সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৩ পি.এম
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত ও কার্যকর করতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আদালত সহায়তা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, মানব পাচার এবং চোরাচালান নিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন হাওলাদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানস বিশ্বাস এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হক। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ, সেক্রেটারি মাওলানা আবু তাহের, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান বাদশা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সভাপতি মীর মোহাম্মদ ইসমাইল, যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফয়সাল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সন্দ্বীপ শাখার সভাপতি ইলিয়াছ সুমন, যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, উপজেলা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান ও সদস্য সচিব কামরুল হাসান।
এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা সমন্বয়ক ফরহাদ, ছাত্রশক্তির নেতা শরীফ হাসান হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে আন্তঃসমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি রাস আল খাইমাহ (আরএকে) চেম্বারের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকটি গত ২৭ আগস্ট শনিবার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন বিনিয়োগ সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ আগামী নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ চলাকালীন বাংলাদেশ সফরের জন্য আরএকে চেম্বারের চেয়ারম্যান এবং তার পুরো দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।
এ সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে আরএকে চেম্বারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আল নুয়াইমি বিশেষভাবে বাংলাদেশের বিকাশমান ঔষধ শিল্প এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, মেনা ও জিসিসি অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ঔষধ কোম্পানি জুলফার গালফ ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের ঔষধ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখতে ডিউ ডিলিজেন্স বা যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে পারে।
বিশেষ করে, বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যে প্রস্তাবিত ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সিইপিএ চূড়ান্তকরণের আলোচনা বর্তমানে সঠিক পথে এগোচ্ছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে একটি বড় 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে কাজ করবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আমিরাতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এবং দুবাই কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশিষ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, আরএকে চেম্বারের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আল নুয়াইমি, আরএকে চেম্বারের প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ এম. ইসমাইল আলব্লোশি, মহাপরিচালক ড. রাশেদ খালফান আল নুয়াইমি এবং ডেপুটি ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান আল সাবাব আল তেনেইজি প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থায়ীভাবে শেফিল্ড ইউনাইটেডে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর প্রথমবার মাঠে নেমে জয় অর্জন করলেন বাংলাদেশি ফুটবলার হামজা চৌধুরী। মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে চলতি মৌসুমে প্রথম জয় তুলে নিল শেফিল্ড।
ব্রামাল লেনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে হামজা শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন। তবে ঘরের মাঠে খেলার শুরুতেই ধাক্কা খায় শেফিল্ড। ম্যাচের প্রথম মিনিটে জাভিয়ার সিমন্সের গোলে বোল্টন এগিয়ে যায়।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর স্বাগতিকদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি বেশি সময়। তিন মিনিটের মধ্যে শেফিল্ড সমতায় ফেরে। এরপর প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলে দুই দল ১-১ সমতায় বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও এগিয়ে যায় বোল্টন। সফরকারীদের হয়ে স্যাম ডাল্বি দ্বিতীয় গোলটি করেন। কিন্তু এক মিনিট পরই শেফিল্ড আবারও সমতা ফিরিয়ে আনে। প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের গোলে স্কোরলাইন ২-২ হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে শেফিল্ডকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন রোমেলে ডোনোভান। তার জয়সূচক গোলে ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। শেফিল্ড ৫৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখলেও বোল্টনের দখলে ছিল ৪৭ শতাংশ। স্বাগতিকরা মোট ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে তিনটি থেকে গোল হয়। অন্যদিকে, বোল্টন ২১টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারে মাত্র পাঁচটি, গোল হয়েছে দুটি।
মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে শেফিল্ড অপরাজিত থাকলেও কোনো জয় পায়নি, তিনটি ম্যাচই শেষ হয়েছিল ড্রয়ে। চতুর্থ ম্যাচে এসে অবশেষে জয়খরা কাটল দলটির। আর শেফিল্ডে স্থায়ী চুক্তির পর প্রথম ম্যাচেই সেই জয়ের সাক্ষী হলেন হামজা চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি ভূইভোড় সাংবাদিক সংগঠনের নামের সিলেট জুড়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিক ধারি কথিত ফেসবুক লাইভাররা। সম্প্রতি ০১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (মঙ্গলবার) গোলাপগঞ্জস্থ সানরাইজ হল রুমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি সংগঠনের বিভিন্ন ফেসবুক লাইভারের মাধ্যমে কমিটি প্রকাশ করে থাকে যা গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন অনলাইন ও স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অবগগত বা জড়িত নয়। ইতিপূর্বের গোলাপগঞ্জের দুটি প্রেসক্লাব গ্রুপের বিরোধ নিস্পত্তি হয়ে দুটি ক্লাব ঐক্য হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, হালনাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে একটি লাইভার চক্র হাতের হলুদ সাংবাদিকতা গোলাপগঞ্জে বলবত রাখতে এরা গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কমিটি ঘোষণা দিয়ে গোলাপগঞ্জ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে।
গোলাপগঞ্জের মূলধারার সাংবাদিকদের দাবি, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে গোলাপগঞ্জের একমাত্র মূল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তাদের অভিযোগ, মূল প্রেসক্লাবে স্থান না পেয়ে একটি পক্ষ নিজেদের মতো করে কমিটি ঘোষণা করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
মূলধারার সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন,ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, পেশাদার ও কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য, গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত কমিটি গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর কোনো কমিটি বা প্রচারণায় কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিগগিরই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল কমিটি গঠন করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পৃথিবী আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করবে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদিও দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ শূন্যের স্তরে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়, তথাপি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় তাপমাত্রা ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতির ফলে হিমবাহ, বরফস্তর এবং তুষারপাতের ব্যাপক পরিবর্তনসহ মারাত্মক জলবায়ু বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে বিশ্ব। ২১০০ সালের মধ্যে হিমবাহগুলো তাদের এক-চতুর্থাংশ ভর হারাতে পারে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৯ থেকে ১২.৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়াতে পারে এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সৃষ্টি করবে। গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু এই পরিস্থিতির একটি নির্মম উদাহরণ।
ইউএনইপি-র নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসন সতর্ক করে বলেছেন, ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে গেলে কোনো ইতিবাচক পরিণতি আশা করা যায় না। চরম তাপপ্রবাহ বর্তমানে জলবায়ুর প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সাম্প্রতিক দাবদাহ ও বন্যাকে ভবিষ্যতের অশনিসংকেত হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে প্রবাল প্রাচীরের ধ্বংস, দাবানল এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো অপরিবর্তনীয় ক্ষতি ঘটবে। অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ডের বরফ এবং আমাজনের মতো প্রাকৃতিক ব্যবস্থাগুলো চিরতরে পরিবর্তিত হতে পারে।
‘লিমিটিং ওভারশুট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে অবিলম্বে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর পাশাপাশি বাতাস থেকে কার্বন সরিয়ে ফেলার (সিডিআর) কোনো বিকল্প নেই।
তবে ইউএনইপি হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, দেশগুলোর বর্তমান জলবায়ু প্রতিশ্রুতি মোটেও যথেষ্ট নয়। ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন কমার পরিবর্তে স্থির থাকার আশঙ্কা রয়েছে, যা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক দূরে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ