০৬:৩৫ পি.এম
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য কোনো সড়ক নেই। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হয় ভাঙাচোরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে। সামান্য বৃষ্টিতে পাশের পুকুরের পানি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঢুকে যায়। এর ফলে বছরের প্রায় ছয় মাস জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক চলাচল ও পাঠদান ব্যাহত হয়।
এই পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে, এবং ঝরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। গত এক বছরে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ থেকে কমে ১২০ জনে নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও যাতায়াতের দুর্ভোগ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো হয়নি।
জানা গেছে, কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। দীর্ঘ দুই দশক পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। কোমলমতি শিশুদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙাচোরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো পারাপারের সময় মাঝে মাঝে নিচে পড়ে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
শুধু যাতায়াতের দুর্ভোগ নয়, বিদ্যালয়টির আরেকটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই পাশের পুকুরের পানি ঢুকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ তলিয়ে যায়। বছরের প্রায় ছয় মাস বিদ্যালয়টি পানিতে ডুবে থাকে। এতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল ও পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, গত ২১ বছর ধরে তারা এই দুর্ভোগের শিকার। বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান বলেন, "বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।" তিনি এ বিষয়ে সমস্যা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন