বলেন, ‘আজকাল হঠাৎ এবং ভারী বৃষ্টিপাত হয়। জল জমে যায় এবং তা নেমে যেতে সময় নেয়।’ চলতি বছর বর্ষার বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট প্লাবিত হওয়া এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্কুল বাস আটকে থাকার মতো ভয়াবহ দৃশ্য শহরবাসী আবারও দেখলেও, এই সাংসদ সরকার এবং প্রশাসনকে দোষারোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘জল নিষ্কাশনের জন্য আমরা সাধ্যমতো কাজ করি।’

গুরুগ্রামের বিজেপি সাংসদ রাও ইন্দ্রজিৎ সিংও গুরুগ্রামের এই সমস্যার জন্য বিজেপি সরকারের কোনো দায় দেখেন না। বরং তিনি কংগ্রেস আমলের দিকে দোষ ঠেলে দেন, ‘গুরুগ্রামে বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতা হয়ে আসছে। এর প্রধান কারণ হলো পাহাড় থেকে যমুনায় জল নিয়ে যাওয়ার পুরোনো, ঐতিহ্যবাহী ড্রেনগুলোর ওপর উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। কংগ্রেস আমলে হওয়া সেই উন্নয়নের খেসারত আমরা আজও দিচ্ছি।’

সমাধানের পথ বাতলেছেন ঈন্দ্রজিৎ সিং, ‘এটি ঠিক করার একমাত্র উপায় হলো পুরোনো ড্রেনগুলোর পথ ধরে মেট্রোর মতো ভূগর্ভস্থ টানেল তৈরি করা, যাতে জলকে সেই আগের পথ দিয়েই প্রবাহিত করা যায়। আমরা বর্তমানে যা করছি তা মূলত একটি সাময়িক জোড়াতালি সমাধান মাত্র। এটি কিছুটা স্বস্তি দেয়, তবে আমরা যদি এক জায়গায় জল আটকে দিই, তবে তা অন্য জায়গায় পথ খুঁজে নেয়। সরকার এটি নিয়ে কাজ করছে এবং আমরা প্রয়োজনীয় ফান্ডের ব্যবস্থা করছি।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

চট্টগ্রাম, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করেছে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামও জব্দ করা হয়। 

মঙ্গলবার মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৫টা পর্যন্ত হালদা নদীসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। 

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ, ভূজপুর থানা-পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন। 

উপজেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানে হালদা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা বিপুল পরিমাণ বালু এবং বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট বালু ফ্ল্যাশিং আউট করে পুনরায় নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলোও বিনষ্ট করা হয়েছে। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ বলেন, ‘হালদা নদী আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আধার। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হালদা নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ 

তিনি বলেন, কেউ আইন অমান্য করে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, হালদা নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামালের উদ্যোগে সড়কের পাশে লাগানো গাছের চারা উপড়ে ফেলা ও ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে কলমাকান্দা-ঠাকুরাকোনা সড়কের বামনী এলাকায় অন্তত ২৫টি চারা উপড়ে ফেলা হয়।

এছাড়া, কিছু চারা ভেঙে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ আগস্ট কায়সার কামালের উদ্যোগে কলমাকান্দার বিভিন্ন এলাকায় বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কলমাকান্দা-ঠাকুরাকোনা সড়কের পেট্রল পাম্প এলাকা থেকে হীরাকান্দা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির হাজারো চারা লাগানো হয়। গরু-ছাগলের হাত থেকে চারাগুলো রক্ষার জন্য বাঁশের বেড়াও দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস আলী জানান, সকালে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সড়কের পাশে কয়েকটি গাছের চারা উপড়ে পড়ে থাকতে দেখেন। কিছু চারা ভেঙেও ফেলা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫টি চারা নষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গাছের সঙ্গে এমন শত্রুতা কেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের চারা উপড়ে ও ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। তাঁর মতে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেন, ‘বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। যারা এই কাজ করেছে, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছে বলে মনে হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ করছি।’ তিনি জানান, উপড়ে ফেলা গাছগুলো আবার লাগানোর জন্য বলা হয়েছে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বাসাউরা এলাকার বাসিন্দা বিভাস সাহা বলেন, সরকারি জায়গায় পরিবেশের জন্য উপকারী গাছ লাগানোর পর সেগুলো নষ্ট করা খুবই দুঃখজনক। গাছগুলো বড় হলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পথচারী ও যাত্রীদেরও উপকার হবে। যারা এ কাজ করেছে, তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হওয়া 

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


নেছারাবাদে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গোলাম সরোয়ারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া গোলাম সরোয়ার নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বরছাকাঠী এলাকার মৃত হাবিব গোমস্তার ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বরছাকাঠী এলাকায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে বেড়া দেওয়ার ঘটনায় বাদী মো. মাসুদুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৩ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাদীর ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানিয়া বেগম চলাচলের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা তার পথরোধ করে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একপর্যায়ে আসামিরা ওই নারীকে মারধর করেন। ১ নং আসামি গোলাম সরোয়ার তাকে পেটে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেন এবং পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার হাতে থাকা এক জোড়া বালা, যার ওজন আনুমানিক এক ভরি ও মূল্য প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে তার স্বামী তাকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী মো. মাসুদুর রহমান নেছারাবাদ থানায় গোলাম সরোয়ারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১ নং আসামি গোলাম সরোয়ারকে গ্রেপ্তার করে।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামি গোলাম সারোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের উন্নয়ন ভাবনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের উন্নয়ন ভাবনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

সন্দ্বীপের উন্নয়ন নিয়ে, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান এবং সন্দ্বীপের কৃতী সন্তান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সভাটি বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ হলরুমে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হয়। সভায় সন্দ্বীপে কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন, ইলেকট্রনিক এবং মোজো সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহসভাপতি এম এ হাশেম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন।

সভায় বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সন্দ্বীপ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, এবং সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা, সহ বিভিন্ন অনলাইন ও মোজো সাংবাদিকরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন উল্লেখ করেন, “সন্দ্বীপের উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। আপনাদের লেখনির মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। জনগণও বস্তুনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক সংবাদ প্রত্যাশা করে।”

তিনি আরও বলেন, সন্দ্বীপের উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন। সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সিডিএ চেয়ারম্যান জানান, নৌরুটের সমস্যা সমাধানের জন্য বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্টদের অবহিত করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সন্দ্বীপবাসীর নৌযাতায়াতের সুবিধার্থে দ্রুত একটি সি-ট্রাক দেওয়ার বিষয়ে নৌ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথা জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা সন্দ্বীপের যোগাযোগব্যবস্থা, নৌরুটের সংকট, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় সমস্যা ও জনদুর্ভোগসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় সন্দ্বীপের সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%